A R F love feelins

A R F  love feelins

Share

এখানে পাবেন রোমান্টিক ভিডিও ভালোবাসা ভিডিও ও টেক্স পেটে হলে পেজটি ফলো করে পাশে থাকুন সকল গল্প পাবেন

01/08/2024

যেই ফুলসজ্জার ঘরে এখন ঋতিকার বধূবেশে বসে থাকার কথা ছিলো সেখানে এখন বসে আছে তারই প্রিয় বন্ধু অনন্যা....

পারিবারিক ভাবেই বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল ঋতিকা আর রেহানের...রেহান হলো অনন্যা আর ঋতিকার আর এক বন্ধু রেহানার বড়ো দাদা... রেহানার জন্মদিনে এসেছিল অনন্যা আর ঋতিকা সেখানেই ঋতিকা কে পছন্দ হয় রেহানের...তারপর ফ্যামিলি কে পাঠায় বিয়ের কথাবার্তা বলতে....সবই ঠিকঠাক ছিলো কিন্তু বিয়ের দিন হটাৎ ঋতিকা পালিয়ে যায়...আর তার পরিবর্তে একপ্রকার জোর করেই বিয়ে দেওয়া হয় অনন্যা আর রেহানের....

অনন্যা এখন পুস্পসজ্জিত বিছানায় ভয়ে গুটিসুটি মেরে বসে আছে...বিএসসি থার্ড ইয়ারে কেমিস্ট্রিতে অনার্স করছিলো মেয়েটা...বিয়ের কারণে ওর জীবন টাই শেষ হয়ে গেলো....

পাঞ্জাবি পরিহিত এক সুদর্শন পুরুষ দরজা খুলে ভিতরে ঢোকে...অনন্যা তো ভয়ে তটস্থ হয়ে আছে...বাবার পরে এই মানুষটাকে যে বড্ড ভয় পেতো...আজ সেই কিনা ওর স্বামী..ভাবলেই শিউরে উঠছে অনন্যার গোটা শরীর...

রেহান এসে বিছানার একপাশে বসে...অনন্যার হৃদ্গতি যেনো হটাৎ করেই বেড়ে গেছে....

রেহান:তোমার বন্ধু কোথায় অনন্যা??

এরকম একটা প্রশ্ন রেহানের কাছ থেকে আশা করেনি অনন্যা...তাই মাথা থেকে ওড়না টা সরিয়ে রেহানের দিকে তাকায়...

রেহান:তোমাকে একটা প্রশ্ন করেছি আমি... ঋতি কোথায়??

অনন্যা:আম..আমি জানিনা...

রেহান:তোমার প্রিয় বন্ধু...যে তোমাকে ছাড়া এক মিনিটও চলতে পারেনা ...সে কোথায় গেছে সত্যিই তোমাকে বলে যায়নি??

অনন্যা:না আমাকে বলেনি....

রেহান:ঠিকাছে...তুমি চেঞ্জ করে শুয়ে পরো...

অনন্যা:আপ..আপনি বালিশ নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন??

রেহান:পাশের রুমে...

অনন্যা:প্লীজ আপনি এই ঘর থেকে যাবেন না...আপনি বিছানায় শুয়ে পড়ুন...আমি নিচে শুয়ে পড়ছি....

রেহান:এখন ঠিক কতটা ঠান্ডা পড়েছে সেই আইডিয়া তোমার আছে?? নিচে শুয়ে আবার শরীর খারাপ করবে...তখন সবাই বলবে বর বউকে বিছানায় জায়গা দেয়নি....

অনন্যা:কিন্তু আপনি যাবেন না...আম..আমি একা ঘুমাতে পারিনা...ভ...ভয় লাগে...

রেহান:are you crazy?? অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়া মেয়ে ভূতে ভয় পায়??

অনন্যা কে মাথা নীচু করে থাকতে দেখে বিরক্ত হয় রেহান...

রেহান:ঠিকাছে আমি সোফায় ঘুমাচ্ছি....

অনন্যা খুশি হয়...একটা ধন্যবাদ জানিয়ে একটা শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়....কিন্তু মুশকিল হয় ও একা একা শাড়ি পড়তে পারেনা....তাই কোনরকমে শ

15/06/2024

আইসিটি ক্লাশে বসে বসে ফোন টিপছিলাম। এর মধ্যেই সুনিতা ম্যাম এসে বলে,
-প্রিয়া, ক্লাশে কি করছো? (ম্যাম)
- কই কিছুনা তো।
- দুষ্টুমি করছো, আবার বলো কিছুনা। যাও বাহিরে যাও
- ওকে ম্যাম।
- বইটা নিয়ে যাও, বাহিরে বসে পড়বে। (কিছুটা রাগ করে)
- ঠিক আছে ম্যাম।
ম্যামের কথামত বই নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কি ভাবছেন, আমি এরকম চুপচাপ কেন ম্যামের কথায় বাহিরে আসলাম? আরে বুঝেন নাই? ঠিক আছে আমিই বলি, কিন্তু তার আগে ফোনটা বই থেকে বের করি।
- ঐ তোর সমস্যা টা কি রে? (আকাশ)
- তুই বাহিরে আসছিস কেন?
- কেন আবার জানিস না তুই?
- ওহ, মেঘলাকে দেখার জন্য?
- থাপ্পড় খাবি কিন্তু
- দে।
- দয়া করে কি ফোন থেকে মুখটা তুলে একটু আমার দিকে তাকাবেন ম্যাডাম?
- আরে বলনা তুই, আমি শুনছি তো।
- আচ্ছা এভাবে আর কতদিন ইচ্ছে করে ক্লাশে দুষ্টুমি করে বাহিরে বের হবি?
- আচ্ছা আকাশ, বলতো আমি বাহিরে কেন বের হই?
- কেন আবার! ফোন টিপার জন্য।
- হ্যাঁ, তুইতো জানিসই আমি ফোন ছাড়া থাকতে পারিনা তাহলে কেন অযথা এক প্রশ্ন প্রতিদিন করিস?
- এভাবে যে পড়াশোনার বারোটা বাজাচ্ছিস সেদিকে কি খেয়াল আছে?
- এটা নিয়ে ভাবিনা।
- কেন?
- তুই আছিস তো। তুই থাকতে আমার আবার টেনশন কিসের?
- হ্যাঁ সেটাই তো। কিন্তু তুই বাহিরে বের হলে যে আমার কষ্ট হয় তা তুই বুঝিস না?
- এখানে কষ্ট হওয়ার কি আছে আবার।
- তাইতো!! কিছুনা। (রাগ করে)
- (চুপ)
-ঐ আমি রাগ করেছি রাগ ভাঙ্গাস না কেন?
- (চুপ)
- থাক তুই তোর ফোন নিয়া আমি চললাম।
- (চুপ)
- তাও চুপ করে থাকবি তুই? আমি যাচ্ছি আমাকে আটকাস না কেন?
- তোর পিছনে কে দেখ।
- কে?
- দেখ তুই
- হায় আল্লাহ্! মেঘলা।
- হুম
- তুই তো ফোন নিয়া ব্যস্ত তাহলে আবার কে কোথায় দেখিস কিভাবে?
- ঐটা তুই বুঝবিনা। এখন যা, ওর রাগ ভাঙ্গা। বাই
- তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- কলেজ ছুটি দিয়েছে তাই বাড়ি যাবো।
- তুই দাঁড়া, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
- আচ্ছা যা।
ভাবছেন মেঘলা কে? আবার আকাশ ই বা কে? আকাশ হলো আমার একমাত্র জানেমন বেষ্টফ্রেন্ড। সবসময় সবকিছুতে আমায় হেল্প করে। খুব ভালোও বাসে আমায় পাগলটা। আর মেঘলা হলো আকাশের হবু জিএফ। মানে আকাশ মেঘলাকে ভালোবাসে, মেঘলাও আকাশকে ভালোবাসে কিন্তু স্বীকার করেনা। কথায় আছেনা, মেয়েদের বুক ফুটে তো মুখ ফুটেনা! আর মেঘলার একটা সমস্যা হলো, আকাশের সাথে কোনো মেয়েকেই সহ্য করতে পারেনা এমনকি আমাকেও না। তাইতো আমার সাথে আকাশকে দেখে গাল ফুলিয়ে চলে গেছে। আকাশেরও আবআইসিটি ক্লাশে বসে বসে ফোন টিপছিলাম। এর মধ্যেই সুনিতা ম্যাম এসে বলে,
-প্রিয়া, ক্লাশে কি করছো? (ম্যাম)
- কই কিছুনা তো।
- দুষ্টুমি করছো, আবার বলো কিছুনা। যাও বাহিরে যাও
- ওকে ম্যাম।
- বইটা নিয়ে যাও, বাহিরে বসে পড়বে। (কিছুটা রাগ করে)
- ঠিক আছে ম্যাম।
ম্যামের কথামত বই নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কি ভাবছেন, আমি এরকম চুপচাপ কেন ম্যামের কথায় বাহিরে আসলাম? আরে বুঝেন নাই? ঠিক আছে আমিই বলি, কিন্তু তার আগে ফোনটা বই থেকে বের করি।
