Raqi Muhammad Ali
Giving to treatment in quranic way Jinn,Black magic,Evil eye,Eye hasad or physical or mental disease
ইবনে তায়মিয়াহ রহ তার কিতাবে তিনি আবু হানিফা রহ. এর উক্তি এনে বলেছে, ইমাম আবু হানিফা ওসব ব্যক্তি কাফের বলেছে যেসব ব্যক্তি 'আল্লাহ আরশের উপর রয়েছে ' এটাকে অস্বীকার করত:-
قال المؤلف رحمه الله تعالى: [قال: وذكر الكلام في قتل الخوارج والبغاة إلى أن قال: قال أبو حنيفة عمن قال: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض، فقد كفر؛ لأن الله يقول: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] وعرشه فوق سبع سموات].
ومن أنكر أن الله فوق العرش فقد كفر.
লেখক বলেন(আল্লাহ তার উপর রহমত করুন). তিনি বলেন, এবং তিনি আলোচনা করেছেন সেসব নির্দিষ্ঠ কথার ব্যপারে যেখানে খারেজী ও বিদ্রোহীদের হত্যার বিষয় নিয়ে ও সেই বিষয়ে ব্যপারে তিনি বলেছেন যে, আবু হানিফা রহ. বলেন সে ব্যক্তির ব্যপারে যে ব্যাক্তি এমনটা বলে যে আমি জানি না আমার রব আকাশে নাকি জমিনের মধ্যে আছে? অত:পর অবশ্যই সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে(আল্লাহ সম্পর্কে উক্ত কথা বলার কারনে)। এর জন্য অবশ্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি বলেন, রহমান(আল্লাহ) আরশের উপরে ইস্তাওয়া করেছে (ত্বহা:-০৫) এবং তার আরশ রয়েছে সাত আকাশের উপরে।
এবং যে ব্যক্তি অস্বীকার করতে থাকবে যে আল্লাহর আরশের উপর আছেন অত:পর অবশ্যই সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে।
قال: [قلت: فإن قال: إنه على العرش استوى ولكنه يقول لا أدري العرش في السماء أم في الأرض؟ قال: هو كافر؛ لأنه أنكر أن يكون في السماء؛ لأنه تعالى في أعلى عليين وأنه يدعى من أعلى لا من أسفل].
তিনি বলেন নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আরশের উপরে ইস্তাওয়া করেছে এবং সে ব্যক্তিরা কিন্তু এ কথা বলে যে, আমি জানি না আরশ আকাশের মধ্যে নাকি জমিনের মধ্যে? তিনি(আবু হানিফা)বলেন, সে ব্যক্তি কাফের হয়ে গিয়েছে(আল্লাহর সম্পর্কে এমন কথা বলার কারনে)।এরজন্য যে, নিশ্চয় সে ব্যক্তি অস্বীকার করেছেন যে, আকাশের মধ্যে অবস্থিত অস্তিত্বকে, এর জন্য নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) অধিক উপরে রয়েছে যা ইল্লিনের উপরে এবং নিশ্চয় তিনি আহবান করেই সেই উপর থেকে। তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না।
وفي لفظ ـ سألت أبا حنيفة عمن يقول: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض.
قال: قد كفر؛ لأن الله تعالى يقول: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] وعرشه فوق سبع سماوات، قال: فإنه يقول: ﴿ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ ولكن لا يدري العرش في الأرض أو في السماء.
এবং উক্ত লাফয(শব্দের ব্যপারে) আমি জিজ্ঞেস করলাম আবু হানিফাকে সে ব্যক্তির ব্যপারে যে ব্যক্তি বলে থাকে যে, আমি জানি না 'আমার রব আকাশে অথবা জমিনে। এরপর তিনি (আবু হানিফা রহ.)বলেন সে ব্যক্তি(এ কথা বলার কারনে) কাফের হয়ে গেলো।এর জন্য নিশ্চয়, আল্লাহ তায়ালা বলেন 'রহমান আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছে। (ত্বহা:-০৫ নম্বর আয়াত)। এবং তার(আল্লাহর)আরশ হচ্ছে সাত আকাশের উপরে। তিনি বলেন, অত:পর নিশ্চয় তিনি এব্যপারে বলেন যে, 'আলাল আরশি'ছ তাওয়া ' এব্যপারে তবে যে ব্যক্তি জানে না আরশ সম্পর্কে যে,(আরশ) তা জমিনে নাকি নাকি আসমানে।
قال: إذا أنكر أنه في السماء فقد كفر.
[تكفير أبي حنيفة لمن توقف ولم يجزم هل الله في السماء أم في الأرض] :
ففي هذا الكلام المشهور عن أبي حنيفة عند أصحابه أنه كَفَّر الواقف الذي يقول: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض؛ فكيف يكون الجاحد النافي الذي يقول: ليس في السماء [أو ليس في الأرض ولا في السماء؟] واحتج على كفره بقوله تعالى: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] قال: وعرشه فوق سبع سماوات.
তিনি(আবু হানিফা রহ.)বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি অস্বীকার করবে নিশ্চয় (আল্লাহ আকাশে) এ ব্যপারটিতে তখন সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে। কাফের বলেছে আবু হানিফা রহ. সে ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি অবস্থান নিয়েছে (আল্লাহ)আসমানে এটা অস্বীকার করার ব্যপারে। এবং যে ব্যক্তি এব্যপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি যে, আল্লাহ কি আকাশে নাকি জমিনে আছেন?।
[তথা যে ব্যক্তি এটা অস্বীকার করবে যে, আল্লাহ আকাশে নয় তখন সে ব্যক্তি সাথে সাথে কাফের হয়ে যাবে এমনটিই মত দিয়েছে আবু হানিফা রহ.। এছাড়া ওসব ব্যক্তিও যারা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের অবস্থানও পরিষ্কার করেনি যে, আল্লাহ কোথায় আছে, আল্লাহ আকাশে আছে নাকি জমিনে আছে এই বিষয়টি সম্পর্কে যে ব্যক্তি সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি মূলত ওসব ব্যক্তিও কাফের। কারন আল্লাহ কোথায় আছে আছে এটা একজন ব্যক্তি না জানলে সে মুসলিম হবে কিভাবে? এই একটা কারনেই তো অনেক বিধর্মী আজকের যুগে কাফের, তার কারন হচ্ছে বিধর্মীরা জানেই না যে, এক আল্লাহ কোথায় রয়েছে 'এজন্য আবু হানিফা রহ. ওসব ব্যক্তিকেও কাফের বলেছে যারা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি যে আল্লাহ কোথায় রয়েছে।
وبَيَّنَ بهذا أن قوله تعالى: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ يبين أن الله فوق السماوات، فوق العرش، وأن الاستواء على العرش دل على أن الله نفسه فوق العرش، ثم أردف ذلك بتكفير من قال إنه على العرش استوى
