Alima Alin

Alima Alin

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alima Alin, Digital creator, Jessore.

04/09/2025

#লেখিকা_এলিনা_
#রোমান্টিকগল্প
#গল্প _হৃদয়ের নীরব ভাষা __
পাঠ --৪

কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রিয়ান আর অর্পিতার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল। তারা একে অপরের জীবনের প্রতিটি ছোটখাটো মুহূর্তে সঙ্গে থাকতে শুরু করল—সকালবেলা চায়ের কাপ ভাগ করা, বইয়ের পাতায় ছোট ছোট নোট লেখা, নদীর ধারে হাটতে যাওয়া।

এক বিকেল, অর্পিতা রিয়ানের সঙ্গে গ্রামের ছোট্ট বাগানে গেল। বাগানের রঙিন ফুল আর নরম বাতাসের মাঝে তারা বসে গল্প করছিল। হঠাৎ রিয়ান নরমভাবে বলল,
“তুমি জানো, আমি কখনও তোমাকে একা থাকতে চাইনি। তোমার পাশে থাকা মানে আমার জীবন পূর্ণ।”

অর্পিতার চোখে হালকা আর্দ্রতা জমল, কিন্তু সে হেসে বলল,
“আমি ও একই কথা ভাবি। তোমার সঙ্গে থাকা মানে সব চিন্তা, সব দুঃখ যেন দূরে চলে যায়।”

চুপচাপ তারা হাতের হাত ধরে বসে রইল। বাতাসের নরম ছোঁয়া, পাখির মৃদু ডাক, আর চারপাশের শান্তি—সবই তাদের আবেগকে আরও শক্তিশালী করে তুলল।

এক রাতে, তারা গ্রামের নদীর ধারে বসে চাঁদের আলোয় গল্প করছিল। অর্পিতা হঠাৎ মাথা রাখল রিয়ানের কাঁধে। রিয়ান ধীরে ধীরে তার হাত আঁকড়ে ধরল। তারা শুধু বসে রইল, কোনো শব্দের দরকার নেই। চোখের ভাষা, হাতের স্পর্শ, ছোট হাসি—সবই একে অপরের ভালোবাসার প্রকাশ।

রিয়ান নরমভাবে বলল,
“আমি চাই এই শান্তি, এই মুহূর্ত, চিরকাল ধরে থাকুক।”

অর্পিতার হালকা হাসি, নীরবতা, আর কোমল চোখের ভাষা—সব মিলিয়ে তাদের ভালোবাসা যেন চিরন্তন হয়ে উঠল।

চলবে,,,......

04/09/2025

#রোমান্টিকগল্প
#লেখিকা_এলিনা_
#ফেসবুকগল্প

হৃদয়ের নীরব ভাষা--
পাঠ -৩

পরবর্তী কয়েক মাসে রিয়ান আর অর্পিতার সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে উঠল। তারা একে অপরের জীবনের ছোটখাটো খুশি এবং দুঃখ ভাগ করতে শিখল। হঠাৎ কোনো বৃষ্টি, কোনো হাওয়া, এমনকি চায়ের কাপও তাদের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হয়ে যেত।

এক বিকেল, রিয়ান অর্পিতাকে নিয়ে গ্রামের পুরোনো বটগাছের কাছে গেল। আকাশে সূর্য ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছিল। রিয়ান হেসে বলল,
“চলো, আজ শুধু চুপচাপ একে অপরের সঙ্গে বসে থাকি। কিছু বলার দরকার নেই।”

অর্পিতা প্রথমে একটু লজ্জায় মাথা নাড়ল, তারপর বসে পড়ল। তারা শুধু বসে রইল, বাতাসের নরম স্পর্শ অনুভব করে। অর্পিতার কণ্ঠে হালকা গান ভেসে এলো—যা রিয়ানকে এক অদ্ভুত শান্তি দিল। রিয়ান তার হাত ধীরে ধীরে অর্পিতার হাতের উপর রাখল।

চোখে চোখ রেখে তারা বুঝল, কথার দরকার নেই—হাতের স্পর্শ, হালকা হাসি, চুপচাপ থাকা, সবই একে অপরের ভালোবাসার ভাষা।

কিছুদিন পরে, তারা গ্রামের নদীর ধারে রাত কাটালো। চাঁদ পুরোপুরি আকাশে উঠেছিল, আর নদীর জল চাঁদের আলোতে রূপালি হয়ে উঠছিল। অর্পিতা হঠাৎ মাথাটা রিয়ানের কাঁধে রাখল। রিয়ান হেসে বলল,
“আমি চাই এই শান্তি, এই মুহূর্ত, চিরকাল ধরে থাকুক।”

অর্পিতার চোখে নরম নরম পানি জমল, কিন্তু সে হেসে বলল,
“আমিও চাই। তুমি থাকলে, সব কিছু ঠিক মনে হয়।”

