AIMC
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AIMC, Hospital, House No. 50/B, GROUND FLLOR, SHEKERTEK 7, ADABOR, DHAKA, Dhaka.
কেন পুরো পেটের আলট্রাসনোগ্রাম (ইউএসজি) প্রতি বছরে একবার করব?
হোল অ্যাবডোমেন আল্ট্রাসনোগ্রাম (Whole Abdomen Ultrasonogram) বা পেটের সম্পূর্ণ আল্ট্রাসাউন্ড করার পেছনে সাধারণত বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে। ডাক্তাররা মূলত পেটের ভেতরের প্রধান অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোর অবস্থা দেখার জন্য এই টেস্টটি দিয়ে থাকেন।
নিচে প্রধান কারণগুলো উল্লেখ করা হলো:
পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি: যদি আপনার পেটে অনবরত বা তীব্র ব্যথা হয়, যার সুনির্দিষ্ট কারণ ওপর থেকে বোঝা যাচ্ছে না।
হজম ও লিভারের সমস্যা: জন্ডিস, লিভার বড় হয়ে যাওয়া (Fatty Liver), বা লিভারের কোনো রোগ সন্দেহ হলে।
পিত্তথলি ও অগ্ন্যাশয়ের পরীক্ষা: পিত্তথলিতে পাথর (Gallstones) বা অগ্ন্যাশয়ে (Pancreas) কোনো প্রদাহ আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে।
কিডনি ও মূত্রথলির সমস্যা: কিডনিতে পাথর, ইনফেকশন বা প্রস্রাবের যেকোনো ব্লকেজ সনাক্ত করার জন্য।
হঠাৎ ওজন হ্রাস বা অ্যাপেটাইট কমে যাওয়া: কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে গেলে বা খাবারে তীব্র অরুচি দেখা দিলে ভেতরের কোনো সমস্যা আছে কিনা তা দেখতে।
টিউমার বা সিস্ট সনাক্তকরণ: পেটের ভেতর কোনো অস্বাভাবিক চাকা, সিস্ট (Fluid-filled sac) বা টিউমার আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে।
সাধারণত ডাক্তার আপনার শারীরিক লক্ষণ (Symptoms) দেখে নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এই টেস্টটি করার পরামর্শ দেন।
একটি আলট্রাসনোগ্রাম অনেক কিছু প্রকাশ করে, তাই এটি প্রতি বছরে একবার করতে পারেন।
হাইপারটেনশন (Hypertension) মানে হলো উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার । এটি এমন একটি অবস্থা, যখন ধমনীর দেয়ালে রক্তের প্রবাহের চাপ দীর্ঘসময় ধরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে । রক্তচাপ সাধারণত (১৪০ mmHg -এর বেশি/৯০ mmHg -এর বেশি) হলে তা হাইপারটেনশন হিসেবে গণ্য করা হয় ।
প্রি-হাইপারটেনশন (যাকে প্রায়শই "উচ্চ রক্তচাপ" বলা হয়) হল একটি সতর্কতামূলক চিহ্ন যে রিডিং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি - সিস্টোলিক 120-139 mmHg বা ডায়াস্টোলিক 80-89 mmHg - তবে এখনও উচ্চ-পর্যায়ের উচ্চ রক্তচাপ নয়। এটি সাধারণত কোনও লক্ষণ দেখা দেয় না। খারাপ খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের অভাব, বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো অন্তর্নিহিত অবস্থার কারণে, এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনি ব্যর্থতার ঝুঁকি বাড়ায়। ব্যবস্থাপনা জীবনধারার পরিবর্তনের উপর জোর দেয়, যার মধ্যে ওজন হ্রাস, লবণ গ্রহণ কমানো এবং ব্যায়াম বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত।
Fatigue: সব সময় শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করছে, ক্লান্ত বোধ করছেন, কিন্তু কেন?
এমন অনেক ব্যক্তিই রয়েছেন যারা সব সময় খুব ক্লান্ত অনুভব করেন, তাদের কাজ করার ইচ্ছা কম থাকে। শরীরের ক্ষমতা কম থাকে সবসময়। তাদের সব সময় শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। অফিসে গিয়েও তারা সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন না। তবে এর পেছনে যে কী দায়ী তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না।
চিকিৎসকদের মতে, সারাদিন ক্লান্ত বোধ করা, কিন্তু মোটেও ভালো না। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের নয় ঘণ্টা ঘুমানো উচিত, না হলে তাদের শরীর ক্লান্ত হতে পারে। তবে শুধু যে ঘুমের জন্য ক্লান্ত লাগে তা নয়, এর পেছনে রয়েছে আরোও অনেক কারণ, সেগুলি কী কী জানুন।
সঠিক ঘুম না হলে কিন্তু শরীর ক্লান্ত লাগে। তাই প্রত্যেকটি ব্যক্তির ৯ ঘন্টা করে ঘুমানো উচিত, না হলে ক্রমশ শরীরে ক্লান্ত হয়ে যাবে। আর এটি স্লিপ অ্যাপনিমিয়ার লক্ষণ। এটি হলে শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি হয়। সঠিক ঘুম না হওয়া কিন্তু শরীরের জন্য খুব খারাপ।
বলা হয়, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে লোহিত রক্ত কণিকা না থাকলে শরীর সম্পর্ক ক্লান্ত বা দুর্বল হতে থাকে। এটির প্রধান কারণ হচ্ছে শরীরে ভিটামিন বি ১২ এবং আয়রনের ঘাটতি। তাই আপনারা যদি শরীর ক্লান্ত হতে থাকে তাহলে শরীরে আয়রন ও ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি পূরণ করুন। পুষ্টি কম থাকলেও শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে এবং সব সময় ঘুম পায়।
থাইরয়েডের সমস্যা শরীর সবসময় ক্লান্ত বোধ করছেন, কোন কাজেই মন লাগছে না, এর পেছনে প্রধান কারণ হল থাইরয়েডের সমস্যা। যাদের প্রচুর পরিমাণে থাইরয়েড রয়েছে তাদের এই সমস্যা দেখা দেয়। থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ হল হরমোন তৈরি করা যা বিপাক নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যদি কোন ব্যক্তি শরীরের থাইরয়েড মাত্রা শরীরে বেশি পরিমাণে থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির কিন্তু সবসময় শরীর ক্লান্ত লাগবে। আপনার সঙ্গে এমন হয় তাহলে আপনি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
ডায়াবেটিস যে সকল ব্যক্তি ডায়াবেটিসের রোগী, তাদের কিন্তু শরীর সবসময় ক্লান্ত লাগে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে এমনিতেই শরীর ক্লান্ত হতে থাকে। এতে এই সময় কিন্তু খুব ভালোমন্দ খাওয়া দরকার। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া দাওয়া করা দরকার। আবার অনেক সময় এই ধরনের রোগীদের শরীরে পুষ্টির অভাবের কারণেও শরীর ক্লান্ত হতে থাকে। তবে সেই ঘাটতি পূরণ করবার চেষ্টা করুন।
কেন শরীর ক্লান্ত হয় অনেক সময়ে চিকিৎসকের মতে, যদি লাইফস্টাইল ঠিকঠাক না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার শরীর ক্লান্ত হতে থাকে অর্থাৎ যে টাইমে আপনাদের ঘুমের দরকার সেই টাইমে আপনি ঘুমলেন না বা সঠিক পরিমাণে না ঘুম হওয়ার কারণে এটা হয়। আবার শরীর ক্রমশ ডিহাইড্রেট হয়ে গেলেও কিন্তু আপনাদের শরীর ক্রমশ ক্লান্ত হতে থাকবে। এসময় প্রচুর পরিমাণে মৌসুমী ফল খাবেন, সুষম খাদ্য খাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং শরীর যদি আরোও খারাপ লাগে তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
15/01/2026
স্ক্যাবিস কী, এর লক্ষণগুলো ও চিকিৎসা কী হতে পারে?
স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া ত্বকের খুবই সংক্রামক একটি সমস্যা। শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের যে কারোরই এই স্কিন ডিজিজ হতে পারে। তবে শিশুদের এই রোগটি বেশি হয়ে থাকে। প্রচন্ড চুলকানির ফলে শরীরে অনেক অস্বস্তি হয়। বিশেষ করে রাতে এই সমস্যা বেশি হয় দেখে বাচ্চারা সারারাত ঘুমাতে পারে না। কিন্তু অনেকেই এখনো জানেন না এই স্ক্যাবিস কী, এর পিছনের কারণ ও চিকিৎসা কী হতে পারে। তাই আজকের আর্টিকেলে জানবো এই সম্পর্কে বিস্তারিত।
স্ক্যাবিস কী?
এটি হল ক্ষুদ্র ইচ মাইট (আটপাযুক্ত পোকা) দ্বারা সংঘটিত অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। একে খালি চোখে দেখা যায় না, কিন্তু মানুষের ত্বককে এরা প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করে। যখন এই পোকাগুলো ত্বকের নিচে প্রবেশ করে ডিম পাড়ে তখন চুলকানির সৃষ্টি হয়, যা সাধারণত রাতে বৃদ্ধি পায়। শিশু ও বয়স্কদের উপর এদের আক্রমণের প্রবণতা বেশি। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ফলে এটি আরো জটিল হতে পারে, এর থেকে ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি, হার্টের রোগ, সেপ্টিসেমিয়া (রক্তে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের প্রবেশ), এমনকি কিডনির সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে।
শরীরের যেসব স্থানে স্ক্যাবিস দেখা যায়
• হাত ও পায়ের আঙুলের ফাঁকে
• কব্জিতে
• বগল ও ঊরুসন্ধিতে
• একপর্যায়ে সারা শরীরেই
যথাযথ চিকিৎসা করা হলে এই ইচ মাইটগুলোর মৃত্যু হয় ও সংক্রমণ সেরে যায়। কিন্তু চিকিৎসা না করলে এই পোকাগুলো অনায়াসে আরো বংশবিস্তার করে ও সমস্যার বৃদ্ধি ঘটায়।
লক্ষণ ও উপসর্গগুলো কী হতে পারে?
১) প্রচন্ড চুলকানি বিশেষ করে রাতে। চুলকানি সাধারণত প্রথমে হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে তারপর সেখান থেকে ঘাড়ে, নাভির আশে পাশে চামড়ায়, লজ্জাস্থানের আশেপাশে ও পায়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
২) চুলকানোর জায়গা একটু ফোসকা পড়ে লাল হয়ে ফুলে যাওয়া।
৩) অতিরিক্ত চুলকানির কারণে চামড়া ফেটে যাওয়া।
৪) আগে থেকে আপনার কোনো চামড়ার অসুখ থাকলে সেটা আরো খারাপ হওয়া।
৫) ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা ত্বক আঁশের মত হয়ে যাওয়া।
৬) ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি।
প্রধান কারণগুলো কী হতে পারে?
১) ইচ মাইট একজন মানুষ থেকে অন্যজনের মধ্যে স্থানান্তরিত হতে পারে, এটি হতে পারে সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শের মাধ্যমে, অথবা অন্যের বিছানা, কাপড় বা আসবাবপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে।
২) রোগীর ব্যবহৃত কাপড় গামছা, বিছানার চাদর ও বালিশ ব্যবহার করলে এই রোগ হতে পারে।
৩) একইভাবে, এই পোকাগুলো মায়ের থেকে সদ্যোজাতের শরীরে যেতে পারে। কোনো গ্রাহক ছাড়া এই পোকা ৩-৪ দিন অবধি বেঁচে থাকে।
এই রোগের চিকিৎসা কী?
প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ক্রিম, লোশন ও ট্যাবলেট ব্যবহারের মাধ্যমে স্ক্যাবিসের জটিলতা এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসকের জন্য উপযুক্ত লোশন ও ক্রিমের নির্দেশ দেবেন। সংক্রমিত ব্যক্তির পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও পার্টনারের জন্যও একই চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসা বন্ধ করে দেওয়ার পর আবার চুলকানি বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে পুনরায় চিকিৎসা শুরু করার দরকার হতে পারে।
এই সম্পর্কে কয়েকটি সাবধানতা অবলম্বন করা যেতে পারে
• আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর সবকিছু গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে এবং ভালোভাবে রোদে শুকাতে হবে।
• পরিষ্কার বিছানা ও কাপড়ের ব্যবহার।
• 50 ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি তাপমাত্রায় কাপড় ধোয়া।
স্ক্যাবিস কী তা এতক্ষণে আমরা জেনে নিলাম। কিছু স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে চললেই একে রুখে দেওয়া সম্ভব। বিশেষ করে এই রোগ এড়াতে বাচ্চাদের দরকার বাড়তি যত্ন। আক্রান্ত ব্যাক্তিকে অবজ্ঞা না করে প্রোপার ট্রিটমেন্ট দিতে হবে। মনে রাখতে হবে শুধু চুলকানি ভেবে এই রোগের সঠিক চিকিৎসা না করলে পরবর্তীতে আরো বড় কোনো রোগ হতে পারে। তাই এই রোগ প্রকাশ পেলেই যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
15/01/2026
Invite to all population growth
14/01/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1216