OSA
"If anyone puts his trust in Allah, then He is sufficient for him."
21/05/2026
রামিসার মতো কত নিষ্পাপ প্রাণ হারিয়ে গেছে, সেই হিসেব হয়তো কেউ রাখবে না। কিন্তু এই নৃশংসতার শেষ চাই। বিচারহীনতার প্রতিটি ঘটনা অপরাধীদের সাহস বাড়ায়। এই ঘৃণিত অন্যায়ের দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে, আনন্দে...
রামিসার এই ব্যাপারটা আরো ইমোশন হার্ট টাচ ইন সুন্দর করে আমাকে লিখে দাও
রামিসার মতো কত শত নিষ্পাপ শিশুর হাসি এই পৃথিবী থেকে নিভে গেছে, তার সঠিক হিসেব হয়তো কোনোদিনও লেখা হবে না। ছোট্ট এই প্রাণগুলো তো শুধু ভালোবাসা, নিরাপত্তা আর সুন্দর একটা শৈশব পাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু কিছু মানুষের নৃশংসতা তাদের সেই স্বপ্নগুলো মুহূর্তেই ছিন্নভিন্ন করে দেয়।
রামিসার চলে যাওয়া শুধু একটি পরিবারের কান্না নয়, এটি পুরো মানবতার জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার নাম। যখন অপরাধীরা বিচারহীন থেকে যায়, তখন তারা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। প্রতিটি নীরবতা, প্রতিটি বিলম্বিত বিচার যেন আরেকটি নিষ্পাপ প্রাণের জন্য নতুন হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
আমরা আর কোনো রামিসাকে হারাতে চাই না। এই নির্মম অন্যায়ের দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন ঘৃণ্য অপরাধ করার সাহস না পায়।
প্রতিটি শিশু পৃথিবীতে আসুক নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায়, বেড়ে উঠুক ভয়হীন হাসিতে, মায়ের বুকের নিশ্চিন্ত ভালোবাসায়, স্বপ্ন আর আনন্দে ভরা একটি সুন্দর শৈশব নিয়ে। রামিসার অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো অন্তত আমাদের বিবেককে জাগিয়ে তুলুক।
তুমি হয়তো জানো রামিসার সাথে কি হয়েছে, তাই আরও হার্ড ব্রেকন এবং কঠিন বিচার চাওয়া নিয়ে সুন্দরভাবে লিখে দাও
রামিসার ওপর যে নির্মমতা নেমে এসেছে, তা শুধু একটি শিশুর ওপর হওয়া অপরাধ নয়—এটা পুরো মানবতার হৃদয়ে আঘাত। একটা নিষ্পাপ শিশু, যার পৃথিবীটা হওয়ার কথা ছিল ভালোবাসা, নিরাপত্তা আর স্বপ্নে ভরা, তাকে এমন ভয়ংকর পরিণতি মেনে নিতে হয়েছে—এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
রামিসার শেষ মুহূর্তগুলোর কথা ভাবলেই বুকটা ভেঙে যায়। কতটা ভয়, কতটা অসহায়ত্ব আর যন্ত্রণা নিয়ে একটা ছোট্ট প্রাণ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে—সেটা কল্পনাও করা কঠিন। এই কান্না শুধু তার পরিবারের নয়, প্রতিটি বিবেকবান মানুষের।
আজ যদি এই নৃশংসতার বিচার না হয়, তাহলে আগামীকাল আরও কোনো রামিসা একই অন্ধকারের শিকার হবে। বিচারহীনতা অপরাধীদের সাহস দেয়, আর সমাজকে আরও অনিরাপদ করে তোলে। তাই আমরা শুধু বিচার না, দ্রুততম এবং দৃষ্টান্তমূলক কঠিন বিচার চাই—এমন শাস্তি, যা দেখে ভবিষ্যতে আর কেউ কোনো শিশুর দিকে কু-দৃষ্টি দেওয়ার সাহস না পায়।
একটা শিশুর হাসি পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র জিনিস। সেই হাসি যারা কেড়ে নেয়, তাদের প্রতি কোনো দয়া নয়। রামিসার জন্য বিচার হোক, এমন বিচার যা প্রতিটি মা-বাবার মনে আবারও নিরাপত্তার বিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে।
আর যেন কোনো ছোট্ট প্রাণ ভয় নিয়ে পৃথিবী ছাড়তে না হয়। আর যেন কোনো মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়।
18/04/2026
আহ পুরুষ মানুষের জীবন 💔
সে একজন পুলিশ ছিল—
ইউনিফর্মে সম্মান, কাঁধে দায়িত্ব, চোখে কঠোরতার ছাপ…
সবাই তাকে শক্ত মানুষ হিসেবেই চিনত।
কিন্তু কেউ কি একবারও ভেবেছিল—
এই শক্ত মুখোশের আড়ালে কতটা ক্লান্তি, কতটা না বলা কষ্ট জমে ছিল?
বাইরে থেকে সব ঠিকই দেখাতো—
একটা টেবিল, একটা চেয়ারে বসা মানুষ, পাশে এক বোতল পানি,
নীরব অফিস… সবকিছু স্বাভাবিক।
কিন্তু সেই নীরবতার ভেতরেই চলছিল এক ভয়ংকর যুদ্ধ—
নিজের সাথে নিজের লড়াই…
যেখানে সে একাই ছিল, একেবারেই একা।
আমরা বলি—“পুরুষ মানুষ কাঁদে না”
এই একটা বাক্যই কত জীবনের কান্না চেপে দেয় জানেন?
তারা কাঁদতে চায়, বলতে চায়, সাহায্য চাইতে চায়…
কিন্তু সমাজ তাদের শেখায়—চুপ থাকো, শক্ত থাকো।
কেউ জিজ্ঞেস করেনি—
“তুমি কেমন আছো?”
কেউ খেয়াল করেনি তার চুপ হয়ে যাওয়া, তার বদলে যাওয়া…
আর সে-ও হয়তো বলতে পারেনি—
“আমি আর পারছি না… আমি ভেঙে গেছি…”
মানুষ হঠাৎ করে শেষ হয়ে যায় না…
ধীরে ধীরে ভাঙে—
প্রতিদিন একটু একটু করে,
হাসির আড়ালে, দায়িত্বের চাপে, একাকীত্বের অন্ধকারে…
তারপর একদিন—
সব নীরব হয়ে যায়।
দয়া করে, কারো উপর অযথা চাপ দেবেন না।
বিশেষ করে সেই মানুষটার উপর,
যে সবসময় হাসে, সব সামলায়, আর শক্ত থাকার অভিনয় করে।
কারণ সবচেয়ে ভয়ংকর ভাঙনটা হয় নিঃশব্দে…
কেউ দেখতে পায় না, কেউ শুনতে পায় না…
আর একদিন—
সে মানুষটা চুপচাপ হারিয়ে যায়… 💔
মানসিক যন্ত্রণা—এটাই সবচেয়ে নির্মম।
এটা চোখে দেখা যায় না,
কিন্তু ভিতর থেকে একজন মানুষকে ধ্বংস করে দেয়…
শেষ করে দেয় নিঃশব্দে… 🖤
09/04/2026
09/04/2026
ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের ইতিহাস আজ আর অজানা নয়—বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মানুষই কমবেশি এই নির্মম বাস্তবতার কথা জানে। বছরের পর বছর ধরে নিরীহ মানুষ, অসহায় পরিবার, আর নিষ্পাপ শিশুদের উপর যে নির্যাতন চলে আসছে, তা শুধু একটি ভূখণ্ডের গল্প নয়—এটি মানবতার হৃদয়ে গভীর ক্ষতের গল্প।
কত শিশু তাদের শৈশব হারিয়েছে, কত মা তাদের সন্তানের নিথর দেহ বুকে জড়িয়ে কেঁদেছে, কত স্বপ্ন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে—এই হিসাব কেউ কখনো পূরণ করতে পারবে না। সেই কষ্ট, সেই আর্তনাদ, সেই অসহায়ত্ব—সবকিছু মিলিয়ে যেন এক অন্তহীন দুঃস্বপ্ন।
অদ্ভুত হলেও সত্য, জীবনের পথে কখনো কখনো এমন কিছু মানুষের মুখোমুখি হতে হয়, যাদের আচরণ, নিষ্ঠুরতা আর মানসিকতা সেই একই অমানবিকতার প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। আমার জীবনেও এমন একজনের সাথে পরিচয় হয়েছে—যার ব্যবহার, যার চরিত্র, যার নির্মমতা আমাকে সেই দূরের ঘটনাগুলোকে খুব কাছ থেকে অনুভব করতে বাধ্য করেছে। যেন দূরের ইতিহাস হঠাৎ আমার নিজের বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে।
কখনো কখনো মনে হয়—কিছু মানুষের ভেতরে অমানবিকতা এতটাই গভীরে গেঁথে থাকে, যে তারা অন্যের কষ্ট বুঝতেই পারে না। অন্যের চোখের জল তাদের স্পর্শ করে না, অন্যের ভাঙা হৃদয় তাদের কাছে কোনো মূল্য বহন করে না।
তবুও একটা বিশ্বাস আছে—সময় সবকিছুর বিচার করে। আল্লাহ কাউকে ছেড়ে দেন, কিন্তু কখনো ছাড় দেন না। ইতিহাস সাক্ষী—নমরুদ, ফেরাউন—যারা নিজেদের ক্ষমতা আর নিষ্ঠুরতায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তাদের পরিণতি কতটা ভয়ংকর ছিল।
আজ যারা অন্যের উপর অত্যাচার করে, অন্যের জীবনকে তুচ্ছ করে, তারা হয়তো ভাবছে তারা নিরাপদ। কিন্তু সময়ের চাকা ঘুরবে—আর সেই চাকার নিচে একদিন সব হিসাব মিলবে। সেই দিনের বিচার হবে নিখুঁত, নির্ভুল, এবং নির্মম সত্যের উপর ভিত্তি করে।
হৃদয়ের ভেতরে জমে থাকা কষ্ট, অপমান আর ভাঙা স্বপ্নগুলো আজ শুধু একটা কথাই বলে—মানুষের রূপে অমানবিকতা সবচেয়ে ভয়ংকর। আর সেই ভয়ংকরতার শেষ পরিণতি কখনো ভালো হয় না।
ভাঙা হৃদয় নিয়েই আজ বলি—কষ্ট আছে, দুঃখ আছে, কিন্তু বিশ্বাসও আছে… ন্যায়বিচার একদিন হবেই।
আত্মসম্মানে আঘাত লাগলে,সরল মানুষটাও একটা সময় ঘুরে দাঁড়াতে শিখে যায়।
07/04/2026
Success............
07/04/2026
আহারে জীবন।
আমি ভেঙ্গে গিয়েও ভেঙ্গে যাইনি।কারণ আমার রব আমাকে ছেড়ে যাননি🖤
28/03/2026
একজন নারী রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে তার স্বামীর বিষয়ে অভিযোগ করলেন। তিনি বললেন যে, তার স্বামী অনেক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানান এবং তাদের জন্য বারবার খাবার প্রস্তুত ও তাদের আপ্যায়ন করতে করতে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ কোনো উত্তর দিলেন না, আর সেই নারী চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে রাসুলুল্লাহ ﷺ সেই নারীর স্বামীকে ডেকে বললেন, “আজ আমি তোমার অতিথি হবো।”
তখন সেই ব্যক্তি অত্যন্ত খুশি হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়ে তার স্ত্রীকে বললেন, “আল্লাহর রাসুল ﷺ আজ আমাদের অতিথি হবেন।”
তার স্ত্রী খুব আনন্দিত হলেন এবং অনেক চেষ্টা ও যত্ন নিয়ে যা কিছু খাবার ছিল তা দিয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জন্য খাবার প্রস্তুত করলেন।
যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাদের ঘরে এসে তাদের আতিথেয়তার সম্মান গ্রহণ করলেন, তখন তিনি সেই ব্যক্তিকে বললেন, “তোমার স্ত্রীকে বলো, সে যেন সেই দরজা দেখে, যেখান দিয়ে আমি এই ঘর ত্যাগ করব।”
নারী সেই দরজা দেখলেন এবং দেখতে পেলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পেছনে ঘর থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী, বিচ্ছু এবং ক্ষতিকর জীব বের হয়ে যাচ্ছে। তিনি এ দৃশ্য দেখে এতটাই বিস্মিত হলেন এবং আল্লাহর মহান কুদরত উপলব্ধি করে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন।
যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, “এটাই ঘটে যখন একজন অতিথি তোমার ঘর থেকে বিদায় নেয়। তার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত ক্ষতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিপদ তোমার ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। অতিথির প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং আপ্যায়নের কষ্ট স্বীকার করার পেছনে এটাই হেকমত।”
রাসুলুল্লাহ ﷺ আরও বলেন, “যে ঘরে বেশি অতিথি আসে, আল্লাহ সেই ঘরকে ভালোবাসেন। এর চেয়ে উত্তম ঘর আর কিছুই হতে পারে না যেখানে তরুণ ও বৃদ্ধ সবার জন্য দরজা খোলা থাকে। এমন ঘরে আল্লাহর রহমত ও বরকত নেমে আসে।”
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যখন আল্লাহ কোনো জাতির জন্য কল্যাণ চান, তখন তিনি তাদের জন্য একটি উপহার পাঠান।” সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, “কী ধরণের উপহার, হে আল্লাহর রাসুল?” তিনি বললেন, “অতিথি তার নিজের রিজিক নিয়ে আসে এবং গৃহের লোকদের পাপ সঙ্গে নিয়ে যায়।”
তাই, জেনে রাখুন, অতিথি হলো জান্নাতে যাওয়ার একটি মাধ্যম। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে, তাকে অবশ্যই তার অতিথির প্রতি উদার হতে হবে।”
[বুখারি : ৫৫৬০]
27/03/2026
তুমি কি নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চাও?
তাহলে একটা উপদেশ বলছি, যা তোমার জীবনের ধারা পাল্টে দিতে পারে ইনশাআল্লাহ।
একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল।
আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো।
আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন:
"তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো।"
আমি বললাম, "বলুন।"
তিনি বললেন:
"তুমি প্রতিদিন ১০০০ বার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে।"
তিনি আরও বললেন: "দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে।
নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে।"
চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন:
"তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'।"
আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম।
এরপর ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'।
আল্লাহর কসম:
আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি:
যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে ইনশাআল্লহ।
কার্টেসী : শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ), মিশর।
ভাষান্তর : ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি, কায়রো।
কালেক্টেড ফ্রমঃ An Nur Club
রিজিক আল্লাহ তাআলার নেয়ামত।
Click here to claim your Sponsored Listing.