Md Tasmim Ahammad
I am a traveller
14/08/2025
দক্ষিণ মেরুর জমাটবাঁধা শূন্যতার মাঝে, বরফের দেয়াল ভেদ করে নেমে আসে এক অদ্ভুত জলধারা—ব্লাড ফলস। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, বরফ যেন রক্ত ঝরাচ্ছে।
১৯১১ সালে অস্ট্রেলিয়ান ভূতত্ত্ববিদ থমাস গ্রিফিথ টেলর প্রথম এই দৃশ্য দেখেছিলেন। তখন ধারণা করা হয়েছিল—লাল শেওলার কারণে পানি রঙিন হয়েছে। কিন্তু সত্য লুকিয়ে ছিল বরফের গভীরে, লক্ষ লক্ষ বছরের অন্ধকারে।
বরফের নিচে বন্দি ছিল হাইপারস্যালাইন ব্রাইন—সমুদ্রের পানির চেয়েও লবণাক্ত, আয়রনে ভরপুর প্রাচীন জলাধার। একদিন বরফের ফাঁক গলে যখন এ পানি পৃষ্ঠে পৌঁছায়, অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে লৌহ অক্সিডাইজড হয়—এবং বরফের গায়ে ছড়িয়ে দেয় রক্তিম ছোপ।
অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই পানির ভেতর রয়েছে এমন জীবাণু, যারা কখনও সূর্যের আলো দেখেনি, শ্বাস নেয় না, তবুও টিকে আছে। তারা আয়রন ও সালফেটের রাসায়নিক বিক্রিয়া থেকে শক্তি পায়—কেমোসিন্থেসিস নামে এক রহস্যময় প্রক্রিয়ায়।
বিজ্ঞানীরা বলেন, ব্লাড ফলস যেন পৃথিবীর ভেতরেই এক ভিনগ্রহ। এটি প্রমাণ করে—অন্ধকার, ঠান্ডা, অক্সিজেনহীন গ্রহেও জীবন জেগে থাকতে পারে, হয়তো মঙ্গল বা ইউরোপার বরফঢাকা সাগরে।
22/07/2025
আমি চিৎকার করে কাঁদিতে
চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার||
বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে
নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার
22/07/2025
মাইলস্টোন এর সকালের চিত্র 😭
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
Dhaka
1230