S M IDRIS
S M IDRIS
বহতা নদীর মত আমার এ জীবন
হে আমার রব তুমি করগো গ্রহণ।
কথা: আ জ ম ওবায়দুল্লাহ
সুর: মশিউর রহমান
https://youtube.com/?si=DBLnYuF6ixwMZJqF
আল্লামা কি বলে গেলেন 🤔🤔🤔
02/06/2026
মৃত্যুবরণ করেছেন তোফায়েল আহমেদ
আর
বেঁচে আছেন শহীদ আব্দুল মালেক।
বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ গতকাল মৃত্যুবরণ করেছেন। সংবাদটি এদেশের ইসলামপন্থীদের হৃদয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কেননা তার হাতেই নিহত হন ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ শহীদ আব্দুল মালেক। তিনি ছিলেন ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রসেনানী।
আব্দুল মালেক ১৯৪৭ সালের মে মাসে জম্মগ্রহন করেন বগুড়ার ধুনট থানার খোকসাবাড়ি গ্রামে। তার পিতার নাম মুন্সী মোহাম্মদ আলী। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।
আজম্ম মেধাবী আব্দুল মালেক ১৯৬০ সালে জুনিয়র স্কলারশিপ বৃত্তি লাভ করেন। ১৯৬৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় গণিত ও রসায়নে লেটার মার্কসসহ বোর্ড স্ট্যান্ড করেন। ১৯৬৫ সালে রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে লেটার মার্কসসহ মেধা তালিকায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেন।
প্রচন্ড মেধাবী এ তরুণ একবুক স্বপ্ন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণ রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন।
ফজলুল হক মুসলীম হলের ১১২ নং রুমে আবাসিক ছাত্র হিসেবে অধ্যয়ন শুরু করেন।
স্কুল জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। প্রথমে যুক্তফ্রন্টের রাজনীতি করলেও কলেজ জীবনে মুসলিম লীগের রাজনীতির সাথে ব্যাপকভাবে জড়িয়ে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ইসলামপন্থীদের ছাত্র সংগঠন ছিল ইসলামী ছাত্র সংঘ।
ছাত্রসংঘের কর্মসূচি ও কার্যক্রম তার কাছে ভালো লাগে। তাই প্রথম বর্ষেই তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠার দুর্বার স্বপ্ন নিয়ে ছাত্রসংঘে যোগদান করেন। মেধাবী ছাত্র, প্রাঞ্জল বক্তা এবং ক্ষুরদার লেখনীর কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের কাছেই পরিচিত ও প্রিয় মুখ ছিল আব্দুল মালেক। ছাত্রসংঘের কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করলেও আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও কর্মস্পৃহার কারণে অতি অল্প সময়ে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত হন তিনি।
১৯৬৬ সালে ছাত্রসঙ্ঘের ঢাকা শহর শাখার সেক্রেটারি, ১৯৬৭ সালে সভাপতি এবং ১৯৬৮ সালে নিখিল পাকিস্তানের ছাত্র সংঘের কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, তীঘ্ন দূরদর্শিতা, অদম্য মেধা ও আকর্ষণীয় বক্তব্য তাকে সকলে নিকট গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
১৯৬৯ সালের প্রথম দিকে ১০ সদস্য বিশিষ্ট টিম নিয়ে পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল নূর খানের সাথে সাক্ষাৎ করেন আব্দুল মালেক। তিনি মন্ত্রীর নিকট ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থার সুফল উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
এ দাবির পক্ষে পাকিস্তানের বিভিন্ন সংগঠন, সংস্থা ও স্কলারগণ ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পক্ষে দাবী জানাতে থাকেন। যার কারণে সরকার শিক্ষা বিষয়ক একটি কমিশন গঠন করেন। যাকে নূর খান শিক্ষা কমিশন হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এ কমিশনের কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলেও তা অনেকটা ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়েই তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজাধারি ও ইসলাম বিদ্বেষীরা এ শিক্ষা কমিশনকে মানতে পারেননি।
