Last Address
��
16/01/2026
মুসনাদ আহমাদ (সহিহ)
“মুমিনের কবরকে প্রশস্ত করে দেওয়া হয়, চোখ যতদূর যায়।
জান্নাতের একটি দরজা খুলে দেওয়া হয়।”
🧠 ব্যাখ্যা:
কবর সব সময় অন্ধকার নয়
নেক আমল → নূর ও প্রশান্তি
কবর হয় জান্নাতের বাগান 🌱
⚠️ হাদিস ৪: গুনাহগারের কবর
তিরমিজি (হাসান সহিহ)
“কাফির বা মুনাফিকের কবর সংকুচিত করা হয়, এমনভাবে যে তার হাড় একে অপরের ভিতরে ঢুকে যায়।”
🧠 ব্যাখ্যা:
কবরের আযাব শারীরিক ও আত্মিক
গুনাহ মানুষের সঙ্গী হয় কবরে
16/01/2026
রাসূল ﷺ বলেন:
“যখন কোনো বান্দাকে কবরে রাখা হয় এবং লোকেরা চলে যায়, তখন সে তাদের পায়ের শব্দ পর্যন্ত শুনতে পায়। তখন দু’জন ফেরেশতা আসে…
তারা জিজ্ঞেস করে:
🔹 তোমার রব কে?
🔹 তোমার দ্বীন কী?
🔹 এই ব্যক্তি (মুহাম্মদ ﷺ) সম্পর্কে তুমি কী বলতে?
কবরের আযাব সত্য
সহিহ মুসলিম
নবী ﷺ বলেন:
“এই উম্মতকে কবরে পরীক্ষা করা হবে। যদি তোমরা বেশি ভয় পেয়ে যাও না, তাহলে আমি তোমাদের কবরের আযাব শুনিয়ে দিতাম।”😞
ব্যাখ্যা:
কবরের আযাব বাস্তব
আল্লাহ দয়া করে আমাদের কান বন্ধ রেখেছেন
নবী ﷺ নিজে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাইতেন
16/01/2026
হাদিস ১ ✅
কবরের প্রশ্ন (মুনকার–নাকির)
সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম
রাসূল ﷺ বলেন:
“যখন কোনো বান্দাকে কবরে রাখা হয় এবং লোকেরা চলে যায়, তখন সে তাদের পায়ের শব্দ পর্যন্ত শুনতে পায়। তখন দু’জন ফেরেশতা আসে…
তারা জিজ্ঞেস করে:
🔹 তোমার রব কে?
🔹 তোমার দ্বীন কী?
🔹 এই ব্যক্তি (মুহাম্মদ ﷺ) সম্পর্কে তুমি কী বলতে?”
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন মৃত্যুর পরই, কিয়ামতের আগে
উত্তর দিতে পারলে → শান্তি
না পারলে → শাস্তি
➡️ কবর জীবন সম্পূর্ণ সচেতন অবস্থা
16/01/2026
নেককারদের কবর জীবন ✅
সূরা আন-নাহল 16:32
14/01/2026
মৃত্যু নির্দিষ্ট সময়ে আসে⏳📜
14/01/2026
🌱 জীবন ও মৃত্যু আল্লাহর হাতে🫴
Last address in Life
05/10/2025
😭🥺
Now gaza city 🌆
24/09/2025
হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এত পেরেশান কেন? তিনি অস্থির হয়ে বললেন, 'এই কবরের বাসিন্দার উপর ভয়ানক আযাব হচ্ছে। এমনই শাস্তি যা ভাষায় বলা যায় না। আহা! এই ব্যক্তির কী উপায়?'
এই কথা বলে তিনি কবরে হাত মুবারক রেখে দোয়া করলেন। কিন্তু চেহারায় প্রশান্তি এলো না। তিনি বললেন, 'দোয়া কবুল হচ্ছে না। কোন রহস্যময় কারণে। সাংঘাতিক বড় পাপ করেছে সে।'
হুজুর (সাঃ) এর উপর অস্থিরতা বেড়েই চললো। তিনি বললেন-'আমার উম্মতের উপর এমন কঠিন শাস্তি হচ্ছে আর আমি বাড়ী গিয়ে ঘুমাবো? তিনি একজন সাথীকে ডেকে বললেন-'যাও, মদীনার বাজারে। সেখানে আওয়াজ দিয়ে বল, যাদের আত্মীয়ের কবর এখানে রয়েছে, তারা যেন নিজ নিজ আত্মীয়ের কবরের সামনে দাঁড়ায়।
সবাই দাড়ালো। কিন্তু আশ্চর্য্য! ওই কবরের পাশে কেউ নাই। বেদনায় নীল হয়ে গেলেন হুজুর (সাঃ)। তার অস্থিরতা বেড়েই চলেছে। অনেক পরে লাঠিতে ভর দিয়ে একজন বুড়ি এলেন।
তিনি দাড়াঁলেন সেই কবরের পাশে।
হুজুরের পাক (সাঃ) স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। তারপর বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'এটা কার কবর?'আমার ছেলের।' বৃদ্ধা জবাব দিলেন।
'আপনার ছেলের কবরে ভয়ানক শাস্তি হচ্ছে।'
'ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা কি সত্যি?'
