MD.Forman Khan Himon

MD.Forman Khan Himon

Share

Control your voice

07/04/2025

একজন বাবাকে তার ছেলে জিজ্ঞেস করলোঃ বাবা, সফল জীবন কাকে বলে?

বাবাঃ আমার সাথে চলো, আজ আমরা একসাথে ঘুড়ি উড়াবো।

অতঃপর তারা বেরিয়ে পড়লো এবং খোলা মাঠে গিয়ে বাবাটি ঘুড়ি ওড়ানো শুরু করলো। আর ছেলেটি মনযোগ সহকারে দেখতে লাগলো।

আকাশে ঘুড়িটি বেশ ওপরে উঠার পর বাবা বললোঃ এই দেখো ঘুড়িটা এতো উঁচুতেও কেমন বাতাসে ভেসে আছে। তোমার কি মনে হয়না যে, এই সূতোয় বেঁধে রাখার কারণে ঘুড়িটা আরোও উপরে উঠে যেতে পারছেনা?

ছেলেঃ সেটাই তো মনে হচ্ছে, সূতো না থাকলে ওটা আরও উপরে যেতে পারতো।

এটা শুনে বাবা উনার হাতের সূতোটা কেটে দিলেন। আর ঘুড়িটা সূতার টান মুক্ত হয়েই প্রথমে কিছুটা উপরে গেল। কিন্তু একটু পরেই নিচের দিকে নামতে নামতে মাটিতে পড়ে গেল।

এবার বাবা তার ছেলেকে বললোঃ শোনো, জীবনে আমরা যে উচ্চতায় আছি বা থাকি সেখান থেকে প্রায়ই মনে হয় ঘুড়ির সূতার মত কিছু কিছু বন্ধন আমাদের আরও উপরে যেতে বাঁধা দেয়। যেমনঃ পরিবার, মা-বাবা, সন্তান, সংসার, অনুশাসন ইত্যাদি।

আর আমরাও সেইসব বাঁধন থেকে কখনো কখনো মুক্ত হতে চাই। বাস্তবে ঐ বন্ধনগুলোই আমাদের উঁচুতে টিকিয়ে রাখে, স্থির রাখে, নিচে পড়ে যেতে দেয় না। ঐ বন্ধন না থাকলে আমরা হয়তো ক্ষণিকের জন্য কিছুটা উপরে যেতে পারি, কিন্তু অল্পসময়েই আমাদেরও পতন হবে ঐ বিনা সূতোর ঘুড়ির মতই।

সুতরাং জীবনে তুমি যদি উঁচুতে টিকে থাকতে চাও তবে কখনোই ঐ বন্ধন ছিড়বে না। সুতা আর ঘুড়ির মিলিত বন্ধন যেমন আকাশে ঘুড়িকে দেয় ভারসাম্য, তেমনি পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনও আমাদের জীবনে উচ্চতায় টিকে থাকার ভারসাম্য দেয়। আর এটাই প্রকৃত সফল জীবন।

25/03/2025

"একদা রাজা তাঁর সভাসদ বীরবলকে প্রশ্ন করলেন, বলোতো বীরবল, অবিদ্যা কি ?

বীরবল উত্তর দিলেন, জাহাঁপনা, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমাকে ৪ দিন ছুটি দিতে হবে, ফিরে এসে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব !

রাজা রাজি হয়ে তাঁকে ৪ দিন ছুটি দিলেন। বীরবল এক মূচির কাছে গিয়ে বললেন, ভাই এক জোড়া জুতো বানিয়ে দাও।

মূচি বলল, ঠিক আছে হুজুর, মাপটা দিন।

বীরবল বললেন, ওসব মাপ টাপ ছাড়ো, এক হাত লম্বা আর এক বিঘৎ চওড়া জুতো বানাও, আর ওতে কিছু হীরে জহরত জুড়ে দাও। সোনা আর রুপোর সুতো দিয়ে সেলাই করো, টাকার চিন্তা করো না, যা দাম হবে তাই পাবে, দরদাম করব না।

মূচি বলল, ঠিক আছে, কিছু টাকা আগাম দিন, আর ৩ দিন বাদে এসে নিয়ে যাবেন।

তৃতীয় দিন পুরো টাকা দেওয়ার আগে বীরবল মূচিকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলেন যে ও এই জুতোর গল্প কারও কাছে কখনও করবে না।

তারপর বীরবল একপাটি জুতো নিজের কাছে রেখে অন্য পাটিটা একটি প্রার্থণালয়ের সামনে ফেলে দিলেন।

ভোরবেলা প্রার্থণালয়ের তত্বাবধায়ক এসে ঐ একপাটি জুতো আবিষ্কার করলেন। তত্বাবধায়ক চিন্তা করলেন, এত বড় জুতো কখনও কোন মানুষের পায়ে হতে পারে না, আর যা হীরে জহরত লাগানো তাতে নিশ্চয়ই রাত্রে সৃষ্টিকর্তা এসেছিলেন, এবং বাইরে ভুল করে এই একপাটি জুতো ফেলে গেছেন।

উনি প্রথমে জুতোর পাটিটা মাথায় ঠেকালেন, তারপর বার বার জুতোটা কে চুমু খেতে লাগলেন। পরে এলাকার আরও অনেক লোক এলে তত্বাবধায়ক সকলকে এই সৃষ্টিকর্তার জুতো-র পাটি পাওয়ার গল্প বললেন। সকলেই বলল, নিশ্চয়ই এই জুতো সৃষ্টিকর্তারই হবে, মানুষের পায়ে এত বড় জুতো হতেই পারে না, আর প্রার্থণালয়ের বাইরে যখন পাওয়া গেল তখন ভুত বা প্রেতাত্মার ও নয়। সবাই মিলে জুতোর পাটি বারবার মাথায় ঠেকাতে আর চুমু খেতে লাগল। শেষ পর্যন্ত জুতোর কথা রাজার কানে গেল......রাজার আদেশে সেই জুতো দরবারে পেশ হল।

রাজাও স্বীকার করলেন, এ জুতো সৃষ্টিকর্তারই হবে। তিনিও বারবার মাথায় ঠেকিয়ে আর চুমু খেয়ে বললেন, এই জুতো প্রার্থণালয়ের কোন পবিত্র স্থানে রাখা হোক।

পরের দিন বীরবলের ছুটি শেষ হল, উনি সভায় এসে রাজাকে কে সালাম ঠুকে মাথা নিচু করে বসে রইলেন।

রাজা প্রশ্ন করলেন, কি হল রাজা বীরবল, তুমি এমন বিরসবদন কেন ?

বীরবল বললেন, জাহাঁপনা, আমার বাড়ি থেকে একপাটি জুতো চুরি গেছে।

একপাটি জুতো ? রাজা প্রশ্ন করলেন।

হ্যাঁ, আমার প্রপিতামহের একপাটি জুতো চুরি গেছে, চোর একপাটি ফেলে গেছে।

ঐ একপাটি জুতো কি তোমার কাছে আছে ? রাজার প্রশ্ন।

হ্যাঁ, আমার কাছে আছে - বীরবল অন্য পাটিটা বের করে দেখালেন।

দেখেই তো রাজার মাথা ঘুরতে আরম্ভ করল, নিজের কপালে করাঘাত করে হুকুম করলেন প্রার্থণালয় থেকে জুতোর পাটি নিয়ে আসতে। তারপর বললেন, আমরা তো এটাকে সৃষ্টিকর্তার জুতো মনে করে কত মাথা ঠেকিয়ে, চুমু খেয়ে, চেটে চেটে চকচকে করে তুলেছি !

বীরবল বললেন, জাহাঁপনা, একেই বলে অবিদ্যা। এই ভারতবর্ষ একদিন এমনি অবিদ্যায় ছেয়ে যাবে। অনেক মানুষের বুদ্ধিলোপ হবে। তারা ধূর্ত মানুষকে ভগবান জ্ঞান করবে এবং দেবতার আসনে বসিয়ে পুজো করবে।

বর্তমানে বোধহয় সেই সময় এসেছে এবং সমাজে সেটাই হতে আরম্ভ হয়েছে।"

সংগৃহীত

14/03/2025

জীবনের Success কি??

এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া অসাধারণ একটি চিঠি :

যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের "Success"!

যখন হাঁটতে শিখলাম মনে হল এটাই success!

যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হল এটাই success!

এরপর স্কুলে গেলাম, শিখলাম first হওয়াটা বা সবার চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়াই success!

এরপর বুঝলাম, না, আসলে মাধ্যমিকে স্টার পাওয়াটাই success!

