Hidden Team creation - HTc

Hidden Team creation - HTc

Share

দ্বীনের পথে এসো 🤲



💌 [email protected]

03/03/2026

রাসুল (সা:) বলেছেন,,
কাউকে তার অতীতের পাপ নিয়ে খোঁটা দিওনা। কারণ, সে হয়তো তওবা করে তোমার থেকেও উত্তম হয়ে গেছে..!

03/03/2026

ইমাম মাহদীর আগমন ইসলামি ইতিহাসের এমন একটি ধ্রুব সত্য, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর একাধিক হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। কিয়ামতের বড় বড় আলামত বা লক্ষণগুলোর মধ্যে প্রথম সারির একটি লক্ষণ হলো এই মহান নেতার আবির্ভাব। তিনি কোনো নবী বা রাসুল হিসেবে আসবেন না, বরং তিনি হবেন উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত একজন ইনসাফকামী শাসক এবং আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক। যখন পৃথিবী অন্যায়, অবিচার এবং শোষণে ভরে যাবে, যখন মুসলমানদের রক্ত পানির মতো সস্তা হবে এবং যখন পৃথিবীতে কোনো প্রকৃত অভিভাবক থাকবে না, ঠিক তখনই মহান আল্লাহ তায়ালা তার এই বিশেষ বান্দাকে পাঠাবেন। ইমাম মাহদী হবেন নবী বংশের অর্থাৎ ফাতেমা (রা.)-এর বংশধর এবং হাসান (রা.)-এর বংশধারা থেকে আগত। তার নাম হবে মুহাম্মদ এবং তার পিতার নাম হবে আব্দুল্লাহ, যা আমাদের প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর নামের সাথে হুবহু মিলে যাবে। যদিও অনেক দুর্বল বর্ণনায় তার মায়ের নাম 'আমিনা' হওয়ার কথা এসেছে, তবে অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থে তার এবং তার পিতার নামের উপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক গঠন হবে উজ্জ্বল বর্ণের, কপাল হবে প্রশস্ত এবং নাক হবে উচ্চ ও খাড়া। তার চরিত্র ও স্বভাব হবে সরাসরি রাসূল (সা.)-এর চরিত্রের প্রতিচ্ছবি।
ইমাম মাহদীর আগমনের পূর্বে বিশ্ব এক ভয়াবহ রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হবে। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, আরবের ক্ষমতা নিয়ে রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম কোন্দল শুরু হবে। একজন খলিফার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তিন জন রাজপুত্র ক্ষমতার দ্বন্দ্বে লিপ্ত হবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের কেউই ক্ষমতায় বসতে পারবে না। ঠিক এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে ইমাম মাহদী মদিনায় অবস্থান করবেন। তিনি অত্যন্ত বিনয়ী এবং নির্লোভ হওয়ার কারণে নেতৃত্বের গুরুভার গ্রহণ করতে চাইবেন না। তাই তিনি মদিনা থেকে পালিয়ে মক্কায় চলে আসবেন। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা অনুযায়ী মক্কায় একদল বিশেষ মুমিন ব্যক্তি (যাদের আবদাল বলা হয়) তাকে চিনে ফেলবেন। তারা তাকে কাবার হাজরে আসওয়াদ এবং মাকামে ইব্রাহিমের মাঝামাঝি স্থানে ঘিরে ধরবেন। তিনি বারবার অস্বীকার করা সত্ত্বেও তারা তাকে মুসলিম উম্মাহর নেতা হিসেবে স্বীকার করে তার হাতে বায়াত বা আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করবেন। এটি হবে এক অলৌকিক মুহূর্ত, কারণ মাহদী নিজে প্রচারণা চালিয়ে ক্ষমতায় আসবেন না, বরং পরিস্থিতি তাকে নেতৃত্বের আসনে বসিয়ে দেবে।
ইমাম মাহদীর সত্যতার সবচেয়ে বড় এবং অকাট্য প্রমাণ হবে 'বায়দা' নামক প্রান্তরের ভূমিধস। যখন মক্কায় তার বায়াত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়বে, তখন সিরিয়া (শাম) থেকে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী তাকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য মক্কার দিকে রওনা হবে। কিন্তু তারা যখন মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী 'বায়দা' নামক মরুভূমিতে পৌঁছাবে, তখন মহান আল্লাহর নির্দেশে মাটি ফেটে পুরো বাহিনীকে গ্রাস করে ফেলবে। এই অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক ঘটনাটি বিশ্বের সামনে পরিষ্কার করে দেবে যে, ইনিই সেই প্রতিশ্রুত ইমাম মাহদী। এরপর সারা বিশ্ব থেকে নেককার বান্দারা এবং ইরাক ও ইয়েমেন থেকে সত্যপন্থী দলগুলো তার পতাকাতলে এসে সমবেত হবে। এটি হবে মুসলিম উম্মাহর পুনর্জাগরণের প্রথম সোপান। তার এই অলৌকিক বিজয়ের খবর শুনে আরবের পর থেকে রোমান (পাশ্চাত্য) শক্তির সাথে মুসলমানদের এক বিশাল যুদ্ধ বা 'মালহামা' (মহাযুদ্ধ) সংঘটিত হবে। এই যুদ্ধটি আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের চেয়েও বেশি শারীরিক বীরত্ব ও কৌশলের ওপর নির্ভর করবে এবং এতে মুসলমানদের অভাবনীয় বিজয় অর্জিত হবে।
ইমাম মাহদীর শাসনামল হবে পৃথিবীর ইতিহাসের স্বর্ণযুগ। তিনি সাত থেকে নয় বছর রাজত্ব করবেন। তার সময়ে পৃথিবী থেকে সব ধরনের জুলুম ও সাম্প্রদায়িকতা মিটে যাবে। তিনি ধন-সম্পদ অকাতরে বণ্টন করবেন এবং মানুষের মধ্যে দারিদ্র্য বলতে কিছু থাকবে না। ভূমি তার সমস্ত উর্বরতা উগরে দেবে এবং আকাশ থেকে মুষলধারে রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হবে। তার শাসনামলের শেষের দিকে যখন দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে এবং মুমিনদের চরম পরীক্ষার সময় আসবে, ঠিক তখনই দামেস্কের সাদা মিনারের ওপর দিয়ে ফেরেশতাদের ডানায় ভর করে হযরত ঈসা (আ.) আসমান থেকে অবতীর্ণ হবেন। ফজরের নামাজের সময় যখন ইকামত হয়ে যাবে, তখন ইমাম মাহদী হযরত ঈসা (আ.)-কে ইমামতি করার অনুরোধ করবেন। কিন্তু ঈসা (আ.) বলবেন, "আপনারাই একে অপরের নেতা, এটি এই উম্মতের প্রতি আল্লাহর সম্মান।" অর্থাৎ ঈসা (আ.) ইমাম মাহদীর পেছনে নামাজ পড়ে প্রমাণ করবেন যে এখন নবুয়তের যুগ শেষ এবং কোরআন-সুন্নাহর বিধানই চূড়ান্ত। এরপর তারা একত্রে মিলে দাজ্জালকে পরাজিত করবেন এবং সারা বিশ্বে এককভাবে ইসলামের পতাকা উড্ডীন করবেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইমাম মাহদীর আগমন কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়, বরং এটি এক অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ের পর আলোর দিশারি হওয়ার আল্লাহর ওয়াদা। তার আগমনের পর মুসলমানরা আর কোনোদিন পতন বা পরাজয়ের গ্লানি অনুভব করবে না। তবে মনে রাখতে হবে, বর্তমানে অনেক ভণ্ড ব্যক্তি নিজেকে মাহদী দাবি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। প্রকৃত ইমাম মাহদীকে চেনার উপায় হবে তার নাম, বংশ, মক্কায় বায়াত গ্রহণ এবং বায়দার ভূমিধস। তিনি আসার আগে পৃথিবীতে বড় ধরনের যুদ্ধ এবং ফিতনা থাকবে, তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত নিজেদের ঈমানকে মজবুত রাখা এবং রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়া। তার আগমনের সেই মহিমান্বিত সময়টি হবে ইনসাফের রাজত্ব, যেখানে মানুষ দীর্ঘদিনের ক্লান্তি ভুলে শান্তির সুবাতাস পাবে এবং ইসলামের চূড়ান্ত বিজয় বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করবে।

03/03/2026

রমজান মাসে প্রত্যেকটা নেকী লেখার সময় ফেরেশতা আল্লাহকে জিঙ্গেস করেন:

আল্লাহ কতো লিখবো? ৭০ লেখবো? আল্লাহ বলেন, না, আরো লিখতে হবে,
- মহান আল্লাহ্ পাক ফেরেশতাকে জিজ্ঞেস করবেন, কে ইনি নাম বলো?
- ফেরেশতা ব্যক্তিটির নাম বলবেন ।

আল্লাহ বলবেন, আচ্ছা, ৭০০ লেখো, না না ৭০০০ লেখো, না না ৭০ হাজার লেখো, না না ৭ লক্ষ লেখো, না ৭০ লক্ষ লেখো, না ৭০ কোটি লেখো, না না ৭০ হাজার কোটি লেখো।

আবার, কখনো কখনো আল্লাহ পাক তার দয়ার সাগর ঢেলে দিয়ে বলেন, ওহে ফেরেশতা! তুমি লেইখো না। আমি নিজ হাতে লেখবো। তোমার কলমে এইটা লেখতে পারবে না।

এইটা আমার বান্দার সিজদার নেকী, আমার বান্দার রোজা রাখার নেকী। আমি নিজেই লেখবো।

সুবহানআল্লাহ 🖤🤲

02/03/2026

ইফতারের আগে দুআ কবুল হয়, তাই অবশ্যই প্রত্যেক ইফতারের আগে দুআ করবেন ।
দুআ করার আগে এবং পরে অবশ্যই অবশ্যই দুরুদ পড়ে নিবেন ।
মহান আল্লাহ্ তায়ালা আপনার দুআ কবুল করবেন ।
ইন শা আল্লাহ 🤲

02/03/2026

রোজা রেখে ও যে ব্যক্তি_ মিথ্যা কথা ও অশ্লীলতা ছাড়তে পারলো না।
তার না খেয়ে থাকাতে আল্লাহ তায়ালার কিছুই যায় আসে না।

(সহীহ বুখারী -৬০৫৮)

01/03/2026

রমাদান মুমিনের জন্য এক বিরাট পাওয়া। অন্তরকে দাগমুক্ত করাতে, মৃ'ত অন্তরকে আবারও ইবাদাতের সেচ দিয়ে সজীব করে তুলতে।

21/02/2026

এই রমজান যেন শুধু ৩০ দিনের বদল না হয়, এই রমজান হোক সকলের চিরতরে'র বদল...!ইন-শা-আল্লাহ ❤️🤲

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Dhaka