Current WORLD
This page may help you about your general knowledge. This page will contain the significant news portion of the current world.
10/05/2014
দুর্ঘটনায় হৃৎপিণ্ড উল্টে বাম থেকে ডানে ! .............
এক মোটর সাইকেল দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরার পর চিকিৎসকরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছেন দুর্ঘটনাকবলিত ওই ব্যক্তির হৃৎপিণ্ডটি উল্টে বাম দিক থেকে ডান দিকে চলে এসেছে।
নিউ ইংল্যান্ড মেডিসিনের জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ৪৮ বছর বয়স্ক লোকটির চিকিৎসা শুরু করার পর তার হৃদস্পন্দন পরীক্ষার জন্য একটি এক্স-রে এবং ক্যাট স্ক্যান করান। পরে রিপোর্টেই ধরা পরে যে ওই রোগীর হৃত্পিণ্ডটি দেহের বাম পাশ দিক থেকে ৯০ ডিগ্রি পরিমাণ ডান দিকে চলে এসেছে।
পুরো ঘটনাটিকে চিকিৎসকরা আখ্যায়িত করছেন বেশ মজার বিষয় হিসেবে। হৃৎপিণ্ড উল্টে বিপরীত দিকে চলে আসার পরেও লোকটি কিভাবে বেঁচে আছেন তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা।
তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় কোন হৃৎপিণ্ডটির এই অবস্থা হয়নি বরং ফুসফুসে আঘাত লাগার কারণে সৃষ্ট বায়ু চাপের জন্য হৃত্পিণ্ডটি ডান দিকে ঘুরে গিয়েছিল। বিষয়টি লক্ষ্য করার পর চিকিৎসকরা বায়ুচাপ সরিয়ে দেয়া মাত্রই হৃত্পিণ্ডটি আবার মূল জায়গায় ফিরে আসে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
05/05/2014
ইন্টারনেটের স্বাধীনতা নিয়ে দুনিয়াজুড়ে চর্চা হচ্ছে৷ বিভিন্ন দেশের সরকার ইন্টারনেট পরিষেবায় নজরদারি চালাচ্ছে৷ এনিয়ে সেই সব দেশের সরকারে সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ বাড়ছে৷ এই পরিস্থিতিতে একটি নতুন প্রযুক্তির উদয় হচ্ছে৷ এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই এবার কোনো রকম ইন্টারনেট ছাড়াই চলবে মোবাইল চ্যাট৷ বিনা ইন্টারনেটেই এখন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে৷ যুগান্তকারী এই প্রযুক্তি শিগগির হাতের মুঠোর পেয়ে যাবেন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা৷
এই নয়া প্রযুক্তির নাম ‘মেশ নেটওয়ার্ক’৷ এই নেটওয়ার্কের সুবিধা রয়েছে, যা দুনিয়ায় একটা বিপ্লব ঘটাতে চলেছে৷ ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে দুরসঞ্চার দুনিয়ার মানুষজন ইন্টারনেটে মুখ্য ধারায় জুড়ে যাবে৷ এরজন্য কোনো রকম ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন পড়বে না৷
বাস্তবে দেখা গিয়েছে, জঙ্গল ও প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার থাকে না৷ অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্থানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্লক করে দেওয়া হয়৷ এই সময় চ্যাট এবং মেসেজ পাঠানো সমস্য হয়ে যায়৷ এবার ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ এই সমস্যা সহজেই সমাধান করতে চলেছে৷
মেশ নেটওয়ার্ক আসলে কী?
বাস্তবে দেখা যায়, আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেলপথে মোবাইলের সিগন্যাল হারিয়ে যায়৷ মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটের মূলধারার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়ে থাকে৷এই মেশ নেটওয়ার্কের ক্ষমতাও অনেকটা বেশি৷সহজ কথা মেশ নেটওয়ার্ক অনেকটা সাইকেলের চাকার মতো৷ যার প্রত্যেকটি স্পক একটি কেন্দ্রীয় বিন্দুতে গিয়ে যুক্ত৷ মেশ নেটওয়ার্কের ওই কেন্দ্রীয় বিন্দু মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এবং কমপিউটারের সরবরাহ করে৷ যদি আপনার ফোনে মোবাইলে সিগন্যাল না থাকে, তবে আপনি মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্য মোবাইলে মেসেজ করতে পারবেন৷
মেশ নেটওয়ার্কের নিজস্ব কোনো সেন্ট্রাল কানেকশন বিন্দু থাকে না৷ তা সত্বেও এই নেটওয়ার্কের এক একটু দন্ড না তরঙ্গ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্র্যান্ড নোডের মতো কাজ শুরু করে৷ ফলে, খুব ভাল নেটওয়ার্ক রেঞ্জ পাওয়া যায় অন্য মোবাইলে৷ এর ফলে কোনো রকম মুখ্যধারার নেটওয়ার্ক ছাড়াই যেকোনো নেটওয়ার্কের মোবাইলে মেসেজ করা সম্ভব৷
এই নেটওয়ার্ক কি কাজ করছে?
ফায়ারচ্যাট নামে একটি অ্যাপ অনেকটা এই নেটওয়ার্কের কাজ করছে৷ ফায়ারচ্যাট গত মার্চ মাসেই ওয়েব দুনিয়ার আত্মপ্রকাশ করেছে৷ এই অল্প সময়ের মধ্যে লাখো মানুষ এই অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করেছে৷এই মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি সহজেই মেসেজ, ফটো এবং ভিডিও পাঠাতে পারবেন৷ খুব শিগগির জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরাও মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চ্যাট করতে পারবেন৷ এই অ্যাপটি সম্প্রতি অ্যান্ডয়েড মোবাইলেও যুক্ত কার হয়েছে৷ ফলে, যেকোনো দিন আপনিও কোনো মোবাইলের সিগন্যাল ছাড়াই মেসেজ, ছবি পাঠাতে পারবেন৷
এই নয়া প্রযুক্তির নাম ‘মেশ নেটওয়ার্ক’৷ এই নেটওয়ার্কের সুবিধা রয়েছে, যা দুনিয়ায় একটা বিপ্লব ঘটাতে চলেছে৷ ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে দুরসঞ্চার দুনিয়ার মানুষজন ইন্টারনেটে মুখ্য ধারায় জুড়ে যাবে৷ এরজন্য কোনো রকম ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন পড়বে না৷
বাস্তবে দেখা গিয়েছে, জঙ্গল ও প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার থাকে না৷ অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্থানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্লক করে দেয়া হয়৷ এই সময় চ্যাট এবং মেসেজ পাঠানো সমস্য হয়ে যায়৷ এবার ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ এই সমস্যা সহজেই সমাধান করতে চলেছে৷- ওয়েবসাইট।
04/05/2014
প্রাণ রক্ষায় আসাম ছাড়ছেন মুসলমানরা.......
উগ্রপন্থীদের হামলা থেকে নিজেদের প্রাণ রক্ষায় ভারতের আসাম রাজ্য ছাড়ছে বাংলাভাষী মুসলমান ও বোদো সম্প্রদায়। আরো সহিংসতা হতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা আসাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানা যায়।
শুক্র ও শনিবারের হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩২ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত হাজারো বাংলাভাষী মুসলমান আসাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
সহিংসতা প্রতিরোধে আক্রান্ত কোঁকরাঝাড়, বাকশা ও চিড়ং জেলায় কারফিউ জারি ও অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হলেও গ্রামবাসী ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় আবারো হামলা করতে পারে উগ্রপন্থীরা।
পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল এসএন সিং জানান, সহিংসতার ভয়ে এ পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার গ্রামবাসী পালিয়ে গেছে।
তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত ২০ সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সেনা টহল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া মোতায়েন রয়েছে বিএসএফসহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বাহিনী। খুব শিগগিরই দেশটির কেন্দ্রীয় বাহিনীর ১০টি কোম্পানি রাজ্যে এসে পৌঁছাবে বলে পুলিশ ইনসপেক্টর জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভয়ে আসাম ত্যাগ রোধে সরকার যথাযথ প্রচেষ্টা চালালেও আবারো হামলায় ভয়ে ২৫ টি বোদো পরিবার কোঁকরাঝড় থেকে দুবরি জেলার মুসলিম অধ্যুষিত ফকিরাগ্রামে আশ্রয় নিয়েছে।বাঙালি মুসলিমদেরও মালপত্র নিয়ে ফকিরাগ্রামের দিকে ছুটতে দেখা যায়।
পুলিশ দাবি করেছে, নির্বাচনকে ঘিরে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএফবি) এই হামলা চালিয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
80070