The Draft Media
TheDraftMedia is a digital agency. We connect with clients to drive their business outcomes with mode
19/01/2021
লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে অনেক বিষয় নিয়েই কাজ করতে হয় একজন লোগো ডিজাইনারের। আজকে কথা বলব কোন বিষয়গুলো একটি লোগোকে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে। আর সাথে লোগো ডিজাইনের কিছু বিষয় নিয়েও জানা হয়ে যাবে।
টাইপোগ্রাফিঃ টাইপোগ্রাফি হল একটি লোগোতে লেখা গুলোকে আমরা যেভাবে উপস্থাপন করি যাতে সেই লোগোটি সবার আকর্ষণ আনতে সক্ষম হয়, পরিষ্কার ভাবে ব্র্যান্ডকে উপস্থাপন করে এবং সনির্দিষ্ট ভাবে গঠিত হয়। শুধু এটির মাধ্যমেই একটি কোম্পানি সম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়া সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে কোম্পানির পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কেও একটি পরোক্ষ ধারণা পাওয়া যায়।
টাইপফেইসঃ এটি মূলত টাইপগ্রাফির লেখা গুলোকে বুঝায়। আমরা যাকে সাধারণত ফন্ট বলে থাকি সেটি হল টাইপফেইস। তাহলে ফন্ট কি? ফন্ট হল টাইপফেইসের সাইজ কত বড় বা ছোট, সেটি ইটালিক হবে নাকি রেগুলার হবে, সেটি কি বোল্ড হরফে হবে নাকি লাইট হবে এগুলোই মূলত টাইপফেইসের ফন্ট।
স্কেলিংঃ লোগোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এটি স্কেলেবল কিনা বা এর সাইজ বড় বা ছোট করা হলেও লোগোটি বুঝা যায় কিনা। যদি লোগো বুঝতেই পারা না যায় তাহলে ছোট বড় করলে তাহলে লোগোটি স্কেলেবল না বলা হয়ে থাকে। আর এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আপনার কোম্পানির বিশেষ প্রয়োজনে লোগোকে ছোট বা বড় করতে হতে পারে যেমন আপনার পণ্যের প্যাকেজিং বা কার্ডের জন্য প্রয়োজন হতে পারে লোগোকে ছোট করে ছাপানো কিন্তু ছোট করলে সেটি ভাল দেখাচ্ছে কিনা সেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই স্কেলিং লোগোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ভূমিকা রাখে কোম্পানিকে সুন্দর ভাবে প্রকাশ করার জন্য।
কালার বা রংঃ এটি নিয়ে আগেও কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম তবে একটি বিষয় বলা যায় যে একটি কোম্পানি কি ধরণের বা কোম্পানির মূল লক্ষ্য কি বিষয়ে তা লোগোর কালার বা কোম্পানির কালার প্যালেটের মাধ্যমে বুঝা যায়। রঙের বিশেষত্বই হল তা কাস্টোমারকে একটি কোম্পানির প্রতি পরোক্ষ ভাবে আকৃষ্ট করে তোলে যা কাস্টোমারও জানতে পারে না। কিন্তু সেটি খেয়াল রাখতে হয় একজন ডিজাইনারকে। কারণ লোগোটির মূল উদ্দেশ্যই হল কোম্পানিকে সঠিক ভাবে মানুষের ব্রেইনে নিয়ে যাওয়া।
নেগেটিভ স্পেইসঃ একটি বিষয় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা বুঝতে পারে না অনেক ডিজাইনাররাও তা হল সঠিক নেগেটিভ স্পেইস। নেগেটিভ স্পেইস বলতে ডিজাইনের মধ্যে খালি স্থানকে বুঝায়। একটি লোগোর ক্ষেত্রে নেগেটিভ স্পেইস থাকে তা এমন ভাবে নির্ধারণ করতে হয় যাতে করে তা বেশিও না হয় এবং কমও না হয়। অনেক ক্ষেত্রে কাস্টোম টাইপফেইসের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি অনেকে করে থাকে বা আইকনের ক্ষেত্রেও তা হতে পারে।
একটি লেখা দিয়ে শুধুমাত্র যেমন লোগো তৈরি করা যায় না ঠিক বিপরীত ভাবে একটি লেখা দিয়েই লোগো তৈরি করা যায়। কিন্তু কোন কোম্পানি বা ব্যবসার জন্য কি ধরণের লেখা বা টাইপফেইস দিতে হবে সেটি নির্ধারণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা কাস্টমারের সেই কোম্পানি এবং কোম্পানির পণ্যকে মনে রাখতে অনেকটাই সাহায্য করে। আর এই কারণেই একটি লোগো ডিজাইন একজন প্রফেশনাল ডিজাইনারকে দিয়ে করানো উচিত। হয়ত কিছু টাকা মনে হতে পারে একটি ডিজাইনের জন্য কিন্তু সেটি আপনার পুরো কোম্পানিকে প্রেজেন্ট করছে সবার সামনে। তাই এটিও ব্যবসার মতই গুরুত্বের সাথে করা উচিত।
09/01/2021
টেসলা মার্কেটিং স্ট্রেটেজি
টেসলা মার্কেটিং স্ট্রেটেজি
বর্তমানে টেসলা এবং ইলন মাস্ক এই দুই নাম শুনেনি এমন মানুষ পাওয়া ভার। ইলন মাস্ক হল টেসলা, স্পেইস এক্স, সোলার সিটি সহ আরো অনেক কোম্পানির মালিক এবং বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। আজকে ইলন মাস্ককে নিয়ে তেমন কথা বলব না আজ বলব টেসলা নিয়ে।
বর্তমান বিশ্বে ব্যবসার প্রসারের জন্য সবচেয়ে যেই বিষয়টি মানুষ গুরুত্ব দেয় তা হল মার্কেটিং। বড় বড় কোম্পানি তাদের পণ্যের জন্য বিভিন্ন এড বানিয়ে থাকে। যাতে করে সেটি আকর্ষনীয় এবং লোভনীয় হয় আর মানুষজনও যাতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে তাদের পণ্য কিনতে। কিন্তু টেসলা সাধারণত বড় কোম্পানি যেভাবে তাদের মার্কেটিং করে থাকে সেই দিকে যায়নি। তাদের ধরণটাই পুরোপুরি ভিন্ন করে ফেলেছে। এই ভিন্নতা যদিও বুঝতে গেলে দেখবেন এই পদ্ধতিতেও অনেক কোম্পানিই তাদের ব্যবসা করছে।
কিন্তু টেসলা কেন এত বড় কোম্পানিতে পরিণত হল?
তাহলে এবার সরাসরি আসা যাক মূল কথায়। অনলাইনের মধ্যেই ইলন মাস্কের টেসলার সবচেয়ে বড় মার্কেটিং হয়ে থাকে। আর এই সকল মার্কেটিং এর জন্য তিনটি সেক্টর প্রধান টার্গেট করা আছে।
১। ইউটিউব
২। টুইটার
৩। ব্লগ
এই তিনটির মাধ্যমে তাদের প্রচার সবচেয়ে বেশি করা হয়। তবুও একটু তো খটকা লেগেই থাকে। এগুলোতো সবাই ব্যবহার করে কিন্তু তাদের বিশেষত্ব কি?
প্রথমত টেসলা আগে মানুষের মাঝে প্রয়োজনীয়তাটা বুঝিয়েছে। তাদের গাড়ি কেন প্রয়োজন মানুষের। যেহেতু টেসলা ইলেক্ট্রিক কার তৈরি করে তাদের প্রধান বিষয়ই হল পরিবেশ দূষণ দূর করা। খুবই সহজ বিষয় কিন্তু এটিকে সবচেয়ে বড় বিষয় ভাবে দেখিয়েছে। আর অবশ্যই শুধুমাত্র পরিবেশের কথা মানুষকে বুঝিয়ে কাজ হবে না তাই মানুষের চাহিদাকে তারা তাদের পণ্যের মধ্যে তুলে এনেছে। যারা গাড়ি ব্যবহার করে তাদের দুইটি মূলত বিষয় প্রয়োজন স্পিড এবং ডিজাইন। তাদের গাড়ি করেছে অত্যাধুনিক ডিজাইনের এবং খুবই দ্রুতগামী যা বিশ্ব আলোড়ন সৃষ্টি করার জন্য অনেকটাই কার্যকর ছিল।
মার্কেটিং এর জন্য ইলন মাস্ক নিজের টুইটার ব্যবহার করতেন। তিনি প্রতিনিয়ত তাদের গাড়ির কি ধরণের পরিবর্তন হচ্ছে এবং কি কি নতুনত্ব আনা হচ্ছে তা নিয়ে লিখতেন আর যা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অনেকের প্রশ্নের উত্তর এই বিলিয়নিয়ার নিজেই দিতেন তার টুইটারের মাধ্যমে। এতে তাদের ইন্টারেস্ট আরো একধাপ এগিয়ে গিয়েছে।
ইউটিউবকে কিভাবে ব্যবহার করতেন। বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আছেন যাদেরকে টেসলা প্রোমোশন বা ইন্ডাস্ট্রি ট্যুরের জন্য আহবান জানানো হত। যেহেতু সেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের নিজস্ব ফেন বেইস আছে তাই তাদের মাধ্যমেই বলতে গেলে ফ্রি প্রমোশন হয়ে যায় টেসলা কোম্পানির। আর প্রায় যাদের কাছেই টেসলা আছে তাদের বিভিন্ন রিভিউ আর সুবিধার কথার মাধ্যমেই অন্য মানুষের কাছে টেসলার প্রমোশন হয়ে যায়। সাথে তো ব্লগাররা আছেই। তারা বিভিন্ন বিষয় নিউজ নিয়ে তাদের সাইটে ব্লগ করে যাচ্ছেন আর লাখ লাখ মানুষ সেগুলোর মাধ্যমে টেসলার বিশেষত্ব সম্পর্কে জানছে। যেমন আপনি যদি আগে না শুনে থাকেন এই যে এই পোস্টের মাধ্যমেই তাদের প্রচার হচ্ছে।
এরপর আসি আরেকটি মাধ্যম সেটি হল রেফার করা। টেসলাই একমাত্র কার কোম্পানি যার মধ্যে রেফারের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ গ্রহনের সুবিধা আছে। সেটি হতে পারে তাদের কোন পণ্য বা তাদের প্রমোশনাল কার প্রদর্শনীতে ফ্রিতে এন্ট্রি যা আসলেই সবার সৌভাগ্য হয় না। আর এই রেফারে দুইজনের জন্যেই কিছু না কিছু থাকেই। অর্থাৎ যে রেফার করছে সেও সুবিধা পাবে আর যে নতুন আসছে কাস্টোমার রেফারের মাধ্যমে সেও সুবিধা পাবে।
টেসলার আরো একটি সুবিধা দিচ্ছে তা হল আপনি টেসলা মোটরস শুধুমাত্র তাদের কাছেই পাবেন অর্থাৎ তাদের নিজস্ব সেলার বাদে অন্য কোন ডিলারের মাধ্যমে টেসলা কার সেল করে না। তাদের প্রত্যেক শোরুমে আপনি নিজে গিয়ে দেখে আসতে পারবেন তাদের নতুন ফিচার গুলো সাথে টেস্ট ড্রাইভিং তো থাকছেই ফ্রি। আর যেহেতু কোন ডিলারের মাধ্যমে তারা বিক্রয় করে না কোন এক্সট্রা টাকা যাওয়া বা সেলারের সাথে এক্সট্রা কমিশন নিয়েও চিন্তা করতে হয় না। যার মাধ্যমে তারা এপলের মতই সরাসরি কাস্টোমারদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছে।
আর একটি বিষয় কি জানেন টেসলা এত জনপ্রিয় হওয়ার পিছনে কিন্তু আসলে একটিই মাত্র কারণ বিদ্যমান তা হচ্ছে ইলন মাস্ক। ইলন মাস্কের জনপ্রিয়তা টেসলাকে আরো অনেক উঁচু মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। তার সাকসেস এর গল্প এবং তার ব্যর্থতার গল্প সবকিছু মিলেই সে নিজে একটি ব্র্যান্ড যার কারণে তার ভিশন গুলো একে একে বাস্তবে রুপ দিচ্ছে। তবে একটি বিষয় অবশ্যই ভুললে হবে না তা হল ইলন মাস্ক টেসলাকে নিয়ে যে কথা গুলো দিচ্ছে তা সে পূরণ করে দেখাচ্ছে এবং সে ধরণের প্রোডাক্ট মানুষকে দিতে পারছে বলেই মানুষও সেদিকে ঝুঁকছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chawkbazar
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 17:00 |
| Tuesday | 10:00 - 17:00 |
| Wednesday | 10:00 - 17:00 |
| Thursday | 10:00 - 17:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 10:00 - 17:00 |