Apnar-kroy.com
অন্তরালে জমে থাকা আবেগ
সবটুকু কি প্রকাশ করা যায়...
তাই
আজ কলমই হোক সকল অন্তরালের আশ্রয়
01/09/2025
বিনম্র শ্রদ্ধা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্র হাসপাতালে, এর মধ্যে একজনকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামলায় অন্তত ১৮০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গ্রামের সাধারণ অনেক মানুষও আহত হয়েছেন। এদিকে ময়মনসিংহে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকে সংঘর্ষ হয়েছে। কয়েকদিন আগে বুয়েটের ছাত্রদের পুলিশ পিটিয়েছে।
আচ্ছা হঠাৎ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা জনতা সাধারণ ছাত্রদের পেটাচ্ছে? এই সহিংসতা বন্ধ করা জরুরী! আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে সবার কাছে অনুরোধ এইসব মব, হামলা, সংঘর্ষ, ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করুন। মনে রাখবেন মানুষ হয়ে মানুষের গায়ে হাত তোলা ভয়াবহ অপরাধ! মনে রাখবেন সবার রক্ত লাল।
অন্তবর্তীকালীন এই সরকারসহ সব রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আর কতোদিন এভাবে চলবে? আর কতো খারাপ হলে আমাদেন মনে হবে মব-সহিংসতার বিপরীতে শান্তি, ঘৃণার বদলে ভালোবাসা, ক্ষমতার বদলে বিনয় দরকার? আর কবে আমাদের মনে হবে দুর্নীতির বিপরীতে নীতি, অন্যায়ের বিপরীতে নীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে?
আর কবে দলীয়করণের বদলে মেধা যোগ্যতা, প্রতিহিংসার বদলে আইনের শাসন, ভিন্নমতের টুটি চেপে ধরা বা ট্যাগ দেওয়ার বদলে মত ও দ্বিমতের স্বাধীনতা, ব্যক্তি বা দলের অন্ধ আনুগত্যের বিপরীতে দেশ ও মানুষ, আমির বদলে আমরা হতে পারবো? আর কবে আমরা বুঝবো সবার উপরে মানুষ? আর কবে আমাদের মনে হবে দায় ও দরদের একটা সমাজ, একটা মানবিক বাংলদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে?
আচ্ছা ৫৪ বছর তো হলো। এই দেশটা আর কবে ঠিক হবে? আর কতোটা ধ্বংস হলে, আর কতো মানুষ মরলে, আর কতো অশান্তি হলে আমাদের বোধ জাগবে? মনে রাখবেন মব সহিংসতায় কোন কিছু গড়া যায় না, বরং শুধু ধ্বংস হয় আচ্ছাআর কবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারবো? আর কবে?
31/08/2025
31/08/2025
'১৯৭৪ সালের ১৪ এপ্রিল মাওলানা ভাসানী পল্টনে এক মহাসমাবেশের ডাক দেন। পরে একটি মিছিল নিয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ঘেরাওয়ের জন্য বঙ্গভবনের দিকে যাত্রা শুরু করেন।
খবর শুনে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই রাস্তায় চলে আসেন।
মিছিল কাছে আসতেই বঙ্গবন্ধু মওলানা ভাসানীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন। এ দৃশ্য দেখে হাজার হাজার মিছিলকারী জনতা হতভম্ব।
বঙ্গবন্ধু তাঁর হুজুরকে স্বসম্মানে রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ভেতরে নিয়ে গেলেন। একদম হুজুরকে হাতে ধরে ধরে হেটে হেটে গেলেন। ভেতরে বসিয়ে মিষ্টিমুখ করালেন। সার্বিক পরিস্থিতি হুজুরের সামনে তুলে ধরলেন। হুজুর কিছু পরামর্শ দিয়ে বিদায় নিলেন।'
ভাসানী-মুজিব সম্পর্ক ছিলো রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে গিয়ে পারস্পরিক সম্মানের, শ্রদ্ধার ও স্নেহের। মুজিব করতের সম্মান, ভাসানী করতেন স্নেহ।
কিন্তু আজকের দিনে একটি দল নতুন করে ভাসানী-মুজিব সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছে। এরা না ভাসানীকে মানে, না সোহরাওয়ার্দীকে, না হক সাহেবকে, না বঙ্গবন্ধুকে। যখন যাকে ইচ্ছে তাকেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ব্যবহার করাটাই এদের পুরোনো চরিত্র। এদের ব্যাপারে সতর্ক ও সচেতন থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Dhaka