তাদের রাত কাটল, হাওয়ার নরম ছোঁয়ায়, নদীর ঢেউয়ের মৃদু শব্দে, শুধু একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করে। প্রতিটি চুপচাপ মুহূর্ত তাদের ভালোবাসাকে আরও দৃঢ় করল।

04/09/2025

#রোমান্টিকগল্প
#ফেসবুকগল্প
#লেখিকা_এলিনা_

___হৃদয়ের নীরব ভাষা

পাঠ --২
পরের কয়েক সপ্তাহ ধরে রিয়ান আর অর্পিতা আরও কাছাকাছি হয়ে গেল। তারা একে অপরের কাছে শুধু বন্ধু নয়, বরং সেই মানুষ, যার সঙ্গে সবটা ভাগ করা যায়—হাসি, কান্না, স্বপ্ন।

এক সন্ধ্যায় তারা আবার নদীর ধারে বসেছিল। আকাশটা গোলাপি-কমলা রঙে রঙিন, হাওয়া হালকা, আর চারপাশে শুধু নীরবতা। অর্পিতা হঠাৎ বলল,
“রিয়ান, কখনও মনে হয়নি, যদি আমরা একসাথে না থাকি, পৃথিবীটা অদ্ভুত খালি হয়ে যাবে?”

রিয়ান চুপচাপ তাকাল, তারপর ধীরে ধীরে অর্পিতার হাত ধরল।
“হ্যাঁ,” সে বলল, “তোমার হাত ধরে থাকা মানে আমার জন্য সব ঠিক আছে। তুমি থাকলে সবকিছু সুন্দর লাগে।”

তারপর তারা দীর্ঘক্ষণ চুপচাপ বসে থাকল, শুধু একে অপরের দিকে তাকিয়ে। নদীর ঢেউ যেন তাদের অনুভূতির প্রতিধ্বনি। চোখের ভাষায় তারা একে অপরকে জানালো—কতটা ভালোবাসা, কতটা বিশ্বাস, আর কতটা স্নেহ তাদের হৃদয়ে আছে।

রাত যখন গভীর হল, তারা ধীরে ধীরে হেঁটে বাড়ির পথে ফিরল। কিন্তু সেই রাতে তাদের মনে আর কোনো দ্বিধা ছিল না—কেবল একে অপরের সান্নিধ্য আর শান্তি।

প্রেমের এই নীরবতা, এই কোমল আবেগ—তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হয়ে রইল।

চলবে........ যদি তোমরা চাও???

04/09/2025

#রোমান্টিকগল্প

হৃদয়ের নীরব ভাষা----
পাঠ -১

রিয়ান আর অর্পিতা একে অপরকে কলেজে দেখেছিল প্রথম। রিয়ান সবসময় চুপচাপ, বইয়ের ভেতর ডুবে থাকা ছেলে। অর্পিতা প্রাণবন্ত, হাসিখুশি মেয়ে।

একদিন বৃষ্টি শুরু হলো, কলেজের উঠোন ভিজে গেল। রিয়ান দেখল অর্পিতা ছাতা ছাড়া, ভিজে ভিজে হাঁটছে। সে ছুটে গিয়ে ছাতা ধরালো তার হাতে। অর্পিতা হেসে তাকাল, “ধন্যবাদ, তুমি সবসময়ই সময়ে সময়ে পাশে থাকো।”

সেই ছোট্ট স্পর্শের মধ্যেই কিছু আলাদা অনুভূতি জেগে উঠল। দু’জন ধীরে ধীরে একে অপরের গল্প, স্বপ্ন, হাসি আর দুঃখ ভাগ করতে লাগল।
রাতের আকাশে তারা বসে চাঁদের আলোয় নদীর ধারে গল্প করত। চোখের মাধ্যমে কথা বলত, এবং হালকা হাসি তাদের মনের ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়াত।

একদিন অর্পিতা সাহস করে বলল,
“রিয়ান, তুমি কি জানো? তোমার সাথে থাকা মানে আমার জন্য পুরো পৃথিবীটা সুন্দর হয়ে যায়।”

রিয়ান হেসে বলল,
“আর তোমার হাসি? সে আমার সব চিন্তা ভেঙে দেয়, শুধু খুশি নিয়ে আসে।”

চুপচাপ রাতের মাঝখানে, তারা শুধু একে অপরকে চেয়ে দেখল। কোনো শব্দের দরকার ছিল না। তাদের চোখে চোখ রেখে, হাতের স্পর্শে, হৃদয়ের গভীরতম আবেগ একে অপরের কাছে পৌঁছে গেল।

সেই রাতটি রিয়ান আর অর্পিতার জন্য শুধু একটি স্মৃতি নয়, এটি তাদের ভালোবাসার প্রথম নীরব প্রতিশ্রুতি হয়ে রইল।

চলবে............যদি তোমরা চাও??

Want your business to be the top-listed Media Company in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Jessore