Knowledge
it's a educational page. people can learn many things from this page.
26/07/2020
.নিকোলাস ভুজিসিক =====
১৯৮২ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবর্ন শহরে দুই হাত ও দুই পা বিহীন জন্ম নেওয়া শিশুটির নাম ছিলো নিকোলাস ভুজিসিক । যেই মা তাকে ১০ মাস গর্ভে রেখেছিলো জন্মের পর এমন শারীরীক অবস্থা দেখে সেই মাও তাকে বাড়িতে নিতে অস্বীকার করে, তবে পরক্ষনে তার বাবার অনুরোধে তাকে নিয়ে যেতে রাজি হন তার মা । আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠে ভুজিসিক, কিন্তু তার এই শারীরীক প্রতিবন্ধকতার জন্য চারোপাশের মানুষের কাছে অনেকটাই উপহাসের বিষয় ছিলেন তিনি । কিন্তু তার বাবা তাকে বলতেন - "তুমি বিধাতার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য উপহার, শুধুমাত্র একটু ভিন্ন মোড়কে "।
তুমি হতাশ হয়ো না ভুজিসিক । ওই যে শুরু হলো তার পথচলা আর থামতে হয়নি তাকে । নিজের উপর পূর্ন বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে চললেন তিনি । তিনি স্নাতক করেছেন দুইটি বিষয়ের উপর "অ্যাকাউন্টিং" এবং "ফাইন্যান্সিয়াল প্লানিং" যা হয়তো আমাদের মতো সাধারন সয়ং সম্পন্ন মানুষের পক্ষেও সহজ নয় ।
বর্তমানে তিনি সারা বিশ্বে পরিচিত মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে । তার বক্তৃতা শুনে হাজার হাজার মানুষ নিজেকে মোটিভেট করছে । তবে তিনি সবসময় ভাবতেন হয়তো তিনি কখনো বিয়ে করতে পারবেন না, কারন তার এই অঙ্গহীনতার জন্য হয়তো কোন নারী তাকে পছন্দ করবে না, বিয়ে করবে না ।
কিন্তু তার সেই ধারনা ২০০৮ সালে ভুল প্রমান করে দিয়েছিলো এক রমনী । জাপানী বংশউদ্ভুত আমেরিকান ওই নারীর নাম ছিলো "ক্যানা মিহারা"। ক্যানা বলেন, "আমি যখন ওকে প্রথম দেখলাম তখন আমার মনে হয়েছিলো আমি যা চাই ওর ভিতরে তার সবই আছে । তারপর আমাদের চেনা জানা শুরু হয় এবং আমরা দুজন দুজনকে পছন্দ করে বিয়ে করি"। একবার সাংবাদিকরা ক্যানা কে জিজ্ঞাসা করেছিলো - যদি আপনার সন্তানও ভুজিসিক এর মতো হয় তবে.....উত্তরে তিনি বলেছিলেন- তাহলে আমিও আরেকটা ভুজিসিক এর জন্ম দিবো......
এবার আসি মূল বিষয়ে -------
এই পৃথিবীতে আমরা অনেকেই হয়তো পাওয়া না পাওয়ার অনেক হিসাব করি । আমরা ভাবি আমরা এটা পাইনি, ওটা পাইনি, এমনকি এর জন্য সৃষ্টিকর্তা কে দোষারোপ করতেও বিন্দুমাত্র দেরি হয় না আমাদের । সত্যি বলতে সেই হিসেবে কিন্তু এই ভুজিসিক অনেক কিছুই পায় নি, কিন্তু তারপরেও সে থেমে নেই, নেই কোন আফসোস । হয়তো না পাওয়ার
বেদনা তাকে কখন স্পর্শও করতে পারেনি ।
আর এই যে ক্যানা মিহিরা.... ওকে আমরা কিভাবে চিন্তা করবো.... কিভাবে দেখবো ওদের সম্পর্কটা কে..? এমন একটা মানুষের কাছে নির্দিধায় কত সুখে সংসার করে যাচ্ছে সে । এই মেয়েটাও হয়তো কখনও ভাবেনা যে সে কি পেলোনা... বরং সে কি পাচ্ছে সেটাই হয়তো তার কাছে মুখ্য বিষয় ।
আসলে সৃষ্টিকর্তা সবাইকে সব কিছু দেয় না । কিন্তু তাই বলে আমরা যদি আমাদের না পাওয়া জিনিস গুলো নিয়ে সবসময় আফসোস করি, দুশ্চিন্তা করি তবে দেখবেন জীবনটা বড় বিষাদময় হয়ে উঠবে এবং এর ফলে আপনি আপনার জীবনকে কখনোই উপভোগ করতে পারবেন না । না পাওয়ার শূন্যতা সবসময় আপনাকে তাড়িয়ে বেড়াবে । তবে একটু দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করলেই আমাদের যা আছে সেটা নিয়েই সুন্দরভাবে বেচে থাকতে পারি এই পৃথিবীতে ।
13/08/2019
ভারতের ৭০ কোটি হিন্দুর সাক্ষাৎ ভগবান ড. শিবশক্তি স্বরুপজি। হিদায়াতের নূর দ্বারা আলোকিত হয়ে পৃথিবীর সেরা আলোকিত মানুষে পরিণত হলেন ড. শিবশক্তি। তার ইসলাম গ্রহণের এ ঘটনায় সারা বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিল। সারা দুনিয়ার স্বনামধন্য সব মিডিয়া তা গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছিল। তার ইসলাম গ্রহণের কাহিনী যেকোন সত্যান্বেষী ও সত্যপ্রিয় মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে। ড. শিবশক্তি স্বরুপজীর বদলে যাওয়া জীবনের ঈর্ষণীয় সে উপাখ্যান , চলুন, শুনি সে স্বার্থক জীবনের অভূতপূর্ব কাহিনী।
১৯৮৬ সালের রমজান মাস। এ পবিত্র মাসেই ড. শিবশক্তি একটি স্বপ্ন দেখলেন। যে স্বপ্নটি তার জীবনকে পৌঁছে দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। স্বপ্নটির সারসংক্ষেপ এমন যে, তিনি স্বপ্ন দেখার এক পর্যায়ে ভয়ে হাপাচ্ছেন আর দৌঁড়াচ্ছেন। এমন সময় তিনি তার সামনে এক নূরানী চেহারার সীমাহীন ব্যক্তিত্ববান এক মানুষকে দেখতে পেলেন, যিনি তাকে ভয় নেই বলে আশ্বস্ত করলেন এবং তার পরিচয় পেশ করলেন ড. সাহেবের কাছে যে, আমিই শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সা.! সে স্বপ্নের মধ্যেই নবীজি সা. শিবশক্তিকে কালিমা পড়ার আহ্বান জানালেন এবং কালিমা স্বয়ং নিজেই পড়িয়ে দিলেন। এরপর থেকেই তিনি ইসলামকে মনে প্রাণে কবুল করে নিলেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে ড. ইসলামুল হক রাখলেন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঠিক একই স্বপ্নটি তার বিদূষী স্ত্রী স্ত্রীমতি শ্রদ্ধাদেবীও দেখলেন, তিনিও কালিমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইসলামকে গ্রহণ করে খাদিজা হক নাম ধারণ করলেন। তাদের উচ্চশিক্ষিত গ্রাজুয়েট কন্যা শ্রীমতি অপরাজিতা দেবীও ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার নাম রাখা হলো আয়েশা হক। তাদের আরেক কন্যাও স্বামীসহ ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন পিতার কাছে। ড. সাহেব ভারতের বৃন্দাবনে জন্মগ্রহণ করেছেন। আর এ বৃন্দাবনেই হিন্দুদের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম। হিন্দুসমাজ এ বৃন্দাবনকে তাদের পবিত্র তীর্থভূমি হিসেবে বিবেচনা করে। রাধা কৃষ্ণের লীলাভূমি নামেও এটি সারা পৃথিবীতে পরিচিত। ভারতের হিন্দুসমাজ মনে করত রাধা কৃষ্ণের এ লীলাভূমি বৃন্দাবনেই আরেক ভগবান জন্মগ্রহণ করে ‘শিবশক্তি’ নামধারণ করেছেন। হিন্দুসমাজের এমন পূজনীয় ভগবান সমতুল্য শিবশক্তির ইসলাম গ্রহণের এ ঘটনায় ভারতীয় হিন্দুসমাজ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। দুঃখে আর ক্ষোভে তাদের জ্ঞানীয় শক্তি লোভ পেয়ে যায়। ব্রাক্ষèণ্যবাদের পতাকাবাহী এক শ্রেণীর সাম্প্রদায়িক লোক ড. শিবশক্তির বিরুদ্ধে মিছিল বের করে তার ফাসির দাবিতে উস্কানিমূলক শ্লোগান দিতে থাকে। তারা ‘নব ভারত টাইমস’ ‘নব ভারত সমাচার’ প্রভৃতি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে নানা প্রতিবেদন প্রকাশ করতে থাকে।
ড. সাহেব সীমাহীন ধৈর্য আর সহিষ্ণুতার সাথে এ সমস্ত বিদ্বেষপূর্ণ প্রতিবেদনের জবাব দিয়েছেন তার লিখিত দুটি পুস্তক হিন্দি ভাষায় লিখিত ‘খোলাপত্র’ ও উর্দু ভাষায় লিখিত ‘লিজিয়ে আপ ভি সৌচিয়ে’ দ্বারা। অপরদিকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পৈতৃক আশ্রমের স্বর্ণসিংহাসনের মোহ ত্যাগ করে তিনি যখন ইসলামকে কবুল করেছেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই পৃথিবীর সচেতন মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ড. শিব শক্তি বলেন __ আজ আমি ইসলামের একজন দাঈ আলহামদুলিল্লাহ, আমার আল্লাহ আমাকে দয়া করেছে না হয় আমি কখনো সঠিক পথ পেতাম, আমার জীবন সার্থক ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka