CSE basic
Jara CSE jogote noutn...youtube,google dekheo programming somporke temon kicu bujte parcen na tara knock dite paren.
প্রোগ্রামিং শিখব... কোন ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে শুরু করতে পারি??
___________________________________________________________
নতুনদের সবার মনেই একটা কমন প্রশ্ন... তবে উত্তর খুব সহজেই মানুষ বলে দেয় C programming দিয়ে শুরু করো। হ্যা... C দিয়েই শুরু করা উচিৎ। বাট এর বাইরে অন্য কোন ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে শিখলে যে শেখা যাবে না এমন নয়। তবে C দিয়ে শুরু করাটাই ভাল।
______________________________________________
পাইথন দিয়ে কি শুরু করা যাবে?
__________________________________
হ্যাঁ অবশ্যই যাবে। তবে পাইথন এর সিনট্যাক্স অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে তুলনামুলক সহজ(পাইথন নয়...পাইথনের সিনট্যাক্স)। তাই যদি পাইথন দিয়ে শুরু করেন তাহলে পরে যদি অন্য ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে যান তখন বিরক্তি বোধ হতে পারে... কঠিন ও মনে হতে পারে। তখন আর অন্য ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা না ও হয়ে উঠতে পারে। তাই ভাল হয় পাইথন টার্গেট এ থাকলেও C দিয়ে ব্যাসিক শুরু করা।
_____________________________________________________
আমি অমুক ল্যাঙ্গুয়েজের ডেভেলপার হব... তাহলে কি অন্য ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার কোন প্রয়োজন আছে???
______________________________________________________________________
শিখলে কোন ক্ষতি নেই। তবে আমার পরামর্শ থাকবে অন্তত ২-৩ টা ল্যাঙ্গুয়েজ এর ব্যাসিক টা শিখে রাখা। কারন বর্তমান সময়ের ভাল ডেভেলপাররা মাল্টিপল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর নলেজ রাখছে। বর্তমান সময়ে ভাল ভাল এপ্লিকেশন, ভাল ভাল সার্ভিস গুল ও মাল্টিপল ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তৈরি করা। আর তাছাড়া আপনি যদি নিজেকে প্রোগ্রামার দাবি করতে চান তাহলে আপনার উচিৎ হবে অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের ওপরও কিছুটা ধারনা রাখা।
____________________________________________________________________
তাহলে কি ৪-৫ টা ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর এক্সপার্ট হতে হবে???
____________________________________________________________________
এমনটা নয়... তবে একজন ভাল প্রোগ্রামার এর উচিৎ অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর ও নলেজ রাখা। আপনি স্পেসিফিক ভাবে কোন ল্যাঙ্গুয়েজ এর ওপর পারদর্শিতা অর্জন করলেও অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজ এর ব্যাসিক টা শিখে রাখলে উপকার ছাড়া কোন ক্ষতি নেই। তাই একটা ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে পড়ে না থেকে কয়েকটা ল্যাঙ্গুয়েজ শিখে রাখা ভাল।
_______________________________________________________
কোন ল্যাঙ্গুয়েজের চাহিদা এখন বেশি???
_______________________________________________________
এক একটা ফিল্ডে এক একটা ল্যাঙ্গুয়েজের চাহিদা রয়েছে। কোনটিই কম জরুরি নয় বা এমন কোন ল্যাঙ্গুয়েজ নেই যার কোন ফিল্ড নাই। আপনি যেদিকেই যান না কেন, এক্সপার্ট হতে পারলে Assembly language এর ও চাহিদা রয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে মানুষ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলেন্সি, মেশিন লার্নিং, রোবোটিক্স, ডাটা সাইন্স এইসবের দিকে বেশি ঝুকছে। এগুলর জন্য পাইথন এর প্রশংসা এখন মানুষের চোখে বেশি পড়ছে। তার মানে এই নয় যে অন্যান্য দিকের কোন চাহিদা নেই। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডাটা এনালিস্ট, রোবটিক্স, নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং আরো অনেক দিকই রয়েছে যার অনেক চাহিদা। যেটি আপনার চয়েজ হয়, সেটির রোড ম্যাপ দেখে আগাতে পারেন।
___________________________________________________________________
এর বাইরে কারো কোন কিছু জানার থাকলে ইনবক্স করতে পারেন।
প্রোগ্রামিং ব্যাসিক বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ব্যাসিক শিখতে চাইলে ইনবক্স করতে পারেন। ব্যাসিক টা শিখতে হেল্প করব ইনশা আল্লাহ্। কোন চার্জ বা ফি নেই... একদম ফ্রি...
ডাটা এন্ট্রি...
কেমন এটির ফিউচার??? বর্তমানেই বা এটির চাহিদা কেমন???
আমার কি এটি পার্মানেন্ট ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়াটা ঠিক হবে???
__________________________________________________________
সত্যি বলতে বর্তমানে এখনো এটির মোটামুটি চাহিদা থাকলেও ফিউচার নিয়ে কোন নিশ্চয়তা ই নেই। বর্তমান সময়ে এমন অনেক কিছুরই আবির্ভাব হচ্ছে যেটী ডাটা এন্ট্রিকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখন পিকচার টু পিডিএফ তুলনামূলক অনেক সহজ। এছাড়া ল্যাঙ্গুয়েজ কনভার্ট এর জন্য ও অনেক বেটার এপ্লিকেশন বের হয়েছে। আর ভবিস্যতে এই কাজ গুল আরো অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠবে। সুতরাং ভবিস্যতে এসব কাজের জন্য লোক হায়ার করা একেবারেই কমে যাবে।
___________________________________________________________
আমাদের কি তাহলে ডাটা এন্ট্রি ছেড়ে দেওয়া উচিত???
___________________________________________________________
ছেড়ে দেওয়ার কোনই প্রয়োজন নেই। যে কাজ পাবেন সে করবেন। তবে এটিকেই মেইন ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিলে ভবিষ্যতে কাজ পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়বে। সুতরাং আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ থাকবে এটিকে মেইন ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে না নেওয়া।
____________________________________________________________
তাহলে কি পুরা ফ্রিল্যন্সিং জগত টা ই ছেড়ে দিব???
_____________________________________________________________
মোটেও নয়। এটিই একমাত্র ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর নয় সেটি আপনারা অনেক ভাল ভাবেই জানেন। আপনাদের হয়ত মনে হতে পারে যে এটি বাদে বাদ বাকি সেক্টর গুল অনেক কঠিন। মোটেও সেটা নয়। একটু চেষ্টা করলেই আপনারা আরো অনেক সেক্টরই আছে যেখানে অনেক ভাল করতে পারবেন। ডাটা এন্ট্রির পাশাপাশি অন্য দিকেও নিজের স্কিল গড়ে তুলুন। যেন ভবিষ্যতে ও কাজের ধারা বজায় রাখতে পারেন।
_______________________________________________________________
কোন সেক্টরের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল???
_______________________________________________________________
বর্তমানে ডাটা এনালাইসিস, ডাটা মাইনিং, মেশিন লার্নিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট আরো অনেক সেক্টরই আছে যার ফিউচার অনেক ভাল। আপনারা এইসব দিক গুল বেছে নিতে পারেন। এটির জন্য যে সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড ই লাগবে বা সি এস ই নিয়ে ই পড়া লাগবে এমন কোন কথা নেই। যেকোন মানুষই চেষ্টার মাধ্যমে এইসব সেক্টরে উন্নতি করতে পারেন।
__________________________________________________________________
কোন প্রশ্ন বা কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। আমাদের সাথে Discord এর মাধ্যমে ও যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ...
04/03/2022
সাইবার সিকিউরিটি কি?
সাইবার অর্থ অনলাইন জগৎ, আর সিকিউরিটি মানে হলো নিরাপত্তা। অর্থাৎ অনলাইন জগতের নিরাপত্তাকেই সাইবার সিকিউরিটি বলে। অনলাইনে কোনো ব্যাক্তির তথ্য, ডিভাইস(মোবাইল, কম্পিউটার বা যা দিয়ে অনলাইনে এক্সেস করবে) এগুলিকে নিরাপত্তা দেওয়ার যে প্রক্রিয়া তাকে সাইবার সিকিউরিটি বলে। আর এই সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে যারা রিসার্চ করে তাদের বলা হয় সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট।
জব ফিল্ড:
একজন সাইবার সিকিউরিটি অফিসার হিসেবে বাংলাদেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যায়। ইনফরমেশন সিকিউরিটি হিসেবে সরকারি ও প্রাইভেট ব্যাঙ্কগুলোতে অনেক ভালো বেতনে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। সেনাবাহিনীতে সাইবার সিকিউরিটি অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়াও সাইবার সিকিউরিটি অফিসার হিসেবে আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়। যেমনঃ
সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট
ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার
রিস্ক ম্যানেজার
প্রশিক্ষক
আইটি অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি
ডাটা সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট
কনসালট্যান্ট
সিকিউরিটি আর্কিটেকচার আরো অনেক কিছু।
বাইরের দেশে সাইবার সিকিউরিটি অফিসারের চাহিদা আরো বেশি।
সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং জগতে ও ভালো ইনকাম করা সম্ভব।
সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট দের বেতন:
বাংলাদেশে একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের বেতন বছরে ১০-৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বিভিন্ন উন্নত দেশে একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের বেতন বছরে সর্বোচ্চ ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার উপর নির্ভর করে একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের বাৎসরিক বেতন আরো বেশি হতে পারে। তবে সাইবার সিকিউরিটি জগতে সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট এর বাইরে ও অনেক ছোট বড় সেক্টর রয়েছে।
সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট হতে হলে করণীয়:
বিগিনার হিসেবে প্রথমত অপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং(), কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ওয়েব, ডাটাবেস, সাইবার এটাক এসব সম্পর্কে ব্যাসিক নলেজ থাকতে হবে। ভালো কোনো গাইড থাকলে সেলফ লার্নিং করে ও ব্যাসিক মজবুত করা যায়। তারপর যেকোনো একটা প্রিতিষ্ঠান থেকে সাইবার সিকিউরিটি এর ওপর কোর্স করে নিতে পারেন। সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার জন্যে আপনার আইটি সম্পর্কে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকা লাগবে। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই বললেই চলে। ভালো কোনো প্রতিষ্টান থেকে কোর্স করে ভালো স্কিল অর্জন করলেই আপনি সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট হিসেবে চাকরি পেতে পারেন।
এর বাইরে কিছু জানার থাকলে এই লিংক (https://askmeanything.info/সাইবার-সিকিউরিটি-স্পেশাল/) এর আর্টিকেল টা পড়তে পারেন। তার পরেও কিছু জানার থাকলে কমেন্টে প্রশ্ন করতে পারেন। উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশা আল্লাহ।
সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট হিসেবে যেভাবে ক্যারিয়ার গড়বেন প্রযুক্তি বিশ্বে প্রতিনিয়ত আসছে পরিবর্তন। বাড়ছে প্রযুক্তি পণ্যের সুবিধাদি। একই সঙ্গে বাড়ছে তথ্য নিরাপত্তা ঝুঁ....
যারা CSE তে ভর্তি হয়েছেন তাদের জন্য কিছু কথা...
* শুধু ক্লাসের টাস্ক গুলো শেষ করে ভালো সিজিপিএ আনলেই আপনার ফিউচার ব্রাইট এমন মোটেও নয়। ক্লাসের পড়ার পাশাপাশি আপনাকে নিজের স্কিল বিল্ড আপ করতে হবে। সেটা হতে পারে ক্লাসের কম্পিউটার রিলেটেড টপিক্স গুলোই প্রফেশনাল লেভেলে শেখা অথবা ক্লাসের বাইরে নিজের ইচ্ছা মতো কোনো একটা দিক বেছে নেওয়া।
* নিজের ইচ্ছা মতো একটা দিক বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আগে দেখুন আপনার কোন কাজটি করতে বেশি ভালো লাগে। এমন কোনো দিক খুঁজে বের করুন যেটা করতে আপনার বোরিং ফিল হয় না। যার ডিজাইন করতে ভালো লাগে সে ডিজাইনিং এর দিকে যাবেন, যার কোডিং করতে ভালো লাগে সে কোডিং এর দিকে যাবেন এমন আরো অনেক দিক আছে...
* CSE এর অনেক ফিল্ড রয়েছে। এর মধ্যে পপুলার কয়েকটি হলো - ওয়েব ডেভেলপমেন্ট,সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, সাইবার সিকিউরিটি, ডাটা এনালিস্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সি, এনিমেশন ক্রিয়েশন, 3D মডেলিং, গেইম ডেভেলপমেন্ট, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং আরো অনেক কিছু। CSE এর অনেক ফিল্ড রয়েছে। শুধু এটা বুঝতে হবে যে আপনার কোন দিকটি ভালো লাগে।........................................................................................................................................
এর মধ্যে কোন দিকটি সম্পর্কে ডিটেলস এ জানতে চান সেটি কমেন্ট করুন। চেষ্টা করবো সেটি সম্পর্কে ডিটেলস এ পোস্ট করার।
Click here to claim your Sponsored Listing.