Think Before Do
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Think Before Do, Digital creator, Dhaka Mirpur 1, Dhaka.
গল্প: “রহস্যের পাহাড়”
সৈকত আর অর্ণব দু’জনই অ্যাডভেঞ্চারের পাগল। পাহাড়ি জঙ্গল ঘুরতে ঘুরতে তারা পৌঁছে গেল এক অচেনা পথের সামনে। গ্রামের মানুষ বলেছিল—
“ওদিকে যেও না! ও পাহাড়ে রাতে আলো জ্বলে, কিন্তু মানুষ থাকে না।”
কিন্তু সতর্কবাণী শুনে তারা আরও উৎসাহী হলো।
সন্ধ্যা নামতেই তারা পাহাড়ের দিকে রওনা দিল। চারদিকে ঘন গাছ, পাখির ডাক থেমে গেছে। হঠাৎ—
ফসফস!
ঝোপের ভেতর কিছু একটা নড়ল।
সৈকত টর্চ ফেলতেই দেখা গেল—একটা পুরোনো কাঠের দরজা পাহাড়ের ভেতর লুকানো। দরজাটা নিজে থেকেই কর্কশ শব্দে খুলে গেল। অর্ণব কাঁপা গলায় বলল,
“ভাই… এটা কি করা ঠিক হচ্ছে?”
“এখন যেহেতু এসেছি, দেখে যাই,” সৈকত ফিসফিস করল।
ভেতরে ঢুকতেই বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেল। দেওয়ালজোড়া পুরোনো নকশা—যেন কেউ শত বছর আগে আঁকেছিল। এগোতেই তারা দেখতে পেল—একটা পাথরের টেবিল, আর তার ওপরে গোলাকার ধাতব বল। বলটার ভেতর নীল আলো জ্বলছে।
সৈকত হাত বাড়াতেই—
টগ্!
পুরো পাহাড় কেঁপে উঠল!
ধাতব বলটা হঠাৎ নিজে নিজে ভাসতে শুরু করল। অর্ণব চিৎকার করে উঠল,
“দৌড়াও!”
দু’জন দৌঁড়ে বেরিয়ে দরজাটা ঠাস করে বন্ধ হয়ে গেল। পিছনে আবার সেই আলো দেখা গেল—এবার আরও জোরে, যেন কিছু একটা তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
তারা পাহাড় থেকে নেমে এল হাঁপাতে হাঁপাতে। গ্রামের মোড়ে পৌঁছে দেখে বুড়ো মানুষটা দাঁড়িয়ে আছে। সে ধীরে বলল—
“তোমরা কি… আলোটা দেখেছ?”
সৈকত আর অর্ণব চুপ। বুড়ো হাসল,
“ওটা পাহাড়ের প্রাচীন রক্ষক। যাদের সাহস থাকে, শুধু তাদের সামনেই সে জেগে ওঠে।”
দু’জন একে অপরের দিকে তাকাল—
ভয় আর উত্তেজনায় চোখ বড় হয়ে গেছে।
সেই দিন থেকে গ্রামের মানুষদের কাছে তারা পরিচিত হয়ে গেল—
“রহস্যের পাহাড় থেকে বেঁচে ফেরা দুই অভিযাত্রী”।
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
গল্প: “শেষ আলোটা”
বিকেলের শেষ আলোটা জানালা দিয়ে ঢুকে ঘরটাকে নরম সোনালি রঙে ভরিয়ে দিয়েছিল। আরিফ বইয়ের পাতায় চোখ রেখেই হঠাৎ থমকে গেল। জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল একটা ছোট মেয়ে—মাটি মাখা গায়ে, হাতে ভাঙা ঘুড়ি।
আরিফ দরজা খুলে বলল,
“কি হয়েছে? কাঁদছ কেন?”
মেয়েটা নরম কথায় বলল, “ভাইয়া, আমার ঘুড়িটা উড়েনি… সবাই হাসল। আমি আবার উড়াতে চাই।”
আরিফ একটু হাসল। সে নিজের রঙিন বড় ঘুড়িটা বের করে দিল।
“নাও, আজকে তুমি এটা উড়াবে।”
মেয়েটার মুখে সূর্যের আলোয় যেমন ঝিলিক ওঠে, ঠিক তেমনই আনন্দ ঝলসে উঠল। দু’জনে মিলে ছাদে উঠল। বাতাস উঠতেই ঘুড়িটা আকাশে নেচে উঠল। মেয়েটা হাততালি দিয়ে চিৎকার করে উঠল—
“ভাইয়া! এটা উড়ে গেছে!”
আরিফ হেসে বলল, “স্বপ্নও ঠিক এভাবেই উড়ে যায়, যদি তুমি বিশ্বাস করো।”
আকাশে শেষ আলোর রেখা মিলিয়ে যেতে যেতে দু’জনের হাসির শব্দ ছাদের ওপর রয়ে গেল—
স্বপ্নকে উড়িয়ে দেওয়ার হালকা, মিষ্টি গল্প হয়ে।
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
“ছোট্ট দীপার বড় শিক্ষা”
দীপা পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। একদিন স্কুলে তার শিক্ষক বললেন, “আমাদের পৃথিবী বাঁচাতে সবচেয়ে দরকার গাছ লাগানো আর প্রকৃতির যত্ন নেওয়া।”
দীপা ভাবল, “আমি ছোট মানুষ, আমি কী করব?”
কিন্তু পরের দিনই সে নিজের স্কুলের পাশে একটা ছোট চারা লাগাল। প্রতিদিন পানি দিল, যত্ন নিল। বন্ধুরাও ওর সাথে যোগ দিল।
এক মাস পর সেই জায়গা সবুজে ভরে গেল। শিক্ষক বললেন,
“দীপা প্রমাণ করেছে, ছোট কাজ বড় পরিবর্তন আনতে পারে।”
দীপা হাসল — সে বুঝে গেল জ্ঞান শুধু বইয়ে না, কাজে দেখাতে হয়।
এভাবেই সে শিখল জীবনের সবচেয়ে বড় পাঠ — “পরিবর্তন শুরু হয় নিজের হাতেই।”
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
“বৃষ্টিভেজা চিঠি”
তানিয়া আর নীল একসময় একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত। নীল সবসময় তানিয়াকে ভালোবাসত, কিন্তু কখনো বলতে পারেনি। সময়ের সাথে তারা আলাদা হয়ে যায়।
বছর তিন পর একদিন বৃষ্টির দিনে নীল পুরনো নোটবুকের ভেতর তানিয়ার লেখা একটা চিঠি খুঁজে পায় —
“যদি কখনো বৃষ্টিতে আমার কথা মনে পড়ে, জানবে আমিও কোথাও একই আকাশের নিচে তোমার কথা ভাবছি।”
চিঠিটা দেখে নীল ছুটে যায় পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে। সেখানে অবাক হয়ে দেখে তানিয়া, ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছে।
তানিয়া হাসল — “ভেবেছিলে শুধু তুমি চিঠিটা রেখে দিয়েছ?”
নীলের চোখে জল, আর বৃষ্টির ফোঁটাগুলো মিশে গেল সেই হাসিতে।
বৃষ্টি থামেনি, কিন্তু দুজনের মধ্যে সেই পুরনো দূরত্ব গলে গিয়েছিল।
একটা চিঠি, একটা বৃষ্টি, আর দুটো হৃদয় — আবার এক হলো। ❤️
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
“অরণ্যের রহস্য”
রাহাত, একজন তরুণ অভিযাত্রী। পাহাড় আর জঙ্গলের পথ তার কাছে নতুন কিছু নয়। একদিন সে একটি পুরনো মানচিত্র খুঁজে পায়— যেখানে লেখা, “চন্দ্র অরণ্যের গভীরে রয়েছে হারানো রাজ্যের ধন।”
রাহাত যাত্রা শুরু করে তিনজন বন্ধুকে নিয়ে— তাসিন, লিমা আর জিসান। জঙ্গল ঘন, চারপাশে পাখির ডাক, মাঝে মাঝে দূরে বাঘের গর্জন। পথ হারিয়ে তারা একটি গুহার সামনে এসে পড়ে। গুহার ভেতরে আঁধার, কিন্তু মশাল জ্বালিয়ে এগিয়ে যায় তারা।
ভেতরে একটি পুরনো মূর্তি, চোখে লাল পাথর ঝলমল করছে। মূর্তির নিচে খোদাই করা লেখা— “সাহসীদের জন্যই এই আলো।”
রাহাত পাথরটি স্পর্শ করতেই পুরো গুহা আলোকিত হয়ে ওঠে, সামনে খুলে যায় লুকানো কক্ষ— সোনার মুদ্রা, পুরনো রাজমুকুট, আর এক পত্রে লেখা,
“সত্যিকারের ধন সাহস আর বন্ধুত্ব।”
তারা ধন নেয় না, কিন্তু নিয়ে যায় অভিজ্ঞতা— যে আসল ধন হলো তাদের অভিযাত্রা ও একে অপরের পাশে থাকা।
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
゚
゚
🌙 রাতের বাঁশবন – পর্ব ২ (শেষ অধ্যায়)
