Kidz Rajjo
কিডস রাজ্যে স্বাগতম! আপনাদের জন্যে এখানে রয়েছে বাচ্চাদের জন্যে শিক্ষণীয় বই এবং বিভিন্ন খেলনা .
18/04/2026
সব মায়ের যাত্রা একরকম হয় না কিন্তু শেখার দরকার আমাদের সবারই, কিছু কিছু জিনিস আমরা বুঝি দেরিতে..
আর কিছু বই সেই বুঝার পথটা সহজ করে দেয়
📖Happy Parenting with child Psychology শুধু তথ্য না, মানসিকতা টাও বদলে দিতে সাহায্য করে।
👉 https://kidzrajjo.com/step/happy-parenting/
হ্যাপি প্যারেন্টিং বইটি পড়ছিলাম ১ টা লেখা খুব ভালো লাগলো
“ অন্য সব কিছুর মতোই পাম্পিং একটি শিল্প। এবং পাম্পিংয়ে সফল হওয়ার জন্য মায়েদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং অনুশীলনের প্রয়োজন আছে”
কথাটা সত্যি অনেক মায়ের বলে পাম্পার ভালো না, পাম্প করতে পারছি না, পাম্পকরলে দুধ আসে না, আরও কত কী।
It’s a process. U have to learn. ধৈর্য ধরে চেষ্টা করতে হবে।
পাম্পিং একটি শিল্প”—এটা বলা হয় কারণ এটা শুধু মেশিন চালানো না, body + technique + timing—সবকিছুর combination।
সঠিক technique না জানলে কাজই করবে না 🍼
Pump বসানো, suction level ঠিক রাখা, fl**ge size match করা—
এগুলা ভুল হলে milk আসবে না বা খুব কম আসবে।
Body response তৈরি করতে হয় 💧
Baby suck করলে body naturally milk let-down দেয়।
কিন্তু pump এ সেই response আনতে practice লাগে—
👉 relaxation, baby কে ভাবা, skin contact—এসব trigger করতে হয়।
Timing & consistency খুব important ⏰
কখন pump করবে, কতক্ষণ করবে, কতবার করবে—
এই routine ঠিক করতে না পারলে milk supply কমে যেতে পারে।
প্রত্যেক মায়ের body আলাদা 🤱
একজনের জন্য যে method কাজ করে, আরেকজনের জন্য নাও করতে পারে।
তাই নিজের body বুঝে adjust করতে হয়—এটাই “skill”।
Practice ছাড়া flow বাড়ে না ✨
Day 1 এ বেশি milk না আসা খুব normal।
Regular pumping করতে করতে body adapt করে, flow improve হয়।
Mindset matters 🧠
Stress থাকলে milk let-down কমে যায়।
Calm থাকা, confident থাকা—এটাও একটা “art” part।
💡 Simple করে বললে:
Pumping মানে শুধু machine use না…
এটা নিজের body কে train করা + সঠিক নিয়মে practice করা 🤍
Pumper from: Baby Comfort
Happy parenting book from: Zagroo
29/01/2026
#হ্যাপি_প্যারেন্টিং_উইথ_চাইল্ড_সাইকোলজি
#পেজ_ : Kidz Rajjo
৭-৭-৭ ম্যাজিক: আপনার সন্তানের দিন বদলে দিতে দিনে মাত্র ২১ মিনিট! 🕰️
আমরা ভাবি সন্তানের জন্য অনেক সময় দরকার, কিন্তু আসলে সময়ের চেয়েও বেশি জরুরি 'কোয়ালিটি টাইম'। আপনি কি জানেন, দিনে মাত্র ২১ মিনিট সচেতনভাবে দিলে আপনার সন্তানের মানসিক বিকাশ এবং আপনার সাথে তার সম্পর্ক আমূল বদলে যেতে পারে?
একে বলা হয় "৭-৭-৭ নিয়ম"।
জেনে নিন কীভাবে এটি কাজ করে:
১. সকালে ঘুম ভাঙার পর (৭ মিনিট) ☀️
দিনটি শুরু হোক ভালোবাসা দিয়ে।
বকাঝকা বা তাড়াহুড়ো করে ঘুম থেকে না তুলে,
তার পাশে বসুন।
তাকে আদর করুন, জড়িয়ে ধরুন।
আগামী সারাদিন সে কী করতে চায় বা কোনো মজার স্বপ্ন দেখেছে কি না, তা নিয়ে গল্প করুন।
এই ৭ মিনিট তাকে সারাদিনের জন্য মানসিক নিরাপত্তা দেবে।
২. স্কুল থেকে ফেরার পর (৭ মিনিট) 🎒
স্কুল থেকে ফেরার পর সরাসরি "পড়াশোনা কী হলো" বা "কী খেয়েছ" না জিজ্ঞেস করে তাকে রিকানেক্ট করুন। তাকে বলুন আপনি তাকে মিস করেছেন। এই সময়টা কেবল তার কথা শুনুন। সে কার সাথে খেলল বা কোনো ছোট গল্প আছে কি না তা জানতে চান। এটি তাকে বোঝায় যে সে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. রাতে ঘুমানোর আগে (৭ মিনিট) 🌙
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। সারাদিনের সব ক্লান্তি ভুলে তার সাথে গল্প করুন, বই পড়ে শোনান বা তার সারাদিনের সেরা মুহূর্তটি জানতে চান। এই সময়টা তার অবচেতন মনে আপনার প্রতি গভীর আস্থা ও ভালোবাসা তৈরি করে, যা তার ঘুমের মানও উন্নত করে।
💡 কেন এটি কাজ করে?
মনোবিজ্ঞান বলে, শিশুরা দিনের শুরু, শেষ এবং মাঝখানের বিশেষ মুহূর্তগুলো সবচেয়ে বেশি মনে রাখে। এই ২১ মিনিট আপনার সন্তানকে অনুভব করায় যে সে নিরাপদ এবং ভালোবাসার পাত্র।
সন্তানের সাথে এই গভীর মানসিক সংযোগ তৈরির আরও বৈজ্ঞানিক কৌশল জানতে পড়ুন,
📘 'হ্যাপি প্যারেন্টিং উইথ চাইল্ড সাইকোলজি'।
বইটি আপনাকে শেখাবে কীভাবে ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে আপনার সন্তানকে একজন আত্মবিশ্বাসী ও সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন।
#প্যারেন্টিংটিপস #৭৭৭রুল #কোয়ালিটিটাইম #হ্যাপি_প্যারেন্টিং #শিশুরবিকাশ #চাইল্ডসাইকোলজি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka