SPL Masud Rana Piyas
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SPL Masud Rana Piyas, News & Media Website, Cumilla.
06/08/2025
মানুষ একদিন ভুলে যাবে তোমাকে, ভুলে যাবে তোমার ত্যাগ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা–এমনকি ছেড়ে যাবে, বিনা কারণেই। 💔🕊️
আল্লাহ খুব শীঘ্রই তওহীদ ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করবেন।
19/02/2025
মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষা: মানসিক দাসত্বের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
#সংক্ষেপে_হেযবুত_তওহীদ ২৫
রসুলের হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদী একদেহ এক প্রাণ হয়ে সংগ্রাম করে অর্ধ পৃথিবীতে এক সোনালি সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু ইতিহাসের একটা পর্যায়ে যখন তারা দীন প্রতিষ্ঠান সংগ্রাম ত্যাগ করল এবং দীনের খুঁটিনাটি মাসলা-মাসায়েল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল তখন তারা হাজারো ফেরকা-মাজহাবে বিভক্ত হয়ে পড়ল। তখন শত্রুরা সহজেই মুসলিম ভূখণ্ডগুলোকে সামরিক শক্তিবলে দখল করে নিল এবং তাদেরকে পদানত করে রাখার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করল। এরই অংশ হিসাবে তারা দুই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করল - সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষা। এই দুটো শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে দুই ধরনের মনোভাব শিক্ষা দেওয়া হল যার ফলে আমাদের শিক্ষিত সমাজ আদর্শিক ও মানসিকভাবে বিভক্ত হয়ে গেল।
প্রথমেই লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৮০ সনে কলকাতায় আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করলেন। সেখানে নিজেদের মনগড়া একটি বিকৃত ইসলাম শিক্ষা দেওয়ার জন্য ইসলামবিদ্বেষী খ্রিষ্টান পণ্ডিতরা অনেক গবেষণা একটি সিলেবাস তৈরি করল। এখান থেকে তারা ইসলামের জাতীয় জীবনের সকল কিছু বাদ দিয়ে দিল, কারণ জাতীয় রাষ্ট্রীয় জীবন তো চলবে ব্রিটিশের আইন দিয়ে। তওহীদের অর্থ ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য আল্লাহকে একমাত্র হুকুমদাতার পরিবর্তে একমাত্র উপাস্য/মাবুদ হিসাবে মানার শিক্ষা দিল। দীন প্রতিষ্ঠার জেহাদকেও সিলেবাস থেকে বাদ দিল। শুধু ব্যক্তিগত আমলের খুঁটিনাটি মাসলা-মাসায়েল, ফতোয়া, দোয়া-কালাম, মিলাদের নাত, বিশেষ করে বিভিন্ন মতবিরোধপূর্ণ বিষয় সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হল যেন সেগুলো নিয়ে মুসলিমরা তর্ক, বাহাস, মারামারিতে লিপ্ত থাকে।
একে একে ২৬ জন খ্রিষ্টান পণ্ডিত সেখানে অধ্যক্ষপদে থেকে ১৪৬ বছর ধরে মুসলিম জাতিকে সেই বিকৃত ইসলামটি শিখিয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষার উদ্দেশ্য কী ছিল তা নিয়ে আলিয়া মাদ্রাসার প্রাক্তন অধ্যক্ষ ইয়াকুব শরীফ লিখেছেন, “মুসলমানরা ছিল বীরের জাতি, ইংরেজ বেনিয়ারা ছলে-বলে-কৌশলে তাদের কাছ থেকে রাষ্ট্র¶মতা কেড়ে নিয়ে তাদের প্রচলিত ধর্ম, শিক্ষা ও মর্যাদা হরণ করার জন্য পদে পদে যেসব ষড়যন্ত্র আরোপ করেছিল, আলিয়া মাদ্রাসা তারই একটি ফসল।” [দেখুন- আলীয়া মাদ্রাসার ইতিহাস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ]।
মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার সিলেবাসে অংক, ভূগোল, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদি কর্মমুখী (Vocational) কোনো কিছুই রাখা হল না। ফলে মাদ্রাসাশিক্ষিতরা এক প্রকার বাধ্য হলেন নামাজের ইমামতি, ওয়াজ, মিলাদ, কোর’আন খতম, বিয়ে ও জানাজা পড়ানো ইত্যাদি কাজ করাকে জীবিকার মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করতে। অথচ দীনের বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। জীবিকার স্বার্থে এই মহাসত্যকে তারা গোপন করে খ্রিষ্টানদের তৈরি ঐ বিকৃত বিপরীতমুখী ইসলামটাই প্রচার করে সমগ্র মুসলিম জাতির মধ্যে গেড়ে দিলেন। আলেমদের মধ্যে ইসলাম নিয়ে এত যে দ্বন্দ্ব তার কারণ মাদ্রাসার সিলেবাসের মধ্যেই নিহিত।
মাদ্রাসার পাশাপাশি ইংরেজ শাসকদের দাপ্তরিক কাজে সহযোগিতা করার জন্য ব্রিটিশরা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থা চালু করল। সেখানে দীন সম্পর্কে প্রায় কিছুই শিক্ষা দেওয়া হল না। বরং সুদভিত্তিক অংক, ব্রিটিশ রাজা-রানির ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, গণিত, পাশ্চাত্যের ধর্মহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা, পাশ্চাত্য বস্তুবাদী দর্শন ইত্যাদি শিক্ষার পাশাপাশি ধর্ম সম্পর্কে, বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে একটা বিদ্বেষভাব (A hostile attitude) শিক্ষার্থীদের মনে প্রবেশ করানো হল। এই শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ দুনিয়ামুখী, বস্তুবাদী একটি শিক্ষিত শ্রেণি গড়ে উঠল যাদের হাতে দেশ চালনার দায়িত্ব দিয়ে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষ ছেড়ে চলে গেল।
সেই কেরানি তৈরির শিক্ষাব্যবস্থা আজও চলছে এবং সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ কথিত আধুনিক ও শিক্ষিত লোক বের হচ্ছেন যাদের দু চারজন বাদে সকলেই চরম আত্মকেন্দ্রিক, যারা নিজেদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া আর কিছু ভাবেন না। এদের অধিকাংশই ধর্মকে মনে করেন সেকেলে ধ্যানধারণা ও পৌরাণিক কল্পকাহিনী। এ যুগে ধর্ম অচল। তাদেরকে শেখানো হল আধুনিক সমস্ত জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পশ্চিমাদের উদ্ভাবন। কিন্তু এই জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত্তি যে মুসলিমরাই নির্মাণ করেছিল সেটা তাদেরকে শিক্ষা দেওয়া হল না। এদের হৃদয়ে আল্লাহর ভয় বা আল্লাহর হুকুমের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকায় এরা সরকারি দায়িত্ব পেয়ে সীমাহীন দুর্নীতি, ঘুষ, অর্থ পাচার ইত্যাদি অপরাধে লিপ্ত হতে কোনো প্রকার বিবেকের দংশন অনুভব করেন না।
এই দুইপ্রকার শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা শিক্ষিতজনেরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন। মাদ্রাসা শিক্ষিতরা মনে করছেন সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতরা জাহান্নামে যাবে আর সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতরা তাদেরকে কাঠমোল্লা, দুনিয়া সম্পর্কে বেখবর, অজ্ঞ বলে চরম অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখেন। একই জাতির মধ্যে এই যে ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব - এর মূল কারণ এই ষড়যন্ত্রমূলক জাতিবিনাশী শিক্ষাব্যবস্থা। এটি দূর করার জন্য আমাদেরকে অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেটা হচ্ছে ঔপনিবেশিক যুগে প্রবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে নিজেদের জাতির লক্ষ্য মোতাবেক একটি একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে, যে শিক্ষা মানুষকে একদিকে বস্তুগত শিক্ষায় সমৃদ্ধ করবে অন্যদিকে তাদেরকে নৈতিকভাবে চরিত্রবান, ন্যায়নিষ্ঠ, মানবিক, সত্যবাদী মো’মেন হিসাবে গড়ে তুলবে।
এ লক্ষ্যে আমরা হেযবুত তওহীদ ইতোমধ্যে নোয়াখালীতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি যা সমগ্র জেলায় সকল বিষয়ে সুনাম সুখ্যাতি ও কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
09/02/2025
সকলের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বই মেলায় চলে এসেছে বর্তমানের আলোচিত বই.........
হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম এর "হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যবস্থা"
বইটি এখন থেকে পাওয়া যাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা - ২০২৫
তওহীদ প্রকাশন Tawheed Publication স্টলে। স্টল নম্বর -০৮
বই : হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যবস্থা
লেখক : হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
কভার : পেপারব্যাক ( ব্লু লেমিনেশন)
কাগজ : অফসেট ৭০ গ্রাম ( অফ হোয়াইট)
পৃষ্ঠা : ৩০৪
কভার মূল্য : ৩২০৳
বই মেলায় পাওয়া যাবে মাত্র -২০০৳ ( দুইশত টাকা ) - ৩৭% ডিসকাউন্ট দিয়ে
যোগাযোগ : 01686-462175
সারাদেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়- ( ডেলিভারি চার্জ আলাদা )
🌿 আজ-ই আপনার কপি সংগ্রহ করুন।
#দ্যা_লস্ট_ইসলাম
#রাষ্ট্র_ব্যবস্থা
#হেযবুত_তওহীদ
#বিশ্বনবী_সাঃ_এর_ভাষন #পন্নী_পরিবারের_গৌরবোজ্জ্বল_ইতিহাস #বইমেলা #সাম্যবাদ_ও_প্রকৃত_ইসলাম #২০২৫
21/01/2025
21/11/2024
ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম রাষ্ট্রসংস্কারের যে প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন, তা বিশ্লেষণ করে বোঝা গেল- তিনি প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার একেবারে গোড়ায় পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন। যেমন- সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি বলেছেন রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা কোনো মানুষের হাতে থাকবে না। এই ক্ষমতার মালিক হবেন স্বয়ং স্রষ্টা। যেহেতু আমাদের সমাজ বস্তুবাদী সমাজ নয়, বিশ্বাসগতভাবে আমরা প্রায় সবাই একজন সর্বজ্ঞ ও মহাজ্ঞানী স্রষ্টার প্রতি আস্থা রাখি- সুতরাং আমাদেরকে মানতে হবে কোন নীতিমালা অনুযায়ী জীবনযাপন করলে আমরা শান্তিতে থাকব তা স্রষ্টার চাইতে ভালো আর কেউ জানার কথা নয়। সুতরাং স্রষ্টাই হবেন রাষ্ট্রের চূড়ান্ত হুকুমদাতা, বিধানদাতা, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
বলা বাহুল্য, এই পূর্বসিদ্ধান্তকেই ইসলামী পরিভাষায় বলা হয় তওহীদ- যার উপর ইসলামের বাকি সবকিছু দাঁড়িয়ে থাকে। রাসূল (সাঃ) মদীনায় যে নগররাষ্ট্র গড়ে তুলেছিলেন তা প্রাথমিকভাবে গড়ে উঠেছিল মদীনাবাসীর এই তওহীদের ঘোষণাকে ভিত্তি করেই। তারা ঘোষণা দিয়েছিল “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” যার অর্থ হলো- এখন থেকে আমাদের জীবনের সব বিষয়ে আল্লাহর ফয়সালাই হবে চূড়ান্ত ফয়সালা, যে বিষয়ে আল্লাহর কোনো আদেশ থাকবে, নিষেধ থাকবে- ঐ বিষয়ে অন্য কারো ফয়সালা চলবে না। তখন হয়ত সাহাবীরা কল্পনাও করতে পারেননি- তাদের এই সিদ্ধান্তটাই মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে প্রচণ্ড শক্তিশালী এক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্ম দিবে।
একটা বিশাল বটবৃক্ষের দিকে তাকান, আপনি অবাক হবেন এই ভেবে যে, এতবড় একটা গাছ কীভাবে ছোট্ট একটা বীজের মধ্যে লুকিয়ে ছিল। সময়ের ব্যবধানে তা এতবড় বৃক্ষে রূপান্তরিত হয়েছে। রাষ্ট্রব্যবস্থাও একটা গাছের মতোই, যার বীজ হলো সার্বভৌমত্ব। প্রশ্ন হলো- বর্তমানে আমরা যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় বসবাস করছি, তা কোন সার্বভৌমত্বের উপর গড়ে উঠেছে? তা গড়ে উঠেছে এই পূর্বসিদ্ধান্তের উপর যে- “সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের” অভিপ্রায় মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালিত হবে ও রাষ্ট্রের সমস্ত বিধি-ব্যবস্থা গড়ে উঠবে অর্থাৎ জনগণের সার্বভৌমত্বের উপর। যেহেতু জনগণই এই রাষ্ট্রব্যবস্থার চূড়ান্ত অথরিটি, তাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার চাইলেই বাংলাদেশের সংবিধান পর্যন্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে পারে। এমনকি বর্তমানে আমরা দেখছি ছাত্র-জনতার সমর্থিত সরকার পুরো সংবিধানই বাতিল করে দেওয়ার কথা ভাবছে। নতুন করে সংবিধান লিখতে চাচ্ছে। আবার এখন যে সংবিধান লেখা হবে, ভবিষ্যতে কোনো সরকার ক্ষমতায় এসে সেটাকেও বাতিল করে দিবে না তার গ্যারান্টি নাই। জনগণের সমর্থন থাকলে সবই করা সম্ভব। যেহেতু জনগণের উপর আর কোনো অথরিটি নাই, কোনো ব্যারিকেড নাই, সীমারেখা নাই, কাজেই রাষ্ট্রনীতির পুরোটাই নির্ভর করে জনগণের মন-মর্জির উপর। সব মিলে একটা অনিশ্চয়তায় ভাসতে থাকে পুরো রাষ্ট্রকাঠামো।
কিন্তু ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের প্রস্তাবনা হলো- রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে উঠবে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের উপর। কারণ অধিকাংশ জনগণ ভুল সিদ্ধান্তে একমত হলেও আল্লাহর পক্ষে ভুল সিদ্ধান্ত দেওয়া অসম্ভব। তিনি যেহেতু সর্বজ্ঞ সর্বজ্ঞানী, এবং যেহেতু তিনি মানুষের স্রষ্টা- কাজেই মানুষের দেহ মন মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে, কোন নীতি অনুসরণ করলে মানুষের মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটবে, আর কোন নীতি মানুষের দানবিক প্রবৃত্তিকে জাগ্রত করবে তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। সেই মহাজ্ঞানী আল্লাহ মানুষকে যেসব হুকুম দিয়েছেন- তা মানলে অবশ্যই মানুষ শান্তিতে থাকবে, নিরাপদে থাকবে। তবে এখানে অনেকগুলো প্রশ্ন আসবে তা সহজেই অনুমেয়। তার মধ্যে একটি প্রশ্ন হলো- আল্লাহর হুকুমেই যদি রাষ্ট্র চলে, তাহলে জনগণের মতামত বা আইন বিভাগের অস্তিত্ব থাকবে কিনা?
আসলে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যে তিনটা বিভাগ দরকার হয়, তিনটাই থাকবে। আইন বিভাগ আইন তৈরি করবে, শাসন বিভাগ দেশ পরিচালনা করবে, বিচার বিভাগ আইন অনুযায়ী বিচার করবে- কিন্তু সব বিভাগই একটা জায়গায় ধরা থাকবে- সেটা হলো স্রষ্টার কোনো হুকুম লঙ্ঘিত হওয়া যাবে না, যেহেতু স্রষ্টাই হচ্ছেন চূড়ান্ত অথরিটি, চূড়ান্ত সার্বভৌমত্বের মালিক।
উদাহরণস্বরূপ পার্লামেন্ট বা মজলিশে শূরার কথা ধরা যাক। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এমপিরা পার্লামেন্টে বসবেন। তাদের হাতে থাকবে বিশাল ক্ষমতা, কারণ তারাই জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়নে ভূমিকা রাখবেন। কিন্তু সেখানে কি তারা যা খুশি তাই আইন বানাতে পারবেন? কোনোই সীমারেখা থাকবে না? তা হয় না। একটা সীমারেখা তাদেরকেও মানতে হবে- তাহলো আল্লাহর হুকুম লঙ্ঘন করবে এমন কোনো আইন তারা রচনা করতে পারবেন না। ওই অথরিটিই তাদের থাকবে না। কোনো বিষয়ে আইন নির্ধারণের প্রয়োজন পড়লে তারা সবার আগে দেখবেন স্রষ্টার বিধানে এর কী ফয়সালা আছে। তা নিয়ে গবেষণা করবেন, আলাপ আলোচনা করবেন, সংলাপ-বক্তৃতা করবেন, মতামত দিবেন। এরপর স্রষ্টার বিধান থেকে ফয়সালা ফাইনাল করবেন। তবে যদি স্রষ্টার বিধানে উক্ত বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য না থাকে, তখন তারা নিজেরাই আলোচনা পরামর্শ করে “আইন” প্রণয়ন করবেন। সেই আইন বাস্তবায়ন করবে শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। যেমনটা বর্তমানে হয়ে থাকে।
সুতরাং আল্লাহর দেওয়া সীমারেখার মধ্যে থেকে রাষ্ট্রীয় বিভাগগুলো নিজ নিজ কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো বাধা নেই। এই সীমারেখাকেই কোর’আনে বলা হয়েছে হদ। যারা এই সীমাকে লঙ্ঘন করে তাদেরকে বলা হয়েছে তাগুত। কোর’আনে আল্লাহ তাগুততে অস্বীকার করতে বলেছেন। (বাকারা: ২৫৬) আরেক আয়াতে সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে আল্লাহ প্রবৃত্তির দাস বা খেয়াল-খুশির দাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এই হলো সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে ইমাম সেলিমের প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক তফাৎ।
পাঠক, এ বিষয়ে আপনার ভাবনা কী? অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
15/10/2024
বাংলাদেশিসহ সব শান্তিরক্ষীকে সরিয়ে নিতে বললেন নেতানিয়াহু
Click here to claim your Sponsored Listing.
11/10/2024