Hamim

Hamim

Share

আশা করি সবাই আমার পাশে থাকবেন

06/06/2026

স্ট্রবেরীর রাজ্য 🍓🍓

26/07/2025

গল্পের নাম: বাঁশির সুরে লেখা ভালোবাসা

নিসর্গপুর গ্রামের শেষ প্রান্তে একটা ছোট্ট কুঁড়েঘর। সেখানে থাকে এক বৃদ্ধ, নাম তার বাসু বাঁশিওয়ালা। সারাদিন মাঠে গরু চরায় আর সন্ধ্যে নামলেই বাঁশি বাজায়। তার বাঁশির সুর এত মায়াময় যে পাশের গ্রামের লোকজনও সেই সুর শোনার জন্য অপেক্ষা করে।

একদিন সন্ধ্যায়, বাসু বাঁশিওয়ালা যখন পুকুর পাড়ে বসে বাঁশি বাজাচ্ছিল, তখন হঠাৎ করে ঝোপের আড়াল থেকে একটা মেয়ে বেরিয়ে এলো। বয়স পঁচিশের কাছাকাছি। পরনে সাদা সালোয়ার কামিজ, চোখে একরাশ বিস্ময়। মেয়েটি ধীরে ধীরে এসে বলল,

— “আপনার এই সুরটা আমি কোথাও শুনেছি... আমার খুব চেনা লাগছে।”

বাসু চমকে উঠল। তারপর একটু হেসে বলল,

— “এই সুরটা আমার নিজের নয়, এটা আমি তেরো বছর আগে এক মেয়ের জন্য তৈরি করেছিলাম। সে হঠাৎ একদিন হারিয়ে গেল। তারপর থেকে আমি শুধু এই সুরটাই বাজাই। তুমি কে বলো তো?”

মেয়েটি এবার কিছুটা কাঁপা গলায় বলল,

— “আমি রূপা। আমি ছোটবেলায় নিসর্গপুরে থাকতাম, একটা দুর্ঘটনায় আমার স্মৃতি হারিয়ে গিয়েছিল। শহরে এক দম্পতি আমাকে খুঁজে পেয়ে দত্তক নেয়। কিছুদিন আগে হঠাৎ করে একদিন স্বপ্নে এই সুরটা শুনি, তারপর থেকেই এক অদ্ভুত টান অনুভব করছিলাম। অবশেষে আজ এখানে এলাম।”

বাসু বাঁশিওয়ালার চোখ ছলছল করে উঠল। সে ধীরে ধীরে মেয়েটির দিকে এগিয়ে গিয়ে তার কপালে হাত রাখল। তার কণ্ঠ ভারী হয়ে উঠল,

— “তুই যে আমার মেয়ে রূপা... তোর মা তোকে নিয়ে নদীর ধারে গিয়েছিল সেদিন, হঠাৎ ঝড় উঠলে তুই হারিয়ে গেলি। আমি প্রতিদিন বাঁশি বাজিয়ে তোর ফেরার অপেক্ষা করতাম... আজ তুই এলি মা।”

রূপা জড়িয়ে ধরল তার বাবাকে। আকাশে তখন পূর্ণিমার আলো, পুকুরের জলে বাঁশির সুর ভেসে বেড়ায়। নিসর্গপুর আবার তার এক হারানো রূপা কে ফিরে পেল।

চলবে.....

22/10/2022

🍁🍁🍁

02/10/2022

রাস্তা ছাড়েন প্লিজ। কই যাইবেন মিস?
ঔষুধ আনতে ভাই। আজ তোরেই চাই।
দোষটা কি আমার? তুই রসের খামার।

কইরেন না সর্বনাশ! এইটা আমার অভ্যাস!
অসুস্থ মা'টা বাসায়। আমার কি আসে যায়?
মানুষ ডাকবো কিন্তু৷ এখানে নাই জীব-জন্তু।

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দম! চুপ! কথা বলবি কম।
ছেড়ে দে জানোয়ার। মিটাই আশা একবার।
নাইরে তোর মা-বোন। চুপ! করবো কিন্তু খুন।
নরপিশাচ একটা তুই, আয় সর্বাঙ্গে তোর ছুঁই।
বাঁচাও,বাঁচাও,বাঁচাও। চেঁচাও জোরে চেঁচাও।

অতঃপর জানোয়ারটা পৈশাচিক আনন্দ মেতে ওঠে।অভুক্ত কুকুরের ন্যায় খাবলে খেতে থাকে মেয়েটার আপাদমস্তক।একটা সময় পর কুকুরটা ক্লান্ত হয়ে পরে।তারপর মেয়েটা গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে বলতে লাগলো,

একটু পানি যদি পাই, হারামজাদি পানি নাই।
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শ্বাস। কিছুক্ষন পর হবি লাশ!
জীবনটা দেন ভীক্ষা। পরে দিবি আমায় শিক্ষা।
ভুলে যাব ঘটনা সব। জানি পরে হবে কলরব!

কেউ জানবে না কিছু। শুধু পুলিশ নিবে পিছু।
চুপ থাকব আজীবন। ঘটাতে পারিস অঘটন!
শুধু ভিক্ষা চাচ্ছি প্রাণ! এখন নিবো তোর জান।

এভাবেই শত শত মা-বোনের প্রাণ রোজ হচ্ছে শেষ ;
ধর্ষক বেঁচে যায়,ধর্ষণ করে যায় এর নাম বাংলাদেশ।
ধর্ষণ

Want your business to be the top-listed Media Company in Barisal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Barisal