Misc Info Tech

Misc Info Tech

Share

Stay informed. Stay smart. Stay tech-savvy with MIT ⚙️

03/11/2025

বন্ধ হচ্ছে অবৈধ ফোন!

হ্যান্ডসেটটি বৈধ কিনা, যেভাবে বুঝবেন
স্মার্টফোন কেনার আগে এটি বৈধ নাকি অবৈধ, সেই প্রশ্ন মনে আসা স্বাভাবিক। আজকাল চোরাই পথে আসা কিংবা নকল আইএমইআই (IMEI) যুক্ত মোবাইল ফোনে বাজার ছেয়ে গেছে। এসব ফোন শুধু নিরাপত্তার ঝুঁকিই তৈরি করে না, বরং দেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হয়।

তবে আগে তেমন সমস্যা না হলেও, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নতুন নেওয়া পদক্ষেপের কারণে অবৈধ ফোন ব্যবহারকারীরা বিপদে পড়তে পারেন। বিটিআরসি ঘোষণা করেছে, অনুমোদিত নয় এমন ফোনে মোবাইল সিম কাজ করবে না। ফলে কল, এসএমএস বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে না।

দুশ্চিন্তার কিছু নেই! বিটিআরসি এখন সহজেই আপনার ব্যবহৃত বা নতুন কেনা ফোনটির বৈধতা যাচাই করার সুযোগ এনেছে। শুধু একটি এসএমএস অথবা অনলাইন চেক করে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার ফোনটি অফিশিয়াল ডেটাবেজে নিবন্ধিত আছে কি না।

ভেরিফিকেশনের পদ্ধতি
১. এসএমএসের মাধ্যমে যাচাই পদ্ধতি
ধাপ-১: প্রথমে মোবাইলের কিপ্যাডে * #06 # ডায়াল করে ফোনের আইএমইআই নম্বরটি দেখে নিন।

ধাপ-২: মোবাইল ফোন থেকে *১৬১৬১ # নম্বরে ডায়াল করুন।

ধাপ-৩: স্বয়ংক্রিয় বক্সে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই (IMEI) নম্বরটি লিখে প্রেরণ করুন।

ধাপ-৪: ফিরতি মেসেজের মাধ্যমে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের/হ্যান্ডসেটের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।

২. অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে যাচাই পদ্ধতি
বিটিআরসির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Verify IMEI’ অপশনে গিয়ে আইএমইআই নম্বরটি লিখুন। সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল দেখা যাবে—আপনার ফোনটি ‘Valid’, ‘Invalid’ নাকি ‘Clone’।

অবৈধ ফোন ব্যবহার করলে কী হবে?
বিটিআরসি জানিয়েছে, অননুমোদিত এসব ডিভাইসে মোবাইল সিম কাজ করবে না, যার ফলে কল, এসএমএস বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি এসব ডিভাইস নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

গ্রাহকদের জন্য পরামর্শ
বিটিআরসি পরামর্শ দিয়েছে, নতুন বা পুরোনো ফোন কেনার আগে অবশ্যই আইএমইআই যাচাই করে নিতে। বিশেষ করে অনলাইন বা বিদেশ থেকে আনা ফোন কেনার সময় ফোনের বাক্স ও ডিভাইসের আইএমইআই মিলিয়ে দেখা জরুরি।

11/10/2025

0002
বিষয় ঘড়ি আবিষ্কারের ইতিহাস

ঘড়ি বা সময় মাপার যন্ত্রের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন ও আকর্ষণীয়। নিচে সংক্ষেপে ঘড়ির আবিষ্কার ও বিকাশের ইতিহাস তুলে ধরা হলো 👇



🕰️ প্রাচীন যুগ – সূর্য ও ছায়ার ঘড়ি
• প্রায় ৪,০০০ বছর আগে প্রাচীন মিশরীয়রা সময় মাপার জন্য সূর্যঘড়ি (Sundial) ব্যবহার করত।
• একটি দণ্ড বা গ্নোমন মাটিতে পুঁতে, তার ছায়ার অবস্থান দেখে সময় নির্ধারণ করা হতো।
• রাতে সূর্য না থাকায় তারা জলঘড়ি (Water clock বা Clepsydra) ব্যবহার করত। এতে পানির প্রবাহ দ্বারা সময় নির্ধারিত হতো।



⏳ মধ্যযুগ – বালি ও যান্ত্রিক ঘড়ি
• বালিঘড়ি (Hourglass) আবিষ্কার হয় আনুমানিক ৮ম থেকে ৯ম শতাব্দীতে। এতে দুটি কাচের গোলকের মধ্যে বালি পড়ে সময় মাপা হতো।
• ১৩শ শতাব্দীতে ইউরোপে প্রথম যান্ত্রিক ঘড়ি (Mechanical clock) আবিষ্কার হয়।
• এই ঘড়িগুলি প্রধানত গির্জা ও টাওয়ারে স্থাপন করা হতো।
• এতে দোলনা ও গিয়ারের সাহায্যে সময় মাপা যেত।



⚙️ ১৫শ–১৭শ শতাব্দী – পকেট ঘড়ি ও দোলক ঘড়ি
• ১৪৫০–১৫০০ সালের দিকে ইউরোপে পকেট ঘড়ি (Pocket Watch) জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
• ১৬৫৬ সালে ডাচ বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস (Christiaan Huygens) প্রথম দোলক ঘড়ি (Pendulum Clock) আবিষ্কার করেন।
• এটি আগের সব ঘড়ির তুলনায় অনেক বেশি নির্ভুল ছিল।



⌚ ১৮–১৯শ শতাব্দী – হাতঘড়ি ও আধুনিকীকরণ
• ১৮শ শতকে ঘড়িতে স্প্রিং ও ব্যালান্স হুইল যুক্ত হয়, যা ঘড়িকে ছোট করে তুলতে সাহায্য করে।
• ১৮৬৮ সালে সুইস প্রতিষ্ঠান Patek Philippe প্রথম হাতঘড়ি (Wristwatch) তৈরি করে।
• ১৯০০-এর দশকের শুরুতে সৈন্যদের ব্যবহারের জন্য হাতঘড়ি জনপ্রিয় হয়।



🔋 ২০শ শতাব্দী – কোয়ার্টজ ও ডিজিটাল ঘড়ি
• ১৯৬৯ সালে জাপানি কোম্পানি Seiko প্রথম Quartz Watch বাজারে আনে।
• এতে বৈদ্যুতিক কম্পন ব্যবহারের ফলে সময় মাপা আরও নির্ভুল হয়।
• এরপর আসে ডিজিটাল ঘড়ি (Digital watch), যেখানে LED বা LCD স্ক্রিনে সময় দেখানো হয়।



📱 ২১শ শতাব্দী – স্মার্টওয়াচ যুগ
• আধুনিক যুগে স্মার্টওয়াচ (Smartwatch) আবিষ্কার সময় মাপার ইতিহাসে নতুন বিপ্লব আনে।
• এখন ঘড়ি শুধু সময় বলে না — এটি হার্ট রেট, GPS, কল, মেসেজ, এমনকি ঘুমের মান পর্যন্ত জানায়।

10/10/2025

0001

আজকের বিষয় বেইলি ব্রিজ

আমরা অনেকে বেইলি ব্রিজের নাম শুনেছি কিন্তু বিস্তারিত জানি না । চলুন আজ বেইলি ব্রিজ সম্পর্কে জানি :

✅বেইলি ব্রিজ” (Bailey Bridge) নামটি এসেছে এর উদ্ভাবক স্যার ডোনাল্ড বেইলি (Sir Donald Bailey)-এর নাম থেকে।

✅নামকরণের ইতিহাস:
• ডোনাল্ড বেইলি ছিলেন একজন ব্রিটিশ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার।
• তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪০-এর দশকে) ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর জন্য এমন একটি সেতু ডিজাইন করেন যা দ্রুত তৈরি করা যায়, ভারি সরঞ্জাম ছাড়াই, এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সহজে পরিবহনযোগ্য।
• তাঁর তৈরি সেই সেতুটিই পরবর্তীতে “Bailey Bridge” নামে পরিচিত হয় — তাঁর নামানুসারেই।



⚙️ নকশার বৈশিষ্ট্য:

ডোনাল্ড বেইলির ডিজাইনটি ছিল:
• সম্পূর্ণ মডুলার (Modular) — অর্থাৎ ছোট ছোট অংশ জোড়া দিয়ে বড় ব্রিজ তৈরি করা যায়;
• প্রিফ্যাব্রিকেটেড স্টিল ট্রাস (Prefabricated Steel Truss) — যা দ্রুত জোড়া লাগানো যায়;
• এবং পোর্টেবল (Portable) — মানে সহজে খুলে অন্য জায়গায় নিয়ে বসানো যায়।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka