Friday Express

Friday Express

Share

“Empowering parents, promoting healthy habits for children, and guiding communities with knowledge, health tips, lifestyle advice, and awareness. B. C.

04/07/2026

Post: 61
ভদ্রতার মুখোশের আড়ালে নরপিশাচ: ইসলাম ও আমাদের পারিবারিক বাস্তবত

আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা বাইরে নিজেদের ভীষণ শিক্ষিত, মার্জিত এবং ভদ্র বলে দাবি করেন। কিন্তু এই ভদ্রতার মুখোশের আড়ালে বাস করে এক ভয়ঙ্কর নরপিশাচ! যাদের হাত কিংবা মুখের কটু শব্দে ঘরের চার দেয়ালের ভেতর ক্রমাগতভাবে নির্যাতিত হয়ে আসছে হাজারো অসহায় মানুষ।

বাইরে পরম ধার্মিক বা সজ্জন সাজা এই বহুরূপী আর মুনাফিকদের চিনে রাখা এবং তাদের থেকে দূরে থাকা আজ সময়ের দাবি। কারণ, ইসলাম ঘরের ভেতরে অত্যাচার করে বাইরে ভদ্র সাজার এই দ্বিচারিতাকে কঠোরভাবে নিন্দা করে।

আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো—পারিবারিক শান্তি রক্ষায় এবং এই ধরনের মুখোশধারী আচরণ থেকে বাঁচতে ইসলাম আমাদের কী শিক্ষা দেয়।

🕊️ ইসলামে পারিবারিক সম্পর্ক: ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার বন্ধন

পরিবারের শান্তি নির্ভর করে পারস্পরিক দয়া, ক্ষমা এবং সুসম্পর্কের ওপর। কোনো অবস্থাতেই পরিবারে সহিংসতা, মারধর বা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনকে ইসলাম সমর্থন করে না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ এবং পবিত্র কুরআনের আয়াত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পরিবারে যেকোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক সহিংসতা ইসলামের মূল চেতনার পরিপন্থী।

১. স্ত্রীর ওপর হাত তোলা বা মারধর করা সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

ইসলামে বৈবাহিক সম্পর্ককে অত্যন্ত পবিত্র এবং ভালোবাসার বন্ধন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এর উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বলেছেন:

>> "আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমরা যাতে তাদের কাছে প্রশান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আর-রূম, আয়াত: ২১)

>> এই আয়াতে স্পষ্ট যে, #দাম্পত্যজীবনের মূল ভিত্তি হলো #প্রশান্তি, ভালোবাসা ও দয়া। মারধর বা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন কখনোই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে না, বরং তা সংসারে অশান্তি ও ঘৃণা ডেকে আনে।

>> রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ: মহানবী (সা.) তাঁর সারা জীবনে কখনো কোনো নারী বা স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেননি। তিনি পুরুষদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যিনি তার পরিবারের (স্ত্রীর) কাছে সর্বোত্তম। আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের চেয়ে উত্তম।" (সুনানে তিরমিযী)

>> ভুল ধারণার অবসান: পবিত্র কুরআনের সূরা আন-নিসার একটি আয়াত (৩৪ নম্বর আয়াত) ভুল ব্যাখ্যার কারণে অনেকে মনে করেন স্ত্রীকে মারার অনুমতি আছে। কিন্তু ইসলামি স্কলারদের মতে, সেখানে চরম অবাধ্যতার ক্ষেত্রে একদম শেষ উপায় হিসেবে কেবল প্রতীকী ও মৃদু সতর্ক করার কথা বলা হয়েছে, যা মূলত সংশোধনের জন্য একটি মনস্তাত্ত্বিক পদক্ষেপ—কোনো শারীরিক নির্যাতনের লাইসেন্স নয়।

২. বড় ছেলে-মেয়েদের মারধর করার ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

সন্তানদের লালন-পালনের ক্ষেত্রে ইসলাম ধৈর্যের পরিচয় দিতে বলেছে। বিশেষ করে সন্তানরা যখন বড় হয়ে যায় (বয়ঃসন্ধিকাল বা তার পরে), তখন তাদের শাসন করার নামে মারধর করা হিতে বিপরীত হতে পারে।

>> ব্যক্তিত্বে আঘাত: বড় ছেলে-মেয়েরা যখন বুঝতে শেখে, তখন তাদের গায়ে হাত তুললে তাদের আত্মমর্যাদা এবং ব্যক্তিত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। এটি তাদের মনে বাবা-মার প্রতি ক্ষোভ ও দূরত্ব তৈরি করে।

>> নরম ভাষায় উপদেশ দেওয়া: আল্লাহ তাআলা যেখানে ফেরাউনের মতো অহংকারী শাসকের কাছেও মুসা (আ.)-কে নরম ভাষায় কথা বলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেখানে নিজের সন্তানকে বোঝানোর জন্য মারধর কখনোই সঠিক পথ হতে পারে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:"তোমরা সন্তানদের স্নেহ করো এবং তাদের উত্তম শিষ্টাচার শেখাও।" (ইবনে মাজা)

>> বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক: সন্তান বড় হলে তাদের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করা উচিত। শাসন হবে ভালোবাসার, ভয়ের নয়।

⚠️ কেন এই বহুরূপী আচরণ বর্জন করা উচিত?

>> মুনাফিকি আচরণ: বাইরে মানুষের সামনে ভালো সেজে ঘরে এসে নিজের দুর্বল পরিবারের ওপর অত্যাচার করা চরম মুনাফিকি। আল্লাহ মানুষের ভেতরের এবং বাইরের—সব রূপই দেখেন।

>> পারিবারিক শান্তি বিনষ্ট হয়: যে ঘরে মারধর বা চিৎকার-চেঁচামেচি হয়, সেখান থেকে আল্লাহর রহমত ও বরকত দূর হয়ে যায়।

>>সন্তানদের ওপর মানসিক প্রভাব: বাবা-মাকে সহিংস আচরণ করতে দেখলে সন্তানরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবন ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

>>আল্লাহর দরবারে জবাবদিহিতা: স্বামী বা বাবা হিসেবে পুরুষদের পরিবারের দায়িত্বশীল বানানো হয়েছে তাদের রক্ষা ও যত্ন করার জন্য, অত্যাচার করার জন্য নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমাদের প্রত্যেকেই রাখাল (দায়িত্বশীল) এবং প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে।" (সহীহ বুখারী)

💡 শেষ কথা

ইসলামের মূল বাণী হলো শান্তি ও সুন্দর আচরণ। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর প্রতি এবং পিতা হিসেবে বড় সন্তানদের প্রতি সবসময় ধৈর্য, সহনশীলতা ও ভালোবাসার আচরণ করাই সুন্নাহ। রাগ বা ক্ষোভের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করাই প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। পরিবারকে সুন্দর রাখতে হলে লাঠি বা হাতের জোর নয়, বরং সুন্নতি আদর্শ ও ভালোবাসার বন্ধন মজবুত করা জরুরি।

আসুন, এই বহুরূপী ও মুখোশধারী মানসিকতা থেকে নিজে দূরে থাকি এবং সমাজকে সচেতন করি।


#পারিবারিক_শান্তি #সচেতনতা

29/06/2026

Post: 60
পৃথিবীর বুক কাঁপানো ৫ জন মহাশক্তিশালী নারী ও ৫ জন বীর পুরুষ! 🔥

পৃথিবীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এমন কিছু অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এসেছেন যারা নিজেদের অদম্য মেধা, অসীম সাহসিকতা আর নেতৃত্বের শক্তিতে ইতিহাসের গতিপথ চিরতরে বদলে দিয়েছেন। আজ জানবো এমন ৫ জন বীর নারী (যার মধ্যে মুসলিম ইতিহাসের মহিয়সীরাও আছেন) এবং ৫ জন অপরাজেয় পুরুষের কথা!

