Mufti Golam Rabbi Islam
আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় মুসলিম উম্মাহ�
03/10/2025
যে-যেভাবে সম্ভব দাওয়াতি কাজ করুন।
কে-কি বললো,কে কি ফতোয়া দিলো এগুলো দেখার সময় আপাতত আমাদের হাতে নেই।
জামায়াতে ইসলামী,ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাওয়াত থেকে আপনার শত্রুও যেন বাদ না-পড়ে।
চায়ের আড্ডায় দাওয়াতি কাজ,বাড়িতে মেহমান আসলে দাওয়াতি কাজ,কোথাও বেড়াতে গেলে দাওয়াতি কাজ,পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করে দাওয়াতি কাজ,বাহিরে বের হলে দাওয়াতি কাজ,প্রতিবেশীদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করুন।
মোটকথা আপনার ঘর থেকে শুরু করে সবখানেই জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাওয়াত পৌঁছে দিন।
27/09/2025
মিথ্যাচার করে,হিংসা করে,হামলা করে,মামলা দিয়ে,ফাঁসি দিয়ে কখনোই জামায়াতে ইসলামী কিংবা ইসলামী ছাত্রশিবিরকে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব নয় ইনশাআল্লাহ।
মিথ্যাচার করে জামায়াতে ইসলামীকে ঠেকানো যায়নি,বরং অসংখ্য তরুণ এই মিথ্যাচারের মাধ্যমেই জামায়াতে ইসলামীকে চিনেছে,এই কাফেলায় শামিল হয়েছে।
তাদের অনেকেই আজ শপথের কর্মী..
মামলা,হামলা,ফাঁসি দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে দমিয়ে রাখা যায় নি,বরং মাত্র ১৬ বছরের ব্যবধানে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের জনশক্তি তোমাদের ধারনারও বাহিরে পৌঁছে গেছে আলহামদুলিল্লাহ।
সুতরাং মিথ্যাচার,হামলা,মামলার পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আদর্শের রাজনীতি করুন।
রাজনৈতিক সহবস্থান তৈরি করুন।
এতে ইসলাম,দেশ উপকৃত হবে।
"আত্মসমালোচনা"
আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনেই যোগ্য ব্যক্তিদেরকে প্রাথমিক নমিনেশন দিয়েছেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো,
বিভিন্ন আসনে জামায়াতে ইসলামী এমন ব্যক্তিকেও নমিনেশন দিয়েছেন, যেই আসনে জনগণের সাথে ঐ ব্যক্তির কোনো সম্পর্কই নেই।
নমিনেশন দেওয়া ব্যক্তি পড়ে থাকেন ঢাকায়,কিংবা লন্ডন বা অন্য কোথাও।
বছরে ২বার এলাকায় গিয়ে ভোটারদের সাথে কিভাবে পরিচিত হবে.?
বিভিন্ন এলাকার জনগণ জানেন'ই না যে,এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কে.?
যেমনঃ- আমি থাকি ঢাকা-১ আসন এলাকায়।
এখানে এমন একজন ব্যক্তিকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে, যিনি থাকেন লন্ডনে।
৬ মাসে একবার এসে ২দিন ঝটিকা মিছিল বা কোথাও দাঁড়িয়ে ২ মিনিট মাইকে ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে আবার উধাও হয়ে যান।
জনগণ তাকে চিনেন না,জানেন না...
ভোট দিবে কিভাবে.?
শুধুমাত্র ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক আমীরের মেয়ের জামাই বলেই আপনি এমপি হয়ে যাবেন.?
জনগণ আপনাকে ভোট দিবে.?
আরে ভাই আপনি হেরে যাবেন,সেই হেরে যাওয়াটাও যেন সম্মানজনক হয় সেই কাজটা করুন অন্তত।
আমি একটা লিষ্ট করতেছি পুরো দেশের।
যেখানে জামায়াতে ইসলামী থেকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে,কিন্তু তিনি ঢাকায় বা লন্ডনে গিয়ে পড়ে থাকেন।
জনগণের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই..
