Pie Science
Life with Science and Technology
24/01/2025
সূর্য আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র এবং এর সমস্ত উপাদানের প্রায় 99% ধারণ করে। এটি মূলত হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি, অল্প পরিমাণে অক্সিজেন এবং কার্বনের মতো অন্যান্য উপাদান রয়েছে। সূর্য এতই বড় যে এর অভ্যন্তরে এক মিলিয়নেরও বেশি পৃথিবীকে এর ভিতরে স্থাপন করা সম্ভব!
নিউক্লিয়ার ফিউশন নামক একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্য তার কেন্দ্রে শক্তি উৎপন্ন করে, যেখানে হাইড্রোজেন পরমাণুগুলি একত্রিত হয়ে হিলিয়াম গঠন করে এবং যার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত করে। এই শক্তি সূর্যের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে, কোর থেকে শুরু করে, বিকিরণ এবং পরিচলন অঞ্চল অতিক্রম করে অবশেষে পৃষ্ঠে পৌঁছে যাকে আমরা ফটোস্ফিয়ার বলি। সেখান থেকে, শক্তি মহাকাশে ভ্রমণ করে, পৃথিবীতে তাপ এবং আলো সরবরাহ করে।
ছবি সূত্র: নাসা
01/12/2024
চকোলেট ডিম! সত্যি পাওয়া যায়? অবশ্যই।
ফ্রান্সের ব্ল্যাক কপার/কুপার ম্যারান্স জাতের মুরগী এই চকোলেট কালারের ডিম দেয়। এই জাত সাধারণ দৈত উদ্দেশ্যে ( ডিম ও মাংসের জন্য) পালন করা হয়।
ডিমের খোসা অত্যন্ত শক্ত এবং অধিক পরিমানে খোসায় পিগমেন্ট/রঞ্জক থাকার কারনে গাড় রঙ হয় এবং দেখতে অনেক টা চকোলেটর মত দেখায়।
বছরে এই জাতের মুরগী ১৫০-২০০ টি ডিম দেয়।
ডিম পাড়া শুরু করে ২৪-২৬ সপ্তাহ বয়সে।
22/11/2024
কল্পনা থেকে বাস্তবে ব্ল্যাক হোল ক্যাপচার করা পর্যন্ত, বিজ্ঞান এগিয়েছে অনেক দূর
ব্ল্যাক হোলের তত্ত্বটি ১৭৮৪ সালে শুরু হয়েছিল যখন একজন প্রাকৃতিক দার্শনিক, জন মিশেল, এমন এক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু সম্পর্কে অনুমান করেছিলেন যার ঘনত্ব এত বেশি হবে যে এর মুক্তিবেগ আলোর গতির চেয়েও বেশি হবে যার ফলে আলোর কণাও এর থেকে বাহির হতে পারে না।
যাইহোক, ব্ল্যাক হোলের আধুনিক ইতিহাস শুরু হয়েছিল যখন পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তার আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব দিয়ে ১৯১৬ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্বের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। "ব্ল্যাক হোল" শব্দটি বহু বছর পরে ১৯৬৭ সালে আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী জন হুইলার ব্যবহার করেছিলেন।
২৩৫ বছরের জল্পনা-কল্পনা ও গবেষণার পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অবশেষে ২০১৯ সালে ব্ল্যাক হোলের একটি বাস্তব চিত্র ক্যাপচার করতে সক্ষম হন যা আইনস্টাইনের প্রতিটি দাবিকে সত্য প্রমাণ করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.