👑৫ জন মহাশক্তিশালী ও সাহসী নারী-

১. সুলতানা রাজিয়া (Sultana Razia) — দিল্লি সালতানাত (১২০৫ – ১২৪০)

মেধা ও শক্তি: তিনি ছিলেন দিল্লির প্রথম এবং একমাত্র নারী মুসলিম শাসক। তাঁর পিতা ইলতুতমিশ তাঁর ভাইদের চেয়ে রাজিয়াকে যোগ্য মনে করে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী করেছিলেন।

সাহসিকতা ও কাজ: তৎকালীন কট্টর সমাজব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি পুরুষ সেজে, হাতিতে চড়ে যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি সৈন্য পরিচালনা করতেন। তাঁর রণকৌশল, তীক্ষ্ণ মেধা এবং সাহসিকতা তৎকালীন পুরো ভারতীয় উপমহাদেশকে চমকে দিয়েছিল।

২. শাজারাত আল-দুর (Shajar al-Durr) — মিশর (মৃত্যু: ১২৫৭)

মেধা ও শক্তি: তিনি ছিলেন মিশরের মামলুক সালতানাতের একজন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং চতুর নারী সুলতান।

সাহসিকতা ও কাজ: সপ্তম ক্রুসেডের সময় যখন মিশরের সুলতান (তাঁর স্বামী) মারা যান, তখন দেশের মনোবল ধরে রাখতে তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সেই মৃত্যুসংবাদ গোপন রাখেন এবং নিজেই গোপনে সেনাপতির দায়িত্ব নিয়ে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করেন। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মিশরের রানি হন।

৩. রানি বুদিকা (Boudica) — প্রাচীন ব্রিটেন (খ্রিস্টাব্দ ৬০/৬১)

মেধা ও শক্তি: প্রাচীন ব্রিটেনের আইসেনি উপজাতির এক অদম্য রানি, যিনি ছিলেন অসম্ভব শারীরিক শক্তি ও রণকৌশলগত মেধার অধিকারী।

সাহসিকতা ও কাজ: তৎকালীন অপরাজেয় রোমান সাম্রাজ্যের অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি একাই রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি বিশাল বাহিনীকে একত্রিত করে রোমানদের বিরুদ্ধে ভয়ংকর বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং রোমান বাহিনীকে কাঁপিয়ে দেন।

৪. জোয়ান অব আর্ক (Joan of Arc) — ফ্রান্স (১৪১২ – ১৪৩১)

মেধা ও শক্তি: ফ্রান্সের এক অতি সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণীর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সামরিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু ছিল রণকৌশল বোঝার অলৌকিক মেধা।

সাহসিকতা ও কাজ: মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি ফরাসি বাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন এবং অবরুদ্ধ অরলিন্স শহরকে মুক্ত করে ফরাসিদের মনে স্বাধীনতার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন।

৫. রানি প্রথম এলিজাবেথ (Elizabeth I) — ইংল্যান্ড (১৫৩৩ – ১৬০৩)

মেধা ও শক্তি: তাঁর প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তিনি চারিদিকের শত্রু পরিবেষ্টিত ইংল্যান্ডকে সামলেছিলেন। তাঁর শাসনকালকে ইংল্যান্ডের ইতিহাসের "স্বর্ণযুগ" বলা হয়।

সাহসিকতা ও কাজ: তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনী স্প্যানিশ আর্মাডাকে (Spanish Armada) পরাস্ত করার পেছনে তাঁর সাহসিকতা ও রণকৌশল ছিল প্রধান চালিকাশক্তি।

⚔️ ৫ জন মহাশক্তিশালী ও সাহসী পুরুষ

১. মহান আলেকজান্ডার (Alexander the Great) — প্রাচীন মেসিডোনিয়া (খ্রিস্টপূর্ব ৩৫৬ – ৩২৩)

