Cooking craze bd
Trying to make cooking easy for the beginners.
22/06/2026
দেশ থেকে সুদূর প্রবাসে
প্রিয়জনদের জন্য পাঠানো ভালবাসা।
21/06/2026
যদি মন কাঁদে,তুমি চলে এসো চলে এসো এক বরষায়
এসো ঝর ঝর বৃষ্টিতে,জল ভরা দৃষ্টিতে
এসো কোমল শ্যামল ছায়ায়
ছাদবাগানে বৃষ্টিস্নাত অলকানন্দা।
21/06/2026
রুপে গুনে অনন্য ব্ল্যাক ডায়মন্ড(জাম)
গ্রীষ্মের বিশেষ আকর্ষন জামসুন্দরী।
এত সুন্দর কালার সুবহানআল্লাহ।
#জাম
20/06/2026
সিহর (যাদু), নজর (কুদৃষ্টি) ও জিনের আছরের মধ্যে কিছু সাধারণ পার্থক্য
১. সিহর (السحر)
হঠাৎ জীবন, সম্পর্ক, ব্যবসা বা স্বাস্থ্যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন।
চিকিৎসা ও পরীক্ষায় কারণ না পাওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অকারণ ঘৃণা, ঝগড়া বা বিচ্ছেদের প্রবণতা।
বারবার দুঃস্বপ্ন, কবরস্থান, সাপ বা ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখা।
রুকইয়াহ শুনলে অস্বাভাবিক অস্থিরতা বা শারীরিক প্রতিক্রিয়া।
২. নজর (العين)
হঠাৎ অসুস্থতা বা দুর্বলতা।
অলসতা, অবসাদ, মনমরা ভাব।
কোনো নিয়ামত বা সফলতার পর সমস্যা শুরু হওয়া।
চিকিৎসায় উন্নতি হলেও আবার সমস্যা ফিরে আসা।
রুকইয়াহ ও নজরের দোয়া পড়লে দ্রুত স্বস্তি অনুভব করা।
৩. জিনের আছর (مس الجن)
একাকীত্ব পছন্দ করা এবং মানুষের থেকে দূরে থাকা।
অস্বাভাবিক ভয়, বিশেষ করে রাতের বেলা।
ঘুমের মধ্যে চাপ অনুভব করা বা দুঃস্বপ্ন দেখা।
রুকইয়াহর সময় শরীর কাঁপা, চিৎকার, কান্না বা অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
মাঝে মাঝে আচরণ বা অনুভূতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন।
তবে মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণ থাকলেই নিশ্চিতভাবে সিহর, নজর বা জিনের আছর আছে—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। অনেক শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সঙ্গেও এসব লক্ষণের মিল থাকতে পারে। তাই কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ, দোয়া, যিকির এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
সুরক্ষার জন্য নিয়মিত পড়ুন:
آية الكرسي
سورة الإخلاص
سورة الفلق
سورة الناس
সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকির ও দোয়াসমূহ।
📌 Quranic Treatment BD
ফ্রি পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
📱 WhatsApp/Call: 01763-951371
📱 বিকল্প: +88 01833-406-632
☎️ হটলাইন: +88 09643-101-112
🕗 সকাল ৮টা–রাত ৮টা
ফোনকল ব্যস্ত পেলে "সিরিয়াল নিতে চাই" লিখে WhatsApp-এ মেসেজ করুন।
👍 পোস্টটি উপকারী মনে হলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন।
#রুকইয়াহ #কালোজাদু #বদনজর #ইসলামিক
20/06/2026
আপনি নিজেই নিজের প্রতি 'টক্সিক' বা ক্ষতিকর—তার ১০টি লক্ষণ!
১. অন্যেরা আপনাকে নিয়ে কী ভাবছে, তা নিয়ে আপনি সারাক্ষণ অতিরিক্ত মাথা ঘামান।
২. আপনি নিজের মানসিক বা শারীরিক সীমানা বুঝতে পারেন না, অথবা সঠিক সময়ে তা অন্যদের বুঝিয়ে বলতে পারেন না।
৩. অন্যদের খুশি বা ভালো রাখার জন্য আপনি নিজের ওপর প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চাপ বা দায়িত্ব নিয়ে নেন।
৪. ভালোবাসা, সম্পর্ক, চাকরি কিংবা টাকা-পয়সা—সব ক্ষেত্রেই আপনি আপনার যোগ্যতার চেয়ে কম কিছুতেই সহজে আপস করে নেন।
৫. আপনি নিজেকে এবং নিজের ভেতরের অনুভূতি বা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে (Instincts) বিশ্বাস করতে পারেন না।
৬. অন্যদের কাছে সবসময় নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা করেন, সারাক্ষণ অন্যের সাথে নিজের তুলনা করেন এবং নিজের খামতিগুলো নিয়ে লজ্জিত বোধ করেন।
৭. আপনি নিজের প্রয়োজনের কথা মুখে বলতে পারেন না এবং অন্য মানুষদের আপনার ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সুযোগ করে দেন (আপনাকে ব্যবহার করতে দেন)।
৮. আপনি নিজের শরীরের যত্ন নেন না এবং নিজের একটু বাড়তি যত্ন বা আরাম-আয়েশ দিতে গেলে উল্টো অপরাধবোধে ভোগেন।
৯. আপনি স্বাধীনভাবে নিজের চিন্তাভাবনা বা আইডিয়াগুলো সবার সামনে প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।
১০. আপনার চারপাশের মানুষ যাতে আপনাকে মানসিক বা সামাজিকভাবে টেনে নিচে নামাতে পারে, আপনি তাদের সেই সুযোগ দিয়ে দিচ্ছেন।
colected
19/06/2026
#জাদুকর_চেনার_উপায়_ও_আলামত
কোন চিকিৎসক, রাকি বা কবিরাজের মধ্যে এ সমস্ত লক্ষণ বা আলামতের কোন একটিও পাওয়া গেলে নিঃসন্দেহে বুঝা যাবে যে সে একজন জাদুকর। আলামতগুলি নিম্নরূপঃ
১। রোগীর নাম ও মায়ের নাম মাঝেমধ্যে বাবার নাম, স্বামীর নাম বা বংশ পরিচয় জিজ্ঞেস করা।
২। ঠোঁট নাড়িয়ে বা বিড়বিড় করে কিছু পড়া যা আপনি শুনতে পান না বা উপস্থিত ব্যক্তি শুনতে পায় না।
৩। রোগীর বা অন্য কারো কোন অংশ বা ব্যবহৃত জিনিস বা চিহ্ন গ্রহণ করা। যেমনঃ চুল, নখ, ছবি, কাপড়ের টুকরো, ঘাম মিশ্রিত কাপড়, টুপী, রুমাল,চিরুনি ইত্যাদি।
৫। মৃত মানুষের খুলি, শ্মশানের মাটি, ফাঁসির রসি, পশুপাখির শরীরের অংশ, বদনা ইত্যাদি জিনিস এনে দিতে।
৬। মুরগী, খাশি, মিষ্টি বা খাবার চাওয়া। সাধারণত এইগুলো ভোগের জন্য চেয়ে থাকে এবং কখনো তিন রাস্তার মোড়, ময়লার ভাগাড়, শ্মশান বা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আসতে বলবে।
৭। জবাই করার জন্য কোন নির্দিষ্ট জীব-জন্তু চাওয়া, কখনও তার রক্ত ব্যথার স্থানে মাখানো বা বিরান ঘর বা জায়গায় তা নিক্ষেপ করা।
৮। হাত মুখ দেখে সমস্যা বলা বা হাত মুখ কাউকে দেখেই সমস্যা বলা, জন্ম সময় জিজ্ঞেস করা।
৯। নির্দিষ্ট সময় বা দিনে চিকিৎসা করা বা সমস্যা জানানো
১০। তুলা রাশি রোগীর শরীরে জিন ভর করিয়ে কাজ করা।
১১। বিশেষকরে নারী রোগীর সাথে একান্ত সময় কাটাতে চাওয়া।
১২। শরীরের বিশেষ করে নারীদের কোন অংশ যেমন নাভি, বুক, লজ্জাস্থানের ছবি চাওয়া বা এগুলো দেখতে চাওয়া।
১৩। হায়েজ বা নেফাসের ব্লাড, পুরুষের বিশেষ পানি চাওয়া।
১৪। কে তাবিজ করেছে এই জাতীয় গায়বি বিষয়ে আন্দাজে বা জিনের তথ্যের উপর ভিত্তি করে জানানো।
১৫। পানিতে জ্বীন দেখানো, জিন বোতল বন্দী করা, মেরে ফেলার দাবি করা।
১৬। সদ্য মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তি বা সদ্য মা হওয়া নারীদের ঘরে নির্দিষ্ট দিন বা সময় যেমন ৪০ দিন যেতে নিষেধ করা।
১৭। রহস্যময় মায়াজাল বা মন্ত্র লিখা।
১৮। অস্পষ্ট তন্ত্ৰ-মন্ত্র ও মায়াজাল পাঠ করা।
১৯। কোন পীর আউলিয়ার নাম নেওয়া।
২০। অপরিচিত কোন নাম নিবে আর বলবে এটা আল্লাহর একটি বিশেষ নাম। যেমন বদ্দুহ, ফদ্দুহ, ইত্যাদি। অথচ আল্লাহর সেরকম নাম আপনি কোথাও পাবেন না।
২১। মাটিতে বা বিভিন্ন জায়গায় দাগকাটা।
২২। হাজিরা দেখা, "ইস্তিখারা" করা।
২৩। সুস্থতার গ্যারান্টি দেয়া, এছাড়াও ইসলামি মৌলিক আকিদার বিপরীত কথা বলা
২৪। রোগীকে নানারকম/ চতুর্ভূজ নক্সা বানিয়ে দেয়া, যাতে থাকে অক্ষর বা নম্বর।
২৫। জিনের সাহায্য নেওয়া। অনেক সময় বলবে- এরা মুমিন জিন, ভাল পরহেজগার জিন, এসব ঢাহা মিথ্যা কথা। এসব সব শয়তান।ভাল জিনেরা এসব করেনা।
২৬। রোগীকে এক নির্ধারিত সময় এক কক্ষে (যাতে আলো প্রবেশ করে না।) লোকদের অন্তরালে থাকার নির্দেশ দেয়া।
২৭। রোগীকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যা সাধারণত ৪০ দিন হয়ে থাকে পানি স্পর্শ করতে নিষেধ করা। এ লক্ষণ দ্বারা বুঝা যাবে যে,জাদুকর যে জিন ব্যবহার করে সে খ্রিস্টান।
২৮। রোগীকে কোন জিনিস মাটিতে পুতে রাখতে দেয়া। ২৯। কোন উঁচু স্থান যেমন গাছে কোন কিছু বেঁধে রাখতে বলা।
৩০। কোন কিছু পুড়িয়ে ফেলতে বলা কিংবা পানিতে ফেলে দিতে বলা বিশেষ করে বোতলে বা মাছের সাথে বেঁধে।
৩১। কোনো প্রাণীর গলায় বা পায়ে যেমন কবুতর কোন কিছু বেঁধে উড়িয়ে বা ছেড়ে দিতে বলা।
৩২। রোগীকে কিছু পাতা,মরিচ,আগরবাতি, লেখা কাগজদিয়ে তা জ্বালিয়ে তা থেকে ধোয়া গ্রহণ করতে বলা।
৩৩। অস্পষ্ট কালাম, নকশা বা কথা দ্বারা তাবীজ,আংটি বানিয়ে দেয়া ।
৩৪। রোগী কিছু বলার আগেই নিজেই নাম, ঠিকানা ও সেই সমস্যা বলে দেয়া।
৩৫। ছিন্ন-ছিন্ন অক্ষর লিখে রোগীকে নক্সা বা তাবিজ বানিয়ে দেয়া বা কোন সাদা পাথরে লিখে দেয়া ও তা ধুয়ে পানি পান করতে বলা ।
৩৬। ঘরের বিভিন্ন কোনায় কোনায় নকশা, হাড় ঝুলিয়ে রাখতে বলা
৩৭। কোন বিশেষ জায়গার মাটি,পানি নিয়ে আসতে বলা বা ব্যবহার করতে বলা।
৩৮। কোন হালাল খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া। যেমনঃ মাছ খাওয়া যাবেনা, গরুর মাংস খাওয়া যাবেনা এরকম।
৩৯। সমুদ্রে, নদী, পুকুর/ঘাটে নিয়ে বিশেষ সময়ে গোসল করানো।
৪০। কোন বিশেষ সময়ে নোংরা খাবার খায় এমন কোন প্রাণীকে খুজে বের করে সেটিকে খাবার খাওয়াতে বলা। যেমন রাত ২টার সময় কালো কুকুর খুঁজে বের করে রুটি খাওয়াতে বলা।
৪১। চিকিৎসা/তিলাওয়াত/ তন্ত্রমন্ত্র পাঠ করার সময় হাত বা আংগুল নাড়ানো, আংগুল দ্বারা ইশারা করতে থাকা। এটা ইম্পর্টেন্ট একটা ইস্যু।
৪২। আংগুলের ইশারায় শত/হাজারো/লাখো জিন মেরে ফেলার ঘোষণা দেওয়া।
এছাড়াও এরকম আরো অনেক অস্পষ্ট ও সন্দেহজনক কাজ রয়েছে। যদি আপনি এরকম কিছু দেখতে পান বা বুঝতে পারেন তাহলে বুঝে নিবেন সে জাদুকর তান্ত্রিক ভন্ড কবিরাজ বা রাকি।
আপনি যদি এসব লক্ষণ জেনে বুঝতে পারেন যে, সে জাদুকর তবে আপনি অবশ্যই তার নিকট যাওয়া থেকে সতর্ক হয়ে যাবেন নচেৎ আপনার প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী প্রযোজ্য হয়ে যাবেঃ
(من أتى كا هنا فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل على محمد)
অর্থাৎ “যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে সে যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে অবশ্যই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা অস্বীকার করল।” তথা কাফের হয়ে গেল। (হাসান সনদে বাজ্জার বর্ণনা করেন এবং আহমদ ও হাকেম বর্ণনা করেন )
এছাড়া কুরআন হাদিস অনুযায়ী জাদুতে লিপ্ত হওয়া কুফরি এবং শিরক। আখিরাতে এসব ব্যক্তিদের কোন স্থান নেই, জান্নাত তাদের জন্য হারাম।
সুতরাং এসব বিধ্বংসী কাজ থেকে বিরত থেকে নিজের দুনিয়া ও আখিরাত দুইটাকেই হেফাজত করুন।কোন সমস্যা হলে রুকইয়াহ আশ শারইয়াহ করুন, যেটা ইসলামে অনুমোদিত। কিন্তু কখনোই কুফরি নয়!
আল্লাহ তাআলা তৌফিক দিন, আমিন!
M***i Dilawar Hussain
Senior Consultant
Sunnah Cure
Click here to claim your Sponsored Listing.