Soa Foundation
"Soa Foundation" পেজে সবাইকে স্বাগতম...
আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন...
[email protected] (Donation)
01/08/2025
টাকার সংখ্যায় পরিমাণ কম হোক...
তবুও দাঁড়ান গাজার ভাই বোনদের পাশে
04/12/2024
জীবন বদলে দেওয়ার মতো শেখ সাদীর ১৫ টি বিখ্যাত উপদেশ।
ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।
১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।
২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।
৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।
৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না।
৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর।
৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না।
৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।
৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।
৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।
১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।
১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।
১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।
১৩. ইহ- পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও|
১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না|
১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।👍
"একসময় ছোটবড় সবকিছু আল্লাহর কাছে চাইতাম। মসজিদে গেলে মনে হতো আল্লাহর কাছে অনেককিছু বলার আছে, চাইবার আছে। পরীক্ষার আগে প্রশ্ন যেন কমন পড়ে, এজন্য কত কাকুতিমিনতি করে আল্লাহর কাছে চেয়েছি। হয়তো খুব সিলি মনে হবে, কিন্তু সেইসময় আমাদের ছোট্ট হৃদয়গুলো জানত, এমন একজন আছেন, যার কাছে সবকিছু চাওয়া যায়, যিনি সবকিছু দিতে পারেন, ওনার কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
এখন আমরা শিখছি ইউ ক্যান ডু ইট, স্বপ্ন যেন তোমাকে ঘুমাতে না দেয়, নিজের উপর বিশ্বাস রাখলে কেউ আটকাতে পারবে না, তুমি চাইলে সব পারবে নানান ‘আমিময়’ মোটিভেশন।
এই দুনিয়ার মোটিভেশন রবের সাথে সেই নিষ্পাপ সম্পর্কটা নষ্ট করে দিয়েছে। আল্লাহর কাছে নাছোড়বান্দার মতো কিছু চাইবার সেই সহজ সরল জীবনটা আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। অতি সাধারণ কিছু চাইতে গেলেও যে চোখে পানি চলে আসত, সারাদিন আল্লাহর নাফরমানিতে কাটিয়েও সেই চোখ আজ মরুভূমি—কাঁদলেও চোখে পানি আসে না। কী এক জিল্লতির জীবন!
📓বই: কাল আবার পাখিরা আকাশে উড়বে
পৃষ্ঠা- ৫৬ - Collected - HM Rezaul Islam
08/05/2024
তাকদির কী? তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস
পৃথিবীতে এমন কোন ঘটনা ঘটেনা, যা আল্লাহ তাআলা নির্ধারণ করেন নি। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা আগে থেকেই সে সম্পর্কে জানেন এবং সেই ঘটনার সাথে তার ইচ্ছাও রয়েছে। ইমানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রোকন হলো তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস। তাকদীরের প্রতি ইমান আনয়ন করা মানে উহার ভাল-মন্দ উভয়ের প্রতিই বিশ্বাস করা। প্রতিটি বস্তুতে সৃষ্টিগতভাবে আল্লাহ তায়া’লা নির্ধারিত প্রকৃতি প্রদত্ত তার নিজস্ব কিছু গুণ, ক্ষমতা ও সম্ভাবনা বিদ্যমান থাকে। বস্তুর অন্তর্নিহিত গুণাগুণকে ‘কদর’ বলা হয়। তাকদির অর্থ ভাগ্য। বান্দার তাকদির আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। বান্দার ভালো মন্দ যা কিছু হোক তা সবই আল্লাহর হুকুমে হবে। দুনিয়ায় ভালো কিছু পাওয়া গেলে আত্মহারা হয়ে যাওয়া যাবে না আবার কোন বিপদ আপদে পড়লে হতাশ হওয়া যাবে না। বরং এটি আল্লাহর দান। তাই এ ব্যাপারে আল্লাহ তায়া’লার শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা আদায় করতে হবে। সুতরাং আমাদের আল্লাহর নিকট সাহায্য চাইতে হবে। ভালো-খারাপ অবস্থায় সবর বা ধৈর্য রাখতে হবে। তাকদিরে বিশ্বাস করতে হবে এবং নেক কাজ করতে হবে।
আমাদের জীবনে সবকিছুই হয় আল্লাহর পূর্ব নির্ধারণ অনুযায়ী এবং সবই হয় তাঁর অনুমতিক্রমে ও জ্ঞাতসারে। আল্লাহর ইচ্ছা ও জানার বাইরে বান্দা কিছুই করতে পারে না। আমাদের যদি এই বিশ্বাস থাকে তাহলে অদৃষ্টবাদ ও অদৃষ্টকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। আপনার মধ্যে যদি এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকে তাহলে আপনি অতি আনন্দে আত্মহারা হবেন না কিংবা কোনো ব্যর্থতায় দিশেহারাও হবেন না।
উলামায়ে কেরাম তাকদীরকে দু’ভাগে ভাগ করেন।
১. তাকদীরে মুবরাম ২. তাকদীরে মাআল্লাক। তাকদীরে মুবরাম হল তাকদির চূড়ান্ত যা কখনোই পরিবর্তন হয় না। অনাদী থেকে আল্লাহর কাছে যা লিপিবদ্ধ আছে তাই সংঘটিত হবে। আর তাকদীরে মুআল্লাক হল, যা ফেরেশেতাদের খাতায় লিখা থাকে। এই প্রকারের তাকদীর দোয়া বা বিভিন্ন কর্মের মাধ্যমে পরিবর্তন হতে পারে। কুরআন হাদিসে তাকদীর পরিবর্তনের ব্যাপারে যা বলা হয়েছে, তা এই প্রকার তাকদীরের ব্যাপারেই। আল্লাহ সুবহানাল্লাহ ওয়া তায়ালা বলেন, ‘আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন স্থির রাখেন, আর তাঁর কাছেই রয়েছে মূল কিতাব।’ (সূরা রা’দ, আয়াত : ৩৯)।
হাদিস শরীফে বলা আছে, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘দোয়া ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে না এবং সৎকাজ ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই হায়াত বাড়াতে পারে না।’ ( সুনানে তিরমিযী, হাদিস : ২১৩৯)। তবে, অনেকে মনে করেন বান্দা তার কাজের সৃষ্টিকর্তা। অর্থাৎ তাকদির বলতে কিছু নেই, অনেকটা তাকদিরকে অস্বীকার করার শামিল। তারা নিজেই তাদের নিজেরটা নির্ধারণ করে নেন। আমরা অবচেতন মনে বলে ফেলি,”ভাগ্য বলতে কিছু নেই, মানুষের কর্মই তার ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।” মানুষ যদি নিজের ভাগ্য ঠিক করে নিতে পারতো তাহলে পৃথিবীতে কোন মানুষ মারা যেতো না। অনেক লোক ঔষধ খাচ্ছেন সুস্থ হচ্ছেন না আবার অনেকে ঔষধ না খেয়েই সুস্থ হচ্ছেন। যদি এমন মনে হয় আমাদের কর্মই আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে এটি অবাস্তব কথা।
আবার এক প্রকার লোক যারা বলে, মূলত বান্দার আসলে কোন কিছু করার নাই, সব আল্লাহর চূড়ান্ত করে রেখেছেন। বান্দা বাধ্য আল্লাহর নির্ধারিত বিষয়ে অটল থাকে। কিন্তু বান্দার তাকদির আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। তবে, বান্দাকে আল্লাহ পাক কাজ করার ক্ষমতা দিয়েছেন এবং স্বাধীনতা দিয়েছেন। সমাজে অনেকে আছে সামান্য সমস্যা হলেই অন্যের কাছে সহায়তা চায়। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে নিজের শক্তি সামর্থ্য থাকা পর্যন্ত কাজ করতে হবে। কিন্তু খুআ প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য যথার্থ। কেননা আল্লাহ সুবহানাল্লাহ ওয়া তায়ালা নামাজের পরই রুজিরোজগারের জন্য তাগিদ দিয়েছেন।
তাকদিরে বিশ্বাস ব্যতিত কোন ব্যক্তির ইবাদাত কবুল হবে না। কেননা তাকদির বিশ্বাস হলো ইমানের একটি অংশ। নামাজ, রোজা, হজ্জ পালন হলেও সমাজে অনেক ব্যক্তি যারা লোক দেখানো ইবাদত করে থাকে। তারা সামান্য কোন বিষয় নিয়েই চিন্তিত, অর্থাৎ এ জাতীয় ব্যক্তিরা তাকদিরে বিশ্বাসী নন। হযরত সা’দ (রা.) একবার আল্লাহর রাসূল (সা.) কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ, কোন ধরনের মানুষ সর্বাধিক বিপদ আপদে পতিত হয়? জবাবে আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, সর্বাধিক কঠিন বিপদে পতিত হন নবীরা (আ.), তারপর নেককারগণ, এরপর পর্যায়ক্রমে উত্তম লোকগণ। মানুষকে বিপদাপদ দ্বারা পরীক্ষা করা হয় তার ধর্মের প্রতি দৃঢ়তা ও নিষ্ঠা অনুযায়ী। যদি ধর্মের প্রতি তার দৃঢ়তা থাকে তাহলে তার বিপদ আরো কঠিন করা হয়। যদি ধর্মের প্রতি দৃঢ়তা না থাকে তবে তার বিপদ হালকা করে দেওয়া হয়। কারো কারো ওপর বিপদ আসতে থাকে অনবরত। অবশেষে সে পৃথিবীতে বিচরণ করে এমনভাবে যে তার কোনো পাপ থাকে না।
জন্ম, মৃত্যু, রিজিক, তাকদির সবই মহান আল্লাহর হাতে এবং এ সবই মহান আল্লাহ কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত। এটা শুধু মুখে না বলে অন্তরে বিশ্বাস করাই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। যারা তাকদির বিশ্বাস করে এবং হতাশ না হয়ে মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে ধৈর্য ধারণ করে কোনো পাপ করে করে না বা ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কোনো অসাধু উপায় অবলম্বন করে না তাদের পরিচয় মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে দিয়েছেন, “আপনি বলুন, আমাদের কাছে কিছুই পৌঁছবে না, কিন্তু যা আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছেন; তিনি আমাদের কার্যনির্বাহক। আল্লাহর উপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত। (সূরা আত-তাওবাহ -৫১)।
সুতরাং তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস বলতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীতে প্রতিটি বিষয়ের ঘটনা যা ঘটেছে বা ঘটমান এবং ঘটবে প্রতিটি বিষয়ই পূর্ব থেকে নির্ধারিত। আল্লাহর তাকদিরেই সব হয়ে থাকে। তাকদির মানেই হলো নির্ধারণ। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্ধারণ করাটাই হলো তাকদির।
রাসুল সাঃ বলেছেন, জান্নাতের একটি দরজা আছে যাকে বলা হয় রাইয়ান। কিয়ামতের দিন একমাত্র রোজাদার ব্যক্তিরাই এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। 🌹
(সহীহ বুখারী)
মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারী, মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যনিষ্ঠ পুরুষ ও সত্যনিষ্ঠ নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশীল নারী, বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী, দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, রোযাপালনকারী পুরুষ ও রোযাপালনারী নারী, যৌনাঙ্গের সুরক্ষাকারী পুরুষ ও যৌনাঙ্গের সুরক্ষাকারী নারী, আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী নারী- আল্লাহ তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান।
📖 সূরা আহযাব , আয়াত - ৩৫ 📖
25/03/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the place of worship
Telephone
Address
Jessore
7400