ولكن توقف في كون العرش في السماء أم في الأرض؟ قال: لأنه أنكر أنه في السماء؛ لأن الله في أعلى عليين، وأنه يُدعَى من أعلى لا من أسفل، وهذا تصريح من أبي حنيفة بتكفير من أنكر أن يكون الله في السماء، واحتج على ذلك بأن الله تعالى في أعلى عليين، وأنه يدعى من أعلى لا من أسفل
এবং সে ব্যক্তিদের স্পষ্ট বিষয় এটার দ্বারা যে, আল্লাহ সুবহানাহু তার ব্যপারে বলেন, (আর রহমান আলাল আরশি'স তাওয়া- অর্থা আল্লাহ আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছেন), তিনি(আবু হানিফা রহ) স্পষ্ট করে বলেছেন যে, আল্লাহ আকাশের উপর রয়েছে ও আর আরশ রয়েছে আকাশের উপর, এবং এক্ষেত্রে তিনি (আল্লাহ) ইস্তাওয়া করেছেন আরশের উপর
আর এর উপর দলিল রয়েছে যে, আল্লাহ তার নিজের জন্য আরশের উপর থাকাকে সাব্যাস্ত করেছে। অত:পর তিনি অনুসরণ করতে থাকলেন সেটির অস্বীকার করার ব্যপারে,যে ব্যক্তি বলে যে, নিশ্চয় আল্লাহ আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছে।এবং তবে সে ব্যক্তিরা এটা অবস্থান নিয়েছে যে, 'আরশের অবস্থান তা আকাশে মধ্যে অবস্থিত নাকি নাকি জমিনের মধ্যে অবস্থিত? তিনি বলেন এরজন্য নিশ্চয় তারা অস্বীকার করবে যে, নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আকাশে আছেন।, আর নিশ্চিতভাবে আল্লাহ ইল্লিয়ন(সকল কিছুর উপরে) তথা সকল কিছুর উপরে অবস্থান করতেছেন। এবং তিনি(আল্লাহ) আহবান করতে থাকেন সেই উপর থেকে 'তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না।এবং এটা স্পষ্ট বিষয় আবু হানিফা থেকে তাকফির(কুফরীকারীদের) এর বিষয়ে যে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে যে, আল্লাহ আকাশের মধ্যে আছেন, আী এটা প্রমান বহন করে যে, তার(আল্লাহর) উপরে থাকার বিষয়টি যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি সকল কিছুর উপরে আছেন।এবং তিনি আহবান করতে থাকেন উপর থেকে তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে আহবান করেন না।
وكل من هاتين الحجتين فطرية عقلية، فإن القلوب مفطورة على [الإقرار] بأن الله في العلو، وعلى أنه يدعى من أعلى لا من أسفل، وقد جاء اللفظ الآخر صريحًا عنه بذلك، فقال: إذا أنكر أنه في السماء فقد كفر.
এবং প্রত্যেক সেই দুটি বিষয়ে দুটি প্রমান রয়েছে ' এর একটি হচ্ছে, ফিতরিয়াত(স্বাভাবিক প্রকৃতি ও স্বভাব বৈশিষ্ট্য) আর অন্যটি হচ্ছে আকলিয়্যাহ(জ্ঞানের বৈশিষ্ট্য)।তবে নিশ্চয় যারা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে 'আলাল ইক্বরাহ' (উপর নির্ধারন)এর ব্যপারে। আর আল্লাহ তিনি উলু(উপরে) এবং তিনি উপর থেকেই নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আহবান করতে থাকেন উপর থেকে, তিনি(আল্লাহ)নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না। এবং নিশ্চয় এই শব্দ এসেছে শেষে ও তা স্পষ্ট তার ব্যপারে সেটিতে যে, তবে তিনি(আবু হানিফা রহ.) বলেন, যখন কেউ অস্বীকার করবে নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আকাশে, তখন ওসব ব্যক্তি কাফের হয়ে গেলো।
[অর্থাৎ, যেসব ব্যক্তি এটা বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহ আকাশের উপরে নয় তখন ওসব ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে, এবং এটা স্পষ্ট মানুষের জ্ঞানের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে, আল্লাহ তিনি আকাশের উপরেই রয়েছেন, কেননা মানুষ হাত তুলে উপরের দিকেই দেয়া করতে থাকে আর উক্ত উদ্ধৃতিতে আল্লাহ তিনি সবকিছুর উপর থেকেই আহবান করতে থাকেন।আর তাই এখানে স্পষ্ট প্রমান হিসেবে ফিতরাতী জ্ঞান তথা মানুষের মধ্যে এটা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে, আল্লাহ উপরে রয়েছে, কেননা মানুষ যখন কোনো কিছু চাওয়ার আহবান করে নিজের অজান্তেই আকাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে থাকে এবং তার নিকট ফিরে দোয়া আকুতি জানিয়ে থাকে এবং মানুষের 'ফিতরাত এর জ্ঞানে রাসূলের যুগে 'এক দাসি তিনিও আল্লাহকে উপরে থাকাকে সাব্যাস্ত করেছে'। আর দ্বিতীয় আরেকটি দলিল হলো (জ্ঞান) তথা কুরআন ও হাদীসের জ্ঞানগুলো আরো স্পষ্ট করে দেয় যে, মহান আল্লাহ তিনি আরশের উপর রয়েছে এবং সকল কিছুর উপরে তিনি রয়েছে]
الكتاب: الفتوى الحموية الكبرى
المؤلف: تقي الدين أبو العَباس أحمد بن عبد الحليم بن عبد السلام بن عبد الله بن أبي القاسم بن محمد ابن تيمية الحراني الحنبلي الدمشقي (المتوفى: ۷۲۸هـ)
المحقق: د. حمد بن عبد المحسن التويجري
الناشر: دار الصميعي - الرياض
الطبعة: الطبعة الثانية ۱٤۲٥هـ / ۲۰۰٤م
বই:-আল ফতওয়াতুল হামইয়্যাতুল কুবরা।
লেখক:- তাক্বিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম বিন আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন আবুল কাসেম বিন মুহাম্মদ ইবনে তায়মিয়াহ আর হাররানিউ আল হাম্বলি আদ দিমাশক। (মৃত্যু:- ৮২৭ হিজরী)
তাহক্বিক করেছেন:- হামাদ বিন আব্দুল মুহছিন আত তুওয়াইজিরি।
প্রকাশনি:- দারুছ ছমিইয়াই আর রিয়াদ।
পৃষ্ঠা :-১৪৬-১৪৮
🖊️Muhammad Ali
🔴যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে সিফাত(যেগুলো আল্লাহর সিফাতের অন্তর্ভুক্ত) মূলত সে ব্যক্তি কাফের হলো এবং যখন তারা অস্বীকার করতে থাকবে আল্লাহর সিফাতগুলো, তখন এসব ব্যক্তি কি জাহান্নামে চিরদিন অবস্থান করবে তাদের এই কুফরীর কারনে? শায়খ আব্দুর রহমান আস সালেমি হাফি: বলেন
السؤال
هل من أنكر صفة من صفات الله كفر، وإذا كان كافرا هل هو مخلد في النار كأي كافر؟
الجواب
منكر الصفات إذا أنكرها عنادا واستكبارا فلا شك أنه كافر، وأن كفره كفر المخلد في النار يوم القيامة، فيكون مخلدا في النار يوم القيامة، ويكون له أحكام الكافرين في الدنيا، وأما إذا كان متأولا وعنده شبهة فهذا لا يكفر؛ لأن المتأول لا يكفر حتى ترفع عنه الشبهة التي عنده، فمثل هؤلاء المتأولين لا يكفرون كما سبق، وإنما يكفر من أنكرها عنادا واستكبارا.
