Wake Up To Something

Wake Up To Something

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Wake Up To Something, Media, Dhaka.

23/12/2024

Post No-39
ড.ইউনুস! বাংলার ইতিহাসে গত ৯০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। শতকরা ৮৩% লোকই জানেন না কে ড.মোহাম্মদ ইউনুস!

পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল, সেটা নিশ্চয়ই জানেন? সম্মানসূচক হিসেবে নোবেলের পরে কোন পুরস্কারের অবস্থান তা কি জানেন? সম্মানসূচকে,

১.নোবেল
২.আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড
৩.মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড

পৃথিবীর ইতিহাসে উপরের ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ আছে বা ছিলেন ১২ জন!বুঝতেই পারছেন পরের লাইনটা কি হবে,

হ্যা, সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড.মোহাম্মদ ইউনুস 🧡

মেসিকে নিশ্চয়ই চিনেন! যদি বলি এই লিওনেল মেসি লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন প্রফেসর ড.ইউনুসের জন্য,বিশ্বাস হয়,না হলেও সত্য!

'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস💖

বর্তমানে বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ড.ইউনুস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বিকল্প খুজে পাওয়া টা খুবি কঠিন,কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনুস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ!

১. মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।

২. কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাশে তাঁকে যখনই হাজিরা দিতে হত সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হত। ৮২ বছরের অশিতিপর এই আসামীকে প্রতিবারই হেঁটে হেঁটে ৮ তলায় যেতে হত। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।
শাকুর মজিদ
নাট্যকার,লেখক,স্থপতি।
সারা পৃথিবীর ১০৭টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিল।

ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রীভাবে 'সুদখোর' ঢাকা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুহাম্মদ ইউনূসকে যারা পছন্দ করেন তাদের বেশীরভাগও জানেন না, মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের ব্যবসা নাই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীন ব্যাংকে তাঁর এক টাকার মালিকানাও নাই, শেয়ারও নাই। কখনোই ছিল না।

জিনিসটা আপনার-আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইনান্সের ধারণার মূল ভিত্তিই হচ্ছে এটা।
এই ব্যবসার কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক।
এটাকে বলে সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নাই। জনগণই এর মালিক।
বাইর থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তার এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরীব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরী করতেন।
তিনি যে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি তা না, কোম্পানীকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ এর একক মালিক হতে না পারে। কোম্পানী অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।

শুধু যে গ্রামীন ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সরোস, টেলিনরদের এনে তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায় টেলিনর বাংলাদেশে আসে। তাঁর কথায় তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরীবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। সেটাও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না গ্রামীন টেলিকমকে নন ফর প্রফিট কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। তিনি চাইলে ইজিলি ১০-১৫ পার্সেন্ট মালিকানা নিজের জন্য রেখে দিতে পারতেন। অথচ লাভের এক টাকাও যাতে নিজের কাছে না আসে, সেটা নিশ্চিত করেন তিনি।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সুদের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। অথচ স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হবে গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদ বোধহয় কেউ নেয় না। আর নিশ্চয় এই টাকায় প্রফিট করেন ড ইউনূস!

আসলে আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারেন না, একজন মানুষ ব্যবসা করবে অথচ সেখান থেকে নিজে কোনো লাভ করবে না। এমন কথা আমরা ভাবতেই পারিনা। আমরা ভাবতে পারি কেবল টাকা কামানোর কথা।
যেমনভাবে ড মুহাম্মদ ইউনূস বলেন- টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি। ওনার ভাষায় 'নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।'

মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরীব আরো গরীব হয়ে যাবে, ধনী আরো ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই ওনি সব ননপ্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরী করে গেছেন, নিজের কোনো মালিকানা রাখেননি।
এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? আপনি বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানী দেখেন, তাদের সব নিজেদের মালিকানা।
কোম্পানীর কথা বাদ দেন, এনজিও ব্র‍্যাক দেখেন! মালিকানা ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের। বড় বড় পদে পরিবারের সদস্যরা আছে।
কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস সেটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের বা পরিবারের কাউকে রাখেননি।

অথচ ড মুহাম্মদ ইউনূস চাইলে এসব ব্যবসায় নিজের মালিকানা রেখে ইজিলি বিলিয়নিয়ার হয়ে যেতে পারতেন। খুব ইজিলি।
তাঁর প্রায় সব বন্ধুবান্ধব বিলিয়নিয়ার, মাল্টি বিলিয়নিয়ার। তিনি সেদিকে যাননি।

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড মুহাম্মদ ইউনূসের আয়ের উৎস কী?
আমি নিশ্চিত, এটাও অনেকে জানেন না।
ড মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার মত। কখনো আরো বেশী।
বিশ্বের নামীদামী প্রতিষ্ঠান গুলো ওনাকে নিয়ে যান ওনার বক্তব্য শুনতে।
ওনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্যও ডাকা হয়।
২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাঁখ্রো।
২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালীয়ানরা ওনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। যাতে ওনি পরামর্শ দেন।

এদিকে আমরা মনে করি গ্রামীন ব্যাংক আর গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী থেকে টাকা পান তিনি। যেন গ্রামীন ব্যাংকের সুদগুলো সরকার খায় না, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস খায়। এরা কখনো প্রকাশ্যে স্বীকারই করে না যে, এগুলোতে তার ০.০১% শেয়ারও নাই।

ওনি একটা বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি পাননি। একটা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। ওনি বললে পৃথিবীর সেরা সেরা প্রফেসররা সেখানে এসে ক্লাস নিয়ে যেতো। ওনি ডাকলে এমনকি বিল গেটস কিংবা আমেরিকান প্রেসিডেন্টও তাঁর ইউনিভার্সিটিতে স্পীচ দিতে চলে আসতো।
কিন্তু সেটা হতে দেয়া হয়নি। তাঁকে ইউনিভার্সিটি করতে দেয়া হয়নি।

ড মুহাম্মদ ইউনূসকে যত জানবেন, আপনার মনে হবে- দেশ এবং জাতি হিসেবে আমরা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে ডিজার্ভই করিনা।

একটা প্রশ্ন করি, আপনি কি জানতেন মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীনব্যাংক কিংবা গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের জন্য কোনো শেয়ার রাখেননি?
আসুন যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখি।

29/06/2017

Post No:-37
প্রাণীটির নাম ঘোড়া।
সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে
না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ
হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে
দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক
anti venom.
পৃথিবীতে খুব অল্প সংখ্যক প্রাণী
নিজের শরীরে সাপের বিষ
প্রতিরোধের অসুধ তৈরি করতে পারে।
যেমনঃ গাধা, ভেড়া, ছাগল, খরগোশ,
বেজি, মুরগী, উট, ঘোড়া, হাঙ্গর !!!
কোনএকটি সাপ, ধরেন, কিং কোবরা’র
anti venom তৈরি করতে হলে যা করা
লাগে তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার
শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। প্রচুর পরিমাণ
ঢুকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে
না। কিছু হবে না বলতে, ঘোড়া মরবে
না। তবে ঘোড়া তিনদিন অসুস্থ
থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে যাবে। এই
তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের
বিষের anti venom তৈরি হয়ে গেছে ।
ঘোড়ার শরীর থেকে রক্ত নিয়ে তার
লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ
অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি
ভেনাম আলাদা করা হয়। ঘোড়া বেশ
স্বাস্থ্যবান এবং অনেক রক্ত থাকে
বলে, বেশ ভালো পরিমানে রক্ত
নিলেও (গড়ে প্রতি ঘোড়া থেকে
প্রায় ৬ লিটার রক্ত নেয়া হয়) ঘোড়ার
তেমন ক্ষতি হয় না। এখন এই এন্টি
ভেনমের শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে
তাকে শিশিতে ভরে বাজারে
সরবরাহ করা হয়।
চিকেন পক্সের এন্টিবডি এবং সাপের
বিষের এন্টি ভেনমের মূলনীতি প্রায়
একই। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রে এন্টিবডি
তৈরি করে আমাদের শরীর; আর সাপের
বিষের ক্ষেত্রে সেটি তৈরি হয়
ঘোড়ার শরীরে। এই এন্টি ভেনম সাপে
কাটা রুগির শরীরে ইনজেকশন করলে
এন্টি ভেনম শরীরে থাকা ভেনমকে
অকার্যকর করে রুগির জীবন বাচায়।
বছরের হাজার হাজার মানুষের জীবন
এই এন্টি ভেনমের কারনে বেঁচে যায় ।
মানুষ’কে সাপে কামড়া’লে ডাইরেক্ট
ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়।
খোদ ব্রাজিল সহ অনেক দেশে গাদা গাদা
অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক
কোম্পানি আছে। পালের পর পাল
ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না
থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের
আর বাঁচা লাগত না। এক ছোবলে
ডাইরেক্ট উপরে।

21/05/2017

প্রমাণ কর যে,
girl=Problems .
সমাধান :.. আমরা জানি,
কোন মেয়েকে পটাতে চাইলে প্রয়োজন
সময় আর টাকা....। অর্থাৎ , .
girl=Time X Money --(সমীকরণ ০১)
আবার, আমরা জানি,
" Time Is Money "
অতএব,
Time=Money -----(সমীকরণ০২ ) ০২ নং সমীকরণের মান ০১ এ বসিয়ে
পাই,
girl = Money X Money
বা, girl = (Money)² ----(সমীকরণ ০৩) আবার,
আমরা জানি,
" Money Is The Root Of All Problems "
অতএব, Money =√Problems -----(সমীকরণ ০৪)
সমীকরণ ০৪ এর মান ০৩ এ বসিয়ে পাই, .
girl = (√Problems)²
বা, girl = Problem (proved) ;) ;) :)

17/05/2017

১.বাংলা = আমি তোমাকে ভালবাসি।

২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ।

৩.ইতালিয়ান = তি আমো।

৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ।

৫.কোরিয়ান = তাঙশিনুল সারাঙ হা ইয়ো।

৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন।

৭.জার্মান = ইস লিবে দিস।

৮.রাখাইন =অ্যাঁই সাঁইতে।

৯.ক্যাম্বোডিয়ান=বোন স্রো লানহ্উন।

১০.ফার্সি = দুস্তাত দারাম।

১১.তিউনিশিয়া = হাহে বাক।

১২.ফিলিপিনো = ইনবিগ কিটা।

১৩.লাতিন = তে আমো।

১৪.আইরিশ = তাইম ইনগ্রা লিত।

১৫.ফ্রেঞ্চ = ইয়ে তাইমে।

১৬.ডাচ = ইক হু ভ্যান ইউ।

১৭.অসমিয়া = মুই তোমাকে ভাল্ পাও।

১৮.জুলু = মেনা তান্দা উইনা।

১৯.তুর্কি = সেনি সেভিউর ম।

২০.মহেলি = মহে পেন্দা।

২১.তামিল = নান উন্নাই কাদালিকিরেন।

২২.সহেলি = নাকু পেন্দা।

২৩.ইরানি = মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম।

২৪.হিব্রু = আনি ওহেব ওটচে (মেয়েকে ছেলেকে) আওটচা (ছেলেকে মেয়ে)।

২৫.গুজরাটি = হুঁ তানে পেয়ার কার ছু।

২৬.চেক = মিলুই তে।

২৭.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।

২৮.পর্তুগীজ = ইউ আমু তে।

২৯.বসনিয়ান = ভলিম তে।

৩০.তিউনেশিয়ান = হা এহ বাদ।

৩১.হাওয়াই = আলোহা ওয়াউ লা ওই।

৩২.আলবেনিয়া = তে দুয়া।

৩৩.লিথুনিয়ান = তাভ মায়লিউ।

৩৪.চাইনিজ = ওউ আই নি।

৩৫.তাইওয়ান = গাউয়া আই লি।

৩৬.পার্শিয়ান = তোরা ডোস্ট ডারাম।

৩৭.মালয়শিয়ান =সায়া চিনতা কামু।

৩৮.মায়ানমার = মিন কো চিত তাই।

৩৯.ভিয়েতনামিস = আনাহ ইউই এম (ছেলে মেয়েকে) এম ইউই আনাহ (মেয়ে ছেলেকে)।

৪০.থাইল্যান্ড = চান রাক খুন (ছেলে মেয়েকে) ফেম রাক খুন (মেয়ে ছেলেকে)।

৪১.গ্রিক = সাইয়াগাপো।

৪২.চেক = মিলুই তে।

৪৩.বর্মিজ = চিত পা দে।

৪৪.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।

৪৫.মালয়ি = আকু চিন্তা কামু।

৪৬.ব্রাজিল = চিতপাদে।

৪৭.হিন্দি = ম্যায় তুমছে পেয়ার করতাহুঁ,।

৪৮.জাপানী = কিমিও আইশিতের।

৪৯.পাকিস্তান = মুজে তুমছে মহব্বত হায়।

৫০.ফার্সি = ইয়ে তাইমে।

৫১.সিংহলিজ = মামা ও বাটা আছরেই।

৫২.পাঞ্জাবী = মেয় তাতনু পেয়ার কারতা।

৫৩.আফ্রিকান = এক ইজ লফি ভির ইউ (ছেলে মেয়েকে) এক হাত যাও লিফ (মেয়ে ছেলেকে)। ৫৪.তামিল = নান উন্নাহ কাদা লিকিরেণ।

৫৫.রোমানিয়া = তে ইউবেস্ক।

৫৬.স্লোভাক = লু বিমতা।

৫৭.নরওয়ে = ইয়েগ এলস্কার দাই।

৫৮.স্প্যানিশ = তে কুইয়েবু।

৫৯.ফিলিপাইন = ইনি বিগকিটা।

৬০.বুলগেরিয়া = অবি চামতে।

৬১.আলবেনিয়া = তে দাসরোজ।

৬২.গ্রীক = সাইয়াগাফু।

৬৩.এস্তোনিয়ান = মিনা আর মাস্তান সিন্দ।

৬৪.ইরান =সাহান দুস্তাহত দোহরাম।

৬৫.লেবানিজ = বহিবাক।

৬৬.ক্যান্টনিজ = মোই ওইয়া নেয়া।

৬৭.ফিনিশ = মিন্যা রাকাস্তান সিনোয়া।

৬৮.গ্রিনল্যান্ড= এগো ফিলো সু।

৬৯.আরবী = আনা বেহিবাক (ছেলে মেয়েকে) আনা বেহিবেক (মেয়ে ছেলেকে)।

৭০.ইরিত্রয়ান = আনা ফাতওকি।

৭১.ইথিওপিয়ান =ইনি ওয়াডিসাল্লেহ।

৭২.তেলেগু = নেনু নিন্নু প্রেমিসতুন্নানু।

৭৩.সুরিনাম = মি লোবি যোই।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Dhaka