'সত্যিই'।
এরপর বৃদ্ধা বললেন- 'শুনে আমি খুব খুশী হলাম।'
রাসূল (সাঃ) এবং উপস্থিত সবাই খুব অবাক হলেন। একজন মা তার নিজ সন্তানের ব্যাপারে এমন করে কিভাবে কথা বলতে পারে, তা তাদের মাথায় ঢুকতেছিল না।
হুজুর (সাঃ) তাকে বুঝানোর চেষ্টা করে বললেন- 'আল্লাহ মাফ করুন! আপনি এ কি বলছেন মা?' সে আপনার সন্তান!'
শুনুন তাহলে, হে আল্লাহর রসূল! এই বাচ্চা যখন আমার পেটে তখন তার বাবা মারা যায়। সে পৃথিবীর মুখ দেখল। তার কেউ ছিলো না। আমি নিদারুণ কষ্ট করে তিলে তিলে তাকে বড় করে তুললাম।
সে বিয়ে করে স্ত্রীকে পেয়ে আমাকে অপমান অবহেলা করতে লাগলো। একদিন তার বউ কানে কানে কি যেন বলল। ছেলে রাগে অধীর হয়ে মারতে শুরু করল আমাকে। ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেলাম আমি। জ্ঞান হারালাম।
হুশ ফিরলে আমি আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে বললাম- 'হে আল্লাহ! তাকে কবরে শাস্তি দাও। দুনিয়াতে দিওনা। চোখের সামনে ছেলের কষ্ট সহ্য করতে পারব না। 'হে আল্লাহর রাসূল! আমি এখন এজন্য খুশী যে আমার দোয়া কবুল হয়েছে।'হুজুর (সাঃ) অত্যাচারিতা সরল প্রাণ এই বৃদ্ধার কথা শুনে চোখের পানি চেপে রাখতে পারলেন না। উনার মুক্তার মতো অশ্রু, গাল বেয়ে ফোটায় ফোটায় পড়তে লাগল। খানিকপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন,
'হে বৃদ্ধা মা! তুমি তোমার ছেলেকে ক্ষমা করো। সে ভয়াবহ শাস্তি পাচ্ছে।'
বৃদ্ধা বললেন- 'হে রাসূলুল্লাহ! অন্য কিছু বলুন। ছেলেকে ক্ষমা করব না আমি।' নিরুপায় হয়ে হুজুর (সাঃ) আকাশের দিকে মুখ তুললেন। কাতর স্বরে বললেন, 'হে আল্লাহ! এই বৃদ্ধাকে কবরের শাস্তি দেখাও।'
এরপরেই ঘটে গেলো এক আশ্চর্য ঘটনা। বৃদ্ধার চোখ বিস্ফোরিত হলো। সে প্রাণ ফাটা চিৎকার করে বেহুশ হয়ে গেল। খানিক পর, জ্ঞান ফিরল বৃদ্ধার। প্রচন্ড জ্বরে ভোগা রোগির মত থর থর করে কাপছেন তিনি।
তিনি বললেন- 'ও খোদা! কবরের আযাব এমন ভীষণ! এমন ভয়ানক! ছেলের পুরো শরীর থেকে চামড়া উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। তাকে মুগুর পেটা করা হচ্ছে। হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাকে ক্ষমা করলাম। আপনি দোয়া করুন। সে যেন মুক্তি পায়।'
হুজুর (সাঃ) হাত উঠালেন। দোয়া শেষ। উনার চেহারা উজ্জ্বল। প্রকৃতিতে, আকাশে বাতাসে নেমে এল সুমহান সমাহিত পরিবেশ। গভীর প্রশান্তি দয়াল নবীর চেহারা মুবারকে। চারদিকে শান্তির ছায়া।
এজন্য মা বাবাকে কখনও কষ্ট দিয়ে দিবেন না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka