math.ict.com
Here we will share mathematics and ICT related information. mathematics, information and communication technology
টাচ স্ক্রিন কীভাবে একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে?
টাচ স্ক্রিন (Touch Screen) একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করার কারণ এর বিশেষ গঠন ও কার্যপদ্ধতি। উৎস অনুযায়ী এর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
ইনপুট হিসেবে কাজ: টাচ স্ক্রিন এমন এক ধরনের ডিসপ্লে যা ব্যবহারকারীর হাতের স্পর্শ শনাক্ত করতে পারে । যখন আমরা স্ক্রিনে আঙুল দিয়ে ছোঁয়া দেই, তখন এটি সেই স্পর্শকে একটি নির্দেশ বা ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং প্রসেসরে পাঠায়
আউটপুট হিসেবে কাজ: সাধারণ মনিটরের মতো টাচ স্ক্রিনও কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণ করা ফলাফল বা ছবি পর্দার মাধ্যমে আমাদের সামনে প্রদর্শন করে । এই ফলাফল প্রদর্শনের কাজটি হলো আউটপুট।
গঠনগত বৈশিষ্ট্য:
টাচ স্ক্রিন মূলত দুটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত:
১. একটি ইনপুট ডিভাইস (টাচ বা স্পর্শ প্যানেল)।
২. একটি আউটপুট ডিভাইস (ভিজুয়াল ডিসপ্লে) ।
সহজ কথায়, আমরা একই পর্দায় আঙুল দিয়ে নির্দেশ দিচ্ছি (ইনপুট) এবং সেই নির্দেশ অনুযায়ী ফলাফলও একই পর্দায় দেখতে পাচ্ছি (আউটপুট)। এই দ্বৈত ক্ষমতার কারণেই স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং ল্যাপটপের টাচ স্ক্রিনকে একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস বলা হয় ।
৭ম শ্রেণি, ১ম অধ্যায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১। সামাজিক যোগাযোগ সাইট কী? উদাহরণ দাও।
২। ভার্চুয়াল ক্লাসরুম কী? ব্যাখ্যা করো।
৩। ভার্চুয়াল অফিস কী? ব্যাখ্যা করো।
৪। কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব লিখ।
৫। উইকিপিডিয়া কী? জিপিএস (GPS) কী?
৬। বিনোদনের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
------------------------------------------------------------
১। **সামাজিক যোগাযোগ সাইট** হলো ইন্টারনেটে গড়ে ওঠা এমন কিছু ওয়েবসাইট যা মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করে তুলেছে [১১]। এই সাইটগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের পরিচিতিমূলক প্রোফাইল তৈরি করতে পারে এবং একে অপরের সাথে তথ্য, ছবি বা ভিডিও বিনিময় করতে পারে [১১]।
**উদাহরণ:** বর্তমানে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে **ফেসবুক** (www.facebook.com), **লিঙ্কডইন** (linkedin.com), এবং **এক্স** (www.x.com) [১১]।
২। **ভার্চুয়াল ক্লাসরুম** (বা ই-ক্লাসরুম) হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা [৮]। এখানে একজন শিক্ষক তার ক্লাসরুমে বসে পড়ান এবং সারা দেশের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী তাদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেই ক্লাসে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারে [৮]। এটি ভৌগোলিক দূরত্ব ঘুচিয়ে শিক্ষার সুযোগকে সবার কাছে পৌঁছে দেয় [৮]।
৩। **ভার্চুয়াল অফিস** হলো এমন একটি কর্মক্ষেত্র যেখানে সশরীরে উপস্থিত না হয়েও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অফিসের সমস্ত কাজ সম্পন্ন করা হয় [৫]। ১৯৮৩ সালে প্রথম এই ধরনের অফিসের ধারণা নিয়ে আলোচনা শুরু হয় [৫]। ভার্চুয়াল অফিসের প্রধান সুবিধা হলো এতে কোনো বড় ভবনের প্রয়োজন হয় না, ফলে যানজটের সাথে যুদ্ধ করে কর্মীদের অফিসে আসতে হয় না এবং তারা ঘরে বসেই কাজ করতে পারেন [৫]। এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ একসাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে বলে একটি ভার্চুয়াল অফিস দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা সম্ভব হয় [৬]।
৪। **কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব** নিচে তুলে ধরা হলো:
* **কাগজবিহীন অফিস:** আইসিটি ব্যবহারের ফলে অফিসের কাজকর্ম এখন কাগজ ছাড়াই সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে [৫]।
* **রোবটের ব্যবহার:** কলকারখানায় মানুষের জন্য বিপজ্জনক, কষ্টকর বা একঘেয়ে কাজগুলো এখন আইসিটি চালিত রোবট দিয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে করানো হচ্ছে [৭]।
* **যোগাযোগ ও মিটিং:** ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বসেও অফিসের মিটিং করা যায় এবং ইলেকট্রনিক ফাইল মুহূর্তের মধ্যে এক অফিস থেকে অন্য অফিসে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে [৮]।
* **হিসাব-নিকাশ:** অফিসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন টাকা-পয়সা বা অ্যাকাউন্টিং সংক্রান্ত হিসাব এখন কম্পিউটারের মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত করা যায় [৮]।
* **ড্রোন ও চালকবিহীন যান:** ড্রোন ব্যবহার করে উপর থেকে ছবি তোলা বা চালকবিহীন গাড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ হচ্ছে [৮]।
৫। **উইকিপিডিয়া** হলো ইন্টারনেটে প্রাপ্ত একটি বিশাল অনলাইন বিশ্বকোষ যেখানে বিজ্ঞানের চমৎকার সব তথ্যসহ প্রায় সব বিষয়ের ওপর বিস্তারিত লেখা পাওয়া যায় [৪]।
**জিপিএস (GPS)** এর পূর্ণরূপ হলো গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম [২]। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় অবস্থান বের করে ফেলা যায় [২]। গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাওয়ার সময় পথ চিনতে বা সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে জিপিএস অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে [২]।
৬। **বিনোদনের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব** নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
* **বহুমুখী ব্যবহার:** মোবাইল টেলিফোন বা স্মার্টফোন এখন বিনোদনের চমৎকার মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, যা দিয়ে গান শোনা, ছবি তোলা এবং ভিডিও করা যায় [২]।
* **গান ও বই পড়া:** কম্পিউটারে গান শোনার পাশাপাশি ই-বুক রিডার ব্যবহার করে হাজার হাজার বই পড়া সম্ভব হচ্ছে [৩]।
* **সিনেমা ও গেম:** ইন্টারনেট থেকে পছন্দের সিনেমা ডাউনলোড করে দেখা যায় এবং কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের গেম খেলে মানুষ বিনোদন লাভ করে [৪]।
* **স্মৃতি সংরক্ষণ ও বিনিময়:** ডিজিটাল ক্যামেরা বা স্মার্টফোনে তোলা ছবি ও ভিডিও এখন ইউটিউব (YouTube), গুগল ফটোজ বা ফ্লিকারের মতো সাইটগুলোতে আপলোড করে সারা বিশ্বের সাথে শেয়ার করা যায় ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1464