H.M Robiul Islam.
জ্বীন ও মানুষ ছাড়া" প্রতিটি প্রাণী শুক্রবার দিন ভোরের সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত"" কিয়ামতের ভয়ে ভীত থাকে..!!😔🥀
(আবু দাউদ:১০৪৬)
21/02/2026
আজকে এই পৃষ্ঠা তারাবির নামাজে কে কে পড়বেন
03/01/2026
ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়
১. অন্নানা
২. মান্নানা
৩. হান্নানা
৪. হাদ্দাকা
৫. বাররাকা
৬. শাদ্দাকা
১. "আন্নানা" হলো সেই নারী যে সবসময় 'হায় আফসোেস' 'হায় আফসোসে' করতে থাকে। এবং অলস, 'রোগিণী'র ভান করে বসে থাকে। এমন নারীকে বিয়ে HALAL FEELINGS করলে সংসারে বরকত হয় না।
২. "মান্নানা" হলো সেই নারী যে স্বামীকে প্রায়ই বলে, আমি তোমার জন্যে এই করেছি, সেই করেছি।' হেন করেছি, তেন করেছি, ইত্যাদি ইত্যাদি।
৩. “হান্নানা” হলো সেই নারী যে তার পূর্বের স্বামী বা প্রেমিকের প্রতি আসক্ত থাকে।
৪. "হাদ্দাকা” হলো সেই নারী, যে কোনো কিছুর উপর থেকেই লোভ সামলাতে পারে না। সব কিছুই পেতে চায়, এবং স্বামীকে তা ক্রয়ের জন্যে নিয়মিত চাপে রাখে।
৫. "বাররাকা" হলো সেই নারী যে সারাদিন কেবল সাজসজ্জা ও প্রসাধনী নিয়ে যেতে থাকে। এই শব্দের অন্য একটি অর্থ হলো, যে নারী খেতে বসে রাগ করে চলে যায়। এবং পরে একা একা খায়।
৬. "শাদ্দাকা" হলো সেই নারী যে সবসময় বকবক করে।
বিয়ের ক্ষেত্রে সর্বদা দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দিন।
হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দ্বীনদার স্ত্রী ও নেক সন্তান দান করুন।
হে আল্লাহ আমাদের সকল বোনদেরকে দ্বীনদার স্বামীও নেক সন্তান দান করুন।
বিঃদ্রঃ হে আল্লাহ্ আপনি আমাদের সকল নর নারী কে দ্বীনদার ও নেককার হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন।
শাইখ সুলাইমান বিন সালিমুল্লাহ আর রুহাইলি حفظه OB এর বক্তব্যের একটা অংশবিশেষ।
03/07/2025
ভ্রমণ শুধু একটি গন্তব্যে পৌঁছানো নয়, এটি হলো আত্মার মুক্তি। নতুন জায়গা, নতুন মানুষ আর অজানা রাস্তার মোহনীয়তা আমাদের জীবনকে করে তোলে রঙিন। প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য, আর পাহাড়-নদী-সমুদ্রের অনন্ত ডাক আর অচেনা শহরের গল্প—ভ্রমণ আমাদের মনকে করে তোলে প্রাণবন্ত
“ভ্রমণ হলো এমন এক জিনিস, যা কিনতে টাকা লাগে, কিন্তু এটি তোমাকে আরও ধনী করে তোলে—অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, আর জ্ঞানে!” 💰➡️📖
তাই “জীবন একটাই, আর পৃথিবী অনেক বড়! তাই সুযোগ পেলেই ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ো। কারণ নতুন অভিজ্ঞতাই জীবনকে সুন্দর করে তোলে।” 🎒💙
Camera Rm Robiul and HM SAROWAR HUSSAIN
16/10/2024
***যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?
এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?
বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।
কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।
ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?
বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।
সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?
বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।
অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?
বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?
বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?
বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?
বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
মহান রব আমাদের দুনিয়ার জীবন ও আখেরাতের জীবনে কল্যান দান করুন। আমীন