Smart Health Proposal

Smart Health Proposal

Share

Health can be promoted by encouraging healthful activities.

06/10/2024

মায়ের দুধ কেন পরিপূর্ণ খাবার
অধ্যাপক প্রণব কুমার চৌধুরী

মায়ের দুধ কেন পরিপূর্ণ খাবার
শিশুর জন্মের প্রথম ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ দেওয়া ও শাল দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করা জরুরি। ছয় মাস (১৮০ দিন) বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের দুধ খাওয়ালেই চলে। এ সময়ের পর থেকে ঘরে তৈরি বাড়তি খাবারের পাশাপাশি শিশুকে দুই বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত।

ছয় মাস বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত শিশুর পুষ্টির জন্য যা প্রয়োজন, তার সব উপাদান মায়ের দুধে সঠিক পরিমাণে আছে।

মায়ের দুধ পরিপূর্ণ খাবার যেসব কারণে:

শিশু সহজেই মায়ের দুধ হজম করতে পারে।

শিশুকে বিভিন্ন রোগজীবাণু থেকে রক্ষা করে।

শিশুর সর্বোচ্চ শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি হয়।

মায়ের দুধ সময়ের সঙ্গে শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।

প্রচুর পানি থাকে বলে গরমকালেও শিশুকে আলাদা করে পানি দিতে হয় না।

মায়ের দুধে থাকা এনজাইম ‘লাইপেজ’ চর্বি হজমে সাহায্য করে।

মায়ের দুধ খেলে পরবর্তী জীবনে শিশুর ডায়াবেটিস, ক্যানসার, কানের প্রদাহ ও দাঁতের সমস্যা কম হয়।

মায়ের জন্যও উপকারী

জন্মের পরপর শিশুকে মায়ের দুধ দিলে মায়ের রক্তক্ষরণ কম হয়। ব্রেস্ট ফিডিং শারীরিক গড়ন আগের অবস্থায় দ্রুত ফিরতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণের কাজ করে। সন্তানের ও জরায়ু ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায় ব্রেস্ট ফিডিং।

ঘরে তৈরি বাড়তি খাবারের পাশাপাশি শিশুকে দুই বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত।
মনস্তাত্ত্বিক উপকারিতা

ব্রেস্ট ফিডিংয়ের মাধ্যমে শিশু ও মায়ের মধ্যে একটি গভীর ভালোবাসার বন্ধন তৈরি হয়; শিশু কম কান্নাকাটি করে ও মানসিকভাবে পরিতৃপ্ত থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে মায়ের দুধ খাওয়া শিশু বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় প্রক্রিয়াজাত গুঁড়া দুধ খাওয়া শিশুর চেয়ে ১০ গুণ ভালো।

অন্যান্য সুবিধা

মা যেকোনো সময় শিশুকে এ দুধ খাওয়াতে পারেন। এ জন্য তাঁকে কোনো বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হয় না। কিনতে হয় না বলে এটি অর্থনৈতিকভাবেও সাশ্রয়ী।

বাইরের কোনো পাত্র, পানি বা সরঞ্জাম কিছুই প্রয়োজন হয় না। তাই জীবাণুর সংক্রমণের সুযোগ নেই।

মায়ের দুধে কোনো জীবাণু নেই বলে শিশুর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি খুব কম থাকে।

রোগপ্রতিরোধী উপাদান

মায়ের দুধে আছে রোগপ্রতিরোধী বহু উপাদান, যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে থাকে। এমনই কিছু উপাদান হলো:

জীবাণু ধ্বংসকারী জীবিত শ্বেতকণিকা।

ইমিউনোগ্লোবিউলিন বা অ্যান্টিবডি।

‘বাইফিডাস ফ্যাক্টর’। এটি শিশুর পাকস্থলীতে ‘ল্যাকটোবেসিলাস’ বাড়াতে সাহায্য করে। ল্যাকটোবেসিলাস ক্ষতিকর জীবণু ধ্বংস করে শিশুকে ডায়রিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, পাকস্থলীতে লৌহ বেঁধে রাখতে পারে। ফলে যেসব জীবাণু লৌহ ছাড়া বাঁচতে পারে না, সেগুলো ধ্বংস হয় ও শিশু রোগমুক্ত থাকে।