দুলালপুরে কয়েকদিন কেটে গেছে।
রিয়াদের খোঁজ আর কেউ পায়নি।
গ্রামের লোকেরা ভয় পেয়ে বাঁশবনের দিকেই তাকাতে চায় না।
কিন্তু শহর থেকে একদিন সেখানে এলো রিয়াদের বন্ধু — তাসিন রহমান, একজন ফটোজার্নালিস্ট।
তাসিন রিয়াদের নিখোঁজ হওয়ার খবর শুনে চুপ থাকতে পারেনি।
ওর ক্যামেরা আর নোটবুক হাতে নিয়ে সে ভাবল,
> “রিয়াদ শেষ মুহূর্তে যা দেখেছিল, সেটা আমি জানতেই হবে।”
---
🌾 বাঁশবনের ভেতরে
রাত দশটা বাজতেই তাসিন ঢুকে গেল বাঁশবনের ভেতর।
চারদিকে ভৌতিক নীরবতা, মাঝে মাঝে হালকা বাতাসে বাঁশগুলো কেঁপে উঠছে।
সে ক্যামেরার লাইট অন করে সামনে এগোচ্ছে, আর মনটা কেমন অদ্ভুত ভয় আর কৌতূহলে ভরে যাচ্ছে।
হঠাৎ কোথা থেকে মিষ্টি একটা গানের সুর—
“তুমি ফিরে আসবে…”
তাসিন থেমে গেল।
চারপাশে তাকিয়ে দেখল, বাঁশের পাতাগুলোর ফাঁকে কেউ দাঁড়িয়ে আছে।
ধীরে ধীরে একটা সাদা ছায়া বেরিয়ে এল — মীরা!
কিন্তু এবার সে আগের মতো ভীত নয়, তার চোখে শান্ত এক দৃষ্টি।
তাসিন বলল,
— “তুমি মীরা? তুমি রিয়াদকে কোথায় নিয়ে গেছ?”
মীরা নরম গলায় বলল,
— “রিয়াদ সত্য খুঁজতে এসেছিল… আর সত্য পেয়ে গেছে…”
তাসিন বলল, “সত্য মানে? ও বেঁচে আছে?”
মীরা ধীরে বলল,
— “বেঁচে আছে, তবে তোমাদের দুনিয়ায় না… সে এখন এই বনের আত্মা, আমার মতো।”
---
🔥 রিয়াদের দেখা পাওয়া
ঠিক তখনই বাতাস জোরে বইতে শুরু করল।
চারপাশে হালকা নীলচে আলো জ্বলে উঠল।
তাসিন দেখতে পেল — রিয়াদ!
সে আগের মতোই আছে, কিন্তু চোখে অন্যরকম এক প্রশান্তি।
রিয়াদ মৃদু হেসে বলল,
— “ভয় পাস না তাসিন। আমি এখানে শান্তিতে আছি। মীরা নির্দোষ ছিল। তাকে পাগল বলে গ্রামের লোকেরা এক রাতে মেরে ফেলেছিল। আমি তার সত্যটা জানতে এসেছিলাম, আর সে আমাকে মুক্তি দিয়েছে।”
তাসিনের চোখে জল চলে এলো।
সে বলল, “তুমি ফিরে চলো আমাদের সঙ্গে।”
রিয়াদ মৃদু হেসে বলল,
— “আমি ফিরে যেতে পারব না। কিন্তু এই গল্পটা তুই বলিস, যাতে আর কাউকে ভয় বা অন্ধবিশ্বাসে হত্যা না করা হয়।”
তারপর হঠাৎ করে আলো নিভে গেল।
চারদিকে নিস্তব্ধতা।
---
🌅 শেষ সকাল
ভোরে তাসিন জেগে উঠল বাঁশবনের এক প্রান্তে।
তার হাতে রিয়াদের ক্যামেরা, আর পাশে এক পুরনো ছবি—
ছবিটিতে রিয়াদ ও মীরা দু’জনেই হাসছে, যেন বহু বছর আগে একসঙ্গে তোলা।
তাসিন শহরে ফিরে গিয়ে রিয়াদের লেখা নিয়ে একটা গল্প প্রকাশ করল —
“রাতের বাঁশবনের অভিশাপ”
যেখানে প্রথমবার সবার সামনে প্রকাশ পেল মীরার সত্যি আর গ্রামের লুকানো ইতিহাস।
এরপর থেকে সেই বাঁশবন আর ভয়ের জায়গা নয়।
রাতে দূর থেকে মাঝে মাঝে হালকা হাওয়ায় শোনা যায়—
“ধন্যবাদ, তাসিন…”
আর গ্রামের মানুষ বলে—
এখন বাঁশবনের ভেতর এক যুগল আত্মা থাকে,
যারা ভয় নয়, ভালোবাসার গান গায়…
“তুমি ফিরে আসবে…”
---
✨ — সমাপ্তি —
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
🌾 রাতের বাঁশবন
দুলালপুর — নদীর ধারে ছোট্ট এক গ্রাম।
দিনে এখানকার মানুষ শান্ত, হাসিখুশি, আর মাঠের ধানগাছের ঘ্রাণে ভরে থাকে বাতাস। কিন্তু রাত নামলেই গ্রামটা যেন অন্যরকম হয়ে যায়। ঘরবাড়ির দরজা আগেভাগে বন্ধ হয়ে যায়, আর গ্রামের উত্তর দিকের বাঁশবনের দিকে কেউ তাকায় না।
বলে, সেই বাঁশবনে রাতে কেউ কথা বলে!
কেউ হাসে, কখনও কাঁদে… কেউ বলে, ওখানে এক মেয়ের আত্মা ঘোরে।
দশ বছর আগে সেখানেই নাকি নিখোঁজ হয়েছিল এক তরুণী — মীরা।
তারপর থেকে বাঁশবনটা অদ্ভুত নিস্তব্ধ, কিন্তু আবার খুব জীবন্তও লাগে।
---
🕯️ শহর থেকে আগমন
এক সন্ধ্যায় গ্রামের রাস্তা দিয়ে ঢুকল এক তরুণ — রিয়াদ হোসেন।
সে শহরের এক পত্রিকার সাংবাদিক। রহস্যঘটনার খোঁজে বেরিয়েছে। দুলালপুরের বাঁশবনের গল্প সে অনেক শুনেছে, এবার নিজ চোখে দেখতে চায় আসলে কী আছে সেখানে।
চা দোকানে বসে রিয়াদ গ্রামের মানুষদের জিজ্ঞেস করল,
— “এই বাঁশবনে কেউ যায় না কেন?”
একজন বয়স্ক লোক কাঁপা গলায় বলল,
— “ওইখানে মীরার ছায়া আছে বাবা… রাত হলে সে বাঁশের আড়াল দিয়ে ডাকে।”
রিয়াদ হেসে বলল, “ছায়া যদি ডাকে, আমি আজই দেখা করব তার সঙ্গে।”
---
🌘 অজানা রাত
রাত ঠিক বারোটায়, হাতে টর্চ আর ক্যামেরা নিয়ে রিয়াদ ঢুকল বাঁশবনের ভেতর।
বাতাসে এক অচেনা শীতল গন্ধ। চারপাশে শুধু হিসহিস শব্দ — বাঁশের পাতার ফাঁকে হাওয়া বইছে।
হঠাৎ দূর থেকে মৃদু কণ্ঠে একটা গান শোনা গেল —
“তুমি ফিরে আসবে… আমি অপেক্ষায় আছি…”
রিয়াদ থমকে দাঁড়াল।
“কে?” — বলে সে টর্চটা ঘোরালো।
বাঁশের ছায়ার ফাঁকে দেখা গেল এক সাদা পোশাক পরা মেয়ে, চুল এলোমেলো, পায়ে মাটি নেই, ভেসে আছে যেন!
সে ধীরে ধীরে বলল,
“তুমি কেন এলে এখানে?”
রিয়াদের হৃদপিণ্ড কাঁপছে, তবুও সে সাহস করে বলল,
“আমি জানতে চাই, তুমি কে?”
মেয়েটি নিঃশব্দে কাছে এসে ফিসফিস করে বলল,
“আমি মীরা… আমি কাউকে মারিনি… কিন্তু তারা বলেছিল আমি পাগল…”
তার চোখে জল টলমল করছে, আর হঠাৎ একটা হাওয়া এসে পুরো বনটাকে কাঁপিয়ে দিল।
রিয়াদ দেখতে পেল, আশেপাশে যেন শত শত মুখ—
কেউ হাসছে, কেউ কাঁদছে, কেউ চিৎকার করছে।
তারপর এক প্রচণ্ড ঝড় উঠল, আলো নিভে গেল।
---
🌅 ভোরবেলা
পরের দিন সকালে গ্রামের লোকেরা বাঁশবনের কাছে কিছু অদ্ভুত জিনিস পেল—
রিয়াদের ক্যামেরা, টর্চ, আর একটা নোটবুক।
নোটবুকের শেষ পাতায় লেখা ছিল—
> “সে শুধু সত্য চেয়েছিল… আর আমি পেয়েছি তার অশ্রু।”
ক্যামেরায় শেষ ছবিটা ছিল ভয়ঙ্কর—
একজন মেয়ের মুখ আধা দৃশ্যমান, চোখ লাল জ্বলছে, কিন্তু পাশে দাঁড়িয়ে আছে রিয়াদ নিজেই—
যেন দুজন এক ফ্রেমে, কিন্তু কেউ একজন জীবিত নয়…
---
সেই থেকে গ্রামের মানুষ বলে,
রাতের বাঁশবনে এখন দুইটা ছায়া দেখা যায়—
একটা মেয়ের, আর একটা সাংবাদিকের।
দু’জনেই নাকি একে অপরের সঙ্গে কথা বলে, হাসে…
আর দূর থেকে শোনা যায় সেই পুরনো সুরটা—
“তুমি ফিরে আসবে…”
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
বৃষ্টিতে লেখা কবিতা”
বিকেলের শহর ভিজছে ধীরে ধীরে।
রাস্তায় ছাতা হাতে হাঁটছে অনিক — মনে পড়ছে সেই প্রথম দেখা।
তখনও এমনই বৃষ্টি, এমনই নরম বাতাস,
আর সেই এক মেয়ে — সায়ন্তী, হাসছিল ভিজে চুলে।
> “তুমি কি জানো, তোমার হাসিতে আমার শহর আলোকিত হয়েছিল?
আমি তখনই ভেবেছিলাম — বৃষ্টি যদি রঙিন হয়,
তার রঙ তোমার চোখে থাকবে।”
সেদিনের পর বহু বৃষ্টি গেছে, অনেক বছরও।
কিন্তু অনিকের খাতায় এখনো এক কবিতা অসম্পূর্ণ —
শেষ লাইনটা সে লিখতে পারে না।
আজ হঠাৎ, ঠিক একই রাস্তায় —
একটা ছাতা তার ছাতার সাথে লেগে গেল।
অনিক তাকিয়ে দেখল — সায়ন্তী!
দু’জনের চোখে ঝিলিক, মুখে কোনো কথা নেই।
শুধু বৃষ্টি নরম সুরে বাজছে, যেন কবিতা পড়ছে তাদের হয়ে।
> “তুমি ফিরে এলে, আমার কবিতাটা আজ পূর্ণ হলো,
এখন আর কোনো লাইন বাদ নেই,
শুধু ভালোবাসা।”
🌧️ ভাবার্থ: ভালোবাসা অনেক সময় কবিতার মতো — একদিন অসম্পূর্ণ থাকে, কিন্তু ঠিক মানুষ এলে পূর্ণতা পায়।
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
চাঁদের আলোয় তোমার নাম”
রাতটা ছিল নিঃশব্দ, আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ।
নীলা বসেছিল জানালার পাশে — হাতে একটা পুরনো চিঠি।
চিঠিটা লিখেছিল আরিয়ান, যে এখন হাজার মাইল দূরে।
> “তোমার চোখে আমি প্রথম আকাশ দেখেছি,
তোমার নীরবতায় প্রথম কবিতা লিখেছি,
আজ দূরে থেকেও তোমার নামেই নিশ্বাস ফেলি।”
চিঠির কাগজে একটা শুকনো গোলাপের পাপড়ি,
সময়ের ধুলোয় পুরনো, কিন্তু ভালোবাসায় অমর।
নীলার চোখে জল, কিন্তু ঠোঁটে মৃদু হাসি।
> “ভালোবাসা তো দূরত্ব বোঝে না,
শুধু চাঁদের আলো জানে —
কে কাকে মনে রেখেছে।”
রাতের শেষে নীলা জানালার বাইরে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
“চাঁদ যদি আলো দেয়, আমি আজও তোমায় খুঁজে নেব।”
✨ ভাবার্থ: ভালোবাসা কখনো হারায় না, শুধু চাঁদের আলোয় নতুন রূপে ফিরে আসে।
#অনুগল্প
#বাচ্চাদেরগল্প
#হাসিরগল্প
#ছোটগল্প
#শিক্ষনিয়গল্প
#সকালেরগল্প
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka