Tech Information BD

Tech Information BD

Share

"Welcome to the Tech Information BD! ❤️ Sharing love, laughter, and memories. Family is everything!"

Photos from Tech Information BD's post 21/06/2025

Digital Camera 3.2inch G730 12X Optical Zoom Compact Camera | 4K 60FPS Video, Sony CMOS Sensor & IR Night Vision.

Detailed Specifications:
Sensor: 8MP 1/2.8" CMOS sensor.
Optical Zoom: 12x.
Video Resolution: 5K at 30fps, 4K at 60fps/30fps, 2.7K at 60fps/30fps, 1080p at 60fps/30fps, 720p at 60fps/30fps.
Video Format: MP4.
Photo Resolution: 64M/56M/48M/36M/20M/14M/10M/8M/5M/3M/2M.
Photo Format: JPEG.
Screen: 3.2-inch IPS touchscreen (4:3).
Focus: Auto and manual focus, with real-time face focus.
Night Vision: Infrared night vision.
Wi-Fi: Supports IOS/Android via the OD CAM app.
Storage: Supports external SD cards up to 512GB (U3/Class30/V30 or higher).
Battery: NP-180 1400mAh 3.7V 5.18Wh.
Other Features: Time-lapse video, built-in stereo microphone, remote control, and various scene selection modes.




or

24/05/2025

জি-মেইলের স্টোরেজ খালি করার সবচেয়ে সহজ উপায়

ব্যক্তিগত কিংবা অফিসিয়াল কাজে মেইল ব্যবহার করছেন সবাই। অনেকেই অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া বা মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম থেকে মেইলকে বেশি নিরাপদ মনে করেন। আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার আরও সহজ ও মসৃণ করতে পারে এর কিছু ফিচার।

জি-মেইল স্টোরেজ ফুল হয়ে যাওয়া খুবই সাধারণ সমস্যা। গুগলের পক্ষ থেকে জি-মেইলে ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তা কিছুদিনের মধ্যেই ভরে যায়। জি-মেইলের স্টোরেজ খালি করার সহজ কিছু উপায় আছে। সবেয়ে সহজ এবং প্রথম উপায় হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল নিয়মিত ডিলিট করুনএছাড়া সংযুক্তিগুলো পরিচালনা করা এবং মূল্যবান সঞ্চয়স্থান পুনরুদ্ধার করতে গুগলের অন্তর্নির্মিত সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা-সহ জি-মেইল অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করার জন্য বেশ কয়েকটি কার্যকর উপায় রয়েছে।

নিজেদের জি-মেইল অ্যাকাউন্ট সাফ করার টিপস। অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল ডিলিট আর প্রয়োজন নেই, এমন ই-মেইলগুলো ডিলিট দিয়ে শুরু করতে হবে। বড় বার্তা বা পুরোনো থ্রেডগুলোতে মনোযোগ করতে হবে, যা আর কোনো উদ্দেশ্য পূরণ করে না। আকার বা সময় অনুসারে ইমেলগুলো খুঁজে পেতে এবং সেগুলোকে প্রচুর পরিমাণে ডিলিট করার জন্য জি-মেইলের সার্চ ফাংশন ব্যবহার করতে হবে।

ট্র্যাশ এবং স্প্যাম ফোল্ডার খালি করুন। ই-মেইলগুলো ট্র্যাশ ফোল্ডারে সরানো হয়, যা এখনো ব্যবহারকারীদের সঞ্চয়স্থান কোটার সঙ্গে গণনা করা হয়। নিজেদের ট্র্যাশ ফোল্ডারটি নিয়মিত খালি করতে হবে। এছাড়াও অবাঞ্ছিত বার্তাগুলো স্থান দখল করছে কি না, তা নিশ্চিত করতে স্প্যাম ফোল্ডারটি খালি করতে হবে।

বড় অ্যাটাচমেন্টসহ ই-মেইলগুলো শনাক্ত করতে সার্চ বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুসারে সেগুলো পর্যালোচনা করতে হবে কিংবা ডিলিট করতে হবে। গুগল ড্রাইভে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাটাচমেন্ট সেভ এবং জি-মেইল অ্যাকাউন্ট থেকে সেগুলো সরিয়ে ফেলুন দেখবেন অনেকখানি স্টোরেজ একসঙ্গে খালি হয়ে গেছে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