মেধা ও শক্তি: ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামরিক দূরদর্শী ও অপরাজেয় সেনাপতি। মাত্র ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি প্রাচীন বিশ্বের একটি বিশাল অংশ জয় করেছিলেন।

সাহসিকতা ও কাজ: তিনি কোনো যুদ্ধে কখনো পরাজিত হননি। পারস্য সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে ভারতের সীমান্ত পর্যন্ত প্রতিটি যুদ্ধের সম্মুখভাগে থেকে তিনি সৈন্যদের নেতৃত্ব দিতেন।

২. জুলিয়াস সিজার (Julius Caesar) — প্রাচীন রোম (খ্রিস্টপূর্ব ১০০ – ৪৪)

মেধা ও শক্তি: একাধারে চৌকস সামরিক জেনারেল, তুখোড় বক্তা এবং অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক। রোমান প্রজাতন্ত্রকে একটি বিশাল সাম্রাজ্যে রূপান্তর করার মূল কারিগর ছিলেন তিনি।

সাহসিকতা ও কাজ: ফ্রান্স ও জার্মানি আক্রমণ করার মতো দুঃসাহসিক সামরিক অভিযান তিনি সফলভাবে পরিচালনা করেন। তাঁর ক্ষিপ্রতা ও বীরত্ব রোমের ইতিহাসকে বদলে দিয়েছিল।

৩. চেঙ্গিস খান (Genghis Khan) — মঙ্গোলিয়া (১১৬২ – ১২২৭)

মেধা ও শক্তি: যাযাবর মঙ্গোল উপজাতিগুলোকে একত্রিত করে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত 'মঙ্গোল সাম্রাজ্য' প্রতিষ্ঠা করেন।

সাহসিকতা ও কাজ: শূন্য থেকে শুরু করে চরম প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি এশিয়া এবং ইউরোপের এক বিশাল অংশ নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। তাঁর অদম্য শক্তি ও কঠোর মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধকৌশল পুরো পৃথিবীকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

৪. সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (Salahuddin Al-Ayyubi) — মধ্যপ্রাচ্য (১১৩৭ – ১১৯৩)

মেধা ও শক্তি: আইয়ুবীয় রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ ও রণকুশলী সুলতান। সামরিক মেধার পাশাপাশি তাঁর কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও মানবিকতা ছিল অতুলনীয়।

সাহসিকতা ও কাজ: ক্রুসেডারদের হাত থেকে জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করার জন্য তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। হাত্তিনের যুদ্ধে অসাধারণ রণকৌশল খাটিয়ে তিনি ইউরোপের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেন।

৫. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট (Napoleon Bonaparte) — ফ্রান্স (১৭৬৯ – ১৮২১)

মেধা ও শক্তি: আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামরিক মেধার অধিকারী। একই সাথে তিনি সমাজ ও আইন সংস্কারে দারুণ মেধার পরিচয় দেন।

সাহসিকতা ও কাজ: স্রেফ নিজের মেধা ও সাহসের জোরে ফ্রান্সের সম্রাট হন। সমসাময়িক ইউরোপের প্রায় সবকটি বড় শক্তির সম্মিলিত জোটের বিরুদ্ধে একাই লড়াই করে বছরের পর বছর ফরাসি আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন।

💡 আপনার মতে এই তালিকায় আর কার নাম থাকা উচিত ছিল? কমেন্টে জানান! 👇



#ইতিহাস #বীরগাথা #সাহসীনারী #ক্ষমতা #অনুপ্রেরণা #ইতিহাসেরপাতাথেকে #জ্ঞানেরআলো #বাঙালিরাইটার #টপ১০ #ইতিহাসেরনায়ক

16/06/2026

Post: 56
Save yourself, save your children, save your family.

06/06/2026

Post: 54
বিজেপি গরু রক্ষা করছে নাকি একটি নির্দিষ্ট ধরনের ব্যবসা রক্ষা করছে

Want your business to be the top-listed Media Company in Akhaura?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Akhaura