শিশু মায়ের দুধ খেলে পাতলা পায়খানা, শ্বাসনালির অসুখ, এমনকি কান পাকার হারও অনেক কমে। ডায়রিয়াসহ যেকোনো অসুখের সময় শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। ফলে শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

05/10/2024

ঘাড়ে ব্যথা কেন হয়? কী করবেন?
লেখা:
এম ইয়াছিন আলী

অনেক কারণে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

সারভাইক্যাল স্পনডিইলোসিস

সারভাইক্যাল স্পনডিইলাইটিস

সারভাইক্যাল স্পনডিইলিসথেসিস

সারভাইক্যাল রিবস

সারভাইক্যাল ক্যানেল স্টেনোসিস বা স্পাইনাল ক্যানাল সরু হওয়া

সারভাইক্যাল ডিস্কা প্রলেপস বা হারনিয়েশন

মাংসপেশি, হাড়, জোড়া, লিগামেন্ট, ডিস্ক ও স্নায়ুর রোগ বা ইনজুরি

অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে নিদ্রা বা অনিদ্রা

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগ

হাড় ও তরুণাস্থির প্রদাহ ও ক্ষয়

অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়

হাড় নরম ও বাঁকা হওয়া

রিউমাটয়েড-আর্থ্রাইটিস ও সেরো নেগেটিভ আর্থ্রাইটিস

সারভাইক্যাল অস্টিওআর্থ্রাইটিস

ফাইব্রোমায়ালজিয়া; সামনে ঝুঁকে বা পাশে কাত হয়ে ভারী কিছু তুলতে চেষ্টা করা

হাড়ের সংক্রমণ

ডিস্কাইটিস (ডিস্কের প্রদাহ)

পেশাগত কারণে দীর্ঘক্ষণ ঘাড় নিচু বা উঁচু করে ডেস্কে বসে কাজ করা

কম্পিউটারে কাজ করা

টেলিফোন অপারেটরের কাজ

ছাত্রছাত্রীর চেয়ারে বসে পড়াশোনা করার সময় ঘাড় ও মাথার অবস্থান ঠিকমতো না হওয়া বা উপুড় হয়ে শুয়ে বই পড়া

ড্রাইভিং করার সময় ঘাড় ও মাথা সঠিকভাবে না থাকা

বুক ও পেটের মধ্যকার বিভিন্ন অঙ্গের সমস্যা (যেমন পিত্তথলির পাথর, ডায়াফ্রাম ইরিটেশন ইত্যাদি); হাড় ও স্নায়ুর টিউমার, টরটিকলিস ইত্যাদি।

উপসর্গ

ঘাড়ব্যথা কাঁধ, বাহু, হাত ও আঙুল পর্যন্তও বিস্তৃত হতে পারে। কাঁধ, বাহু, হাত ও আঙুলে অস্বাভাবিক অনুভূতি বা অবশভাব।

ঘাড় জমে আছে এমন অনুভূতি। ঘাড়ের নড়াচড়া ও দাঁড়ানো অবস্থায় কাজ করলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।

ঘাড় নিচু করে ভারী কিছু তোলা বা অতিরিক্ত কাজের পর তীব্র ব্যথা। হাঁচি-কাশিতে বা সামনে ঝুঁকলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।

ঘাড়ব্যথা মাথার পেছন থেকে শুরু হয়ে সামনেও আসতে পারে। ব্যথার জন্য ঘুম ভেঙে যেতে পারে। ব্যথার সঙ্গে জ্বর, ঘাম, শীত ভাব বা শরীর কাঁপানো ইত্যাদি লক্ষণও থাকতে পারে।

চিকিৎসা

কনজারভেটিভ চিকিৎসা: ১. ব্যথানাশক ওষুধ সেবন, ২. ফিজিওথেরাপি। ফিজিওথেরাপিতে বিভিন্ন ম্যানুয়াল বা ম্যানুপুলেশন থেরাপি, থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ করানো হয়। কখনো দুই থেকে তিন সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থেকে চিকিৎসা নিতে হতে পারে।

সার্জিক্যাল চিকিৎসা: স্বাভাবিক চিকিৎসায় ভালো না হলে, ব্যথা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকলে, স্নায়ুর সমস্যা দেখা দিলে, বাহু, হাত ও আঙুলে দুর্বলতা এবং অবশভাব দেখা দিলে কিংবা প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ না থাকলে দ্রুত সার্জিক্যাল চিকিৎসা নিতে হবে।

প্রতিরোধ

সামনে ঝুঁকে দীর্ঘক্ষণ কাজ না করা। মাথার ওপর কোনো ওজন না নেওয়া।

শক্ত বিছানায় ঘুমানো। মধ্যম আকারের বালিশ ব্যবহার, যার অধের্ক মাথা ও অর্ধেক ঘাড়ের নিচে থাকবে।

তীব্র ব্যথা কমলেও ঘাড় উঁচু-নিচু করা অথবা মোচড়ানো (টুইসটিং) বন্ধ করা।

সেলুনে কখনো ঘাড় না মটকানো।

কাত হয়ে শুয়ে পড়া বা টেলিভিশন না দেখা।

কম্পিউটারের মনিটর চোখের লেভেলে রাখা।

ব্যথা হলে গরম প্যাড, গরম পানির বোতল দিয়ে সেঁক দেওয়া।

ঘাড়ের পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম করা।

ভ্রমণকালে সার্ভাইক্যাল কলার ব্যবহার।

এম ইয়াছিন আলী, চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা

16/02/2024

স্মার্ট হতে চান? আজই বাদ দিন এই ৮ বদভ্যাস
সাদিকুর রহমান খান

স্মার্টনেস শব্দটা শুনলেই আমরা নড়েচড়ে বসি। কখনো শ্রদ্ধায়, কখনো কৌতূহলে। আবার কখনোসখনো একটু ঈর্ষাও যে হয় না, তা-ইবা অস্বীকার করি কী করে! স্মার্ট হওয়াকে অনেকেই মনে করে খুব কঠিন কিছু। আবার কেউ মনে করে, খুব বুদ্ধিমান বা মেধাবী না হলে বোধ হয় স্মার্ট হওয়াই যাবে না। অথচ আমাদের অনেক ছোট ছোট কাজ, অভ্যাস আর চিন্তার মধ্যেই যে স্মার্টনেস লুকিয়ে থাকে, সেটাই-বা আমরা কয়জন জানি? স্মার্ট হতে হলে কোনো কোনো কাজ আমাদের করা উচিত হবে না। এই কাজগুলোর কোনোটা যদি আমার-আপনার অভ্যাসে থেকে যায়, তবে স্মার্টনেসের পথের এই বাধাগুলো দূর করে ফেলার মোক্ষম সময় কিন্তু এখনই। ‘রেড ফ্ল্যাগ’ আট অভ্যাসগুলো দেখে নিন।

আত্মতুষ্টিতে ভোগা

বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদন জানাচ্ছে, অনলাইনের দুনিয়ায় বড় হওয়া ‘জেন-জি’র একটা বড় অসুবিধা হলো ‘অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস’। ‘আপনাকে বড় বলে বড় সেই নয়’ লাইনটা আমরা পড়ে ফেলি সেই ছোটবেলাতেই। আর এটাই ‘স্মার্টনেস’ অর্জনের প্রথম ধাপ। নিজেকে কখনোই খুব বেশি মেধাবী মনে করা যাবে না। বা নিজের দক্ষতা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগা যাবে না। স্মার্ট লোকজন আত্মবিশ্বাস আর আত্মতুষ্টিকে কখনোই গুলিয়ে ফেলেন না। বরং তাঁরা সব সময়ই তাঁদের কমতি নিয়ে সচেষ্ট থাকেন। নতুন নতুন জিনিস শেখার মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। আরও ভালো কিছুর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন।

তাড়াহুড়ো

আমাদের ছোটবেলার আরেকটা শিক্ষা ‘স্লো অ্যান্ড স্টেডি উইনস দ্য রেস’। স্মার্ট মানুষের মধ্যে আপনি তাড়াহুড়ো জিনিসটা পাবেন না। বরং তারা অনেক সময় এবং ধৈর্য নিয়ে যেকোনো কাজ শেষ করতে পছন্দ করেন। ফলাফল? সময় বেশি লাগলেও কাজ হয় মানের দিক থেকে সেরা। লম্বা সময় টিকে থাকতে হলে টেকসই, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিন, ধীরে ধীরে এগোন।