এই লিষ্ট কেন্দ্রে জমা দিবো,আর প্রশ্ন করবো,এই সব লোকদেরকে কোন যুক্তিতে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে.?
14/07/2025
এই তো বেশিদিন আগের কথা নয়,বছর পনেরো আগের কথা..
জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলদের সবারই তখন হেভি পাসপোর্ট, অনেকে বিদেশ সফরে আছেন সাংগঠনিক কাজে।
হাসিনা তখন জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলদেরকে ধরপাকড় শুরু করেছে।
যাদেরকে ধরেছে,তাদের সবাইকেই নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে।
পালানোর সময় বা অন্য বাসায় পালিয়ে থাকা অবস্থায় কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
আর কোনো দায়িত্বশীল হেভি পাসপোর্টের পাওয়ারে দেশ থেকে পালানোর চিন্তা মাথায়ও আনেন নি।
ঠিক সেই কঠিন সময়েই জামায়াতে ইসলামীর সর্বচ্চ সারির দায়িত্বশীল একজন বিদেশ সফরে আছেন,নাম হয়তো অনেকে জানেন,শহীদ মীর কাসেম আলী রহিমাহুল্লাহ।
দেশে থাকা দায়িত্বশীলগন তাকে ফোন দিলেন,বললেন "আপনি দেশে আসবেন না,আপনি দেশে আসলে ওরা আপনাকে বাঁচতে দিবেনা,আপনি আসবেন না।
তখন শহীদ মীর কাসেম আলী রহিমাহুল্লাহ জবাব দিলেন,আমি সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী রহিমাহুল্লাহর ভাষায়ই বলছি,মৃত্যুর ফয়সালা তো জমিনে হয় না,হয় আসমানে।
ঠিকই তিনি দেশে আসলেন,শহীদী পেয়ালা পান করলেন"
__নাওয়ারাল্লাহু মারকাদাহু..
সুতরাং যেই দলের দায়িত্বশীলরা পালায় না,বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসে শহীদ হন,সেই দলের দায়িত্বশীল,কর্মীদের বিরুদ্ধে কথা বলার ক্ষেত্রে সাবধান থাকবেন।
জামায়াতে ইসলামী পালায় না,এক আল্লাহ ছাড়া কারো কাছেই মাথা নত করে না।
জামায়াত,শিবির কি.?
তা হাসিনা ভালো করেই জানে।
মন চাইলে হাসিনার থেকে জেনে নিন নতুন ভাবে জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে।
দীর্ঘদিন জোটে ছিলাম,কঠিন মূহুর্তে সবাই আপনাদেরকে ছেড়ে গেলেও,জামায়াত আপনাদেরকে বিপদে ফেলে যায় নি।
আন্দালিব রহমান পার্থর মত নেতাও আপনাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো।
আমরা বিপদ দেখে পালাই না,আমরা মজবুত ভাবে এক আল্লাহর উপর আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।
রক্ত দেই,জীবন দেই,সন্তান এতীম হয়,স্ত্রী বিধবা হয়,মা সন্তানহারা হয়।
তবুও আমরা ভেঙে পড়ি না....
বিশেষ অনুরোধ..
আগামীকাল "মার্চ ফর গাজা" প্রোগ্রাম একেবারে দুপুরে।
যখন তীব্র রোদে দাড়িয়ে থাকতে প্রচুর কষ্ট হবে।
আগামীকাল দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ঢাকায় "মার্চ ফর গাজা"প্রোগ্রামে আসবেন।
তাই আগামীকালকের প্রোগ্রামে আসার সময় যদি সম্ভব হয় কিছু পানি নিয়ে আসবেন।
আমরাও চেষ্টা করছি আগামীকাল ঠান্ডা পানি বিতরণ করার জন্য।
প্রবাসী ভাইয়ের,দেশের বিত্তবান ভাইয়েরা আপনারাও চাইলে আপনার পরিচিতদের মাধ্যমে অন্তত কিছু পানি বিতরণে সহযোগিতা করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.