24/05/2025

সাইবার–জগৎ
পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তায় ক্রোম ব্রাউজারে নতুন সুবিধা আসছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি ই-মেইল ও কম্পিউটারের জন্য আমরা সবাই একাধিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে সাইবার অপরাধীরা সহজেই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ব্যক্তিগত বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে পারে। এমনকি তথ্য চুরির পর সেগুলো আবার ব্যবহারের সুযোগ দিতে অর্থও দাবি করে তারা। এ সমস্যা সমাধানে ক্রোম ব্রাউজারে নতুন নিরাপত্তাসুবিধা যুক্ত করছে গুগল।
নতুন এ নিরাপত্তাসুবিধা গুগলের পাসওয়ার্ড ম্যানেজারের সহায়তায় চালু করা হবে। বর্তমানে গুগলের পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহারকারীদের শুধু দুর্বল পাসওয়ার্ড সম্পর্কে সতর্ক করে থাকে। তবে নতুন সুবিধাটি চালু হলে সতর্ক করার পাশাপাশি প্রয়োজনে জটিল ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করে দেবে। শুধু তা–ই নয়, ব্যবহারকারীর সম্মতি নিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড ক্রোম ব্রাউজারে সংরক্ষণ করা হবে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন।

এক ব্লগ বার্তায় গুগল জানিয়েছে, কোনো ওয়েবসাইটে লগইনের সময় দুর্বল বা হ্যাকড হওয়া পাসওয়ার্ড শনাক্ত হলে গুগলের পাসওয়ার্ড ম্যানেজারের মাধ্যমে সেই পাসওয়ার্ডের বিকল্প দেখাবে ক্রোম ব্রাউজার। ফলে ব্যবহারকারী সহজেই দুর্বল পাসওয়ার্ড বদলে ফেলতে পারবেন। এ বছরেরমধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে সুবিধাটি চালু করা হবে।

এ বিষয়ে গুগলের ক্রোম বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পারিসা তাবরিজ বলেন, অনেকের কাছে পাসওয়ার্ড বদলানো বেশ বিরক্তিকর। তাই বিষয়টি এড়িয়ে যান কেউ কেউ। ক্রোম ব্রাউজারের স্বয়ংক্রিয় পাসওয়ার্ড বদলে দেওয়ার সুবিধাটি নিরাপত্তা ও ব্যবহারযোগ্যতা, এই দুই দিক থেকেই কার্যকর হবে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

24/05/2025

সাইবার–জগৎ
৩ লাখ ৯৪ হাজারের বেশি উইন্ডোজ পিসিতে ছড়িয়ে পড়া ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে মাইক্রোসফটের অভিযান

বিশ্বজুড়ে ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক তথ্য চুরির সঙ্গে জড়িত শক্তিশালী ম্যালওয়্যার ‘লুমা স্টিলারের’ বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালিয়েছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অন্তত ৩ লাখ ৯৪ হাজার উইন্ডোজ কম্পিউটার এই ম্যালওয়্যারে সংক্রমিত হয়েছে।

২১ মে মাইক্রোসফটের প্রকাশিত এক ব্লগ পোস্টে বলা হয়, তাদের ডিজিটাল ক্রাইমস ইউনিটের (ডিসিইউ) নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, ইউরোপোল, জাপানের সাইবার ক্রাইম কন্ট্রোল সেন্টারসহ বিভিন্ন দেশের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। অভিযানে লুমা স্টিলার ম্যালওয়্যারের নিয়ন্ত্রণকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি জব্দ করা হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৩০০টি ডোমেইন। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধীরা তথ্য ও অর্থ চুরির জন্য বর্তমানে যে সফটওয়্যারগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করছেন, ‘লুমা স্টিলার’ তাদের মধ্যে অন্যতম।

‘লুমা স্টিলার’ মূলত একটি ‘ম্যালওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস’ বা সেবারূপে সরবরাহযোগ্য ম্যালওয়্যার। যা যেকোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয়। ম্যালওয়্যারটি সহজে বিতরণযোগ্য এবং প্রচলিত সাইবার সুরক্ষাব্যবস্থা এড়িয়ে চলার সক্ষমতা থাকায় এটি সাইবার অপরাধীদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সাধারণত লক্ষ্য স্থির করে পাঠানো ফিশিং ই-মেইল (সফিস্টিকেটেড স্পিয়ার ফিশিং) এবং ভুয়া বিজ্ঞাপন (ম্যালভারটাইজিং) ব্যবহার করে এই ম্যালওয়্যার ছড়ানো হয়। কখনো কখনো মাইক্রোসফটসহ পরিচিত ব্র্যান্ডের ছদ্মবেশ ধারণ করেও লুমা স্টিলার ছড়ানো হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ‘এডিটপ্রো’ নামের একটি ভুয়া এআই ভিডিও এডিটিং টুলের মাধ্যমে ম্যালওয়্যারটি ছড়ানোর ঘটনা ধরা পড়ে। ওই টুল ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ইনস্টল হওয়ার পর লুমা স্টিলার গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে তা দূরবর্তী হ্যাকারদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। চলতি বছরের শুরুতে একটি ফিশিং অভিযানে ‘বুকিং ডটকম’-এর নাম ব্যবহার করে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। সেখানে লুমা স্টিলারসহ একাধিক ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।

লুমা স্টিলার মূলত গুগল ক্রোম, মাইক্রোসফট এজ ও মজিলা ফায়ারফক্সের মতো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারে সংরক্ষিত তথ্যকে টার্গেট করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড, ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, ক্রেডিট কার্ড নম্বরসহ নানা ধরনের সংবেদনশীল তথ্য চুরি করা হয়। ২০২২ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ম্যালওয়্যার পরবর্তীকালে একাধিক র‍্যানসমওয়্যার হামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাব্যবস্থায় অনুপ্রবেশ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মাইক্রোসফটের অভিযানে শুধু ম্যালওয়্যারের প্রযুক্তিগত কাঠামো ও এর ব্যবসায়িক বিতরণব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা লুমা স্টিলারের মূল নিয়ন্ত্রণ কমান্ড ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার জব্দ করেছে। পাশাপাশি অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোও শনাক্ত ও বন্ধ করা হয়েছে, যেখানে ম্যালওয়্যারটি কেনাবেচা হতো। মাইক্রোসফট বলছে, বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা এই ধরনের ম্যালওয়্যার চক্রের বিরুদ্ধে আরও অভিযান পরিচালনা করবে।প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহারকারীদের হালনাগাদ অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের পাশাপাশি অচেনা ই-মেইল ও লিংক খোলায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Photos from Tech Information BD's post 22/05/2025

বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নিয়েছিল উমায়রা..

১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর। কলম্বিয়ার মফঃস্বল শহর আর্মেরোর (Armero) আকাশ সকাল থেকেই ছিল মেঘলা। ঝেঁপে বৃষ্টি আসছিল মাঝে মাঝে। তখন বিকেল চারটে। বাবা আলভেরো ও ভাই আলভেইরোর সঙ্গে জমি থেকে তুলে আনা ধান গোলায় তুলছিল তেরো বছরের ফুটফুটে বালিকা ওমায়রা স্যাঞ্চেজ (Omayra Sánchez)। মা মারিয়া আলেইডা গিয়েছিলেন বাড়ি থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে থাকা কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায়। সেখানে তিনি নার্সের কাজ করেন।

হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে ভেসে এসেছিল ‘গুম’ ‘গুম’ আওয়াজ। চমকে উঠেছিল ওমায়রা। মেঘ ডাকার আওয়াজ ভেবে আবার মন দিয়েছিল কাজে। সব ধান গোলায় তুলে বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়িতে ফিরে এসেছিল ওমায়রা। কাকিমা মারিয়া আডেলার সঙ্গে রাতের খাবার তৈরির তোড়জোড় শুরু করেছিল।

যে শব্দকে মেঘের আওয়াজ ভেবেছিল ওমায়রা, আসলে সেটি ৭৯ বছর পর জেগে ওঠা নেভাডো ডেল রুইজ আগ্নেয়গিরির ( ১৭৫০০ ফুট) আড়মোড়া ভাঙার আওয়াজ। যে আগ্নেয়গিরিকে স্থানীয়রা চেনেন ‘ঘুমন্ত সিংহ’ নামে।

১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসেও একবার উশখুশ করে উঠেছিল নেভাডো ডেল রুইজ আগ্নেয়গিরি। কলম্বিয়ার ইন্সটিটিউট অফ মাইনিং অ্যান্ড জিওলজি অক্টোবর মাসেই বানিয়ে দিয়েছিল আসন্ন ভয়াবহ বিপর্যয়ের একটি ম্যাপ। সেই ম্যাপে বলাও হয়েছিল সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হতে চলেছে ওমায়রাদের আর্মেরো শহর। কান দেয়নি কলম্বিয়া সরকার।

ঘড়িতে তখন রাত ৯.০৯

বিকট আওয়াজে কেঁপে উঠেছিল আশেপাশের প্রায় একশো কিলোমিটার এলাকা। এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আর্মেরো শহর থেকে মাত্র ৪৮ কিলোমিটার দূরে থাকা নেভাডো ডেল রুইজের তুষারাচ্ছাদিত চূড়া। আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে বেরিয়ে এসেছিল উত্তপ্ত লাভার স্রোত। লাল ছাইয়ে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ।

ফুটন্ত লাভার উত্তাপে গলে গিয়েছিল আগ্নেয়গিরির চুড়ায় থাকা বরফ ও পাদদেশে থাকা হিমবাহগুলি। বিশাল জলরাশি তিনটে সর্বগ্রাসী ঢেউ তুলে, ঘন্টায় বাইশ কিলোমিটার গতিতে ছুটে চলেছিল গুয়ালি নদীর খাত ধরে। সঙ্গে নিয়ে চলেছিল হাজার হাজার বোল্ডার, পাথর, গাছ ও কাদা। ঢেউগুলি ছুটে চলেছিল চোদ্দটি জনপদের দিকে। প্রথম ও সবচেয়ে ভয়ঙ্কর আক্রমণটি হেনেছিল সামনে থাকা আর্মেরো শহরের ওপর।

কোটি কোটি টন কাদা, গাছ ও পাথর নিয়ে আসা প্রথম ঢেউটি, আঘাত হানার তিরিশ মিনিট আগেই অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল আর্মেরো। শহরবাসীদের কানে আসছিল রক্তজল করে দেওয়া কিছু আওয়াজ। কিন্তু কী হচ্ছে, কেউ কিছু বুঝতে পারছিল না। তাই টর্চ নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসেছিল হাজার হাজার মানুষ। বাবা, ভাই ও কাকিমার সঙ্গে বাড়ির ছাদে উঠে পড়েছিল ওমায়রা। অন্ধকারে জোনাকির মত ছোটাছুটি করতে থাকা টর্চগুলি ছাড়া অন্য কিছু নজরে আসছিল না ওমায়রার।

হঠাৎ একই সঙ্গে নিভে গিয়েছিল কয়েক হাজার টর্চ। আর্ত চিৎকার ভেসে এসেছিল চারদিক থেকে। শহরবাসীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই, আর্মেরোকে আঘাত করেছিল পাথর, গাছের গুঁড়ি বয়ে আনা কাদার প্রথম ঢেউটি। ওমায়রাদের বাড়ির ছাদের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কুড়ি ফুট উচ্চতার ঢেউটি ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ওমায়রার বাবা ও ভাইকে।

ভেঙে পড়া ছাদের বিম ও লোহার কাঠামোয় আটকে গিয়েছিল ওমায়রা ও কাকিমা আলেইডা। ওমায়রাকে বুকে আঁকড়ে ধরে ছিলেন কাকিমা। কিন্তু কাদার ঢেউ ক্রমশ গিলে নিতে শুরু করেছিল কাকিমাকে। কাদার স্রোতের নিচে তলিয়ে যেতে যেতে দুই হাত দিয়ে কাকিমা ধরে ফেলেছিলেন ওমায়রার পা দু’টি। ঘটনার আকস্মিকতায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল ওমায়রা।

বৃষ্টি শুরু হয়েছিল আবার। বৃষ্টির ছাট গায়ে লাগায় জ্ঞান ফিরে এসেছিল ওমায়রার। সে বুঝতে পেরেছিল, থিকথিকে কাদার মধ্যে গলা অবধি ডুবে আছে। কাদার নিচে কোথাও আটকে গিয়েছে হাত পা। চারদিকে থেকে ভেসে আসছিল আর্তনাদ। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সে সব আর্তনাদও আর শোনা যাচ্ছিল না। বিধ্বস্ত আর্মেরোর বুকে নেমে এসেছিল শ্মশানের নীরবতা। সত্যিই আর্মেরো তখন মৃত্যুপুরী। কাদার নিচে শেষ ঘুমে ঘুমিয়ে পড়েছিল প্রায় পঁচিশ হাজার আর্মেরোবাসী।

