Android tips and tricks

Android tips and tricks

Share

we will try to help you from all site. so just stay with us.we need some admins so inbox us if u inte

27/07/2025

#টাইফয়েড টিকা এখন সরকারি ব্যবস্থাপনায়!

১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে EPI-এর অধীনে টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্যক্রম।
৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ১ ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে — একদম বিনামূল্যে!

অন্তর্ভুক্ত থাকছে –
প্লে গ্রুপ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।

টাইফয়েড টিকা কেন জরুরি?
টাইফয়েড একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এই টিকা আপনার শিশুকে টাইফয়েড জ্বর থেকে নিরাপদ রাখে।

টিকা নিতে যা দরকার:
১৭-ডিজিটের ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ
(না থাকলে এখনই করে ফেলুন)
ক্যাম্পেইনের সময় ঘোষণার পর আপনার এলাকার EPI (Expanded Programme on Immunization) সেন্টারে যান
সঙ্গে নিন শিশুকে ও জন্মনিবন্ধনের সনদ

রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট করুন: ,
https://vaxepi.gov.bd

আগে যারা HPV টিকার সময় নিবন্ধন করেছেন, তাদের নতুনভাবে রেজিস্ট্রেশন করার দরকার নেই।
শুধু লগইন করে টাইফয়েড টিকার জন্য রেজিস্টার করলেই হবে।
মোবাইল নম্বর ভুলে গেলে “Forget Mobile Number” অপশন ব্যবহার করুন।

যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি –
১️. প্রথমে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
২️. এরপর টাইফয়েড টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন

সঠিক তথ্য জেনে, সময়মতো প্রস্তুতি নিন।
আমাদের শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য একসাথে এগিয়ে আসুন।

20/07/2025

বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী দেশ আজ দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত ✅

একটি সময় ছিল, যখন মাত্র ২১ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র নাওরু মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী দেশ। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপ তখন ধন-ঐশ্বর্যে ভাসছিল। অথচ আজ—নাওরু বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর একটি, যা আন্তর্জাতিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল।

এই পতনের গল্প শুধু অর্থনীতির নয়, বরং এক জাতির আশা, ভুল সিদ্ধান্ত, এবং অদূরদর্শিতার জ্বলন্ত পাঠ।

স্বর্ণযুগের পেছনে ছিল "সোনার খনি"—ফসফেট

নাওরুর অর্থনৈতিক সাফল্যের পেছনে ছিল একটি প্রাকৃতিক সম্পদ: ফসফেট। এটি মূলত সামুদ্রিক পাখির শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে জমা হওয়া বিষ্ঠা থেকে তৈরি একধরনের খনিজ সার, যা চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ও দামি।

১৮০০-এর দশকের শেষ দিকে ব্রিটিশ ও অস্ট্রেলীয় খনন কোম্পানিগুলো নাওরুর ফসফেট উত্তোলন শুরু করে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে সমৃদ্ধি আসে ১৯৬৮ সালে স্বাধীনতা লাভের পর, যখন নাওরু নিজেই এই সম্পদের মালিকানা নেয়। তখন থেকেই শুরু হয় টাকার বন্যা।

এক ‘স্বর্গরাজ্য’র উত্থান

সেই সময়, নাওরু ছিল এক স্বপ্নের দেশ। নাগরিকদের জন্য কোনো আয়কর ছিল না।
বিদেশে পড়াশোনার পুরো খরচ সরকার দিত। চিকিৎসা ছিল একেবারে বিনামূল্যে।
চাকরি না করলেও সবাই মাসিক ভাতা পেত।

রাষ্ট্র চালনার জন্য এত আয় ছিল যে, নাওরু বিনিয়োগ করে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বিমানসংস্থা এমনকি হলিউড সিনেমা প্রযোজনাতেও। বলা যায়, পুরো রাষ্ট্রটাই একটি বিলাসবহুল কর্পোরেট অফিসে পরিণত হয়েছিল।

পতনের শুরু: প্রাকৃতিক সম্পদের অভিশাপ

কিন্তু সুখের দিন বেশি দিন টেকেনি। নাওরুর বড় ভুল ছিল—একটি মাত্র সম্পদের উপর অতিনির্ভরতা। ফসফেট ছিল যেমন দামী, তেমনি সীমিত। অদূরদর্শী সরকার সেই সম্পদে ভর করে ব্যয় করেছিল অঢেল, কিন্তু রাখেনি ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়।

এর সঙ্গে যুক্ত হয় দুর্নীতি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং ভুল বিনিয়োগ। বিদেশে হোটেল বানিয়ে ফেলে রাখা, ব্যর্থ ব্যাংকিং প্রকল্প, অব্যবস্থাপনায় তলিয়ে যেতে থাকে অর্থনীতি।

বিশ্ববাজারে ফসফেটের দাম পড়তে থাকে, আর একই সঙ্গে দ্বীপটির প্রাকৃতিক সম্পদও ফুরিয়ে আসে। অতিরিক্ত খননের ফলে প্রায় ৮০ ভাগ জমি হয়ে পড়ে বসবাসের অযোগ্য। চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যায়, পানীয় জল সংকট শুরু হয়, খাদ্য আমদানির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে দেশটি।

স্বাস্থ্য ও মানব উন্নয়নের ধস

অর্থনৈতিক পতনের পাশাপাশি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়ে নাওরুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। অত্যধিক প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার ফলে সেখানে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থূলতা হার রেকর্ড হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নাওরুর ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কই অতিরিক্ত ওজনের।
ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ সেখানে নিত্য সঙ্গী।

বর্তমান অবস্থা: সহায়তার করুণ বাস্তবতা

আজ, অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় পরিচালিত একটি শরণার্থী বন্দী শিবির নাওরুর প্রধান আয়ের উৎস। অস্ট্রেলিয়া তাদের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আটক রাখতে এখানে শিবির তৈরি করেছে, যার বিনিময়ে কিছু অর্থ দেয় দেশটিকে।

এই শিবির আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও নৈতিকতার প্রশ্নে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
এক সময়ের ধনী জাতি এখন অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ভরসা রাখে অন্য দেশের অনুগ্রহে।

একটি জাতির জন্য শিক্ষা: সতর্কবার্তা ভবিষ্যতের জন্য

নাওরুর গল্প শুধুই ইতিহাস নয়—এটি একটি জাতির ভবিষ্যতের জন্য জাগ্রত ঘণ্টা। প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অন্ধ নির্ভরতা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনার অভাব কীভাবে একটি সমৃদ্ধ দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে, তা নাওরুর পতন আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়।

এ গল্প বলে—অস্থায়ী ঐশ্বর্য নয়, টেকসই উন্নয়নই হচ্ছে প্রকৃত সমৃদ্ধির পথ।

✍️ এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

20/07/2025

MIT-এর সোলার প্যানেল পাতলা বাতাস থেকেও পানীয় জল সংগ্রহ করে — বিদ্যুৎের কোনো প্রয়োজন নেই!
MIT-এর বিজ্ঞানীরা একটি সৌর শক্তিচালিত জল সংগ্রাহক উদ্ভাবন করেন যা মরুভূমির বাতাস থেকে পরিচ্ছন্ন জল আহরণ করতে সক্ষম, এমনকি অত্যন্ত শুষ্ক পরিবেশে যেখানে আর্দ্রতা মাত্র ১০% এর নিচে থাকে।
নবাচারিত মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্কস (MOFs) ব্যবহার করে, এই যন্ত্রটি রাতের সময় বাতাস থেকে আর্দ্রতা শুষে নেয় এবং দিনের বেলা সেটিকে পানীয় জল হিসেবে মুক্তি দেয় — সম্পূর্ণরূপে সূর্যের আলো দিয়ে চালিত!

20/07/2025
19/07/2025

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Dhaka
1230