Msh Docs
Md.
05/05/2025
১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে সাহায্য করতে এসে ভারতের প্রাপ্তি ।
লেখক-: আরিফুল হক ।
ভারতের নগদ প্রাপ্তি —(জাতিসঙ্ঘের মাধ্যমে )
১) যুক্তরাষ্ট্র ৮,৯১৫৭০০০ ডলার
২) যুক্তরাজ্য ৩,৮১১২১৩২ ডলার
৩) কানাডা ২, ৩২৬৩৩৬০ ডলার
৪) সোভিয়েট ২০০,০০০০০ ডলার
৫) মায়ামী ১২৬ কোটি ডলার
৬)জাতিসংঘের
৬৮ দেশ ৫,৭৪১৬২ ডলার
তখনকার টাকায় ১২৩,১২,৯৫২৯৪ টাকা ।
পাকিস্তানের কাছে
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ৫৯৩,৫১,১৪২৯৪ রূপি ।
পাকিস্তানিদের
অস্ত্র/শস্ত্র লুট/পাট
৮৭ টি ট্যা/ঙ্কের মূল্যই ছিল ৭৫০ মিলিয়ন ডলার ।
অন্যন্য জিনিষ (শুধু খুলনা থেকে) ২.২ মিলিয়ন ডলার।
এরপর দোকান থেকে সোনার গহনা , ইলেকট্রনিক দ্রব্য, ইন্ডাষ্ট্রির মেশিন পার্টস , দামি গাড়ী শতশত ওয়াগান ভরে যা নিয়ে গেছে তার হিসাব কেউ রাখেনি ।
তার উপর নদী , বন্দর , দেশের রাস্তাঘাট ব্রীজ ,অসম ব্যবসা, সবই তো ভা/রতের ।
তারপরও শুনতে হয় আমরা নাকি ভা//রতের কাছে কৃতজ্ঞ ! এরপর হা/সিনা তো উজাড় করে এত ঢেলে দিয়েছে যে ভা/রত চিরকাল মনে রাখবে !
04/05/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ariful Islam Santo, Abu Bakkar, Md Helal Helal, Md Josim
আইজিপির কাছে ৪ স্তরের নিরাপত্তা চেয়ে বিএনপি'র দেওয়া চিঠিতে যাদের এলার্জি শুরু হয়েছে! তাদের প্রশ্ন তারা জানতে চায় জুবায়েদা রহমান কে?..!!
বিদ্যালয়ে বারান্দায় না যাওয়া সেই মূর্খদের জন্য ডাঃ জোবায়েদা রহমানের পরিচয়টা নিচে দেওয়া হলো.....
ডক্টর জোবায়দা রহমান। পরিচয় জানলে অবাক হয়ে যাবেন। বিএনপি করলে জানতে হবে পড়তে হবে তা নয় তবে গর্ব করে বলতেই পারবেন আমাদের বাংলাদেশের লোক। তিনি শুধু জিয়া পরিবারের পুত্রবধু কিংবা তারেক রহমানের স্ত্রী নন তার নিজ যোগ্যতায় তিনি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে মেডিসিন বিভাগে বিদ্যায়ন করে রেকর্ড নম্বর ও স্বর্ণপদক নিয়ে এমএসসি করেছেন বিশ্বখ্যাত এই স্বনামধন্য চিকিৎসক ।চিকিৎসকদের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)পরীক্ষায় প্রথম হয়ে ১৯৯৫ সালে চিকিৎসক হিসেবে প্রজাতন্ত্রের চাকুরীতে যোগ দেন। সিলেটের সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারের জন্ম এই মহিয়সি নারীর। জেনে নেওয়া যাক তারা আরো কিছু পরিচয়
¤¤ নামঃ- ডা: জোবাইদা রহমান;
¤¤ স্বামীঃ- জনাব তারেক রহমান;
¤¤ শ্বশুরঃ- লে: জেনারেল জিয়াউর রহমান (বাংলাদেশের সাবেক রাষ্টপতি);
¤¤ শাশুড়ীঃ- বেগম খালেদা জিয়া (বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী);
¤¤ পিতাঃ- রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান (সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও সাবেক মন্ত্রী);
¤মাতা: সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু
(সমাজ সেবায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত নারী , দেশের 68 হাজার গ্রামে যার হাতের ছোঁয়ায় ৩০ লক্ষ বেশি দরিদ্র শিক্ষার্থী শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে সুরভির চেয়াপারসন, বাংলাদেশ মহিলা সংস্থার চেয়ারপার্সন)
¤ দাদাঃ- আহমেদ আলী খান (ভারতবর্ষের প্রথম মুসলিম ব্যারিস্টার, আসাম কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট, নিখিল ভারত আইন পরিষদ সদস্য, হায়দ্রাবাদ নিজামের প্রধান আইন উপদেষ্টা);
¤¤ দাদীঃ- জুবাইদা খাতুন (অবিভক্ত আসাম, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদার খান বাহাদুর ওয়াসি উদ্দিন আহমেদর মেয়ে);
¤¤ প্রপিতামহঃ- ডা: খান বাহাদুর আজদার আলী খান (বিহার ও আসাম মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, পাটনা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক);
¤¤ চাচা-১:- জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী;
¤¤ চাচা-২:- অবিভক্ত পাকিস্থানের মন্ত্রী আজমল আলী;
¤¤ চাচা-৩:- ডা: সেকেন্দার আলী খান;
¤¤ চাচাতো বোন:- আইরিন খান (অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব।
#বাংলাদেশ #বিএনপি #ডঃজোবাইদারহমান #তারেকরহমান
Cltd Fb
22/04/2025
🎉 Just completed level 3 and I'm so excited to continue growing as a creator on Facebook!
20/04/2025
আপনারা কি বলেন??🤣🤣 Msh Rocky
পতাকা টা অনেক সুন্দর না,কোন দেশের পতাকা এটা?🤔🤣👍
14/04/2025
১লা বৈশাখের শুভেচ্ছা,
শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩২🇧🇩❤️ #১লাবৈশাখ #১৪৩২
11/04/2025
গতকাল বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রফেসর ইউনুস প্রায় ২৫ মিনিটের একটি বক্তব্য দেন। পুরো বক্তব্যটি যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে শুনেন তাহলে আপনি অবাক হবেন!
যেমন দারুন ছিল তার স্ক্রিপ্ট, তেমনি দারুন ছিল তার বিষয়ের সিকোয়েন্স। প্রফেসর ইউনুস কখনো লিখিত বক্তব্য দেন না তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু কথাগুলো যেভাবে তিনি সাজিয়েছে, তাতে আপনি মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না।
প্রথমে কালকের বক্তব্যের একটা অংশ নিয়ে সমালোচনা হয়েছে তার জবাব দেই।
গতকালকে প্রফেসর ইউনুসের বক্তব্য মোটামুটি সবাই প্রশংসা করলেও কিছু ব্যক্তি দেখলাম সমালোচনা করেছেন যে, উনি কিছুটা আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছিলেন যখন তিনি ৭১ এবং তার পরবর্তী সময় ৭৪-এর দুর্ভিক্ষের কথা বলছিলেন। কেউ কেউ বলছেন এটা রাজনীতিবিদদের মতো কান্না! আবার কেউ কেউ বলছেন এখানে কান্নার কি হলো? তবে বেশিরভাগই তার এই ইমোশনকে পজেটিভলি দেখেছেন। এটাকে কেউ ‘স্বজন হারানোর বেদনা’ হিসেবে দেখছেন না।
আমার মতে প্রফেসর ইউনূসের এই আবেগ যুক্তিযুক্ত। তিনি দেশকে ভালবাসেন। তিনি সারা বিশ্বের দারিদ্রতা দেখেছেন। উনার ধ্যান-জ্ঞান হল দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গড়া। এছাড়া উনার বয়সও আবেগ তাড়িত হবার জন্যও যথেষ্ট। তাই উনার এই আবেগকে আমি খুব ভালোভাবেই গ্রহণ করি।
এবারে উনার পুরো বক্তব্যটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি।
প্রফেসর ইউনুস, গতকাল যেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিলেন, সেখানে তার অডিয়েন্স হল সারা বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। যারা আবেগ থেকে বেশি মূল্য দেন লাভ আর ক্ষতির হিসাবকে।
এমন একটি মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রফেসর ইউনুসকে এমন একটি বক্তৃতা দিতে হবে যা শুনে এই হিসেবী মানুষগুলো চিন্তা করতে বাধ্য হবেন যে, হ্যাঁ! বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য লাভজনক এবং উপযুক্ত স্থান।
তেমনি প্রেক্ষাপটে মঞ্চে দাঁড়ালেন তিনি। যিনি একজন নোবেল বিজয়ী। যাকে সারা বিশ্ব চেনে, সম্মান করে। উপস্থিত অডিয়েন্স নড়েচড়ে বসলো। কি বলবেন এই বিশ্বজয়ী ব্যক্তিত্ব? যা শুনে তাদের মনে হতে পারে যে, বাংলাদেশ ইনভেস্ট করার জন্য উপযুক্ত স্থান।
মঞ্চে এসে প্রফেসর ইউনুস গুড মর্নিং, গুড ইভিনিং বললেন না। খুব সাবলীলভাবে সালাম দিয়ে শুরু করলেন। তারপরের কথাটাই বললেন, আজকের অনুষ্ঠানটি খুবই আবেগঘর অনুষ্ঠান। বলে তিনি সকলকে দাঁড়িয়ে সম্মাননা জানাতে বললেন, সদ্য বাংলাদেশী নাগরিকত্ব পাওয়া কোরিয়ান নাগরিক ইয়াং ওয়ান কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাংকে। যিনি ৪৫ বছর ধরে বাংলাদেশে ব্যবসা করছেন এবং যার কোম্পানিতে প্রায় ৭৫ হাজারের অধিক কর্মী চাকরি করছে।
প্রফেসর ইউনুস জানেন মানুষকে কিভাবে সম্মান দিতে হয়। নাগরিকত্ব দিয়ে কিহাক সাংকে তো সম্মানিত করা হলোই, এবারে সকলে দাঁড়িয়ে আবার তাকে সম্মানিত করলেন। ব্যক্তিগতভাবে এটা দেখে আমি নিজে আসলে খুব গর্বিত এবং আপ্লুত হয়েছি।
যাইহোক, এরপর তিনি ৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করেন। যেখানে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ অনাহারে মারা যায়। এ সময় তিনি আবেগ তাড়িত হন, বাকরুদ্ধ হন এবং কিছু সময় চুপ থাকেন।
সে সময় বাঙালি জাতি ছিল কৃষি নির্ভর একটি জাতি। এরপর ৭৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত একটা দীর্ঘ সময়কাল পার করেছে বাংলাদেশ। এখন ১৮০ মিলিয়নের এক বিশাল মার্কেট। যেখানে রয়েছে তারুণ্য নির্ভর বিশাল মেধাবী জনগোষ্ঠী।
এ প্রসঙ্গে তিনি গ্রামীণফোন প্রতিষ্ঠার গল্পটা বলেন। তখন তার আইডিয়া ছিল, মোবাইল ফোন তিনি গ্রামের দরিদ্র মহিলাদের কাছে দিবেন। তার এই আইডিয়া শুনে সকলেই খুব অবাক হয়েছিল। অথচ এখন সেই ফোন-এর বিশাল মার্কেট বাংলাদেশ।
বাংলাদেশকে তিনি পরিচয় করিয়ে দেন, ক্রেজি আইডিয়া বাস্তবায়নের তীর্থভূমি হিসেবে। তারপর তিনি বলেন, ব্যবসায় প্রফিট করা আনন্দের কিন্তু তার সাথে যদি সামান্য কিছু যোগ করা যায় তাহলে সেটা আরো বেশি আনন্দময় হয়। তা হল, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কিছু করতে পারা। আর বাংলাদেশে কাজ করলে সেই আনন্দটাই পাওয়া যায়। এ সময় তিনি চমৎকার একটি ডায়লগ দেন।
“Making money is happiness but making other people happiness is a super happiness. If you have a business in Bangladesh, you have both. Happiness and super happiness.”
একজন ব্যবসায়ী শুধু অর্থ উপার্জন করবে এরই মধ্যে তার আনন্দ নিহিত নয়। বরং অর্থ উপার্জনের সাথে সাথে যদি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নের অবদান রাখা যায় তাহলেই আসল সুখের সার্থকতা। দারুনভাবে তিনি এটা বোঝালেন।
এরপর তিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা বলেন। বাংলাদেশে ব্যবসা মানে শুধু বাংলাদেশকেই আমরা দেখি না, আমরা এই পুরো রিজিওনকেই একসাথে দেখি। যেখানে প্রচুর সম্পদ রয়েছে। সেখানে আমরা একসাথে কাজ করব, একে অপরকে সহযোগিতা করব। নাম উল্লেখ না করলেও তিনি সেভেন সিস্টার্স, নেপাল এবং ভুটানকে বুঝিয়েছেন।
বিনিয়োগকারীদেরকে উৎসাহিত করতে তিনি বলেন যে, তাদের মাধ্যমেই বিশ্বের পরিবর্তন সম্ভব। তার থিওরী, তিন শূন্যের পৃথিবী গড়তে যে ব্যবসার বিকল্প নেই তা বলেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, তার মাইক্রো ক্রেডিটের কথা। যেই ব্যবসা বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু হয়েছিল, তা এখন আমেরিকার মতো দেশে বিলিয়ান ডলারের ব্যাবসা।
তাই আমরা যদি সংকীর্ণ চিন্তা করি তাহলে বিশ্বকে বদলাতে পারবো না। ব্যবসা হল একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা বিশ্বকে পরিবর্তন করতে পারে। আর এই পরিবর্তনের শুরুটা হোক বাংলাদেশ থেকে। কি দারুনভাবে তিনি বিনিয়োগকারীদেরকে উৎসাহিত করলেন।
আপনি যদি প্রফেসর ইউনূসের এর বক্তব্যের সিকোয়েন্সগুলো লক্ষ করেন, তাহলে আপনি অবাক হবেন যে মোটিভেশন স্পিচ কাকে বলে! সত্যিই, উনার বক্তব্য তো আসলে মানুষ এমনি এমনি টিকেট কেটে শোনেনা! আর আমরা সেটি পাচ্ছি ফ্রি-তে!! বাঙালি কি পারবে এই ফ্রি-তে পাওয়া মূল্যবান বক্তব্যের মর্যাদা রক্ষা করতে??
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Chittagong
4213