তারা তীব্রভাবে এর বিরোধিতা শুরু করেন এবং এই কমিশনের বাতিল দাবি করেন। তাই পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বজনীন রূপরেখা কি হবে, তা নিয়ে একটি জনমত জরিপের আয়োজন করা হয়।
এই জনমত জরিপের অংশ হিসেবে ১৯৬৯ সালের ২ আগষ্ট (NIPA) তে বর্তমানে "ব্যবসা শিক্ষা অনুষদ ভবনে " এক সেমিনারের আয়োজন করে । উক্ত সেমিনারে বামপন্থী ও সেকুলার নেতারা ইসলামী শিক্ষার বিরুদ্ধে ব্যাপক আলোচনা করেন। সেখানে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে মাত্র পাঁচ মিনিট বক্তব্য রাখেন আব্দুল মালেক। তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বজনীনতা, প্রয়োজনীয়তা এবং সেকুলার শিক্ষা ব্যবস্থার অসারতা অত্যন্ত বুদ্ধিভিত্তিক পন্থায় চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেন।
তার পাঁচ মিনিটের যৌক্তিক বক্তব্যে উপস্থিত দর্শক, শ্রোতা,ছাত্র - ছাত্রী শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের চিন্তা রাজত্বে এক বিপ্লব ঘটে যায়। যার কারনে সেমিনারে উপস্থিত অধিকাংশই ইসলামী শিক্ষার পক্ষে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। বামপন্থীদের নিকট এটি ছিল একটি বজ্রাঘাতের মত। সেকুলার শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে জনমত তৈরিতে ব্যর্থ হয়ে ডাকসুর উদ্যোগে একটি বিকল্প সেমিনারের আয়োজন করে বামপন্থীরা। তাদের হিনো উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ১২ আগস্ট টিএসসিতে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
ছাত্রদের পক্ষ হতে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে চাইলে সেদিন আবদুল মালেকসহ কাউকেই কথা বলতে দেয়া হয়নি। উপরন্তু সেমিনারের আলোচকরা ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থাকে কটাক্ষ করে বক্তব্য রাখতে থাকে। এতে উপস্থিত দর্শক ও শ্রোতারা এর তীব্র বিরোধিতা করে স্লোগান দিতে থাকে। সাথে সাথেই বামপন্থী সেকুলাররা ইসলামপন্থীদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে হায়েনার মত। কয়েকজন আহত হন ঘটনাস্থলেই। আব্দুল মালেক তার সাথীদের সেখান থেকে সরিয়ে এনে নিরাপদে পাঠিয়ে দেন। বামপন্থীদের উদ্দেশ্য সাধন না হওয়ায় আহত নেকড়ের মত হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে ছাত্র সংঘের নেতাদের। এ সময় আব্দুল মালেক দুই তিন জন সাথীসহ টিএসসির পাশ দিয়ে রেসকোর্স ময়দান হয়ে তার হলে ফিরছিলেন। পতিমধ্যেই তাদের ঘিরে ফেলেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ। তাদের সাথে ছিলেন রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু সহ বেশ কয়েকজন। তারা হাতে থাকা লাঠি, হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে আব্দুল মালেক ও তার সাথীদের।
আব্দুল মালেকের ইটের উপর মাথা রেখে আরেকটি ইট দিয়ে উপর্যপুরি আঘাতে ভয়ংকর ভাবে থেতলে দেয় তার মাথা। সেখানেই জ্ঞান হারান তিনি। তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় রেখে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
খবর পেয়ে সংগঠনের ভাইয়েরা এসে উদ্ধার করে তাকে ভর্তি করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তিনদিন মৃত্যু শয্যায় শায়িত থেকে অবশেষে মহান রবের দরবারে পাড়ি জমান শহীদ আব্দুল মালেক।
তার শাহাদাতে সে সময় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ধিক্কার, ঘৃণা আর অভিশাপের লক্ষ্যবস্তু হয় খুনিরা। ঢাকায় দুটি জানাজাসহ তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয় তার। প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে।
এতে ইমামতি করেন আওলাদে রাসূল সৈয়দ মাহমুদ মোস্তফা আল মাদানী। জানাযার সময় ও তার মাথার ক্ষতস্থান দিয়ে রক্ত ঝরছিল ফোঁটা ফোটা। তার রক্ত ছুঁয়ে আওলাদে রাসূল বলেছিলেন " আমি শহীদ আব্দুল মালেকের রক্ত থেকে জান্নাতের সুঘ্রাণ পাচ্ছি। "
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামিক চিন্তাবিদগণ তার শাহাদাতে শোকবার্তা প্রেরণ করেন।
মাওলানা মওদুদী রহমতুল্লাহি বলেন " শহীদ আব্দুল মালেক ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হলেও এটাই শেষ নয়। " এ ভূখণ্ডে শহীদ আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে যে শহীদি মিছিল শুরু হয়েছিল, তা এখনো চলমান রয়েছে প্রবাহমান নদীর স্রোতের মতো।
শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন একজন স্বপ্নবাজ তরুণ।
যিনি স্বপ্ন দেখতেন, ইসলামকে বিজয়ী করার।
তিনি স্বপ্ন দেখতেন, ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থা কায়েম করার। তিনি বলতেন --
" আমরা আমাদের লক্ষ্যপানে দৌড়াতে থাকবো, শরীরের সবটুকু শক্তি দিয়ে। শত্রুরা যদি আমাদের দুটি পা কেটে ফেলে, তাহলে দুহাত দিয়ে আগাতে থাকবো লক্ষপানে।
যদি ওরা আমাদের হাত দুটি ও কেটে ফেলে, তাহলে বুকে হামাগুরি দিয়ে আগাতে থাকবো সম্মুখ পানে। যদি শত্রুরা সে শক্তিও কেড়ে নেয়, তাহলে দুচোখ দিয়ে তাকিয়ে থাকবো লক্ষপানে। যদি ওরা আমাদের দুচোখ উপড়ে ফেলে, তাহলে অন্তরকে নিবিষ্ট করব মঞ্জিল দিকে। আর এ অবস্থায় আমরা পৌঁছে যাব মহান রবের সান্নিধ্যে। তারপরও আমরা নিরব হবো না, নিথর হবো না, নিস্তব্দ হব না, যতক্ষণ না আল্লাহর দ্বীনের বিজয় হয় অথবা আমরা শহীদ হই। "
- আজও জীবিত আছেন শহীদ আব্দুল মালেক, জান্নাতী পাখি হয়ে। আর মৃত্যু হয়েছে তার খুনিদের।
- শহীদ আব্দুল মালেকের জানাজা পড়িয়েছেন আওলাদে রাসুল। আর খুনিদের জানাজা পড়িয়েছেন অজ্ঞাত কেউ।
- অনন্তকাল ব্যাপী বেঁচে থাকবেন শহীদরা,
ঘৃনা আর ধিক্কার অভিশপ্ত খুনিরা।।
তারা তাদের রবের কাছ থেকে সঠিক পাওনাটাই বুঝে পাবেন। কারো উপর বিন্দু পরিমাণ ও জুলুম করা হবে না সেখানে।।
28/05/2026
ঈদ এলো মানুষের জন্য
ঈদ এলো জীবনের জন্য।
কথা ও সুরঃ মরহুম কবি মতিউর রহমান মল্লিক
পরিবেশনায়ঃ কিউ এস কালচারাল একাডেমি।
24/05/2026
কিউ এস কালচারাল একাডেমির প্রথম ভিজুয়াল গান
"ঈদ এলো মানুষের জন্য"
কথা ও সূর : মতিউর রহমান মল্লিক
cover song : কিউ এস কালচারাল একাডেমি।
দেখতে চোখ রাখুন QS TV
চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন।
https://youtube.com/?si=SInE4rA1O4JcvfGp. https://youtube.com/?si=2eti1mbdiVY1r0GP
23/05/2026
আসছে ঈদের গান নতুন ভাবে।
এখনো অনেক ধৈর্য্য ধরতে হবে
এখনো অনেক কষ্ট করতে হবে।
কথাঃ মতিউর রহমান মল্লিক
সুরঃ মশিউর রহমান
22/05/2026
কে আছো এমন দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা।
--- জাকির আবু জাফর ---
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
আলহামদুলিল্লাহ, সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে।
আজ থেকে শুরু হচ্ছে বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন।
তাই সবাই বেশি বেশি তাকবীর, তাহলীল, তাহমীদ ও ইস্তিগফার পড়া শুরু করুন।
📢 তাকবীর:
الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله، والله أكبر الله أكبر ولله الحمد
অর্থঃ
আল্লাহ সবচেয়ে মহান, আল্লাহ সবচেয়ে মহান। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ সবচেয়ে মহান, আল্লাহ সবচেয়ে মহান, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এই বরকতময় দিনগুলোতে নেক আমল বৃদ্ধি করি, রোজা রাখি, কুরআন তিলাওয়াত করি এবং বেশি বেশি দোয়া করি।
تقبل الله منا ومنكم صالح الأعمال
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
1600