- ঐ তোর সমস্যা টা কি রে? (আকাশ)
- তুই বাহিরে আসছিস কেন?
- কেন আবার জানিস না তুই?
- ওহ, মেঘলাকে দেখার জন্য?
- থাপ্পড় খাবি কিন্তু
- দে।
- দয়া করে কি ফোন থেকে মুখটা তুলে একটু আমার দিকে তাকাবেন ম্যাডাম?
- আরে বলনা তুই, আমি শুনছি তো।
- আচ্ছা এভাবে আর কতদিন ইচ্ছে করে ক্লাশে দুষ্টুমি করে বাহিরে বের হবি?
- আচ্ছা আকাশ, বলতো আমি বাহিরে কেন বের হই?
- কেন আবার! ফোন টিপার জন্য।
- হ্যাঁ, তুইতো জানিসই আমি ফোন ছাড়া থাকতে পারিনা তাহলে কেন অযথা এক প্রশ্ন প্রতিদিন করিস?
- এভাবে যে পড়াশোনার বারোটা বাজাচ্ছিস সেদিকে কি খেয়াল আছে?
- এটা নিয়ে ভাবিনা।
- কেন?
- তুই আছিস তো। তুই থাকতে আমার আবার টেনশন কিসের?
- হ্যাঁ সেটাই তো। কিন্তু তুই বাহিরে বের হলে যে আমার কষ্ট হয় তা তুই বুঝিস না?
- এখানে কষ্ট হওয়ার কি আছে আবার।
- তাইতো!! কিছুনা। (রাগ করে)
- (চুপ)
-ঐ আমি রাগ করেছি রাগ ভাঙ্গাস না কেন?
- (চুপ)
- থাক তুই তোর ফোন নিয়া আমি চললাম।
- (চুপ)
- তাও চুপ করে থাকবি তুই? আমি যাচ্ছি আমাকে আটকাস না কেন?
- তোর পিছনে কে দেখ।
- কে?
- দেখ তুই
- হায় আল্লাহ্! মেঘলা।
- হুম
- তুই তো ফোন নিয়া ব্যস্ত তাহলে আবার কে কোথায় দেখিস কিভাবে?
- ঐটা তুই বুঝবিনা। এখন যা, ওর রাগ ভাঙ্গা। বাই
- তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- কলেজ ছুটি দিয়েছে তাই বাড়ি যাবো।
- তুই দাঁড়া, আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
- আচ্ছা যা।
ভাবছেন মেঘলা কে? আবার আকাশ ই বা কে? আকাশ হলো আমার একমাত্র জানেমন বেষ্টফ্রেন্ড। সবসময় সবকিছুতে আমায় হেল্প করে। খুব ভালোও বাসে আমায় পাগলটা। আর মেঘলা হলো আকাশের হবু জিএফ। মানে আকাশ মেঘলাকে ভালোবাসে, মেঘলাও আকাশকে ভালোবাসে কিন্তু স্বীকার করেনা। কথায় আছেনা, মেয়েদের বুক ফুটে তো মুখ ফুটেনা! আর মেঘলার একটা সমস্যা হলো, আকাশের সাথে কোনো মেয়েকেই সহ্য করতে পারেনা এমনকি আমাকেও না। তাইতো আমার সাথে আকাশকে দেখে গাল ফুলিয়ে চলে গেছে। আকাশেরও আবার এক কথা! প্রয়োজনে জিএফ ছাড়বে তবুও আমায় ছাড়বেনা।
- ঐ প্রিয়া চল। (আকাশ)
- কিরে রাগ ভাঙ্গছে?
- নারে ভাই। আজাইরা রাগ আর ভালো লাগেনা।
- তাহলে এক কাজ কর
- কি?
- তুই আমার সাথে আর কথা বলিস না।
- একটা থাপ্পড় দেবো। বলেছি না মেঘলাকে দরকার নাই তবুও তোকে ছাড়তে রাজি না।
- হুম বুঝেছি, এখন চল।
রাস্তা দিয়ে আমি আর আকাশ হাঁটছি। আকাশ নানারকম কথা বলেই যাচ্ছে কিন্তু সেদিকে আমার কোনো খেয়াল নাই কারণ আমার মন তো মোবাইলে।
- ঐ, রাস্তার মধ্যে মোবাইল টিপবি না, ফোন রাখ।
- ধুর বাবা, কিছু হবেনা আমার
- রাখতে বলছি রাখ
- চলতো কথা না বলে।
- তুই মোবাইল ব্যাগে রাখবি কি না?
- আচ্ছা বাবা রাখছি।
- ঐ আমি তোর বাবা হলাম কবে থেকে?
-ঐটা তো কথার কথা বলছি।
- না দরকার নাই বলার।
- আচ্ছা। খুব গরম লাগছে, একটা জুস কিনে আনতো।
- তুই কি বাচ্চা?
- কেন? আমি আবার কি করলাম?
- তাহলে জুস খাবি কেন?
- তাহলে কি খাবো?
- পানি খাবি, আর সি খাবি।
- ধুর এসব ভালো লাগেনা। তুই জুস নিয়ে আয়।
- তুই বাচ্চাই রয়ে গেলি। রাস্তার মাঝখানে যাবিনা, এখানে দাঁড়া আমি নিয়ে আসছি।
- আচ্ছা যা।
আকাশ জুস আনতে গেছে। যাক বাবা, এই সুযোগে একটু ফোন টিপি। জুস আনার কথা তো একটা বাহ

14/05/2024

✅ যে মেয়ে আমার বউ হবে ??

👉 তাহলে আমার ইচ্ছে গুলো দেখো.👇👇

এটা কোন মজা না,,,আমার মনের ইচ্ছা,,,মন থেকে বলছি,,,
কেউই কি আছো হালাল ভাবে সম্পর্ক করবা।
হারাম ভাবে না।
এই পোস্ট নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু ভাবছো।
যে যা ভাবছো তার কাছে তাই।

খুব ইচ্ছে হালাল ভাবে সম্পর্ক করা কেউই হেল্প করবেন।

💞বউ হলে আমাকে ভিষণ ভালবাসতে হবে।

🍜আমাকে প্রতিদিন খাইয়ে দিতে হবে।

💝আচল দিয়ে আমার মুখের ঘাম মুছে দিতে হবে।

👩চুল গুলো খোলা রাখতে হবে।

👫হাত ধরতে দিতে হবে।

😋আমি প্রচুর দুষ্টুমি করি, আমার সাথে তোমাকেও দুষ্টুমি করতে হবে।

☕এক কাপ চা ভাগ করে খেতে হবে।

💚আমিও ভিষণ ভালবাসবো।

🍜আমিও খাইয়ে দিবো।

👰শাড়ি পরিয়ে দেবো।

💪আমার ডান বাহুতে শুতে দিবো।

🏠প্রতিদিন জরিয়ে ধরে ঘুমাবো।

🌧একসাথে বৃষ্টিতে ভিজবো।

🌒রাতের বেলায় রাস্তায় হাটা আমার ভিষণ ভালো লাগে

🚶আমার সাথে হাটতে হবে।

💃পায়ে ব্যথা হলে কোলে নিতে পারবো[AnyTime]।

💛নাকে ধরে জোরে টান দিবো।

🍿এক আইসক্রিম দুজনে খাব।

🍚অসুস্থ থাকলে রান্না করে খাইয়ে দিবো।

😍যথেষ্ট পরিমাণ লম্বা আছি। বুকের মধ্যে মাথা রাখা কোন ব্যাপার ই না।

🖐বাচ্চাকাচ্চা হলে তাদেরকে চড় থাপ্পড় দেয়া যাবে না। আদর করতে হবে।

😠আর একটু একটু ঝগড়া করব ! তবে বাপের বাড়ি যেতে পারবে না।

😍আভিমান আমিই ভাঙ্গাবো শেষমেষ ।

🕋একদম পাঁচ ওয়াক্ত নামায ঠিকঠাক পড়তে হবে কিন্তু সাথে আমাকেও পড়াতে হবে �� কারণ এই ইহকালে নয় পরকালেও একসাথে থাকতে চাই.। 💝💝💝

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Rangpur City
Dhaka
1122