Musu
Assalamu alaikum❤️
~Welcome to my page🌸
And this is my official page
Stay connect with me⚜️
18/02/2026
একদা হযরত ঈসা (আঃ) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আঃ)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )
হযরত ঈসা (আঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"
লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"
হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"
লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,
"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।
এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'
হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"
আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।
(সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)
11/02/2026
ইনশাআল্লাহ ❤️⚖️
05/02/2026
হাসনাত আব্দুলাহর একটি পডকাস্ট দেখছিলাম।
একটা কথা শুনে বুকের ভেতরটা হঠাৎ ভারী হয়ে গেল।
তিনি বললেন, নিজের ছেলের দিকেও তিনি বেশি তাকান না
কারণ যদি মায়া জন্মে যায়?
আর সেই মায়ার জন্য যদি দেশের কোনো সিদ্ধান্তে নরম হতে হয়?
মুখে হাসি নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন তিনি,
আর আমি চুপ করে গিয়েছিলাম।
দেশকে ভালোবাসি বলা সহজ।
কিন্তু নিজের সন্তানের মায়াকেও পেছনে রেখে দেশকে বেছে নেওয়া এটা সবার পক্ষে সম্ভব নয়।
এই ভালোবাসা আবেগের নয়, দায়িত্বের।
কথার নয়, সিদ্ধান্তের।
WE LOVE YOU, CAPTAIN.
দেশ তোমাকে মনে রাখবে, হাসনাত আব্দুলাহ ভাই।
#সংগৃহীত
04/02/2026
দুনিয়াতেই জা"হা"ন্না"ম নেমে আসছে............
১৮+ অ্যালার্ট
( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)
আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।
আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।
কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।
গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।
এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।
ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।
এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।
এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।
ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।
তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।
সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো একটু বড় বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।
প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।
এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।
এদের মধ্যে বয়স বেশি এমন মেয়েও ছিল তবে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যায়।
#সংগৃহীত
30/01/2026
রাজার ছেলে রাজা হবে, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী হবে, এমন সংস্কৃতি আমরা বদলে দিতে চাই। একজন রিকশা চালকের ছেলেও যেন প্রধানমন্ত্রী হতে পারে, আমরা এমন রাজনীতি দেখতে চাই।
#চলো_একসাথে_গড়ি_বাংলাদেশ
#চলোএকসাথেগড়িবাংলাদেশ
#গণভোটে_হ্যাঁ
#দাঁড়িপাল্লা
#দাঁড়িপাল্লায়_ভোট_দিন
30/01/2026
আপনার মূল্যবান ভোট কাকে দিবেন?
❤️🌸
25/01/2026
ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র আর বৈষম্য দূর করার সরকারের কারাগারে জীবিত বাবাকে দেখতে গিয়ে মৃত সন্তানের না বলা কথা…
বাবা,
ভুমিষ্ঠ হয়েই আমি দেখেছি এই পৃথিবীটা বড়ই নিষ্ঠুর। আমি পৃথিবীতে আসার পর তুমি আমাকে এক পলকের জন্যও দেখতে পারোনি। এখানে মানবাধিকারের বুলি কপচিয়ে পকেট ভারী করে তথাকথিত মানবাধিকারের ফেরিওয়ালারা। ওরা এক চোখা। ওদের হৃদয়ে মায়া নেই, মমতা নেই। ওরা কথা বলে হিসেব করে। কার জন্য কোথায় কী বললে স্বার্থ হাসিল হবে, এর বাইরে মুখে একটা রা’ শব্দও করে না ওরা।
বাবা,
তুমি তো জানো, মা তোমাকে বড্ড বেশি ভালোবাসতো। তোমাকে কারাগার থেকে মুক্ত করবার জন্য আমাকে পেটে নিয়েই কি নিদারুন লড়াই করেছে। জেল গেটে গিয়ে তোমার দেখা না পেয়ে অশ্রুসজল চোখে ফিরে আসা। আদালতের বারান্দায় ভাবলেশহীন বসে থাকা।
আমি যখন পৃথিবীর আলোয় আসি, আমাকে বুকে জাপটে ধরে চালিয়ে গেছে সেই লড়াই। তোমার জামিন হয়েছিল। যেদিন জামিন হলো- মা, সেদিনও কেঁদেছে। বিজয়ের কান্না। কিন্তু আমার বোকাসোকা মা-টা জানতো না, তোমাকে ওরা কারাগার থেকে বের হতে দেবে না। মাম্মি ঘুর্ণাক্ষরেও টের পায়নি, নিষ্ঠুর জেল কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে মিথ্যে মামলায় আবারো বাবাকে আটকিয়ে দেবে পুলিশ সুপার।
মা যখন বুঝতে পারলো, সহসাই তোমার মুক্তি মিলছে না, মিথ্যের বেড়াজালে ফেঁসে গেছো তুমি, শুধুমাত্র রাজনীতি করার অপরাধে তোমার প্রতি অবিচার চলতেই থাকবে, তখন হঠাৎই হাল ছেড়ে দিল। একরাশ শুণ্যতা গ্রাস করেছিল মাকে। যেন চারদিকে কেউ নেই। চোখের সামনে নিকষ অন্ধকার। একটা শুন্য মরুভূমি। মানুষরূপী জানোয়ারের অট্টহাসি হাসছে সবাই।
মা সেদিনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাবা,
আমি জানি, তুমি কারা প্রকোষ্ঠের অন্ধকারে দেয়ালের দিকে মাথা ঠিকরে নীরবে চোখের জল ফেলেছ। আমাকে দেখবার জন্য তোমার হৃদয় উথাল-পাতাল হয়েছে। আমারও হয়েছে। আমিও অপেক্ষায় ছিলাম কবে তোমার নির্ভরতার কোলে উঠতে পারবো।
মা খুব বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। তোমার শুন্যতায় যেন পাঁজর ভেঙ্গে যাচ্ছিল মায়ের। আমি টের পেতাম। আমি তো মায়ের কোলেই থাকতাম। মায়ের হৃদয়ের গভীরে কান পেতে শুনতে পেতাম শুধু কান্নার ধ্বনি।
মা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রথমে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার। কিন্তু তুমিও নেই। কারাগার থেকে কথিত এই শান্তিার দূতিয়াল কবে তোমায় ছাড়বে তার তো কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই। তুমিও নেই, মাও থাকবে না, আমার কি হবে?
এই চিন্তায় মায়ের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল। রাতভর নির্ঘুম থাকতো মা। এমনও রাত গেছে, দুচোখের পাতা এক করেনি একটি বারের জন্যেও। আমি ঘুমিয়েছি। কিন্তু আমার অন্তরাত্মা দেখেছে সবই। যদিও আমার করবার কিছু ছিল না। আমি মেনে নিয়েছি, মা যা ভালো মনে করে, তাই করুক। মায়ের চেয়ে আর কে-ই বা সন্তানের জন্য বেশি মঙ্গল কামনা করে?
তারপর একদিন ঘুমভাঙা এক সকালে স্থির হলো মা। সারাদিন আনমনে কাটিয়েছে। আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকেছে নির্বাক। আমি আঁচ করতে পেরেছি। তুমি তো জানো- আমার মতো বয়সী শিশুরা সব বুঝতে পারে, কিন্তু তাদের করবার কিছু থাকে না। আমিও সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম। নিয়তিকে মেনে নিয়েছিলাম। শুধু কষ্ট হচ্ছিল, তোমার নির্ভরতার কোলে একবার উঠবার সৌভাগ্য আমার হলো না। কষ্ঠ হচ্ছিল, তুমি আমার পিঠে একবার হাত বুলিয়ে দিতে পারলে না। কষ্ঠ হচ্ছিল, আমার কপালে তুমি একটা চুমু দিতে পারলে না।
তারপর মধ্যরাতে, যখন থেমে গেছে সমস্ত কোলাহল। দূরে কোথাও একটা পেঁচা ডাকছিল থেমে থেমে। একটা টিকটিকি টিক টিক বলে দৌড়ে হারিয়ে গেলো দেয়াল বেয়ে। শীতল বাতাসে কম্বলের নিচে যখন প্রতিবেশীরা বিভোর ঘুমে। আমিও ঘুমিয়ে ছিলাম। যদিও দেখছিলাম সবই, অন্তরাত্মা দিয়ে। মা, আমাকে কোলে নিয়ে শেষবারের মতো কপালে এঁকে দিলেন শেষ চুমু। তারপর আস্তে আস্তে করে চেপে ধরলেন আমার গলাটা...।
তুমি কিছু একটা টের পেয়েছিলে বাবা?
তুমি তো ঘুমাওনি। কারাগারের সেলের ঠান্ডা দেওয়ালে হাঁটু ভাজ করে মাথা ঠেকিয়ে বসেছিলে। ভাবছিলে কি আমাদের নিয়ে কিছু?
বাবা,
আমার কোনও দুঃখ নেই। আমি মায়ের পেট চিড়ে বের হয়ে এসেছিলাম। মায়ের সঙ্গেই আবার ফিরে যাচ্ছি। শুধু দুঃখ, ওরা তোমাকে একটুকুর জন্য আমাদের শেষ বিদায় দিতে ছুটিটা মঞ্জুর করলো না। এতে কি এমন ক্ষতি হতো ওদের? ওরা এত নিষ্ঠুর কেন? আমার এই দেশটার কান্ডারি হয়েছে এখন শান্তির দূতিয়াল? তাঁর সাথে আছেন না আইনের অধ্যাপক, মানাধিকারের ফেরিওয়ালা? কি ক্ষতি হতো তাদের যদি একটুকু ছুটি দেওয়া হতো তোমায়?
বাবা,
ওরা যে ইনসাফের কথা বলে গলা ফাটায়, সেটা কী বাবা? সেটা কাদের জন্য? ওরা কি শুধু নিজেদের জন্য ইনসাফ চায়? মানুষ চিনে ইনসাফের কথা বলে? অথচ সকলেরই তো সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করার কথা। ওরা এত নিকৃষ্ঠ কেন বাবা?
যাইহোক, তোমাকে ছুটি দেয়নি তাতে কী হয়েছে। আমি আর মা তোমাকেই দেখতে এসেছি। তোমার কাছে বিদায় নিতে এসেছি। তোমাকে একটু ছুঁয়ে দেখবার শখ ছিল, তা পূরণ করতে এসেছি। পাঁচ মিনিট, তাতে কী? পাঁচ মিনিটই আমাদের জন্য ঢের সময়। জানি তুমি কষ্ট পাচ্ছো, তোমার বুকটা ছিঁড়ে যাচ্ছে। কিন্তু কষ্ট পেয়ো না। একজন সর্বশক্তিমান, তিনি তো উপর থেকে সবই দেখছেন, তিনি এর উত্তম প্রতিদান দেবেন। ধৈর্য্য ধরো। আশায় বুক বাঁধো। সুদিন একদিন আসবেই বাবা।
আর হ্যাঁ, আমাকে কথা দাও। যদি সুদিন কোনওদিন আসে, আমাদের মতো যেন কারো পরিণতি না হয়, সেই চেষ্টাটা করে যাবে বাবা, প্লিজ। মানুষ হয়ে জানোয়ারের মতো প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ো না কখনো বাবা।
বিদায় বাবা।
দেখা হবে নিশ্চয়ই, যেখানে সকলকেই ফিরতে হবে এই নশ্বর জীবনের মায়া ও স্বার্থ ছেড়ে।
ভালো থেকো। নিজের প্রতি যত্ন নিও।
ইতি
তোমার চোখ খুলে না দেখা সন্তান।
23/01/2026
ভাবুন তো টয়লেটের পানি যদি আপনার গ্লাসে এসে পৌঁছায়! শুনতে অস্বস্তিকর লাগলেও সিঙ্গাপুরে এটি আতঙ্ক নয়, বরং জাতীয় গর্ব। টয়লেট ও ড্রেনের নোংরা পানি পরিশোধন করে সিঙ্গাপুর এমন পানি তৈরি করে, যা অনেক ক্ষেত্রে বোতলজাত পানির চেয়েও বেশি বিশুদ্ধ। এই পানির নাম—NEWater।
স্বাধীনতার পর সিঙ্গাপুর বুঝেছিল, পানি ছাড়া রাষ্ট্র টিকে থাকে না। নদী নেই, হ্রদ নেই, ভূগর্ভস্থ পানিও লবণাক্ত—অর্থাৎ প্রকৃতি তাদের পক্ষে ছিল না। তখন তারা সিদ্ধান্ত নেয়, পানি যেখানে আছে, সেখান থেকেই তা উদ্ধার করতে হবে। আর সেই “অবাঞ্ছিত” উৎসই হয়ে ওঠে ব্যবহৃত নোংরা পানি। NEWater মূলত অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে পরিশোধিত পুনর্ব্যবহৃত পানি। প্রথমে নোংরা পানিকে মাইক্রোফিল্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় বড় কণা ও ব্যাকটেরিয়া আলাদা করা হয়। এরপর রিভার্স অসমোসিস প্রযুক্তির মাধ্যমে অতি সূক্ষ্ম দূষক, লবণ ও ভাইরাস সরিয়ে ফেলা হয়। সবশেষে আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ব্যবহার করে পানিকে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করা হয়। ফলাফল—এমন পানি, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর পানযোগ্য পানির সব গাইডলাইন পূরণ করে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তা ছাড়িয়ে যায়।
আজ সিঙ্গাপুরের মোট পানির চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ আসে এই NEWater থেকে। শিল্পকারখানা, ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন, ডেটা সেন্টারের কুলিং সিস্টেম—সবখানেই এই পানি ব্যবহৃত হয়। খরার সময় এটি সাধারণ পানির সাথে মিশিয়ে ঘরের কলেও সরবরাহ করা হয়। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল প্রযুক্তি নয়, মানুষের মানসিকতা। “নর্দমার পানি” খাওয়ার ধারণা সহজে মেনে নেওয়া যায় না। কিন্তু সরকার দীর্ঘদিন ধরে সচেতনতা তৈরি করেছে, মানুষকে ল্যাব দেখিয়েছে, পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। ধীরে ধীরে ভয় বদলে গেছে বিশ্বাসে।
NEWater প্রমাণ করেছে বর্জ্য বলে কিছু নেই, আছে কেবল ভুল ব্যবস্থাপনা। সিঙ্গাপুর সেই ব্যবস্থাপনাকেই শক্তিতে রূপান্তর করেছে।
#সংগৃহীত
21/01/2026
স্ক্রিপ্ট দেখে বক্তব্য দেওয়া মানে অক্ষমতা নয়। বরং স্ক্রিপ্ট দেখে বক্তব্য দেয়া মানে বক্তা তার কথার উপর দৃঢ়।
যারা রাষ্ট্রের বা বড় কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাদের প্রতিটি শব্দের ওজন অত্যাধিক। তাঁরা চাইলেই অপ্রয়োজনীয় কথা বলতে পারেন না।
তাদের কথা দিয়ে একটা ইতিহাস বদলায়। আমাদের চোখের সামনেই অপ্রয়োজনীয় কথার কারনে একটা ইতিহাস বদলে গেলো। সেদিকে যাচ্ছি না আর।
বেগম খালেদা জিয়াকেও আমরা দেখেছি, জাতীয় ইস্যুতে তিনি সবসময় লিখিত বক্তব্য বেছে নিতেন। যেন জাতির কাছে কোনো ভুল বার্তা না পৌঁছায়। তিনি কখনোই অহেতুক কথা বলতেন না।
আমার মায়ের মুখে শুনেছি তখনকার রাজনৈতিক সময়ে, কটাক্ষ করে অনেকে বলতো খালেদা জিয়া এইট পাশ যার কারনে তিনি কাগজ দেখে দেখে বক্তব্য দেন।
মূলকথা হলো, জ্ঞানীজনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাগে না। বরং প্রতিষ্ঠান নির্ভর করে জ্ঞানীজনের জীবনাদর্শের উপর।
20/01/2026
😂
Click here to claim your Sponsored Listing.