MITU

MITU

Share

love to travel
reading books
life is very short so enjoy

24/12/2025

লৌখনৌর ওল্ড টাউনের মবিনস এর পায়া,যা খাইয়া আমার জামাই ফিদা হয়ে গিয়েছিল।এদের খাবার আসলেই অনেক মজার

Photos from MITU's post 22/12/2025

বাইকে করে ভারত ভ্রমণ ( দিন ৬)

আমাদের আজকের গন্তব্য লৌখনো।এর জন্য পারি দিতে হবে প্রায় ৬০০ কি.মি. রাস্তা।অনেক লম্বা রাইড তাই সকাল ৬টার মধ্যেই বের হয়ে গেলাম।ভেবেছিলাম যে এত সকালে রাস্তা একদম ফাঁকা পাব।কিন্তু বিহারের মানুষ আমাদের সেই ধারণা ভুল করে দিল।সকাল সকালই দেখি রাস্তার পাশের চা নাস্তার দোকান গুলো সব খুলে গেছে। লোকজন কাজে বেরিয়ে পরেছে।রাস্তাতেও গাড়ির চাপ ভালই।যেমনই হোক সিচুয়েশন চলা তো আর থামানো যাবে না সো চলতেই থাকলাম।
ভোর বেলাতেই চলা শুরু তাই খিদে পেয়ে গেল আগে ভাগেই।কিন্তু ড্রাইভার সাহেবের দুইঘন্টা গাড়ি না চালালে থামতে ইচ্ছা করে না😃।তাই আমি তাগাদা দিলাম যে চল নাস্তা করি।রস্তার আসে পাশে খুঁজে এক ধাবাতে দাড়ালাম।ভাত আছে কিনা জিগেস করতেই বলল...চাউল হে না,আ যাও।আমার জামাইয়ের ভাত পাইলে আর কোন কথা নাই তার উপর ধাবাটা বেশ সুন্দর গোছানো। খাটিয়া পাতা আবার টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থাও আছে।ভাতের সাথে খাওয়ার জন্য কি কি আছে ওরা আমাদের হাড়ির ঢাকনা খুলে দেখালো কারণ হিন্দি সব্জির নাম আমার জামাই বুঝতেছিল না। দায়িত্ব পরল আমার ঘারে সব্জি চিনে নেয়ার।তবে একটা জিনিস বলতেই হবে ওদের রান্না খুব ভালো আর রান্নাঘর খুবই পরিস্কার আর গোছানো। দুজনে একটু আরাম করেই খেলাম। খাওয়া শেষে রওনা দিব এই সময় ওখানেই হাইওয়ে পুলিশ ছিল আর সরকারি বড় কোন অফিসার, আমাদের গাড়ির নাম্বার দেখে থামতে বলল।আমাদের গাড়ি র নাম্বার বাংগালীরা ছাড়া কেউ পরতে পারে না😃।ভারতের সব গাড়ির নাম্বার ইংরেজিতে লেখা থাকে।যাই হোক তারা জেগেস করল আমরা কোথায় থাকি, কই যাব।বাংলাদেশ থেকে গিয়েছি শুনে তো চোখ ছানাভরা...তার উপর এই বাইক নিয়ে সারা ভারত ঘুরব শুনে তো আরও অবাক।তারা অনেক গল্প করল।বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের নিয়া অনেক প্রশ্ন তাদের। বেশ অনেক সময় আমরা গল্প করলাম, বিদায়ের সময় তারা আমাদের বেস্ট অফ লাক জানালো।

আবার পথ চলা শুরু। যায়গায় যায়গায় থেমে চা ব্রেক চলল।অনেক গরম তাই চেষ্টা করতাম গাছের ছায়া আছে এমন কোন চায়ের দোকানে দাড়াতে।যতই লৌখনোর দিকে আগাচ্ছি গরম ততই বাড়ছিল। অনেক বেশি গরম আমাদের দেশে এত গরম পরে না।এই জন্য রাস্তার পাসে আখের রস কমলার রস যা পেতাম খেয়ে নিতাম সাথে প্রচুর পানি। এত গরমে পানি ছাড়া কোন ভাবেই শরীর ঠিক রাখা সম্ভব না।এত দীর্ঘ সফর করে আমাদের পৌছাতে রাত হয়ে গেল।শহরে ঢুকতেই ঢুকতেই টের পেলাম এই শহর ইতিহাসের ঐতিহ্যের শহর। আলো ঝলমলে সুন্দর গোছানো একটা শহর।রাস্তার দুইপাশে গাছপালা ফুটপাত নানা রকম ইমারতে সৌন্দর্য আর ঐতিহ্যের ছোয়া। নবাবদের এই শহর আমাদের আন্তরিকতার সাথে ওয়েলকাম জানালো।

চলবে........

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Gazipur
1700