NU Roshid

NU Roshid

Share

قُلْ لَن يُصِيبَنَآ إِلَّا مَا كَتَبَ ٱللَّهُ لَنَا

Photos from NU Roshid's post 15/05/2026

ভিপি সাদিক কায়েমের সঙ্গে সেই রহস্যময়ী, ইন্টেলিজেন্ট নারী সাংবাদিক।

জুলাই বিপ্লবের সংগ্রামী ইতিহাসে কিছু গল্প থাকে, যা শুধু রাজনীতি নয় সাহস, বিশ্বাস, বুদ্ধিমত্তা আর অদৃশ্য সমন্বয়ের ইতিহাস হয়ে যায়।

এমনই এক গল্প ভিপি সাদিক কায়েম এবং এক মেধাবী নারী সাংবাদিকের।

জুলাই বিপ্লবের উত্তাল দিনগুলোতে পরিচয় হয়েছিল তবে 'সাদিক কায়েম' নামে নয়, 'সালমান' নামে। কেউ কাউকে সরাসরি দেখেনি, ব্যক্তিগতভাবে চিনতও না। অথচ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, পরামর্শ, কৌশল এবং কর্মসূচি সবকিছু অনলাইনেই সমন্বিত হতো।

বিশ্বাস ছিল, লক্ষ্য ছিল, আর ছিল একটি রেজিম পতনের জন্য সম্মিলিত প্রতিরোধ।

জুলাই বিপ্লবের পর যখন “সালমান” পরিচয় থেকে বাস্তবের “সাদিক কায়েম” সামনে এলেন তখন অনেকের মতো তিনিও বিস্মিত হলেন।

আর যখন জানলেন এই মানুষটি শুধু একজন আন্দোলনের কৌশলী নন, বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি তখন বিস্ময়ের সঙ্গে যুক্ত হলো গভীর চিন্তা।

তিনি ভাবলেন, শিবিরের ছেলেরা এত সাহসী, এত ধৈর্যশীল, এত সংগঠিত এবং এত সংগ্রামী হয় কীভাবে?

এই নারী সাংবাদিক, জিনা তাসরিন নিজেও জুলাইয়ের ঐতিহাসিক অধ্যায়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন।

তিনি শুধু রিপোর্ট করেননি দেখেছেন, বুঝেছেন, থেকেছেন। মাঠ ছাড়েননি। খুনি হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটেননি।

ডেইলি স্টারের এই সাহসী সাংবাদিক জানতেন, কিছু সময় শুধু পর্যবেক্ষক হয়ে থাকা যায় না, ইতিহাসের সাক্ষীও হতে হয়।

সাদিক কায়েমের পাশে তাঁর ভূমিকা ছিল দৃশ্যের আড়ালে থাকা এক বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি পরিকল্পনা, বিশ্লেষণ, সমন্বয় সবখানেই ছিল তাঁর উপস্থিতি।

হাসিনা পতনের পর যখন বাস্তব পরিচয়গুলো উন্মোচিত হতে শুরু করল, তখন তিনি বুঝলেন যার সঙ্গে এতদিন আন্দোলনের মাস্টারপ্ল্যান সাজিয়েছেন, তিনি শুধু একজন সংগঠক নন একটি বৃহত্তর ছাত্ররাজনৈতিক শক্তির মুখ।

সাংবাদিক জুলকার নাইন সায়ের সেই “রহস্যময় নারী” র কথা মনে করতে পারেন?

হ্যাঁ, এই সেই নারী।

ইতিহাসের বড় অধ্যায়গুলোতে কিছু নাম সামনে থাকে, কিছু নাম থাকে ছায়ায়।

কিন্তু দুটোই ইতিহাস লেখে।

Photos from NU Roshid's post 12/05/2026

ছাত্রদলের জিল্লতির রাজনীতি আর ইসলামী ছাত্রশিবিরের পার্থক্য।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান একটি বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের টপ থ্রি লিডারের একজন। অথচ আজ ঢাবিতে প্রাইম মিনিস্টার তারেক রহমানের নিরাপত্তাকর্মীর গলা ধাক্কা খেতে হয়েছে তাকে।

ছাত্রদলের তথাকথিত জনপ্রিয় ছাত্রনেতা, ডাকসুতে পরাজিত ভিপি প্রার্থী আবিদ তারেক রহমানের সুনজর পেতে তার গাড়ির পিছনে সামনে সমানভাবে দৌড়ায়।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ টপ টু বটম সবাই পদের জন্য নির্লজ্জের মতো দৌড়ায়। এটাই জিল্লতির রাজনীতি।

শিবিরের সঙ্গে ছাত্রদলের পার্থক্য এখানেই। তাদের পদের জন্য নির্লজ্জের মতো আমীরে জামায়াত বা কোনো নেতার পিছনে দৌড়াতে হয় না। দেখা করার জন্য গলা ধাক্কাও খেতে হয় না। এটাই পার্থক্য।