স্মার্ট হওয়া কঠিন কিছু নয়

গড়পড়তা লোকজন যখন জেতার জন্য এবং নিজেকে বড় দেখানোর জন্য তর্ক করেন, স্মার্ট লোকজন তখন তর্ক করেন নিজের ভুলত্রুটি খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে। তর্কে জিততে পারা আনন্দের, সন্দেহ নেই। কিন্তু স্মার্ট লোকজন নিজেদের আরও উন্নত করার স্বার্থেই এই আনন্দ বিসর্জন দিতে দুবার ভাবেন না। কিছু বিষয় সময়ের হাতে ছেড়ে দেন। সময়ই জবাব দিয়ে দেয়।

নতুন সমস্যা, পুরোনো সমাধান

ক্যারিয়ার, সম্পর্ক বা যেকোনো ক্ষেত্রেই সমস্যা এলে লেগে থাকা, হাল না ছাড়া খুব ভালো গুণ, সন্দেহ নেই। কিন্তু কখনো কখনো শুধু চেষ্টা করে যাওয়াই কোনো সমস্যার সমাধান দিতে পারে না। বরং আপনি কোন পথে চেষ্টা করছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। স্মার্ট লোকজন কখনোই পুরোনো সমাধান ধরে বসে থাকেন না, বরং যে সমস্যা যত পুরোনোই হোক, সমাধানের নতুন নতুন পথ বের করতে তাঁরা ক্লান্ত হন না।

চিন্তাভাবনা ছাড়াই কাজ করা

না, স্মার্ট লোকজন কোনো কিছু করার আগেই সবকিছু ঠিক করে নিয়ে তারপর সেই কাজ করতে বসেন না। তবে তাঁরা ফলাফল, লাভক্ষতি বা ঝুঁকি বিচার না করে সাধারণত কোনো কাজ করেন না। তার মানে এই না যে তাঁরা কখনোই হঠকারিতা বা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন না। তবে তাঁরা কাজের ক্ষেত্রে হঠকারিতাকে কোনো ধরনের প্রশ্রয় দেন না।

আমাদের বেশির ভাগ অর্থপূর্ণ কাজকে নিষ্ফল করে ফেলার জন্য এই দুটি জিনিসই যথেষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর শো-অফের এই দুনিয়ায় স্মার্ট লোকজন এসব সস্তা প্রশংসা থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখেন। তাঁরা কাজের সঙ্গে চমৎকার একটা বোঝাপড়া এবং সন্তুষ্টির সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ফলে দিন শেষে তাঁর কাজই তাঁর হয়ে কথা বলে।

অন্যের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া

কারও কাছ থেকে সহযোগিতা চাওয়া আর কারও ওপর নির্ভরশীল হওয়ার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য আছে। স্মার্ট লোকজন এই পার্থক্যটা মাথায় রাখেন। হ্যাঁ, তাঁদেরও দুর্বলতা থাকে, কমতি থাকে। কিন্তু এই দুর্বলতার ভার তাঁরা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন না। বরং তাঁরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পরেই কেবল মানুষের সহযোগিতা চান, তার আগে নয়।

ভুলকে প্রশ্রয় দেওয়া

ভুলকে প্রশ্রয় দেওয়ার একমাত্র অর্থ হলো, সেই ভুলটাকে আরও বড় হয়ে আপনার জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি করে দেওয়া। গড়পড়তা লোকজন নিজের ভুলের বিষয়টা বেমালুম চেপে যান। আরেকজনের ঘাড়ে দোষ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন। আর একজন স্মার্ট মানুষ তখন গভীরভাবে নিজের ভুল নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন। শিক্ষা নেন এবং সাবধানতার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নেন।

সোর্স: দ্য বিজনেস ইনসাইডার, ফোর্বস

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Sholakbahar, Chawkbazar-4203, Panchlaish
Chittagong
4000