POYEL
আমার ব্যক্তিত্ব একটু ভিন্ন।
আমার জীবন বৃত্তান্ত খুবই পুরনো।
আমি হলাম প্রেমের শহর সেই শহরের দরজা রূপা।
CALL ME POYEL I AM A GOOD FRIEND FOR ALL. I MADE MYSELF.
আমার মেইন প্রোফাইল টা ডিজেবল হয়ে গিয়েছে। কে বা করা করেছে এটা এখনো সন্ধান করা যাচ্ছে না। তাই দয়া করে কেউ আমার ছবি ব্যবহার করা কোনো প্রোফাইলের সাথে সংযুক্ত হবেন না। এবং এই পেইজ ছাড়া আমার কোনো পেইজ নেই। আমার কোনো নতুন আইডিও ওপেন করা হবে না।
তাই আমার ছবি যুক্ত নতুন কোনো আইডি পেলে তার সাথে সংযুক্ত হবেন না। আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকুন।
ধন্যবাদ।
SURAH AL MAIDAH || সূরা আল মায়িদা || MADANI || মাদানী || PART- 12 || পর্ব- ১২ || POYEL ||
আয়াত-৬৭ঃ হে রাসূল। যা কিছু আপনার ওপর অবতীর্ণ করা হয়েছে তা আপনি (অন্যের কাছে) পৌছে দিন, যদি আপনি (তা) না করেন তাহলে আপনি তো (মানুষদের কাছে) তার বার্তা পৌঁছে দিলেন না। আল্লাহ পাক তোমাকে মানুষের (অনিষ্ট) থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন; নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক কখনো কোনো অবাধ্য জাতিকে পথ প্রদর্শন করেন না।
আয়াত-৬৮ঃ আপনি (তাদের) বলুন, হে আহলে কিতাবরা। যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তাওরাত, ইনজীল ও তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা প্রতিষ্ঠিত না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত (মনে করতে হবে, তোমরা কোনো কিছুর ওপরই প্রতিষ্ঠিত নেই; তোমার প্রভুর কাছ থেকে যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে তা তাদের অনেকেরই সীমালঙ্ঘন ও
কুফরী বাড়িয়ে দেবে, সুতরাং আপনি এই কাফের জাতির জন্যে মোটেই আফসোস করবেন না। আয়াত-৬৯ঃ নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং যারা ছিলো ইহুদী, সাবেয়ী, খৃস্টান-(এদের) যে কেউই এক আল্লাহ পাক ও শেষ বিচার দিনের ওপর ঈমান আনবে এবং সৎকর্ম করবে, তাদের কোনো ভয় নেই, (আখিরাতেও) তাদের কোনো দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে হবে না।
আয়াত-৭০ঃ বনী ইসরাঈলের কাছ থেকে আমি (আনুগত্যের) অঙ্গীকার আদায় করে নিয়েছিলাম এবং (সে মোতাবেক) আমি তাদের নিকট রাসূলদের প্রেরণ করেছিলাম; কিন্তু যখনি কোনো রাসূল তাদের কাছে এমন কিছু (বিধান) নিয়ে উপস্থিত হয়েছে, যা তাদের পছন্দসই ছিলো না, তখনি তারা (এ রাসূলদের) একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছে, আরেক দলকে তারা খুন করেছে।
আয়াত-৭১ঃ তারা ধরে নিয়েছিলো, (এতো কিছু করা সত্ত্বেও) তাদের জন্যে কোনো বিপর্যয় থাকবে না, তাই তারা (সত্য গ্রহণ করার ব্যাপারে) অন্ধ ও বধির হয়ে থাকলো, তারপরও আল্লাহ পাক তাদের ওপর ক্ষমাপরবশ হলেন, অতঃপর তাদের অনেকেই আবার অন্ধ ও বধির হয়ে গেলো; তারা যা কিছু করছে আল্লাহ পাক তা পর্যবেক্ষণ করছেন।
আয়াত-৭২ঃ নিশ্চয়ই তারা কাফের হয়ে গেছে যারা (একথা) বলেছে, আল্লাহ হচ্ছেন মারইয়ামের পুত্র মাসীহ; অথচ মাসীহ (নিজেই একথা) বলেছে যে, হে বনী ইসরাঈল। তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত করো, যিনি আমারও প্রভু, তোমাদেরও প্রভু; মূলত যে কেউই আল্লাহর সাথে শরীক করবে, আল্লাহ পাক তার ওপর বেহেস্ত হারাম করে দেবেন, আর তার (স্থায়ী) ঠিকানা হবে জাহান্নাম; এ অত্যাচারীদের (সেদিন) কোনো সাহায্যকারীই থাকবে না।
SURAH AL MAIDAH || সূরা আল মায়িদা || MADANI || মাদানী || PART- 11 || পর্ব- ১১ || POYEL ||
আয়াত-৬১ঃ তারা যখন তোমার সামনে আসে তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি, (আসলে) তারা তোমার কাছে কুফরী নিয়েই প্রবেশ করছিলো এবং তা নিয়েই তোমার নিকট থেকে ভার বেরিয়ে গেছে। (তারা মনের ভেতর) যা কিছু লুকিয়ে রেখেছিলো আল্লাহ পাক সে ব্যাপারে পূর্ণ জ্ঞাত রয়েছেন।
আয়াত-৬২ঃ তাদের অনেককেই আপনি দেখতে পাবেন- পাপ, (আল্লাহর সাথে) বিদ্রোহ ও অবৈধ সম্পদ ভোগ করার কাজে এরা একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতা করে চলেছে; এরা যা করে (মূলত) তা বড়ই নিকৃষ্ট কাজ!
আয়াত-৬৩ঃ (কতো ভালো হতো এদের) ধর্মীয় নেতা ও পণ্ডিত ব্যক্তিরা যদি এদের এসব পাপের কথা ও অবৈধ সম্পদ ভোগ করা থেকে বিরত রাখতো! (কারণ) এরা যা কিছু (সংগ্রহ) করছে তা বড়ই জঘন্য।
আয়াত-৬৪ঃ ইহুদীরা বলে, মহান আল্লাহর (দানের) হাত বাঁধা পড়ে গেছে: (আসলে। তাদের নিজেদের হাতই বাঁধা পড়ে গেছে, আর তারা যা কিছু বলেছে সে জন্যে তাদের ওপর আল্লাহ পাকের লানত অবতীর্ণ করা হয়েছে। অথচ আল্লাহর তো (দুনিয়া আখেরাতের। উভয় হাতই মুক্ত যেভাবে তিনি চান সেভাবেই তিনি দান করেন। (প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে), তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে যা কিছু তোমার ওপর অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা তাদের অনেকেরই সীমালঙ্গন ও কুফরীকে অবশ্যই বাড়িয়ে দিয়েছে। (ফলে) আমি তাদের মাঝে কেয়ামত পর্যন্ত একটা শত্রুতা ও পরস্পর বিদ্বেষ সঞ্চার করে দিয়েছি; যখনি তারা যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে দিতে চেয়েছে, আল্লাহ পাক তখনি তা নিভিয়ে দিয়েছেন, তারা (বার বার) এ যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টির প্রয়াস পেয়েছে; আসলে আল্লাহ পাক বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের মোটেই পছন্দ করেন না।
আয়াত-৬৫ঃ যদি আহলে কিতাবরা ঈমান আনতো এবং (আল্লাহকে) ভয় করতো, তবে অবশ্যই আমি তাদের গুনাহসমূহ মুছে দিতাম এবং তাদের আমি অবশ্যই নেয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাতে প্রবেশ করাতাম।
আয়াত-৬৬ঃ যদি তারা তাওরাত ও ইনজীল (তথা তার বিধান) প্রতিষ্ঠা করতো, আর যা তাদের ওপর তাদের প্রভুর নিকট থেকে অবতীর্ণ করা হয়েছে তার ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকতো, তাহলে তারা রিযিক পেতো তাদের মাথার ওপরের (আসমান) থেকে ও তাদের পায়ের নীচের (যমীন) থেকে: তাদের মধ্যে অবশ্য একদল (ন্যায় ও) মধ্যপন্থী লোক রয়েছে, তবে তাদের অধিকাংশই হচ্ছে এমন, যাদের কর্মকাণ্ড খুবই নিকৃষ্ট।
SURAH AL MAIDAH || সূরা আল মায়িদা || MADANI || মাদানী || PART- 08 || পর্ব- ০৮ || POYEL ||
আয়াত-৪৩ঃ এসব লোেক কিভাবে আপনার কাছে বিচারের ভার নিয়ে উপস্থিত হবে, যখন তাদের নিজেদের কাছেই (আল্লাহর পাঠানো) তাওরাত মজুদ রয়েছে, তাতেও তো (বিচার-আচার সংক্রান্ত) আল্লাহর বিধান আছে, (আপনি যা কিছুই করুন না কেন) একটু পরেই তারা আপনার নিকট থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, এরা আসলেই (মহান আল্লাহর কিতাবের ব্যাপারে) ঈমানদার নয়।
আয়াত-৪৪: নিঃসন্দেহে আমি (মুসার কাছে) তাওরাত অবতীর্ণ করেছি তাতে (তাদের জন্যে) পথনির্দেশ ও আলোকবর্তিকা বর্তমান ছিলো, আমার নবীরা যারা আমার বিধানেরই অনুবর্তন করতো, ইহুদী সম্প্রদায়কে এ (হেদায়াত) মোতাবেকই আইন-কানুন প্রদান করতো, (নবীদের পর তাদের) জ্ঞানসাধক ও ধর্মীয় পণ্ডিতরাও (এ অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করতো), কারণ, (নবীর পর) আল্লাহর কিতাব সংরক্ষণ করার দায়িত্ব এদেরই দেয়া হয়েছিলো, তারা (নিজেরাও) ছিলো এর (প্রত্যক্ষ) সাক্ষী, সুতরাং তোমরা মানুষদের ভয় না করে একান্তভাবে আমাকেই ভয় করো, আর আমার আয়াতসমূহ সামান্য মূল্যে বিক্রি করে দিয়ো না; যারা আল্লাহর অবতীর্ণ করা আইন অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করে না, তারাই (হচ্ছে) কাফের।
আয়াত-৪৫ঃ (তাওরাতের) সেখানে আমি তাদের জন্যে বিধান অবতীর্ণ করেছিলাম যে, (তাদের) জানের পরিবর্তে জান, চোখের পরিবর্তে চোখ, নাকের পরিবর্তে নাক, কানের পরিবর্তে কান, দাঁতের পরিবর্তে দাঁত, (শাস্তি প্রয়োগের সময় এই শারীরিক) যখমটাই কিন্তু আসল দত্ত (বলে বিবেচিত হয়), অবশ্য (বাদী পক্ষের) কেউ যদি এই দণ্ড মাফ করে দিতে চায়, তাহলে তা তার নিজের (পাপের) জন্যে কাফফারা (হিসেবে গণ্য) হবে, আর যারাই আল্লাহর অবতীর্ণ করা বিধান অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করেনা, তারাই অত্যাচারী।
আয়াত-৪৬ঃ এ ক্রমধারায় অতঃপর আমি মারইয়াম-পুত্র ঈসাকে পাঠিয়েছি, (সে সময়) আগে থেকে তাওরাতের যা কিছু (অবশিষ্ট) ছিলো, সে ছিলো তার সত্যতা স্বীকারকারী, আর আমি তাকে ইনজীল দান করেছি, তাতে ছিলো হেদায়াত ও নূর; তখন তাওরাতের যা কিছু (তার নিকট বর্তমান ছিলো- ইনজীল (কিতাব) তার সত্যতাও সে স্বীকার করেছে, (তদুপরি) তাতে আল্লাহভীরু লোকদের জন্যে পথনির্দেশ ও উপদেশ (মজুদ) ছিলো।
আয়াত-৪৭ঃ ইনজীলের অনুসারীদের উচিত এর ভেতর আল্লাহ পাক যা কিছু অবতীর্ণ করেছেন তার ভিত্তিতে বিচার ফয়সালা করা; (কারণ) যারাই আল্লাহর অবতীর্ণ করা আইনের ভিত্তিতে বিচার করেনা তারাই ফাসেক।
আয়াত-৪৮ঃ (হে মুহাম্মদ,) আমি তোমার প্রতি সত্য (দ্বীন)-সহ এ কিতাব অবতীর্ণ করেছি, (আগের) কিতাবসমূহের যা কিছু (অবিকৃত অবস্থায়) তার সামনে মজুদ রয়েছে, এ কিতাব তার সত্যতা স্বীকার করে (শুধু তাই নয়), এ কিতাব (তার ওপর) হেফাযতকারীও বটে। (সুতরাং) আল্লাহ পাক যেসব বিধি-বিধান অবতীর্ণ করেছেন তার ভিত্তিতেই আপনি তাদের মধ্যে বিচার-ফয়সালা করুন, আর (এ বিচারের সময়) আপনার নিজের কাছে যা সত্য (দ্বীন) এসেছে, তার থেকে সরে গিয়ে তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করবেন না; আমি তোমাদের প্রতিটি (জাতির) জন্যে শরীয়ত ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করে দিয়েছি; আল্লাহ পাক চাইলে তোমাদের সবাইকে একই উম্মত বানিয়ে দিতে পারতেন; বরং তিনি তোমাদের যা দিয়েছেন তার ভিত্তিতে তোমাদের যাচাই-বাছাই করে নিতে চেয়েছেন, অতএব ভালো কাজে তোমরা সবাই প্রতিযোগিতা করো; (কারণ) আল্লাহ পাকের দিকেই হবে তোমাদের সকলের প্রত্যাবর্তনস্থল, (এখানে) তোমরা যেসব বিষয় নিয়ে মতভেদ করতে, (অতঃপর) তিনি অবশ্যই তা তোমাদের (স্পষ্ট করে) বলে দেবেন।
SURAH AL MAIDAH || সূরা আল মায়িদা || MADANI || মাদানী || PART- 07 || পর্ব- ০৭ || POYEL ||
আয়াত-৩৭ঃ তারা (সেদিন) দোযখের শাস্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইবে, কিন্তু (কোনো অবস্থায়ই)তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না, তাদের জন্যে স্থায়ী শাস্তি নির্দিষ্ট হয়ে আছে।
আয়াত-৩৮ঃ পুরুষ ও নারী-এদের যে কেউই চুরি করবে, তাদের হাত দুটো কেটে ফেলো, এটা তাদেরই কর্মফল এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত দণ্ড; আল্লাহ পাক মহাশক্তিশালী ও প্রবল প্রজ্ঞাময়।
আয়াত-৩৯ঃ (হ্যাঁ,) যে ব্যক্তি (এ জঘন্য) অত্যাচার করার পর (আল্লাহ পাকের কাছে) তাওবা করবে এবং নিজের সংশোধন করে নেবে, অবশ্যই আল্লাহ পাক তার তাওবা কবুল করবেন; আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে বড় ক্ষমাশীল ও দয়াময়।
আয়াত-৪০ঃ তুমি কি (একথা) জানো না, এই আকাশমণ্ডলী ও যমীনের একক সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহ পাকের জন্যে; তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে শাস্তি দেন, আবার যাকে ইচ্ছা তাকে তিনি মাফ করে দেন; (কেননা) সব কিছুর ওপর তিনিই হলেন একক ক্ষমতাবান। আয়াত-৪১ঃ হে রাসূল, যারা দ্রুতগতিতে কুফরীর পথে ধাবিত হচ্ছে, তারা যেন তোমাকে দুঃখ না দেয়, এরা সে দলের (লোক) যারা মুখে বলে, আমরা ঈমান এনেছি, কিন্তু (সত্যিকার অর্থে) তাদের অন্তর কখনো ঈমান আনেনি, আর (তাদের ব্যাপারও নয়) যারা ইহুদী-তারা মিথ্যা কথা শোনার জন্যে (সদা) কান খাড়া করে রাখে এবং (তাদের বন্ধু সম্প্রদায়ের) যেসব লোক কখনো তোমার নিকট আসেনি, এরা সেই অপর সম্প্রদায়টির জন্যেই নিজেদের কান খাড়া করে রাখে; পরিবর্তে আল্লাহর কিতাবের কথাগুলো আপন জায়গায় (বিন্যস্ত) থাকার পরেও এরা তা বিকৃত করে বেড়ায় এবং (অন্যদের কাছে) এরা বলে, (হ্যাঁ) যদি এ (ধরনের কোনো) বিধান তোমাদের দেয়া হয় তাহলে তোমরা তা গ্রহণ করো, আর সে ধরনের কিছু না দেয়া হলে তোমরা (তা থেকে) সাবধান থেকো; (আসলে) আল্লাহ পাক যার পথচ্যুতি চান, তাকে আল্লাহর (পাকড়াও) থেকে বাঁচানোর জন্যে তুমি তো কিছুই করতে পারো না; এরাই হচ্ছে সেসব (হতভাগ্য) লোক, আল্লাহ পাক কখনো যাদের অন্তরগুলোকে পাক-পবিত্র করার এরাদা পোষণ করেন না, তাদের জন্যে পৃথিবীতে (যেমনি) রয়েছে অপমান (ও লাঞ্ছনা), আখিরাতেও (তেমনি) তাদের জন্যে অপেক্ষা করছে ভয়াবহ শাস্তি।
আয়াত-৪২ঃ (ইহুদীদের চরিত্র হচ্ছে) এরা (যেমন) মিথ্যা কথা শুনতে অভ্যস্ত, (তেমনি) এরা অবৈধ মাল খেতেও ওস্তাদ; অতএব এরা যদি কখনো (কোনো বিচার নিয়ে) আপনার নিকট আসে তাহলে আপনি (চাইলে) তাদের বিচার করতে পারেন কিংবা তাদের উপেক্ষা করেন। যদি আপনি তাদের ফিরিয়ে দেন তাহলে (নিশ্চিত থাকুন), এরা আপনার কোনোই অনিষ্ট করতে পারবে না, তবে যদি আপনি তাদের বিচার ফয়সালা করতে চান তাহলে অবশ্যই ন্যায়বিচার করবেন; নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক ন্যায় বিচারকদের ভালোবাসেন।
SURAH AL MAIDAH || সূরা আল মায়িদা || MADANI || মাদানী || PART- 06 || পর্ব- ০৬ || POYEL ||
আয়াত-৩১ঃ অতঃপর আল্লাহ পাক (সেখানে) একটি কাক পাঠালেন, কাকটি (হত্যাকারীর সামনে
এসে) মাটি খুঁড়তে লাগলো, উদ্দেশ্য, তাকে দেখানো কিভাবে সে তার ভাইয়ের লাশ লুকিয়ে রাখবে; (এটা দেখে) সে (নিজে নিজে) বলতে লাগলো, হায়! আমি তো এই কাকটির চাইতেও অক্ষম হয়ে পড়েছি, আমি তো আমার ভাইয়ের লাশটাও গোপন করতে পারলাম না, তারপর সে সত্যি সত্যিই (নিজের কৃতকর্মের জন্যে) অনুতপ্ত হলো।
আয়াত-৩২ঃ (পরবর্তীকালে) ওই (ঘটনার) জন্যেই আমি বনী ইসরাঈলদের জন্যে এই বিধান জারি করলাম যে, কোনো মানুষকে খুন করার কিংবা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কাজ (করার শাস্তি বিধান) ব্যতীত (অন্য কোনো কারণে) কেউ যদি কাউকে খুন করে, সে যেন গোটা মানব জাতিকেই হত্যা করলো; (আবার এমনিভাবে) যদি কেউ একজনের প্রাণ রক্ষা করে তবে সে যেন গোটা মানব জাতিকেই বাঁচিয়ে দিলো; এদের নিকট আমার রাসূলেরা সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে এসেছিলো, তারপরও এদের অধিকাংশ লোক ও যমীনের বুকে সীমালঙ্ঘনকারী হিসেবেই থেকে গেলো।
আয়াত-৩৩ঃ যারা আল্লাহ পাক ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং (আল্লাহর) যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তাদের জন্যে নির্দিষ্ট শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদের খুন করা হবে কিংবা তাদের শূলবিদ্ধ করা হবে, অথবা বিপরীত দিক থেকে তাদের হাত-পা কেটে ফেলা হবে, কিংবা দেশ থেকে তাদের নির্বাসিত করা হবে; এ অপমানজনক শাস্তি তাদের দুনিয়ার জীবনের (জন্যে, তাছাড়া) আখিরাতে তাদের জন্যে ভয়াবহ শাস্তি তো রয়েছেই।
আয়াত-৩৪ঃ তবে (এটা তাদের জন্যে নয়, যাদের ওপর তোমাদের আধিপত্য স্থাপিত হবার আগেই তারা তাওবা করেছে, তোমরা জেনে রেখো, আল্লাহ পাক একান্ত ক্ষমাশীল ও পরম করুণাময়।
আয়াত-৩৫ঃ হে মানুষ, তোমরা যারা ঈমান এনেছো, মহান আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর দিকে (ধাবিত হওয়ার জন্যে) উপায় খুঁজতে থাকো (তার বিশেষ একটি উপায় হচ্ছে), তোমরা আল্লাহর পথে জেহাদ করো, সম্ভবত তোমরা সফলকাম হতে পারবে। আয়াত-৩৬ঃ আর যারা ঈমান আনতে অস্বীকার করেছে, (কেয়ামতের দিন) পৃথিবীর সমুদয় ধন-দৌলতও যদি তাদের করায়ত্ত থাকে-(তার সাথে আরো) যদি সমপরিমাণ সম্পদ তাদের নিকট থাকে, (এ সম্পদ) মুক্তিপণ হিসেবে দিয়েও যদি সে কেয়ামতের দিন দোযখের শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে চায় (তাও সম্ভব হবে না), তার কাছ থেকে (এর কিছুই সেদিন) গ্রহণ করা হবে না, তাদের জন্যে (সেদিন) কঠোর শাস্তি নির্ধারিত থাকবে।
SURAH AL MAIDAH || সূরা আল মায়িদা || MADANI || মাদানী || PART- 05 || পর্ব- ০৫ || POYEL ||
আয়াত-২৫ঃ (তাদের কথা শুনে) মূসা বললো, হে (আমার) প্রভু (তুমি তো জানো), আমার নিজের এবং আমার ভাই ব্যতীত আর কারো ওপর আমার আধিপত্য চলে না, অতএব আমাদের মাঝে ও এই নাফরমান লোকদের মাঝে তুমি একটা মীমাংসা করে দাও।
আয়াত-২৬ঃ আল্লাহ পাক বললেন, (হ্যাঁ, তাই হবে, আগামী) চল্লিশ বছর পর্যন্ত সে (জনপদ) তাদের জন্যে নিষিদ্ধ করে দেয়া হলো, (এ সময়ে) তারা উদ্ভ্রান্ত হয়ে পৃথিবীতে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াবে; সুতরাং তুমি এই না-ফরমান লোকদের ওপর কখনো দুঃখ করো না।
আয়াত-২৭ঃ (হে মুহাম্মদ।) আপনি এদের নিকট আদমের দুই পুত্রের গল্পটি যথাযথভাবে শুনিয়ে দিন। (গল্পটি ছিলো,) যখন তারা দুই জনই (আল্লাহর নামে) কোরবানী পেশ করলো, তখন তাদের মধ্যে একজনের নিকট থেকে কোরবানী কবুল করা হলো, আরেকজনের কাছ থেকে তা কিছুতেই কবুল করা হলো না, (যার কোরবানী কবুল করা হয়নি) সে বললো, আমি অবশ্যই তোমাকে মেরে ফেলবো (যার কোরবানী কবুল করা হলো), সে বললো, আল্লাহ পাক তো শুধু পরহেযগার লোকদের নিকট থেকেই (কোরবানী) কবুল করেন।
আয়াত-২৮ঃ (হিংসার বশবর্তী হয়ে) তুমি যদি আজ আমাকে হত্যা করার জন্যে আমার দিকে তোমার হাত বাড়াও, তাহলে আমি (কিন্তু) তোমাকে হত্যা করার জন্যে তোমার প্রতি আমার হাত বাড়িয়ে দেবো না, কারণ আমি সৃষ্টিকুলের প্রভুকে ভয় করি।
আয়াত-২৯ঃ আমি (বরং) চাইবো, তুমি আমার পাপ ও তোমার গুনাহের (বোঝা) একাই তোমার (মাথার) ওপর উঠিয়ে নাও এবং (এভাবেই) তুমি দোযখের অধিবাসী হয়ে পড়ো, (মূলত) এ হচ্ছে অত্যাচারীর (যথার্থ) কর্মফল।
আয়াত-৩০ঃ শেষ পর্যন্ত তার কুপ্রবৃত্তি তাকে নিজ ভাইয়ের হত্যার কাজে উস্কানি দিলো, অতঃপর সে তাকে খুন করেই ফেললো এবং (এ কাজের ফলে) সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
I THINK
I AM A GOOD FRIEND FOR ALL.I MADE MYSELF.I DON'T FOLLOW OTHERS.I'M A SUPERSTAR IN REAL LIFE.I'M A SIMPLE & STRAIGHT BOY.HATE HYPOCRISY & DISHONESTY.IF YOU THINK I'M NOT ELIGIBLE FOR
YOU
PLEASE JUST GO AWAY.