যারা আল্লাহর সিফাতকে নিষিদ্ধ/অস্বীকার মনে করবে যখন তাদের অস্বীকার এর ব্যপকতা সেটা হয় হঠকারিতাপূর্ণ এবং অহংকারপূর্ণ চলমান বিষয় তখন এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, সে ব্যক্তি কাফের। (অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আল্লাহর সিফাত 'বৈশিষ্ট্য সমূহকে অস্বীকার করবে আর সেই অস্বীকার করাটা ব্যক্তির অহংকার এর সাথে প্রকাশ পায় তখন এই ব্যক্তি মূলত সাথে সাথে কাফের হয়ে যাবে)।
আর নিশ্চয় তাদের এই কুফরী যেই কুফরীর কারনে তারা কাফের হয়েছে,মূলত তাদের থাকায় জায়গা হবে জাহান্নাম এর মধ্যে, যেটার সময় কিয়ামতের দিন। [তথা মূলত যারা আল্লাহর সিফাতকে অস্বীকার করনে মূলত তারা কাফের, আর কাফেরদের থাকার জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে জাহান্নামে যেটা কিয়ামতের দিনে দেওয়া হবে]।
অত:পর সেটা হবে এক চিরস্থায়ী আবাস সেই জাহান্নামে সেই কিয়ামতের দিনে।আর এই হুকুম সেসব কাফেরদের জন্য / অথবা এই হুকুম তাদের জন্য হবে যারা (আল্লাহর সিফাত) অস্বীকার করেছে দুনিয়ার মধ্যে। [মূলত সেসব কাফেরদের চিরস্থায়ী থাকার জায়গা হবে জাহান্নাম যারা দুনিয়াতে 'আল্লাহর সিফাতসমূহকে অস্বীকার করেছিলো)
অথবা তাদের কাছে ব্যাখ্যাসমূহ সম্পূর্ণ ভাবে ব্যাখ্যা করা হলো/ অথবা ব্যাখ্যার বিস্তৃতকে জানিয়ে দেওয়া হলো সেই সন্দেহ সম্পর্কে [আল্লাহর সিফাতের মূল ব্যাখ্যা সমূহকে কাফেরদের(অস্বীকার কারীদের) কাছে সুন্দর করে বুঝানো হলো,যেসব ব্যক্তির সন্দেহ ছিলো বা অজানার কারনে আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করতে হবে এই বিষয়ে জানত না) মূলত ওসব ব্যক্তি কাফের হবে না যাদেরকে আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করতে হয়না এব্যপারে বুঝানো হয়েছিলো।
আর নিশ্চয় যারা ব্যাখ্যাকৃত বিষয়টি জেনেছিলো/অথবা ব্যাখ্যাকৃত বিষয়সমূহের জ্ঞান ভালোভাবে আয়ত্ত করেছিলো মূলত ওসব ব্যক্তি কাফের হবে না এমনকি যখন তার সন্দেহ দূর হয়ে গিয়েছে যেগুলো তার মধ্যে ছিলো [অর্থাৎ যাদেরকে এটা ব্যাখ্যা করে বুঝানো হয়েছে যে, আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করলে মূলত একজন ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে তখন ওই ব্যক্তির অজানা বিষয় বা জ্ঞান না থাকার কারনে কুফরী সংঘটিত এই সন্দেহকে দূরীভূত করেছে তখন ওই ব্যক্তি মূলত কাফের হবে না]
অনুরূপ তাদের সেটাই যেটার ব্যাখ্যার বিস্তৃতকে তারা গ্রহন করেছে যার কারনে তারা কাফের হয়নি পূর্বে যেটির বর্ণনা স্পষ্ট রয়েছে।
অত:পর তারাই কাফের হবে যারা (আল্লাহর সিফাত) অস্বীকার করার সেই প্রবনতা চলমান রাখে যেটা হঠকারিতা এবং অহংকারে পরিপূর্ণ থাকে মূলত ওসব ব্যক্তি কাফের হবে। [তথা সেসব ব্যক্তি আল্লাহর সিফাতের ব্যপারে কুফরী করল এবং তাদের অস্বীকার করাটাকে তারা চলমান বানিয়ে নেয় এবং সেই অস্বীকার করার বিষয়টা একটা ব্যপকতায় রুপ নেয় তখনোও সেখানে এসব ব্যক্তির অস্বীকার করার ধরন সাব্যস্ত হয় 'হঠকারী দাম্ভিকতা এবং অহংকারে পরিপূর্ণ ' তখন মূলত এসব ব্যক্তি স্পষ্ট কাফের]
কিতাবু শারহুল আকিদা আল ওয়াসাতিয়্যাহ,হুকুম মান ইনকার সিফাত মিন সিফাতিল্লাহি আযযা ওয়া যাল(১০/২৯)
Muhammad Ali
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka