AdiDev Krishna
সবাই কৃষ্ণজ্ঞান প্রাপ্ত হউক এই উদ্দেশ্যে!
17/06/2026
হিন্দু সনাতন ধর্মের পথপ্রদর্শক, ঋষি-মুনি ও মহাপুরুষগণ তাঁদের উপদেশ ও বেদের চিরন্তন জ্ঞানের উপর ভিত্তি করেই সমাজ ও মানবজাতিকে পথ দেখিয়েছেন। তাই তাঁদের শিক্ষাগুলি কালের পরিবর্তন, যুগের আবর্তন কিংবা জাগতিক উত্থান-পতনের মধ্যেও সত্য ও প্রাসঙ্গিক থেকে যায়।
যেমন একটি ক্ষুদ্র বীজের মধ্যে একটি বিশাল বৃক্ষের সম্ভাবনা সুপ্ত অবস্থায় লুকিয়ে থাকে। উপযুক্ত মাটি, জল, আলো ও পরিচর্যা পেলে সেই বীজ অঙ্কুরিত হয়ে ধীরে ধীরে পূর্ণ বিকাশ লাভ করে। তেমনি প্রতিটি জীবের হৃদয়ের গভীরে ঈশ্বরচেতনা ও ভক্তির বীজ সুপ্ত অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। সাধুসঙ্গ, শাস্ত্রশ্রবণ, হরিনাম জপ কীর্তন এবং আন্তরিক সাধনা সেই বীজকে সেচের জলের মতো পুষ্ট করে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,
"তেষাং সততযুক্তানাং ভজতাং প্রীতিপূর্বকম্।
দদামি বুদ্ধিযোগং তং যেন মামুপযান্তি তে।।১০/১০।।
অনুবাদঃ যাঁরা ভক্তিযোগ দ্বারা প্রীতিপূর্বক আমার ভজনা করে নিত্যযুক্ত, আমি তাঁদের শুদ্ধ জ্ঞানজনিত বুদ্ধিযোগ দান করি, যার দ্বারা তাঁরা আমার কাছে ফিরে আসতে পারেন।"
অর্থাৎ, ভক্তি ও আন্তরিক সাধনাই ঈশ্বর উপলব্ধির প্রকৃত পথ। যেমন পরিচর্যায় বীজ থেকে বৃক্ষের প্রকাশ ঘটে, তেমনি ভক্তির সাধনায় মানুষের অন্তরে সুপ্ত ঈশ্বরচেতনার জাগরণ ঘটে এবং জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য উন্মোচিত হয়।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।
Click here to claim your Sponsored Listing.