Sheikh Rasel

Sheikh Rasel

Share

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক কলম'টা আমার অস্ত্র এবং সেটা দিয়েই প্রতিনিয়ত আমার যুদ্ধ!

02/05/2026

রাজধানীর আন্ডারওয়ার্ল্ডে অস্থিরতা: এলাকা ভাগ করেও থামছে না শীর্ষ সন্ত্রাসীদের খুনাখুনি

_______এম রাসেল সরকার_______
​রাজধানী ঢাকাকে ১০টি অপরাধ অঞ্চলে ভাগ করে অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নীল নকশা সাজিয়েছিলেন ‘গডফাদাররা’। শর্ত ছিল—কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া বা আত্মগোপনে থাকা ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসী নিজ নিজ সীমানার বাইরে প্রভাব বিস্তার করবেন না। তবে বাস্তবে সেই নির্দেশ মানছে না কোনো গ্রুপ।

ফলে আধিপত্য বিস্তার আর অর্থের ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডে শুরু হয়েছে চরম অস্থিরতা, যার ফলশ্রুতিতে রাজধানীতে একের পর এক ঘটছে হত্যাকাণ্ড। ​সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের আগে কারাগারের ভেতরেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এক জোট হন।

রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামিনে মুক্তির পর ঢাকার অপরাধসাম্রাজ্যকে মূলত ১০টি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়, ​মিরপুর এলাকা, কিলার আব্বাস ও তাজ। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত শাহাদাতও একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছেন। ​মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ, সানজিদুল ইসলাম ইমন ওরফে ক্যাপ্টেন ইমন। ​মহাখালী, বনানী ও গুলশান, ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল। ​মালিবাগ ও মৌচাক, শীর্ষ সন্ত্রাসী খোরশেদ আলম রাসু। ​পুরান ঢাকা, তারিক সাঈদ মামুন (নিহত)। বর্তমানে শাহেদ নামের এক সন্ত্রাসী সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ​ফার্মগেট ও তেজগাঁও, সরকারের পুরস্কার ঘোষিত এক দুর্ধর্ষ গডফাদার। ​বাড্ডা, রামপুরা ও উত্তরা, পৃথক তিনটি শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপ।

​গডফাদারদের ‘অলিলিত চুক্তি’ অনুযায়ী এক গ্রুপের এলাকায় অন্য গ্রুপ হানা দেওয়ার কথা না থাকলেও শুরু থেকেই তা লঙ্ঘিত হচ্ছে। এর জেরেই গত মঙ্গলবার নিউমার্কেট এলাকায় খুন হন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন। এর আগে নভেম্বর মাসে আদালতপাড়ায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তারিক সাইফ মামুনকে। রায়েরবাজারে জোড়া খুন এবং এলিফ্যান্ট রোডের ব্যবসায়ীকে চাপাতি দিয়ে কোপানোর নেপথ্যেও এই এলাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্ব কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

​আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে সন্ত্রাসীরা আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি পুরনো কৌশলও ব্যবহার করছে। দামি আইফোনের পাশাপাশি তারা সাধারণ বাটন ফোন ব্যবহার করে মাঠপর্যায়ের ক্যাডারদের নির্দেশনা দিচ্ছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, জমি দখল, ডিশ ব্যবসা ও ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতেই এই মরিয়া লড়াই চলছে। এমনকি কিলার আব্বাস বা জোসেফ আহমেদের মতো সন্ত্রাসীরা বিদেশে থেকেও তাদের চক্র নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে তথ্য রয়েছে।

​অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সুযোগ নিচ্ছে এই সন্ত্রাসীরা। আন্ডারওয়ার্ল্ডের এই পুনর্গঠন জননিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি। যখনই অপরাধের অর্থের ভাগবাঁটোয়ারায় টান পড়ে, তখনই তারা একে অপরকে নির্মূল করতে শুরু করে। কারাগারে বসে ভিডিও কনফারেন্স করার বিষয়টি প্রমাণ করে যে আমাদের কারা ব্যবস্থাপনা এবং গোয়েন্দা নজরদারিতে বড় ধরনের ফাঁক রয়েছে।"

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য মতে, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের যে আঁতাতের কথা শোনা যাচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজনীতি যখন অপরাধীদের আশ্রয় দেয়, তখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়। রাজধানীর এই ১০ অঞ্চলের ভাগাভাগি দ্রুত বন্ধ করতে না পারলে সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের জানমাল চরম ঝুঁকিতে পড়বে।"

​ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, জামিনপ্রাপ্ত এবং আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অপরাধ জগতের অস্থিরতা দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং অপরাধী যে-ই হোক তাকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

"এম রাসেল সরকার"
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
তারিখ-০২ মে,২০২৬ ইং
ই-মেইল: [email protected]

#আইনশৃঙ্খলা #শীর্ষসন্ত্রাসী #ঢাকা #অপরাধজগৎ

Photos from Sheikh Rasel's post 19/04/2026

🚫সাংবাদিকতার আড়ালে এ কেমন 'নিউজ ডিলিট' বাণিজ্য⁉️

​গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) নুরুল করিম ভূঁইয়ার দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে আবার তা সরিয়ে নেওয়ার নেপথ্যে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, কালের কণ্ঠের হায়দার আলী বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে এই নিউজটি পোর্টাল থেকে গায়েব করে দিয়েছেন। গুঞ্জন রয়েছে, এই নিউজ সরাতে কোটি টাকার ওপর লেনদেন হয়েছে!

​কে এই হায়দার আলী?
অনুসন্ধানে জানা যায়, হায়দার আলীর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল একটি জাতীয় দৈনিকের টেলিফোন অপারেটর হিসেবে। বর্তমানে তিনি নিজেকে ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিক’ পরিচয় দিলেও মূলত বসুন্ধরা গ্রুপের এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং গোয়েন্দা রিপোর্টের দোহাই দিয়ে গুজব নির্ভর সাংবাদিকতা করাই তার মূল কাজ।

​চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল:
অভিযোগ আছে যে, হায়দার আলী গত দেড় বছর ধরে আওয়ামী পন্থী ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাদের টার্গেট করে নিউজের ভয় দেখিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি চালিয়েছেন। সিন্ডিকেট করে প্রথমে রিপোর্টার দিয়ে নিউজ করানো হয়, আর পরে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সেই নিউজ সরিয়ে ফেলা হয়—যা সাংবাদিকতার নৈতিকতাকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

​বিপ্লবের পর নতুন রূপে:
জুলাই বিপ্লবের পর মিডিয়া পাড়ার চেনা মুখ নঈম নিজাম অন্তরালে চলে গেলেও, বসুন্ধরার নতুন ‘লাঠিয়াল সর্দার’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন এই হায়দার আলী। সরকার বদল হলেও তার ‘ধান্দাবাজির’ ধরণ বদলায়নি। ড. ইউনূস সরকারের আমলেও একই গতিতে চলছে তার এই অপকর্ম।

​গণমাধ্যম যখন জনমানুষের আস্থার প্রতীক হওয়ার কথা, তখন কিছু কথিত সাংবাদিকের এমন কর্মকাণ্ড পুরো সাংবাদিক সমাজকে কলঙ্কিত করছে। এদের মুখোশ উন্মোচন হওয়া জরুরি।

14/04/2026

🚫সায়দাবাদে ​সিলগালা কাউন্টারের সামনেই টেবিল-চেয়ার; সড়ক দখল করে চলছে অবৈধ ব্যবসা‼️

_____১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ইং_____
​রাজধানীর সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় যানজট নিরসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযান যেন ভেস্তে যেতে বসেছে। অভিযান শেষ হতে না হতেই সায়দাবাদ আবারো তার পুরনো ও বিশৃঙ্খল রূপে ফিরেছে।

সিটি করপোরেশনের নিষেধাজ্ঞা ও সিলগালাকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখিয়ে প্রকাশ্যেই চলছে অবৈধ টিকেট বাণিজ্য। সরেজমিনে দেখা গেছে, ডিএসসিসি কর্তৃক সিলগালা করে দেওয়া বন্ধ বাস কাউন্টারগুলোর ঠিক সামনেই প্রধান সড়কে বাস পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। ফুটপাত ও রাস্তার একাংশ দখল করে টেবিল-চেয়ার বসিয়ে টিকিট বিক্রি করছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এতে সায়দাবাদ জনপথ মোড় থেকে শুরু করে টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো যাত্রাবাড়ী ও মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর।

​সায়দাবাদ বাস টার্মিনালে বাসের সুশৃঙ্খল পার্কিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা ও উপযুক্ত পরিবেশ থাকার পরেও বাস মালিক ও চালকরা সেখানে গাড়ি রাখছেন না। টার্মিনালের নির্ধারিত জায়গা ব্যবহার না করে তারা জনবহুল প্রধান সড়ককেই পার্কিংয়ের জন্য বেছে নিয়েছেন। মূলত যাত্রী আকর্ষণের লক্ষ্যেই তারা অবৈধভাবে রাস্তার ওপর অস্থায়ী কাউন্টার বসিয়ে টিকেট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন টিকিট বিক্রেতা বলেন, কাউন্টার সিলগালা থাকায় আমাদের বাধ্য হয়ে সামনে টেবিল পেতে বসতে হচ্ছে। মালিকপক্ষের নির্দেশেই আমরা অস্থায়ীভাবে কাজ চালাচ্ছি।"

​সড়ক দখল করে এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে সাধারণ পথচারীদের হাঁটাচলার জায়গা নেই বললেই চলে। বাসের দীর্ঘ সারির কারণে যানজট স্থায়ী রূপ নেওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা না থাকায় উচ্ছেদ অভিযানের কয়েকদিন পরেই পরিস্থিতি আবার আগের মতো হয়ে যায়। ​সিটি করপোরেশন বড় ঘটা করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও তার স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী। অবৈধ এই টিকেট বাণিজ্য বন্ধে এবং সড়ক দখলমুক্ত রাখতে স্থায়ী কোনো সমাধান বা নিয়মিত মনিটরিং টিমের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।

​সায়দাবাদ এলাকার শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের আরও কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ভিডিও ফুটেজ _____১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ইং_____সায়দাবাদ এলাকা থেকে নেওয়া।
​ ​

11/04/2026

গত সপ্তাহে পোস্টে 3,000টির বেশি প্রতিক্রিয়া আসছে! এই সহযোগিতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ! 🎉

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address

Dhaka