ছাত্রদল আর শিবিরের এত এত পার্থক্য যেখানে শিবির পজিটিভ আর ছাত্রদল জিল্লতির রাজনীতি করে এসব লিখতে গেলে বই লেখা হয়ে যাবে।

Photos from NU Roshid's post 11/05/2026

সাবেক আমীরে জামায়াত শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী থেকে বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়েখ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, থেকে ইসলামী আন্দোলন ও ইসলামী সংস্কৃতি অঙ্গনের পুরোধা ড. আ জ ম ওবায়দুল্লাহ এই দিনে বিদায় নিয়েছেন। দিনটি ১১ ই মে।

শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ, উপমহাদেশে ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম রাহবার এবং বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলন তথা ইসলামী রাজনীতির পুরোধা ছিলেন। তাকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ২০১৬ সালের এই দিনে ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে শহীদ করে।

ইন্টারেস্টিংলি, একই দিনে জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়েখ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরও সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। তিনি এদেশের বহুল জনপ্রিয় একজন আলেম ও স্কলার ছিলেন, যার কথা শুনে কোরআন পিপাসুরা আলো খুঁজে পেত।

১১ মে ২০২৫-এ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ড. আ জ ম ওবায়দুল্লাহর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীও।

সোনার পাখিরা একে একে উড়ে যায়,
আসে না তো ফিরে।

Photos from NU Roshid's post 10/05/2026

ডাকসুতে ক্যাপাবল ছিলেন ঢাবি শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন খাঁন।

ডাকসুর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলোর একটি। কারণ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ শুধু ক্লাসরুমে নয় গবেষণা, জ্ঞানচর্চা, বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্ব এবং প্রকাশনার সংস্কৃতিতেও।

এই জায়গায় যদি নেতৃত্ব দুর্বল হয়, তার প্রভাব পুরো শিক্ষাঙ্গনেই পড়ে।

বর্তমান বাস্তবতায় অনেক শিক্ষার্থীর মূল্যায়নে গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে সানজিদা আহমেদ তন্বী প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। এমনকি অনেকে তাকে ডাকসুর ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যর্থ সম্পাদকদের একজন হিসেবেও দেখছেন। তুলনামূলকভাবে যেখানে অন্য সম্পাদকদের কেউ কেউ উচ্চমাত্রার ইতিবাচক মূল্যায়ন পেয়েছেন, সেখানে এই পদে হতাশা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

কিন্তু এখানে শুধু একজন ব্যক্তির ব্যর্থতা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যাবে না প্রশ্নটা শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত নিয়েও।

কারণ এই একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ঢাবি শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ খান যিনি গবেষণা, প্রকাশনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি নাম।

স্টুডেন্ট থাকা অবস্থাতেই তিনি বিশ্ব ইসলামি স্কলারদের ওপর যে পরিমাণ গবেষণা করেছেন, তা সত্যিই বিরল। তিনি শুধু পড়েননি অসংখ্য বই প্রকাশ করেছেন, চিন্তার জগতে নতুন পাঠক তৈরি করেছেন, ইউসুফ আল কারযাভি সহ বহু আন্তর্জাতিক স্কলারকে বাংলাভাষী পাঠকের সামনে সহজভাবে তুলে ধরেছেন।

অর্থাৎ গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদটির জন্য প্রয়োজনীয় যে বৌদ্ধিক গভীরতা, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা এবং কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা সাজ্জাদ হোসেন খানের মধ্যে তা পরিপূর্ণভাবে ছিল।

কিন্তু শিক্ষার্থীরা শেষ পর্যন্ত এমন একজনকে বেছে নিয়েছে, যার গ্রহণযোগ্যতার বড় অংশ তৈরি হয়েছিল আবেগঘন একটি ঘটনার দৃশ্যমানতা থেকে যোগ্যতার পরিমাপ থেকে নয়।

এটাই আমাদের শিক্ষাঙ্গনের বড় সংকট।

অনেক সময় আমরা দক্ষতার চেয়ে মুহূর্তকে, কাজের চেয়ে আবেগকে, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতার চেয়ে সাময়িক আলোড়নকে বেশি মূল্য দিই। আর পরে যখন প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হয়, তখন হতাশা আমাদেরই ঘিরে ধরে।

গবেষণা ও প্রকাশনা সেক্টরটি সাজ্জাদ খানের মতো মানুষের হাতেই সবচেয়ে বেশি বিকশিত হতে পারত। শুধু ভালো না এই সেক্টরকে তিনি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারতেন।

কিন্তু সেই সুযোগ হারানো হয়েছে। আর ফলাফল আজ দৃশ্যমান।

আশা করি ভবিষ্যতের ডাকসুতে শিক্ষার্থীরা শুধু আবেগ নয় যোগ্যতা, দক্ষতা ও ভিশনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।

কারণ নেতৃত্ব শুধু জেতার বিষয় না নেতৃত্ব মানে দায়িত্ব বহনের সক্ষমতা।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Sylhet