Trust e-shop
" আপনাদের আস্থাই আমাদের মূলধন "
এই স্লোগান নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু।
21/09/2022
আমরা দিচ্ছি আদর্শ মানের মাছের খাবার।
মাছের সঠিক ওজন পেতে সঠিক মানের খাবারের বিকল্প নাই।
আমাদের কাছে পাবেন সর্বোচ্চ সেরা মানের নিজস্ব মিলে তৈরী মাছের খাবার।
বাজারের সেরা মানের খাদ্য নিতে ও যেকোন বিষয়ে আমাদের সাথে পরামর্শ করতে ফোন করুন।
ডঃ এইচ রুমন
পিএইচডি (অধ্যয়নরত)
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]
21/09/2022
মাছের সম্পূরক খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা ও উৎস
দেহের বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য মাছ পুকুরের প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে ফাইটোপ্লাংকটন (উদ্ভিদকণা), জু-প্লাংকটন (প্রাণীকণা) ক্ষুদেপানা, ছোট জলজ পতঙ্গ, পুকুরের তলদেশের কীট, লার্ভা, কেঁচো, ছোট ছোট শামুক, ঝিনুক, মৃত জৈব পদার্থ ইত্যাদি খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে। কিনত্মু মাছ চাষের ক্ষেত্রে অধিক উৎপাদন পাওয়ার জন্য পুকুরে অধিক ঘনত্বে পোনা ছাড়া হয়। এ অবস্থায় শুধু প্রাকৃতিক খাদ্য মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক উৎপাদন পাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। এমনকি সার প্রয়োগ করে প্রাকৃতিক খাদ্য বৃদ্ধি করলেও তা যথেষ্ট হয় না। এজন্য প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি মাছকে বাহির থেকে অতিরিক্ত খাদ্য দিতে হয়। একে সম্পূরক খাদ্য বলে। যেমন-চালের কুঁড়া, সরিষার খৈল, ফিশ মিল ইত্যাদি। গ্রাসকার্প ও সরপুঁটি মাছ উদ্ভিদভোজী বলে এদের জন্য ক্ষুদিপানা, কুটি পানা, শাকসবজির নরম পাতা, ঘাস কেটে সম্পূরক খাবার হিসাবে পুকুরে দেওয়া যায়। মাছকে সরবরাহকৃত সম্পূরক খাদ্যে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান যেমন-আমিষ, স্নেহ বা তেল, শর্করা, খনিজ লবণ ও ভিটামিনের মাত্রা যেন চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মাত্রায় থাকে সেদিকে লড়্গ রাখা প্রয়োজন। যে সম্পূরক খাবার এ সকল পুষ্টি উপাদান যথাযথ মাত্রায় রেখে তৈরি করা হয় তাকে সুষম সম্পূরক খাদ্য বলে।
মাছের সম্পূরক খাদ্যের উৎস
মাছের সম্পূরক খাদ্য তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উপাদান ব্যবহার করা হয়। উৎসের উপর ভিত্তি করে এসব উপাদানকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
ক) উদ্ভিদজাত
খ) প্রাণিজাত।
নিচে এদের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো-
উদ্ভিদজাত
উদ্ভিদজাত খাদ্য উপাদানের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য উপাদান হচ্ছে- চালের কুঁড়া, গম ও ডালের মিহিভুসি, সরিষার খৈল, তিলের খৈল, আটা, চিড়াগুড়, খুদিপানা, রান্না ঘরের উচ্ছিষ্ট, বিভিন্ন নরম পাতা যেমন- মিষ্টিকুমড়া, কলাপাতা, বাঁধা কপি ইত্যাদি।
প্রাণিজাত
প্রাণিজাত কয়েকটি খাদ্য উপাদান হচ্ছে শুটকি মাছের গুঁড়া বা ফিশমিল, রেশম কীট মিল, চিংড়ির গুঁড়া (স্রিম্প মিল), কাকড়ার গুঁড়া, হাঁড়ের চূর্ণ (বোন মিল), শামুকের মাংস, গবাদিপশুর রক্ত (ব্লাড মিল) ইত্যাদি।
সম্পূরক খাদ্যের উপকারিতা
» মাছকে নিয়মিত সম্পূরক খাবার সরবরাহ করলে অধিক ঘনত্বে পোনা ও বড় মাছ চাষ করা যায়।
» অল্প সময়ে বড় আকারের সুস্থসবল পোনা উৎপাদন করা যায়।
» পোনার বাঁচার হার বেড়ে যায়।
» মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
» মাছের দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে।
» মাছ পুষ্টির অভাবজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকে।
» সর্বোপরি কম সময়ে জলাশয় থেকে অধিক মাছ ও আর্থিক মুনাফা পাওয়া সম্ভব হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mymensingh
2200