Azad Agro
Azad agro is the largest meat producer in Bangladesh. We have exclusive dairy, sweets and bakery pro
20/01/2025
ভালো ফল পেতে আমের মুকুলে স্প্রে করার নিয়ম ও বিশেষ যত্ন
আজকে আপনাদের জানাব-
১. কয়বার স্প্রে করতে হবে
২. ফল ঝরা রোধে করণীয়
৩. জৈব পদ্ধতিতে হপার পোকা ও ফল ছিদ্র কারী মাছি পোকা দমন
৪. কখন সেচ দিবেন
চলুন জেনে নেই-
✅প্রথমবার স্প্রেঃ ( জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগে)
✔️সাইপারমেথ্রিন অথবা ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মিলি / লিটার পানিতে
অথবা
✔ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
✔ একদিন পর সালফার অথবা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
>>তবে মুকুল আসার আগে স্প্রে করা জরুরি নয়। ঘন কুয়াশা অবস্থায় আগাম ব্যবস্থা হিসেবে এটি করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
⏹️মুকুল আসার পরে-
✅২য়বার স্প্রেঃ (মুকুল ৪-৬ ইঞ্চি হওয়ার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে)
✔️হপার পোকা দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
✔️একদিন পর অ্যানথ্রাকনোজ রোগ দমনে ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন ইন্ডোফিল / ডায়থেন এম ৪৬/নেমিস্পোর /এগ্রিজেব ৮০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
🔰 #জৈব_পদ্ধতিঃ গাছে হপার পোকা দমনে মুকুল আসার পর পর #আঠালো হলুদ ও নীল ফাদ লাগিয়ে দিতে পারেন।
➡️ভালো ফলন পেতে
২য়বার স্প্রে করার ২-৩ দিন পরে সলুবর বোরন লিটারে ১.৫ গ্রাম হারে এবং চিলেটেড জিংক লিটারে ০.২৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
⛔সতর্কতাঃ ফুল ফোটার পর কোন স্প্রে করা যাবে না। স্প্রে করার সময় গাছের পাতা, মুকুল, ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।
✅তৃতীয়বার স্প্রেঃ(ফল মটরদানা আকৃতির হলে)
√√উপরের ২য়বার স্প্রে করার নিয়মে ইমিডাক্লোপ্রিড, ম্যানকোজেব অথবা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করবেন।
🍋 া রোধে
√√প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে ফল মটরদানা অবস্থায় একবার এবং মার্বেল আকৃতির হলে দ্বিতীয়বার বার স্প্রে করতে হবে।
🔰জৈব পদ্ধতিতে #মাছি_পোকা দমনেঃ
ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ফল মার্বেল অবস্থা থেকে ম্যাজিক ফাদ #জোনাট্র্যাক অথবা ফেরোমন ফাদ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ফল ব্যাগিং করে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
💧💧 #সেচ_প্রদান
√√ফলন্ত গাছে মুকুল আসার ৩ মাস আগে থেকে সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।
√√আমের মুকুল ফোটার শেষ পর্যায়ে কমপক্ষে একবার ও ফল মটর দানা হলে একবার সেচ দিতে হবে।
>তবে মুকুল অবস্থায় সেচ দেওয়া নিয়ে মতভেদ আছে। ফুল ফোটার আগে সেচ দেওয়া যাবে না।
>>কলম করা গাছের বয়স ৪ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙ্গে দেওয়া ভালো। । এতে আম গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় ও দীর্ঘ দিন ফল দেয়। তবে গাছের বৃদ্ধি খুব ভালো হলে ৩ বছরের পর থেকে মুকুল রাখতে কেউ কেউ পরামর্শ দেন।
>>গাছের গোড়া আগাছা মুক্ত ও পরিস্কার রাখতে হবে। মনে রাখবেন এসব আগাছায় পোকা বাসা বাঁধে।
>>এছাড়া আরো সঠিক ভাবে আমের জত্ন নিতে সরাসরি নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন আমাদের সাথে। নিয়মিত আপডেট পেতে পেইজ ফলো করুন।আপডেট ছবিসহ আমাদেরকে ইনবক্স করবেন
#মাছিপোকা #জোনাট্র্যাক #জৈব #বালাইনাশক #নিরাপদ #আমের #মুকুল #পরিচর্যা #হপার #পোকা #ফল #স্প্রে #কৌশল #নিয়ম #ফলঝরা #ঝরা #ঝরে #আম
থাই অগ্নিস্বর কচু, কাঁচা খাওয়া যায় যে কচু।
কচুর নাম শুনলেই অনেকের হাত ও গাল চুলকাতে শুরু করে। অথচ সেই কচু দিব্বি কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া যায়। এমনই এক আশ্চর্যজনক কচু চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন খুলনার কৃষক নিউটন মণ্ডল। নিজের ঘেরের পাড়ে উঁচু স্থানে থাই অগ্নিস্বর নামে কচু চাষ করছেন এই কৃষক। এখন তার স্বপ্ন এই সবজির চারা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া।
এদিকে, নিউটনের দেখাদেখি অনেকেই শুরু করেছেন থাই অগ্নিস্বর কচুর চাষ। মাংসের সঙ্গে রান্না করলে এ কচুর স্বাদ অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিউটন জানান, দুই বছর আগে কৃষি বিভাগের সহায়তায় ডুমুরিয়া উপজেলার ঘোনা মাদারডাঙ্গা এলাকায় ঘেরের পাড়ে থাই অগ্নিস্বর কচু চাষ শুরু করেন তিনি। এটি উচ্চমূল্যের কচু। এই কচু উঁচু ও শুষ্ক জায়গায় লাগাতে হয়। গাছের নিচে বা ছায়া জায়গাতেও লাগানো যায় সবজিটি। লাইন থেকে লাইন ২ হাত কচুটি লাগাতে হয়। কচু লাগানোর সময় জৈব সার দিতে হয়। থাই অগ্নিস্বর কচু এক বছরের নিচে হার্বেস্ট করা যায় না। দেড় বছর পর্যন্ত রাখলে ২০ কেজি পর্যন্ত কচুর মূল পাওয়া যায়। কচুটি ১২ মাসই লাগানো যায়। ঘের পাড় ও পরিত্যক্ত জায়গা, ঘরের আঙিনায় এই কচু লাগানো যায়।
কচুটি কাঁচা চিবিয়ে খাওয়ার পর স্থানীয় চাষি দশোরত মণ্ডল বলেন, ‘কচু ধরলে বা কাটলে হাত চুলকায়। সেখানে থাই অগ্নিস্বর কচু কাঁচাই খাওয়া যায়। কোনো দিন কাঁচা কচু খাইনি। তবে এ কচু খাইতে খুব স্বাদ লাগলো।’
কৃষক নিউটন মণ্ডল বলেন, ‘এই কচুর গোড়া, বাকল ও পাতা খেলে মুখ চুলকায় না। কাঁচা খেতে মিষ্টি আলু, শাক আলু, কলার থোড়, নারকেল ও খেজুরের মাথির মতো লাগে। এর ভেতরের কালার একেবারে ক্রিমের মতো হালকা হলুদ। তবে এটি কাঁচা খাওয়ার জন্য নয়। গরু, খাসি, মুরগি বা হাঁসের মাংসের তরকারিতে এই কচুর স্বাদ অতুলনীয়। শুধু মাংস নয়, মাছ কিংবা শুধু কচুটি রান্না করলেও খেতে দারুণ লাগে। এই কচুর এতোই স্বাদ যে একবার যিনি খাবেন তিনি আবারও খুঁজবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি শুরুতে ৬০০ চারা লাগাই। ২০টির মতো কচু বিক্রি করেছিলাম। বাকিগুলো কেটে কেটে চারা তৈরি করেছি।
এই কৃষক বলেন, ‘এই কচুর চারার কদর অনেক। দেশে এই চারার চাহিদা মেটানোর মতো কোনো লোক নেই। অনেকেই আমার কাছ থেকে কচুটির চারা নিচ্ছে। প্রতি পিস চারা ৫০ টাকা করে বিক্রি করছি। এখন পর্যন্ত ৩ হাজার চারা বিক্রি করেছি। চারা যদি টিস্যুকালচার পদ্ধতিতে করতে পারতাম, তাহলে খরচ কম পড়তো। এই কচুর চারা তৈরি করা খুব কঠিন। চারা তৈরি করলে কচু বিক্রি করা যায় না। আমি এই কচুর গোড়া ২০ কেজি পর্যন্ত বড় করেছি। খেতে দারুণ সুস্বাদু। তাই চাহিদা ভালো। এ জন্য চারা তৈরি করছি। আমার কাছে ৫০০ গাছ এবং ৩ হাজার চারা আছে।’
ডুমুরিয়া উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘থাই অগ্নিশ্বর কচুর বিশেষত্ব হচ্ছে এ কচুতে গাল চুলকায় না। কারণ এতে ক্যালসিয়াম অক্সালেটের পরিমাণ কম অথবা নেই। এই কচুর চারা উৎপাদন বেশ কষ্টসাধ্য। ফলে এর সম্প্রসারণ কম। এই কচু নিয়ে গবেষণা করে চারা উৎপাদন সহজলভ্য করা সম্ভব হলে সম্প্রসারণ দ্রুত করা সম্ভব বলে মনে করছি।’
তথ্য সংগ্রহ: দৈনিক জনবানী।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Khulna
7200
Opening Hours
| Monday | 07:00 - 18:00 |
| Tuesday | 07:00 - 18:00 |
| Wednesday | 07:00 - 18:00 |
| Thursday | 07:00 - 18:00 |
| Friday | 07:00 - 18:00 |
| Saturday | 07:00 - 18:00 |
| Sunday | 07:00 - 18:00 |