Prothom Alu
Stay On-Trend, Always Ascend In this page, you can see only this discussion being very important for admission test for unit b of Dhaka university.
শহরের উপকণ্ঠে ছোট্ট একটি গ্রামে বসত শওকত মিয়ার। তার জীবনের অন্যতম আনন্দ ছিলো গ্রামে বসা মাসিক হাট। সেই হাটে বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন আসতো তাদের পণ্য বিক্রি করতে এবং কিনতে। শওকত মিয়া ছিলেন একজন সৎ ব্যবসায়ী, তার নিজের হাতে তৈরী করা মাটির হাঁড়ি, কলসি বিক্রি করতেন। প্রতিবার মেলা এলেই তিনি আগের থেকে ভালো পণ্য বানানোর চেষ্টা করতেন।
একদিন মেলা বসার ঠিক আগে, শওকত মিয়া ভাবলেন, “এবার কিছু নতুন ধরনের ডিজাইন করে দেখি। মানুষ তো ভালো জিনিসের কদর করে।” সেই ভাবনা থেকেই তিনি সুন্দর কারুকাজ করা কিছু কলসি ও হাড়ি বানালেন। মেলার দিন সকালে তিনি তার সব জিনিস গুছিয়ে, গরুর গাড়িতে করে মেলায় নিয়ে গেলেন।
মেলা ছিল জমজমাট, মানুষের ভিড়ে ঠাঁই নেই। কিন্তু শওকত মিয়ার মাটির পণ্যগুলোর দিকে কেউ খুব একটা তাকাচ্ছিল না। বাজারে বেশিরভাগ মানুষ ইস্পাত ও প্লাস্টিকের তৈরি পণ্য কিনছিল। শওকত মিয়ার মনে হতাশা দানা বাঁধছিল। তার ভাবনা হচ্ছিল, “এতো পরিশ্রম করলাম, যদি কিছুই বিক্রি না হয়!”
ঠিক তখন, এক বয়স্ক মহিলা তার দোকানের দিকে এগিয়ে এলেন। তিনি মাটির হাঁড়ির ওপর হাত বুলিয়ে বললেন, “এই হাঁড়িগুলো দেখতে খুব সুন্দর, আগে আমাদের ঘরেও এমন হাঁড়ি ছিল। এবার কিনে নিয়ে যাই।” মহিলার কথায় আশার আলো জ্বলে উঠল শওকতের মনে। তিনি মহিলাকে সৎ দামে একটি হাঁড়ি বিক্রি করলেন।
এরপর থেকে একে একে অনেকেই তার দোকানে আসতে লাগলো। তারা শওকতের কারুকার্যময় হাঁড়ি ও কলসির প্রশংসা করতে করতে কিনতে শুরু করলো। শওকত মিয়ার বিক্রি এতটাই ভালো হলো যে দিন শেষে তার প্রায় সব পণ্যই শেষ হয়ে গেলো।
শওকত মিয়া বুঝলেন, সৎ পরিশ্রমের ফল কখনো বিফলে যায় না। তিনি তার নিজের সৃষ্টিতে বিশ্বাস রাখতেন, এবং মানুষও ধীরে ধীরে সেই বিশ্বাসে ভরসা করতে শুরু করেছিল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1000