ভুল ভাঙল, বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেজাল্টটা ধরে রাখাই success!

এখানেই শেষ নয়, এরপর বুঝলাম ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো কোনো জায়গায় চান্স পাওয়াটাই success, যেটা পড়লে একটা ভালো চাকরি পাওয়া যাবে।

আরো পরে বুঝলাম যে, পড়া শেষে ভালো চাকরী পাওয়া এবং অনেক রোজগার করাটাই success।

এরপর বুঝলাম, নিজের টাকায় একটি ছোট বাড়ি করাই success।

পরে বুঝলাম, সেটাও নয়, নিজের টাকায় এরপর গাড়ি কেনাটাই আসল success!

আবার ভুল ভাঙল, এরপর দেখলাম ভাল দেখে বিয়ে করে সুখে সংসার করাটাই আসল success।

বছর ঘুরলো, দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে ভালো ভাবে বড় করাটাই success, ছেলে হলে তাকে প্রতিষ্ঠিত করাটাই success, মেয়ে হলে একটা ভালো ফ‍্যামেলীর ভালো চাকুরীর ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়াটাই success।

এরপর এলো আমার রিটায়ারমেন্ট, সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক investment করে utilization করতে পারাই success!

এরপর যখন সবাই মিলে একাকী কবরে রেখে মাটি চাপার প্রস্তুতি নিল, মরার একটু আগেই বুঝলাম, পৃথিবীতে success বলে কোন কিছুই স্থায়ী লক্ষ্য নেই!

পুরোটাই এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের তৈরী করা একটা competition। যার মূলে আছে আকাশ ছোঁয়া আকাঙ্খা, যা কখনো পূর্ণ হবার নয়।

তখন বুঝতে পারলাম এর থেকে জীবনের প্রতিদিন বা প্রতি মূহুর্ত আনন্দের সঙ্গে সুস্থ থাকা ও অন্যের জন্য কাজ করতে পারাই success এর মূল লক্ষ্য হলে অনেক ভালো হতো!
কিন্তু এটা বুঝতে অনেক দেরী করে ফেলেছি।

জীবন কে খুঁজুন, জীবন কে বুঝুন!

নিজেকে ভালবাসুন।
অন্যদের সম্মান দিন, ভালবাসুন। বিশেষ করে যাদের ভালবাসার খুবই প্রয়োজন।

শেষ অবধি ভালবাসাপূর্ণ, আনন্দঘন আর সুস্থ একটি জীবনযাত্রা সম্পন্ন করতে পারাই সফলতা!!😌

05/02/2025

হিংসুক মানুষের আবিষ্কৃত শ্রেষ্ঠ যন্ত্রের নাম ষড়যন্ত্র। আপনি উঠতে চাইলে পেছনে টেনে ধরবে, বড় কিছু করলে সমালোচনা করবে, আপনি স্বপ্ন দেখলে তারা আপনাকে হতাশ করবে। এতসব কিছুর মাঝেও আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে, টিকে থাকতে হবে, স্বপ্ন পূরণ করতে হবে ; কারণ মানুষ অন্যের হাঁটুর জোরে হাঁটেনা, সে নিজের পায়ে ভর করেই দৌঁড়ায়।
আপনাকে টেনে উপরে তোলার জন্য কারো ঠেকা পড়েনি। আপনি কঠোরভাবে চেষ্টা না করলে, কার এত দায় পড়েছে আপনার জন্য সাহায্যের ডালা সাজিয়ে বসে থাকার? পৃথিবীটা অনেক নিষ্টুর। এখানে সবাই স্বার্থপর। আপনার বেঁচে থাকার কারণ আপনাকেই সৃষ্টি করতে হবে। কেউ আপনাকে সাকসেস হওয়ার আগ পর্যন্ত পাত্তা দিবেনা। অনেকেই আপনাকে কথা দিয়েও কথা রাখবেনা। এমনকি অনেকেই আপনাকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় রাখবে, কারণ সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত সবাই ধরেই নিবে আপনি একটা অপদার্থ, এভাবে ১০ ঘন্টা আপনি দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করলেও অন্য কারও কাছে তা গুরুত্ব নাও পেতে পারে!

পৃথিবীতে মানুষ রেজাল্ট দেখতে চায়। আপনি কত ঘন্টা পড়ে, কত রাত জেগে প্রিপারেশন নিয়েছেন সেটা কাউকে ভাবাবে না, বরং আল্টিমেটলি চাকরিটা আপনি পেয়েছেন কিনা সবাই সেটাই দেখতে চায়। শচীন কয়টা ছক্কা মারার চেষ্টা করেছে, তাতে কার কি আসে; বরং কয়টা ছক্কা তিনি মেরে টিমকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন সবাই সেটাই দেখতে চায়। মেসির পায়ে কত মিনিট বল ছিলো, কয়টা বল তিনি গোলপোস্টে থ্রো করেছেন, দর্শক এসব দেখতে চায় না। আল্টিমেটলি দিনশেষে দর্শক এটাই দেখতে চায় মেসির টিম আর্জেন্টিনা জিতেছে কিনা। লাইফটা রেজাল্টের উপর দাঁড়িয়ে থাকে।

বিধাতা আপনাকে একটা খোলা মাঠ দিলো। এখন সেই মাঠে যদি আপনি অল্প খনন করেন, তবে আপনি একটা গর্ত করতে পারবেন। আরেকটু বেশি খনন করলে একটা পুকুর হবে। আরো বেশি খনন করলে বিশাল দিঘী হয়ে যাবে। আপনি যা খুশি করতে পারবেন। বিধাতা আপনাকে শক্তি দিয়েছে, মাঠ দিয়েছে; কিন্তু সেই শক্তি দিয়ে মাঠকে পুকুর বানাবেন নাকি দিঘী বানাবেন সেটা নির্ভর করছে আপনার সিদ্ধান্তের উপর।

26/11/2024

এক লোক পাথর কাটার কাজ করতো। লোকটা জীবনে তার অবস্থান নিয়ে খুবই অসন্তুষ্ট থাকতো সবসময়।

একদিন সে এক ধনী ব্যবসায়ীর বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। বাড়ির জানালা দিয়ে সে দেখছিলো ব্যাবসায়ীর শান-শওকত। খুব ঈর্ষান্বিত হয়ে সে চিন্তা করতে লাগলো, 'আহা আমি যদি বণিকের মতো হতে পারতাম!'

কি আশ্চর্যের ব্যাপার, লোকটা হঠাৎ বিরাট বণিক হয়ে উঠলো। তার কল্পনার চেয়ে বেশি বিলাসিতা এবং ক্ষমতা উপভোগ করতে লাগলো।

একদিন সে দেখলো রাজ্যের প্রধান বিচারক রাস্তার পাশ দিয়ে যাচ্ছেন। সে দেখলো, বিচারক একটা চেয়ারে বসে আছেন এবং তাকে একদল সৈন্য বয়ে নিয়ে চলছে।

রাস্তার পাশের দোকানিদের সৈন্যরা দেদারসে পেটাচ্ছে।
জনতা বিচারকের সামনে মাথা নত করছে।

বণিকের মনে মনে ভাবতে লাগলো, আহা বিচারক কত শক্তিশালী!
আমি যদি একজন বিচারক হতে পারতাম!"

তারপরে সে এক বিচারক হয়ে উঠলো, তার সৈন্যরা তাকে সেডান চেয়ারে সর্বত্র বহন করে নিয়ে যেতে লাগলো। তার চারপাশের লোকজন তাকে প্রচণ্ড ভয় ও ঘৃণা করতে লাগলো।

এক গ্রীষ্মের দিনে বিচারক সেডান চেয়ারে খুব অস্বস্তি বোধ করেছিলো। সে সূর্যের দিকে তাকালো। আকাশে গর্বিতভাবে জ্বলজ্বল করছিলো সূর্য। বিচারকের উপস্থিতিতে সে একটুও নতজানু হয়নি।

"সূর্য কত শক্তিশালী!" বিচারক ভাবলো।

"আমি যদি সূর্য হতে পারতাম!"

তারপর সে সূর্য হয়ে উঠলো,
সকলের উপর প্রচণ্ডভাবে জ্বলে উঠলো,
ক্ষেত পুড়িয়ে দিলো।

কিন্তু একদিন একটা বিশাল কালো মেঘ তার এবং পৃথিবীর মাঝখানে চলে এলো। সূর্য আর তার আলো দিয়ে নীচের কোন কিছুকেই জ্বলতে পারে না।

"এই মেঘটা কতই শক্তিশালী!" সূর্য ভাবছে।
"আমি যদি মেঘ হতে পারি!"

তারপর সে মেঘ হয়ে ওঠে। বৃষ্টি নেমে, বিদ্যুৎ চমকে সে মাঠ ও গ্রাম প্লাবিত করে দিতে লাগলো।

কিন্তু শীঘ্রই সে দেখতে পেলো যে- তাকে কোন বড় একটা শক্তি দূরে ঠেলে দিচ্ছে। মেঘ বুঝতে পারলো এটা বাতাস।

"এটা কতটা শক্তিশালী!" মেঘ ভাবতে লাগলো।
"আমি যদি বাতাস হতে পারতাম!"

তারপর সে বাতাস হয়ে গেলো।
বাড়ির ছাদ উড়িয়ে দিলো, গাছ উপড়ে ফেলল।

কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই বাতাস আবিষ্কার করলো সে এমন কিছুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছে যাকে সে নাড়তে পারছে না কোনক্রমেই। সে দেখলো একটি বিশাল, সুউচ্চ পাথর দাঁড়িয়ে আছে।

"পাথর কতই না শক্তিশালী!" সে ভাবলো।
"আমি যদি একটা পাথর হতে পারতাম!"

তারপর সে একটা পাথরের খণ্ড হয়ে গেলো।
পৃথিবীর অন্যতম শক্ত পদার্থ।
কেউ তাকে নাড়াতে পারে না।

কিন্তু কিছুক্ষণ বাদেই সে লক্ষ্য করলো একটি হাতুড়ির শব্দ ভেসে আসছে। কেউ একজন পাথরটাকে ভাঙছে।

"আমার চেয়ে শক্তিশালী আর কে হতে পারে", পাথর ভাবছে।

সে নিচে তাকিয়ে তার অনেক নিচে একটা লোককে পাথর কাটতে দেখতে পেলো।

সে তার নিজেকে চিনতে পারলো।

24/09/2024

১৫ টি অসুবিধাজনক সত্য মানুষ জীবন সম্পর্কে খুব দেরিতে শেখে:

1. ওভারশেয়ার করবেন না। গোপনীয়তা শান্তিপূর্ণ এবং শক্তিশালী।

2. আপনি আপনার বন্ধু, প্রিয়জন এবং পরিবারকে বিশ্বাস করলেও, তাদের সবকিছু বলবেন না।

3. সর্বোত্তম প্রতিশোধ হল প্রতিশোধ না নেওয়া। এগিয়ে যান। সুখী হও। অভ্যন্তরীণ শান্তি খুঁজুন। পুষ্প

4. আপনি যখন সঠিক, কেউ মনে রাখে না. আপনি যখন ভুল করেন, কেউ এটি ভুলে যায় না।

5. আপনি যদি "সঠিক সময়ের" জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন তবে আপনি আপনার পুরো জীবন নষ্ট করবেন এবং কিছুই হবে না।

6. আপনি কাউকে একটি ব্যাখ্যা বা ন্যায্যতা ঋণী না.

7. যারা আপনার আবেগ ট্রিগার আপনার উপর ক্ষমতা আছে. আপনি যাকে এই ক্ষমতা দেবেন তা বিজ্ঞতার সাথে চয়ন করুন।

8. সবকিছু এবং প্রত্যেকের প্রতিক্রিয়া বন্ধ করুন।

9. কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসবে না কারণ আপনি নিজেকে বাঁচাতে পুরোপুরি সক্ষম।

10. অন্যের ভাবমূর্তি খারাপ করার চেষ্টা করে আপনার কখনও ভাল ভাবমূর্তি তৈরি হয় না।

11. মিথ্যা বন্ধু শত্রুর চেয়েও খারাপ।

12. আপনার কমফোর্ট জোন আপনার স্বপ্নকে ধ্বংস করবে।

13. আপনি যে জিনিসগুলির সাথে একমত নন তা গ্রহণ করা বন্ধ করুন।

14. সর্বদা প্রয়োজনের তুলনায় কম কথা বলুন।

15. যাদের প্রতি আপনার শ্রদ্ধা নেই তাদের দ্বারা বিরক্ত হবেন না।

সা ই কো ল জি

Category

Website

Address

Dhaka
2400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD.Forman Khan Himon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.