Positive Policing

Positive Policing

Share

Ensure quality service by competent, efficient and dedicated professionals enjoying trust and respect

29/07/2025

একজন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস শুরু হতেই এক ছাত্র শিস দিয়ে বসল।

অধ্যাপক থেমে গিয়ে বললেন:
— "কে শিস দিল?"

কেউ কোনো উত্তর দিল না।

তিনি আবার পাঠ দেওয়া শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর সেই ছাত্র আবার শিস দিল।
অধ্যাপক আবার থেমে জিজ্ঞেস করলেন:
— "কে শিস দিচ্ছে?"

তবুও কেউ উত্তর দিল না।

তিনি আবার ক্লাস শুরু করলেন। কিন্তু এবার যখন তৃতীয়বারের মতো শিস এল,
তিনি কলম বন্ধ করলেন এবং বই গুটিয়ে বললেন:
— "আজকের ক্লাস এখানেই শেষ। তবে আমি তোমাদের একটা গল্প শোনাব।"

ক্লাসে নেমে এলো নিস্তব্ধতা, সবাই মনোযোগ দিল।

অধ্যাপক বললেন:
"এক রাতে ঘুম আসছিল না, অস্থির হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাচ্ছিলাম। কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য ছিল না।

হঠাৎ দেখি এক বৃদ্ধা মহিলা, হাতে ভারী বোঝা নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
আমি গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, 'মা, কিছু সাহায্য লাগবে কি?'
তিনি খুশি হলেন, গাড়িতে উঠলেন।

চলতে চলতে বুঝলাম, তিনি আমাকে ভালোভাবেই চেনেন।
তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন:

— ‘ডক্টর সাহেব, আমার একটা অবৈধ সন্তান আছে, সে আপনার ইউনিভার্সিটিতেই পড়ে। আমি চাই আপনি তার পাশে থাকুন, তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।’

আমি বললাম:
— 'নিশ্চয়ই মা, কিন্তু নামটা বললে তো আমি তাকে চিনতে পারব।'

তিনি হেসে বললেন:
— 'নাম বলার দরকার নেই। আপনি নিজেই তাকে চিনে ফেলবেন — সে খুব দুষ্ট, সব সময় ক্লাসে শিস দেয়।'"

এই কথা শুনে ক্লাসের সব ছাত্র ঘুরে তাকাল সেই শিস দেওয়া ছাত্রের দিকে!

অধ্যাপক তখন বললেন:
"এসো ছোট ভাই, তুমি কি ভাবছ আমি এই পিএইচডি সার্টিফিকেট গাধার হাট থেকে কিনেছি?"

29/07/2025

**জিডি (General Diary)** বা সাধারণ ডায়েরি কখন করবেন, এটি অনেকেই সঠিকভাবে জানেন না। জিডি হলো কোনো ঘটনা, বিষয় বা তথ্য পুলিশকে জানানোর এবং সরকারি নথিতে তা লিপিবদ্ধ করানোর একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। এটি মূলত কোনো অপরাধের অভিযোগ নয়, বরং একটি তথ্য বা ঘটনার রেকর্ড।

---

# # # জিডি কখন করবেন?

সাধারণত নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোতে জিডি করা উচিত:

**১. কোনো কিছু হারিয়ে গেলে:**
* **গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র:** যেমন: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID কার্ড), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জমির দলিল, চেক বই, শিক্ষা সনদ, পরীক্ষার প্রবেশপত্র/মার্কশিট, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ইত্যাদি।
* **মূল্যবান জিনিসপত্র:** যেমন: মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাব, মানিব্যাগ (যার মধ্যে টাকা বা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল), গহনা, ঘড়ি, ক্যামেরা ইত্যাদি।
* **গাড়ি/মোটরসাইকেল বা অন্য কোনো যানবাহন:** গাড়ি চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে।
* **গুরুত্বপূর্ণ চাবি:** বাড়ি বা গাড়ির চাবি হারিয়ে গেলে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

**কেন করবেন:** এসব ক্ষেত্রে জিডি করা জরুরি, কারণ পরবর্তীতে হারানো জিনিসগুলো ফিরে পেলে বা নতুন করে সেগুলো তৈরি করতে গেলে জিডির কপি প্রয়োজন হয়। যেমন, আইডি কার্ড হারালে নতুন আইডি কার্ড তোলার জন্য জিডির কপি লাগে।

**২. কোনো প্রাপ্তি বা কিছু খুঁজে পেলে:**
* যদি আপনি রাস্তায় বা অন্য কোথাও কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল, মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো মূল্যবান জিনিস খুঁজে পান, যা তার প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দিতে চান, তবে নিকটস্থ থানায় জিডি করে সেই জিনিসটি পুলিশের কাছে জমা দিতে পারেন।
**কেন করবেন:** এটি আপনাকে আইনগত জটিলতা থেকে রক্ষা করবে এবং আপনার সততার প্রমাণ দেবে।

**৩. হুমকির সম্মুখীন হলে বা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে:**
* **প্রাণনাশের হুমকি:** যদি কেউ আপনাকে বা আপনার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
* **শারীরিক ক্ষতির হুমকি:** যদি কেউ আপনাকে মারধর বা গুরুতর আঘাতের হুমকি দেয়।
* **সম্পত্তি দখলের হুমকি:** যদি কেউ আপনার জমিজমা বা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের হুমকি দেয়।
* **হয়রানি বা বিরক্ত করা:** যদি কেউ আপনাকে লাগাতার হয়রানি করে, যেমন: ফোনে বা সশরীরে বিরক্ত করে।
* **মিথ্যা মামলা বা অভিযোগের আশঙ্কা:** যদি আপনি মনে করেন যে কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ করতে পারে।
**কেন করবেন:** জিডি করে আপনি পুলিশকে আপনার ঝুঁকির বিষয়ে অবহিত করলেন। পুলিশ প্রয়োজন মনে করলে তদন্ত করতে পারে এবং ভবিষ্যতের আইনি প্রক্রিয়ায় এটি প্রমাণ হিসেবে কাজ করতে পারে।

**৪. কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে:**
* **মারামারি বা ছোটখাটো ঝামেলা:** যদি কোনো মারামারি বা ঝামেলা হয় যেখানে বড় ধরনের আঘাত না থাকে কিন্তু আপনি ঘটনাটি নথিবদ্ধ করতে চান।
* **সম্পত্তির সামান্য ক্ষতি:** যদি আপনার সম্পত্তির সামান্য ক্ষতি হয়, যার জন্য আপনি আপাতত মামলা করতে চান না কিন্তু রেকর্ড রাখতে চান।
* **নির্দোষতা প্রমাণের জন্য:** কোনো পরিস্থিতিতে যদি আপনি কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করেন এবং নিজের নির্দোষতা প্রমাণের জন্য ঘটনাটি পুলিশকে জানাতে চান।

**৫. ভবিষ্যতে আইনি পদক্ষেপের জন্য রেকর্ড রাখতে:**
* অনেক সময় তাৎক্ষণিক কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন না হলেও, ভবিষ্যতে মামলা বা অন্য কোনো আইনি পদক্ষেপের জন্য ঘটনার একটি সরকারি রেকর্ড থাকা প্রয়োজন হয়। জিডি সেই রেকর্ড হিসেবে কাজ করে।

---

# # # জিডি করার প্রক্রিয়া:

বর্তমানে জিডি দুইভাবে করা যায়:

১. **সরাসরি থানায় গিয়ে:**
* নিকটস্থ থানায় গিয়ে কর্তব্যরত অফিসারের কাছে একটি সাদা কাগজে হাতে লেখা বা টাইপ করা আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
* আবেদনপত্রে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, তারিখ, সময় এবং জিডি করার কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
* আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর পুলিশ জিডি নম্বর দেবে এবং একটি কপি আপনাকে দেবে।

২. **অনলাইনে জিডি:**
* বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে (gd.police.gov.bd) গিয়ে অথবা "Online GD" মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে জিডি করা যায়।
* এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং জন্মতারিখ দিয়ে নিবন্ধন করে হারানো বা প্রাপ্তি সংক্রান্ত জিডি করা সম্ভব। (বিস্তারিত জানতে আমার পূর্ববর্তী "অনলাইন জিডি কি?" উত্তরটি দেখুন।)

---

**মনে রাখবেন:** জিডি একটি **তথ্যগত রেকর্ড**। এটি কোনো অপরাধের অভিযোগপত্র (FIR) নয়। যদি কোনো গুরুতর অপরাধ ঘটে (যেমন: খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, গুরুতর জখম), তাহলে জিডি না করে সরাসরি **এফআইআর (First Information Report)** করতে হবে।

Want your organization to be the top-listed Government Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka