Musafir
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Musafir, Dhaka.
বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
ছুটিতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন কোর্স শুরু করছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
চাকরিতে পদোন্নতি হবে? — মুখ বন্ধ রাখুন।
জীবনের বড় বড় মুহূর্তে আমাদের মনে হয়, প্রিয়জন বা বন্ধুদের জানালে খুশি হবে। মনে হয়, সুখ ভাগ করলে দ্বিগুণ হয়। কিন্তু সত্যি বলতে কী, সব সময় তা হয় না। বরং অতি তাড়াতাড়ি মুখ খোলাই হয়ে দাঁড়ায় সবচেয়ে বড় ভুল।
আমাদের স্বপ্ন আসলে একেকটা বীজ। এই বীজকে মাটিতে রোপণ করার পর যত্ন চাই, সুরক্ষা চাই। কিন্তু যদি খুব তাড়াতাড়ি সবাইকে দেখাতে ব্যস্ত হই, তখন সেটি শেকড় গজানোর আগেই শুকিয়ে যায়। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে—যত বেশি স্বপ্ন শেয়ার করবেন, তত বেশি হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজরের চোখ আপনার দিকে পড়বে। আর এটাই অনেক সময় আপনার সাফল্যের পথে অদৃশ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।
আমরা যাদের "বন্ধু" বলে বিশ্বাস করি, তাদের সবাই আন্তরিক নয়। কেউ কেউ চায় আপনি ভালো থাকুন, কিন্তু কখনোই তাদের চেয়ে ভালো না। তাই তারা হাসিমুখে অভিনন্দন জানালেও মনে মনে আপনার ব্যর্থতা কামনা করতে পারে। এটা তিক্ত হলেও সত্যি।
আমরা ভেবে নিই, অন্তত পরিবার তো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবারের ভেতরেও সূক্ষ্ম হিংসা থাকতে পারে। ভাই, বোন, আত্মীয় কেউ কেউ চাইতে পারে যে আপনি তাদের ছাড়িয়ে না যান। এই গোপন প্রতিযোগিতা অনেক সময় আপনার আনন্দকে নিঃশব্দে বিষিয়ে দিতে পারে।
অনেকে বলে বদনজর শুধু কুসংস্কার। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। মানুষ যখন আপনার উন্নতি দেখে ঈর্ষায় পুড়ে যায়, তখন সেই নেতিবাচক এনার্জি আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। সনাতন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম ও অন্য প্রায় সব ধর্মেই বদনজরের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ, এটা কোনো কাল্পনিক ভয় নয়।
নীরবতা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি। চুপ থাকা মানে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুত হওয়া। কৃষক যেমন বীজ রোপণের পর প্রতিদিন হাটে গিয়ে ঘোষণা করে না, তেমনি বুদ্ধিমান মানুষও নিজের স্বপ্ন গোপন রাখে। সময় এলে ফলাফল নিজেই কথা বলে। তখন আর কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না।
আপনার ভাগ্যে যা আছে, ঈশ্বরের লিখে রাখা পরিকল্পনা কেউ মুছে দিতে পারবে না। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে বেশি মুখ খোলার কারণে আপনি নিজের জন্য অযথা বাধা তৈরি করতে পারেন।তাই বিশ্বাস রাখুন, ধৈর্য ধরুন, পরিশ্রম করুন এবং যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ রাখুন।
মনে রাখবেন, স্বপ্নকে আগেভাগে প্রকাশ করা মানে তাকে দুর্বল করে ফেলা। হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজর সত্যিই আপনার সাফল্যকে ধ্বংস করতে পারে। তাই যখনই জীবন আপনাকে কোনো বড় সুখবর দেবে—নতুন বাড়ি, গাড়ি, বিয়ে বা পদোন্নতি—তখন আনন্দে চিৎকার না করে নীরবে উপভোগ করুন। সময় এলে আপনার সাফল্যই পুরো পৃথিবীকে জানিয়ে দেবে আপনি কী করেছেন।
30/09/2025
শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। জাতিসংঘে সাধারণ অধিবেশনে নোবেল শান্তি জয়ী প্রফেসর ডক্টর ইউনূসের এটাই শেষ ভাষন। নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প- -দুজনের মুখের সামনে এ বক্তব্য ছিল দুঃসাহসিক ও অসাধারণ।
তিনি বাংলায় বললেন "বিশ্বে আজ যে অরাজকতা চলছে, তার মর্মান্তিক রূপ আমরা দেখেছি গা*জায়। শিশুরা না খেয়ে অকাল মৃত্যু বরণ করছে। মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করছে। হাসপাতাল, স্কুলে জনসাধারণকে নিঃচিহ্ন করে দিচ্ছে। আমাদের চোখের সামনে একটা নির্বিচার গণহত্যা সংগঠিত হচ্ছে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে মানব জাতির পক্ষ থেকে এর অবসানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি না এখনো। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।"
এমনই দিনে এমন বক্তব্য একজন নোবেল শান্তি জয়ীর কন্ঠ থেকে আসলো, যখন এ বক্তব্যের ভীষণ প্রয়োজন ছিল। একইসাথে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও একজন সরকার প্রধান হিসেবে এ ভাষনের ওজন ও ব্যাপ্তি ছিল ব্যাপক। অধিবেশনে জোর হাততালির শব্দ তার এ বক্তব্যের অসাধারণত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এমন এক দিনে তিনি এ বক্তব্য দিলেন, যেদিন শয়তান নেতানিয়াহু ও তার বক্তব্য রাখলো। যদিও শয়তান যখন বক্তব্য রাখল, তখন বিশ্বের প্রায় সব নেতাই তাকে বয়কট করলেন।
আমরা চাই প্রফেসর ডঃ ইয়ুনুসের প্রতিটি শেষই সুন্দর হোক। বাংলাদেশ থেকে স্বৈরতন্ত্র, ময়লাতন্ত্র, দুর্নীতিতন্ত্র ও পরিবারতন্ত্র বিনাশ হোক, চিরতরে এর পুনরুত্থান বন্ধ হোক। তার হাত ধরে বাংলাদেশে একটি মানবিক ও উদার গণতন্ত্র ফিরে আসুক। হাজারো শহীদের উত্তরসূরী লক্ষ কোটি তরুণের স্বপ্ন পতাকা হয়ে নীল আকাশে পতপত করে উড়ুক।🇧🇩🇧🇩
25/09/2025
এই লেখাটা হয়তো সবার ভালো লাগবে না,
তবুও সত্যিটা এটাই!!
প্রেম করছো নিজের ইচ্ছায়।
হোটেলে গিয়ে সম্পর্ক করছো নিজের ইচ্ছায়।
প্রেমিকের সাথে ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা অশালীন আলাপ করছো—এটাও তোমার ইচ্ছায়।
ডেটে গিয়ে জায়গায় জায়গায় হাত দিতে দিচ্ছো—এটাও তোমার ইচ্ছায়।
এইসব করার সময় একবারও কি ভেবেছো কাজটা ঠিক না বেঠিক?
না, তখন কোনো প্রশ্নই ছিল না।
দিন শেষে যখন সেই প্রেমিক তোমাকে ছেড়ে চলে গেল, তখনই হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি এলো—
"সব ছেলেরাই খারাপ!"
কিন্তু সত্যিটা হলো—তুমি ভুল মানুষকে বেছে নিয়েছিলে।
তুমি সেইসব লু __ চ্চা, প্লেবয় টাইপ ছেলেদেরই পছন্দ করলে, যারা মিষ্টি কথায় মেয়ে পটাতে ওস্তাদ।
কখনো ভেবেছো—একজন ছেলের পার্সোনালিটি বলতে আসলে কী বোঝায়?
যে ছেলে তোমার পিছে পিছে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ইমপ্রেস করার চেষ্টা করছে, তার কি নিশ্চয়তা আছে যে সে অন্য কারো পিছে যাবে না?
কিন্তু না—এসব ভাবার সুযোগই তুমি দিলে না।
বরং নিজেই তাকে তোমার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তুলে দিয়ে সস্তা করে ফেললে নিজেকে।
ফলাফল?
ওই ছেলেই একদিন বন্ধুদের কাছে বলে বেড়াবে—
"ওই মেয়ে ভালো না, আমিও ওর সাথে ক-রে-ছি!" এবং দুঃখের বিষয়—এটা কিন্তু মিথ্যা নয়। তাকে এমনটা বলার সুযোগ দিলে কে?
তুমিই তো!
এরপর সব পুরুষকে দোষারোপ করবে, গালি দিবে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন বাবা-মা যাকে বিয়ে দিবে তাকেই মেনে নেবে, তখন নিজের ব্যবহৃত শরীরকে স-তী-ত্বে-র মিথ্যা মোড়কে পেঁচিয়ে উপহার দিবে নতুন স্বামীকে!
মনে রেখো—
তোমার বাবা-মা তোমার মঙ্গলের জন্যই সিদ্ধান্ত নেয়। যে ছেলেটিকে বিয়ে করে সারাজীবন কাটাবে, সেও একজন পুরুষ।
তাই অনুরোধ—
শুধু প্লেবয় টাইপ সুন্দর ছেলেদের প্রেমিক হিসেবে বেছে নিও না।
বরং বাবা-মার পছন্দে, বা অন্তত ভেবে-চিন্তে একজন সৎ, চরিত্রবান মানুষকে জীবনসঙ্গী করো। তাহলেই জীবনে শান্তি পাবে। @হাইলাইট করুন
Click here to claim your Sponsored Listing.