কাদার ওপর জমতে শুরু করেছিল বৃষ্টির জল। সেই ছুঁয়েছিল গলা অবধি কাদায় গেঁথে থাকা ওমায়রার চিবুক। পাগলের মত চিৎকার করতে শুরু করেছিল ওমায়রা, “ও বাবা তুমি কোথায়?”,”ভাইরে তুই কই?”,”কাকিমা তুমি কোথায়? আমাকে বাঁচাও আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি কাকিমা।” একসময় জল উঠে এসেছিল ওমায়রার নাকের কাছাকাছি। দুঃসাহসী ওমায়রা প্রায় অবিশ্বাস্যভাবে ডান হাতটা কাদা ও জঞ্জালের ভেতর থেকে মুক্ত করে নিয়েছিল। ডান হাত দিয়ে জঞ্জাল আঁকড়ে ভেসে থাকার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল রাতভর। নির্মম রাত এগিয়ে চলেছিল এক আশা জাগানিয়া ভোরের দিকে।

১৪ নভেম্বর,১৯৮৫

দুর্ঘটনার প্রায় দশ ঘন্টা পরে এসেছিল রেডক্রসের উদ্ধারকারী দল। উদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়েছিল, বেঁচে যাওয়া স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে। গোটা আর্মেরো জুড়ে ছড়িয়ে ছিল কাদায় গেঁথে যাওয়া হতভাগ্য শহরবাসীদের শব। উদ্ধারকারী দলের গলার আওয়াজ পেয়ে, দেহের সর্বশক্তি একত্রিত করে ওমায়রা চিৎকার করে উঠেছিল, “আমাকে বাঁচাও”,”আমাকে বাঁচাও”।

মৃতের স্তুপে বালিকার গলার আওয়াজ পেয়ে চমকে উঠছিলেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা। তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর দলটির এক সদস্য দেখতে পেয়েছিলেন ওমায়রাকে। হাত ধরে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। প্রবল যন্ত্রণায় আর্ত চিৎকার করে উঠেছিল ওমায়রা। উদ্ধারকারীরা বুঝতে পেরেছিলেন, ওমেইরার পা আটকে গিয়েছে কাদার নিচে।

সারাটা দিন ধরে ওমায়রাকে ঘিরে থাকা কাদা, পাথর, কাঠ, টালি ও কংক্রিটের ভাঙা টুকরো সরিয়েছিলেন উদ্ধারকারীরা। মুক্ত করে ফেলেছিলেন ওমায়রার বাম হাত ও কোমর। কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও মুক্ত করা যায়নি পা দুটিকে। দেখা দিয়েছিল আর এক বিপত্তি। ওমায়রার চারপাশ থেকে জঞ্জাল সরানো মাত্রই গর্তটি ভরে যেতে শুরু করেছিল চারদিক থেকে ধেয়ে আসা জলে। আবার জলের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করেছিল ওমায়রা। তাকে ভাসিয়ে রাখার জন্য বুকের নিচে পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাতাস ভরা টিউব। সামনে রাখা হয়েছিল লম্বা একটি ডাল। যাতে সে ডালটি ধরে ভেসে থাকতে পারে।

১৫ নভেম্বর, ১৯৮৫
দুর্ঘটনার ছত্রিশ ঘন্টা পর এক ডুবরী জলের নিচে গিয়েছিলেন। দেখেছিলেন এক শিউরে দেওয়া দৃশ্য। গলা অবধি জলে হাঁটু মুড়ে বসে আছে ওমায়রা। তার দুটি পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ পিষে দিয়েছে কংক্রিটের একটি বিম। পিষে যাওয়া পা দুটি চেপে ধরে আছেন এক মৃতা মহিলা (কাকিমা)। দ্রুত উঠে এসেছিল আতঙ্কিত ডুবরী।

ওয়াকি টকির মাধ্যমে উদ্ধারকারী দলটি বার বার একটি পাম্প ও গ্যাসকাটার পাঠানোর আবেদন জানিয়েছিল কলম্বিয়া সরকারের কাছে। কারণ বেলচা, স্ট্রেচার, গাঁইতি ছাড়া অন্য কোনও সরঞ্জাম ছিল না তাদের কাছে। হেলিকপ্টারে ঝুলিয়ে একটি বুলডোজার পাঠানোর আবেদনও করেছিল তারা। যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে আর্মেরোতে সেনা নামানোর কথাও বলেছিল উদ্ধারকারী দলটি। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি অমানবিক কলম্বিয়া সরকার। কারণ কলম্বিয়ার সেনারা তখন এম-নাইন্টিন গেরিলাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিল রাজধানী বোগাটার আশেপাশে।
জারি হয়েছিল মৃত্যু পরোয়ানা

সব রকম চেষ্টা করেও ওমায়রাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হওয়া রেড ক্রস নিয়েছিল এক অবিশ্বাস্য সিদ্ধান্ত। কাদার নিচে আটকে থাকা ওমায়রার পা দুটি অপারেশনের মাধ্যমে বাদ দিয়ে ওমেইরাকে তুলে আনা হবে। প্রায় একঘন্টা ধরে আলোচনা করেছিলেন চিকিৎসকেরা। তারপর উদ্ধারকারী দলের নেতাকে চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, কাদা জলের নিচে গিয়ে এই অপারেশন করা সম্ভব নয়। তাছাড়া অপারেশন করলে নারকীয় যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে বালিকাটিকে।অপারেশন করে বাঁচানো যাবে না ওমায়রাকে। বিষাক্ত জলের কারণে গ্যাংগ্রিন হবেই।

তার থেকে বরং ওমায়রাকে উপহার দেওয়া হোক স্বাভাবিক মৃত্যু। পঞ্চাশ ঘন্টারও বেশি এক গলা কাদায় দাঁড়িয়ে আছে ফুটফুটে মেয়েটি। অস্বাভাবিক হারে কমতে শুরু করেছে তার শরীরের তাপমাত্রা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। প্রকৃতি নিজেই ব্যথাহীন মৃত্যু উপহার দেবে ওমায়রাকে। এই মর্মান্তিক সিদ্ধান্তই মেনে নিয়েছিলেন সবাই। যদিও তাঁরা জানতেন এক নির্মম ও যন্ত্রণাময় মৃত্যুই উপহার পেতে চলেছে ওমায়রা।

ওমায়রা জানত না তার মৃত্যু পরোয়ানায় সই হয়ে গিয়েছে। তাই বুঝি সে একবুক বাঁচার আশা নিয়ে গল্প শুরু করেছিল কলম্বিয়ার সাংবাদিক সান্টা মারিয়া বাররাগানের সঙ্গে। ওমেইরার পাশে সান্টা মারিয়া ঠায় বসেছিলেন, সেই ১৪ তারিখ সকাল থেকেই। তেরো বছরের বালিকাটির টিকে থাকার লড়াই দেখে ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন। টানা দুই দিন ধরে ওমেইরার সাথে গল্প করে, বালিকাটিকে অন্যমনস্ক রাখার চেষ্টা করে চলেছিলেন। মারিয়ার কাছে ওমায়রা খেতে চেয়েছিল মিষ্টি ও সফট ড্রিঙ্কস। অনেক দূর থেকে খাবার দুটি জোগাড় করে এনেছিলেন মারিয়া। মিটিয়েছিলেন ওমায়রার শেষ ইচ্ছা। এরই মাঝে ওমায়রার একটি ইন্টারভিউও নিয়েছিলেন সান্টা মারিয়া। যে ইন্টারভিউ থেকে বিশ্ব জেনেছিল ১৩ নভেম্বরের ভয়াবহ সেই রাতের কথা।

মৃত্যুকূপে জীবনের গান গাইছিল ওমায়রা (Omayra Sanchez)
গলা অবধি ডুবে থাকা ওমায়রা মারিয়াকে শুনিয়েছিল বেশ কয়েকটি গান। যে গানগুলি সে শিখেছিল তার মায়ের কাছে। সূর্য ওঠার গান, সবুজ মাঠে সোনার ফসল ফলানোর গান। চোখে জল চলে আসছিল মারিয়ার। তখনও বাঁচার আশা নিয়ে লড়তে থাকা ওমায়রা জানত না, তার জীবন সূর্য চিরতরে নিভিয়ে দিতে চলেছে তারই দেশের অমানবিক সরকার। নির্মম মৃত্যুর দিকে তাকে এক পা এক পা করে এগিয়ে দিচ্ছে বিবেকহীন সমাজ।

ফরাসি চিত্রসাংবাদিক ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ার এসেছিলেন বোগোটায়। পাঁচ ঘন্টা গাড়ি চালিয়ে, আড়াই ঘন্টা পায়ে হেঁটে ওমায়রার কাছে পৌঁছেছিলেন, ১৫ নভেম্বর রাতে। শক্তিশালী টর্চের আলো ফেলে রাখা হয়েছিল ওমায়রার ওপর। সবাইকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বার বার অনুরোধ করছিল ওমায়রা। সবাই তার পাশ থেকে সরে গেলে সে একটু ঘুমাতে পারবে।

সেদিন মাঝরাত থেকেই ভুল বকতে শুরু করেছিল ওমায়রা। জড়ানো গলায় সে বলেছিল, “দু’দিন আমি স্কুলে যাইনি। আমায় স্কুলে দিয়ে এসো। নাহলে অঙ্ক পরীক্ষা দিতে পারব না। একটা বছর নষ্ট হবে আমার।” ওমায়রার কথা শুনে, দূরে সরে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মারিয়া। সবাই আবার ঘিরে ধরেছিল ওমায়রাকে। কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। কেউ কেউ চুমু খাচ্ছিলেন জলে ভিজে কাগজের মত সাদা হয়ে যাওয়া ঠাণ্ডা হাত দুটিতে।

মুক্তি মুক্তি মুক্তি

১৬ তারিখ সকাল থেকেই ক্রমশ ঝিমিয়ে পড়ছিল ওমায়রা। হারিয়েছিল কথা বলার শক্তি। তবু বাঁচার আশা ছাড়েনি। তাই বুঝি বার বার ডান হাতটা এগিয়ে দিচ্ছিল মারিয়ার দিকে। যেন সে বলতে চাইছিল, শেষবারের মত আমায় টেনে তোলার চেষ্টা করো না। মারিয়া লক্ষ্য করেছিলেন, ওমায়রার টানা টানা চোখ দুটিতে রক্ত জমতে শুরু করেছে। মুখের রঙ দ্রুত কালচে বাদামী হতে শুরু করেছে।

ওমায়রার জীবনের অন্তিম মুহূর্তগুলি ক্যামেরায় ধরে রাখছিলেন চিত্রসাংবাদিক ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ার। আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাটি অমানবিক মনে হতে পারে। কিন্তু বর্বর কলম্বিয়া সরকারের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য ক্যামেরা ছাড়া আর কোনও অস্ত্র ছিল না ফোর্নিয়ারের কাছে।

বেলা তখন দশটা। ওমায়রার মাথা পিছন দিকে হেলে গিয়েছিল। বড় বড় শ্বাস নিচ্ছিল ওমায়রা। রক্ত জমা চোখ দুটো ক্রমশ বন্ধ হয়ে আসছিল অসীম ক্লান্তিতে। সর্বশক্তি একত্রিত করে মৃত্যুকূপ থেকে শেষবারের মত বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল ওমায়রা। শেষবারের মত চোখ খুলে, সুন্দর এই পৃথিবীটাকে দেখে নিতে চেয়েছিল। ওমায়রার শেষ চাউনিও ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ফোর্নিয়ার। যে চাউনিতে ছিল অপরিসীম ঘৃণা।

এরপর কোঁকড়া কালো চুলে ভর্তি ওমায়রার মাথাটা ডুবে গিয়েছিল জলের ভেতর। কেবল নাক মুখ ও একটি চোখ দেখা যাচ্ছিল ওপর থেকে। তখন ঘড়িতে সকাল ১০.০৫। শেষ হয়েছিল দুঃসাহসী ওমায়রার টানা ষাট ঘণ্টার লড়াই। অমানুষিক যন্ত্রণা নিয়ে নিজেকে চিরতরে মুক্ত করে নিয়েছিল সে। ওমায়রা স্যাঞ্চেজের নিথর শরীর ঢেকে দেওয়া হয়েছিল নীল সাদা চাদর দিয়ে।

ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ারের তোলা ওমায়রার শেষ ছবিটি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল বিশ্ব। কলম্বিয়ার রাস্তায় রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ তুলে ধরেছিলেন প্ল্যাকার্ড। সেগুলিতে লেখাছিল, “আগ্নেয়গিরি নয়, পঁচিশ হাজার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে অপদার্থ সরকার।”

ফুটফুটে ওমায়রা চির শান্তির দেশে চলে গিয়েছে সাইত্রিশ বছর আগে। কিন্তু জানেনকি, আজও সে উড়ে বেড়ায় পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরের আনাচে কানাচে। ঝোপে ঝাড়ে। পরীর মত ডানা মেলে। হ্যাঁ কথাটা সত্যি। ২০২০ সালে পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরে পাওয়া গিয়েছিল নতুন এক ঝিঁঝিপোকার প্রজাতি। ওমায়রাকে চিরকালের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে, বিজ্ঞানীরা প্রজাতিটির নামের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন ওমায়রার নাম। নতুন প্রজাতিটির নাম রাখা হয়েছিল ‘গিগাগ্রিলাস ওমায়রাই‘। আজও হয়ত প্রতি সন্ধ্যায়, পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরে, রাতজাগা ঝিঁঝিপোকা হয়ে, কান্না ভেজা গলায় ওমেইরা চিৎকার করে চলেছে,”ও বাবা তুমি কোথায়?”,”ভাইরে তুই কই?”,”কাকিমা তুমি কোথায়? আমাকে বাঁচাও আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি কাকিমা।”

21/05/2025

👶 স্বাগতম আমাদের বেবি ক্লথ শপে – সোনামনিদের জন্য ভালোবাসায় গড়া এক বিশেষ ঠিকানা! 🍼💖

আপনার ছোট্ট রাজপুত্র বা রাজকন্যার প্রথম জামাটাও হোক একদম পারফেক্ট!
আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুই বিশেষ, আর তাই তাদের প্রতিটি মুহূর্ত হোক আরামদায়ক, সুন্দর আর ভালোবাসায় ভরা। 🌸

🎀 নতুন জন্ম নেওয়া শিশু থেকে শুরু করে টডলারদের জন্য দারুণ সব স্টাইলিশ ও আরামদায়ক পোশাক
🎀 উন্নত মান, সাশ্রয়ী দাম
🎀 ঘরে বসেই অর্ডার, সহজ ডেলিভারি সুবিধা

আমাদের পেজে লাইক দিন, ভালোবাসা দিন আর নতুন কালেকশন ও অফার পেতে চোখ রাখুন নিয়মিত! 💕

আপনার শিশুর জন্য যত্নে গড়া প্রতিটি পোশাকে থাকুক আদর আর ভালোবাসার ছোঁয়া!
ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য। 🥰

#মায়েরআদরে
#সোনামনিরপ্রথমপোশাক
#ভালোবাসারজামাকাপড়
#মায়ারছোঁয়া
#নরমআলতোভালোবাসা
#নতুনজীবনেরশুরু
#মায়েরস্পর্শে
#শিশুরহাসিতে_আনন্দ
#স্মৃতিময়শৈশব
#প্রথমকদম
িঙ্গন
#ভালোবাসার_স্মৃতি
#আমারপ্রথমভালোবাসা
#সোনামনিরজন্য
#শিশুরজন্যভালোটা
#শিশুরমধুরহাসি
ালোবাসা_শৈশব
#মায়ের_স্বপ্ন
#শিশুকেন্দ্রিকভালোবাসা
ায়ার_পোশাক

Photos from Tech Information BD's post 21/05/2025

আমাদের ফেসবুক পেজে আপনাকে আন্তরিকভাবে স্বাগতম! 💖
BABY CLOTH SHOP-এ আমরা আপনাদের ছোট্ট সোনামনিদের জন্য নিয়ে এসেছি আরামদায়ক, মানসম্পন্ন এবং স্টাইলিশ পোশাকের বিশাল কালেকশন। 🍼🎀

🌟 ১০০% মানসম্পন্ন বেবি ক্লথ
🌟 স্নিগ্ধ ও আরামদায়ক ডিজাইন
🌟 সাশ্রয়ী মূল্য ও আন্তরিক সেবা

নতুন কালেকশন, অফার ও ডিসকাউন্ট পেতে আমাদের পেজে লাইক ও ফলো করতে ভুলবেন না! 😊
যেকোনো প্রশ্ন বা অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন – আমরা আছি আপনার পাশে।

আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য! 🥰





#বাংলারবেবিক্লথ
#সোনামনিরপোশাক

#মেয়েবাচ্চারপোশাক
#ছেলেবাচ্চারপোশাক


#বেবিক্লথশপ



#বাচ্চাদেরজামাকাপড়


#সেরা_দামে_সেরা_পোশাক

09/02/2025

Photos from Tech Information BD's post 09/02/2025

Information BD

Future Internet solution in the worlds. 🤩😽

Photos from Tech Information BD's post 06/02/2025

06/02/2025

Onpassive is the largest internet company in the world.

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Gopalgonj, Tungipara
Dhaka
1000