HelloShop
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HelloShop, Chittagong.
14/07/2020
ক্যান্সারকেও দিতে পারে জবাব, টকমিষ্টি তেঁতুলের গুণ!
তেঁতুলের যেমন অনেক গুণ আছে তেমনি কিছু ক্ষেত্রে অপকারীও। সেগুলো কী কী??
Tamarind Benefits: তেঁতুলের অনেক গুণ
তেঁতুল হ্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
আরও অনেক গুণ তেঁতুলের
তেঁতুলের (tamarind) নাম শুনলেই জিভে জল আট থেকে আটচল্লিশের। ছোটবেলায় লুকিয়ে আচার চুরির কথা মনে পড়ছে? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেসব অতীত। তেঁতুলের যেমন অনেক গুণ আছে তেমনি কিছু ক্ষেত্রে অপকারীও। সেগুলো কী কী? আগে উপকারের কথাই জানুন। ওবেসিটি কমিয়ে ঝরঝরে রাখে আপনাকে। হৃদস্পন্দন (Controlling Heartbeat) নিয়মিত রেখে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়। রেজ পাতে একটু তেঁতুল মানেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) অনেকটাই বেড়ে যাওয়া। আরও গুণ আছে। চোখ রাখুন সেসবে---
Low-Calorie Diet: জিরে চা ওজন কমায়, হজমশক্তি বাড়ায়...আর কী উপকার করে?
Tamarind Benefits: অনেক উপকার লুকিয়ে তেঁতুলে
কেন খাবেন তেঁতুল : ভিটামিন সি, ই, বি ছাড়াও তেঁতুলে পাবেন ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ আর ফাইবার। আর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সব মিলিয়ে মঙ্গল হি মঙ্গল হবে আপনার স্বাস্থ্যের।
১. ওবেসিটি ঝরবে: তন্বী হতে তেঁতুলের শরণ নিতেই পারেন। এর মধ্যে থাকা হাইড্রোসিট্রিক অ্যাসিড শরীর থেকে ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
২. ক্যান্সার হ্যাজ আনসার:
ক্যান্সার রোধে তেঁতুল অপ্রতিরোধ্য। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আর টার্টারিক অ্যাসিড প্রচুর রয়েছে। যা ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
৩. সুগার বশে থাকে:
সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস কমায়। কার্বোহাইড্রেট তৈরি হতে দেয় না রক্তে। এর জন্য সকালে খালিপেটে তেঁতুলের রস খেতে পারেন সুগারের রোগীরা।
কেন বয়স বাড়লে হাড় কমজোর হয়? দাঁত-হাড় মজবুত হবে কী খেলে?
৪. লিভার ভালো রাখে:
তেঁতুলের গুণে লিভারের সমস্ত সমস্যা গায়েব। হজম হয় দ্রুত। ওজন ধরে ঝটপট।
৫. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে:
এর মধ্যে থাকা আয়রন আর পটাশিয়াম লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
হারানো এনার্জি, ধারালো মগজাস্ত্র চান? ডুব দিন প্লিজ চায়ের কাপে
৬. বিছে কামড়ালে তেঁতুলের প্রলেপ:
বিছে কামড়ানোর ব্যথা-জ্বালা কমায় তেঁতুলের রস।
১. তেঁতুল টক ফল হওয়ায় বেশি খেলে অ্যাসিডিটি বাডায়
২. বেশি তেঁতুল খেলে ঋতুস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। বৃদ্ধি পায় রক্ত সঞ্চালনের গতিও। এতে শরীরে রক্তের ঘাটতি দেখা দেয়। রক্ত সঞ্চালনের বেগ বেড়ে গেলে শরীরের পক্ষে তা অত্যন্ত ক্ষতিকর।
৩. গর্ভধারণেও তেঁতুলের ভূমিকা রয়েছে। অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে গর্ভপাতের আশংকা থেকে যায়।
মর্নিংয়ে মোরিঙ্গা টি মানেই প্রেসার, ওজন আপনার বশে!
৪. বেশি তেঁতুল খাওয়া মানেই চর্মরোগ, ত্বক কালচে হয়ে যায়, কালচে ছোপ ধরে, ব্রণ-ফুসকুড়ির হামলা বাড়ে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য কমে।
tamarindTamarind Benefits: কিছু সমস্যায় তেঁতুল ভালো ওষুধ
৫. শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি কমে যাওয়াটাও ভালো না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডায়াবেটিকরা তেঁতুল খাবেন।
৬. কিছু ওষুধের সঙ্গে তেঁতুল একেবারেই চলে না। কিছু ওষুধ খাওয়ার আগে বা পরে তেঁতুল খেলে ওষুধের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। তাই অসুস্থ ব্যক্তির ডাক্তারবাবুর পরামর্শ মেনে তেঁতুল খাওয়া উচিত।
12/07/2020
অনলাইন প্রতারণা এড়াতে যা করবেন 😍😍
10/07/2020
করোনা আতঙ্কের আবহে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখতে অবশ্যই মেনে চলুন এই ১০টি পরামর্শ
বিগত ছ’মাস ধরে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছেন বিজ্ঞানী, গবেষক, চিকিৎসক থেকে অসংখ্য সাধারণ মানুষ। এ পর্যন্ত সারা বিশ্বের ৪ লক্ষ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়েছে এই ভাইরাস। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বিগত কয়েক মাস ধরে লকডাউনে ঘরবন্দি হয়ে দিন কাটাচ্ছেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে শরীর ও মনের সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে কতগুলি নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...
১) নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। যেহেতু এখন আপনি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না, তাই বাড়িতেই সকাল-সন্ধ্যা নির্দিষ্ট সময় মেনে শরীরচর্চা করুন। এছাড়াও সকাল সন্ধ্যায় চা খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।
২) প্রতিদিন ১-২ ঘণ্টা ধ্যান বা মনের ব্যায়াম করুন।
৩) দিনে ১ ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় না দেওয়ার চেষ্টা করুন।
৪) ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ১ ঘণ্টার বেশি ব্যবহারের অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।
৫) টিভিতে বেশিক্ষণ করোনা সম্পর্কিত কোনও খবর দেখবেন না। খুব বেশি হলে ২০-৩০ মিনিট দেখুন।
৬) দিনে অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। যেমন, কবিতা লেখা, গল্প লেখা, ছবি আঁকা, গান গাওয়া ইত্যাদি।
৭) টিভিতে বার বার একই খবর না দেখে গল্প বা উপন্যাস পড়ুন।
৮) ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোনের, সম্ভব হলে বাড়ির ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে দেবেন। কারণ, সঠিক পরিমাণে ঘুম হচ্ছে সব রোগেরই প্রতিষেধক। তাই ঘুমের আগে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন।
৯) নিয়মিত নিজের হাত ভাল করে ধুতে ভুলবেন না।
১০) নিজের প্রতিদিনের কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও কাজে সহায়তা করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.