IK IKRAM HOSEN
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IK IKRAM HOSEN, Writer, Mymensingh.
#পুশআপ
"আমি জুলাই মাসের নির্মম ইতিহাস নিয়ে এমন একটি চলচ্চিত্র বানাতে চাই, যাতে জাতি যেন সেই নিষ্পাপ শিশুদের আর্তনাদ অনুভব করে—যেন তারা চিরকাল স্মরণে থাকে, বিস্মৃত না হয়। আমি এই দায়িত্বকে পবিত্র এক কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করেছি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করব তা বাস্তবায়নে।"
#আন্তর্জাতিক #শ্রমিক #দিবস : #মে #দিবসের #সংক্ষিপ্ত #ইতিহাস।
#আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস (মে দিবস নামেও পরিচিত) মে মাসের প্রথম দিনটিকে পৃথিবীর অনেক দেশে পালিত হয়। বেশকিছু দেশে মে দিবসকে লেবার ডে হিসাবে পালন করা হয়। এদিনটি সরকারীভাবে ছুটির দিন। ১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা শ্রমদিনের দাবীতে আন্দোলন রত শ্রমিকের ওপর গুলি চালানো হলে ১১ জন শহীদ হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডায় এইদিন পালিত হয় না। এ ছাড়া এইদিনে আরও কিছু ঘটনা রয়েছে যা আঞ্চলিক ভাবে হয়তো পালিত হয়।
#পূর্বে শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম করতে হত, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা আর সপ্তাহে ৬ দিন। বিপরীতে মজুরী মিলত নগণ্য, শ্রমিকরা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করত, ক্ষেত্রবিশেষে তা দাসবৃত্তির পর্যায়ে পড়ত। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময় বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন্তু কারখানা মালিকগণ এ দাবী মেনে নিল না। ৪ঠা মে ১৮৮৬ সালে সন্ধ্যাবেলা হালকা বৃষ্টির মধ্যে শিকাগোর হে-মার্কেট নামক এক বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকগণ মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। তারা ১৮৭২ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল শ্রমিক শোভাযাত্রার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে এটি করেছিলেন। আগস্ট স্পীজ নামে এক নেতা জড়ো হওয়া শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছিলেন। হঠাৎ দূরে দাড়ানো পুলিশ দলের কাছে এক বোমার বিস্ফোরন ঘটে, এতে এক পুলিশ নিহত হয়। পুলিশবাহিনী তৎক্ষনাত শ্রমিকদের উপর অতর্কিতে হামলা শুরু করে যা রায়টের রূপ নেয়। রায়টে ১১ জন শ্রমিক শহীদ হন। পুলিশ হত্যা মামলায় আগস্ট স্পীজ সহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এক প্রহসনমূলক বিচারের পর ১৮৮৭ সালের ১১ই নভেম্বর উন্মুক্ত স্থানে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। লুইস লিং নামে একজন একদিন পূর্বেই কারাভ্যন্তরে আত্মহত্যা করেন, অন্যএকজনের পনের বছরের কারাদন্ড হয়। ফাঁসির মঞ্চে আরোহনের পূর্বে আগস্ট স্পীজ বলেছিলেন, "আজ আমাদের এই নি:শব্দতা, তোমাদের আওয়াজ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী হবে"। ২৬শে জুন, ১৮৯৩ ইলিনয়ের গভর্ণর অভিযুক্ত আটজনকেই নিরপরাধ বলে ঘোষণা দেন, এবং রায়টের হুকুম প্রদানকারী পুলিশের কমান্ডারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। আর অজ্ঞাত সেই বোমা বিস্ফোরণকারীর পরিচয় কখনোই প্রকাশ পায়নি।
#শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের "দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করার" দাবী অফিসিয়াল স্বীকৃতি পায়। আর পহেলা মে বা মে দিবস প্রতিষ্ঠা পায় শ্রমিকদের দাবী আদায়ের দিন হিসেবে, পৃথিবীব্যাপী আজও তা পালিত হয়।
#শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনের উক্ত গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতি বছরের ১লা মে বিশ্বব্যাপী পালন হয়ে আসছে “মে দিবস” বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস”। পহেলা মে সেই আন্দোলনের কথাই আমাদের স্বরণ করিয়ে দেয়। ১৮৯০ সালের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিষ্ট কংগ্রেসে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয় এবং তখন থেকে অনেক দেশে দিনটি শ্রমিক শ্রেনী কর্তৃক উদযাপিত হয়ে আসছে। রাশিয়াসহ পরবর্তীকালে আরো কয়েকটি দেশে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হবার পর মে দিবস এক বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। জাতিসংঘে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শাখা হিসাবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (অরগানাইজেশন বা আই .ত্রল.ও) প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে শ্রমিকদের অধিকার সমূহ স্বীকৃতি লাভ করে এবং সকল দেশে শিল্প মালিক ও শ্রমিকদের তা মেনে চলার আহবান জানায়। এভাবে শ্রমিক ও মালিকদের অধিকার সংরক্ষণ করে। বাংলাদেশ আই.এল.ও কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রমিক শ্রেনীর প্রাধান্যের কারনে অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক দেশে বেশ গুরুত্বও সংকল্প সহকারে মে দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশে মে দিবসে সরকারি ছুটি পালিত হয়। এখানে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে মে দিবস পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।
চেতনার পুণ্যলীখ
IK IKRAM HOSEN
কবি আমি, বসি স্থির, প্রতিবাদের স্তম্ভে,
শান্তি চাহি, যুদ্ধ নহে—জ্বলছে প্রাণটি দম্ভে।
শিশু কাঁদে, দগ্ধ গৃহে, শুনি বেদনা-স্বর,
ভ্রাতৃরক্তে ভেজে মাটি—সুখের নাহি কর!
স্বাধীনতার কণ্ঠ রুদ্ধ, নিশ্বাস গলায় আটকে,
নির্বিচারে আঘাত নামে, আশা যায় সব মাটিতে।
বৃন্তহীন যে সন্তানরা, মায়ের বুকে ঝরে,
কান্নায় কাঁপে ঘর-বসতি, রাত্রি আঁধারে ভরে।
পিতৃহীন সব স্বপ্নগুলো, ভাঙে জীবন-ছন্দে,
বিধির এমন বিচার কেন?
ধ্বংস কেন বন্দে?
রক্তমাখা মুসলিম প্রাণ, ধূলায় পড়ে থাকে,
আর কতকাল সহিবে বলো, শোকের খরার ডাকে?
সূর্য সেনের দীপ্ত ভাষা, প্রীতিলতার ললাট,
দেখো আজও জ্বলে উঠেছে, আগুন-জ্বালা সাথ। তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা—ভেসে উঠুক চোখে, ফকিরদের সেই বিদ্রোহে, বারুদের সুর ঝোকে।
স্মরণ করি একাত্তর, রক্তরাঙা দিন,
তোমার মতো সাহস আজও চায় তো ফিলিস্তিন।
আছে আল্লাহ, আছে সত্য, ন্যায়ের অটল ঢাল,
ভাঙবে জুলুম, ফিরবে শান্তি,
জ্বলবে নতুন আলোকাল।
মারুফুন্নেসা, রোকেয়া মা—নারী দীপ্তি জ্বালো, আনোয়ার পাশা, শহীদেরা—রক্তের ঋণ ঢালো।
নেলির কালো ইতিহাসে, আজও বাংলার ক্রন্দন, গাজায় বাজে সেইই সুর—ঘুমাও না, জাগো জনগণ। লালনের সেই মানব বাণী, নজরুলের বজ্রশব্দ, জাগো বাঙালি, জ্বালাও দীপ্তি, রুখে দাও সব অপবদ। শহীদেরা ডাকছে আজ, গর্জে ওঠো নির্ভীক, ফিলিস্তিন এক দেশ নয়—সে চেতনার পুণ্যলীখ।
#ফিলিস্তিন #লিখা #কবিতা #বাংলাদেশ #গাজা
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
* ঈদের নামাজে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির রয়েছে।
* ঈদের নামাজে কোনো আজান ও ইকামত নেই।
* ঈদের নামাজ ২ রাকাত ওয়াজিব।
* ঈদের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হয়।
ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম হলো:
১. ইমাম সাহেব যখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত করে হাত বাঁধবেন, তখন মুক্তাদিরাও ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বাঁধবেন।
২. এরপর সানা পড়ুন।
৩. ইমাম সাহেব তাকবিরে তাহরিমাসহ অতিরিক্ত তিনটি তাকবির দেবেন এবং উভয় তাকবিরে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দেবেন। চতুর্থ তাকবিরে হাত না ছেড়ে বাঁধবেন।
৪. ইমাম সাহেব সুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা মিলিয়ে রুকু, সিজদা করে প্রথম রাকাত শেষ করবেন।
৫. দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব সুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য সুরা মেলাবেন। এরপর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির দেবেন। প্রতি তাকবিরে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দেবেন। চতুর্থ তাকবির দিয়ে রুকুতে যাবেন। এরপর অন্য নামাজের মতো রুকু, সিজদা করে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবেন।
৬. এরপর ইমাম সাহেব খুতবা দেবেন। ঈদের দুই খুতবা শোনা ওয়াজিব।
ঈদের নামাজের নিয়ত:
ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আদায় করছি (এই কথা মনে মনে বলা)।
ফিলিস্তিনের কান্না
IK Ikram Hossen
ফিলিস্তিনের কান্না ভাসে বাতাসে,
মুসলিম দেশগুলো কেন নীরব থাকে?
রুখে দাঁড়াবার সময় কি হয় না তাদের?
ফিলিস্তিন কি তবে একাই লড়বে?
আমরাও তো মুসলিম, একই তো ভাই,
কেন নীরব থাকি, কেন সাড়া নাই?
শিশুদের আর্তনাদ, মায়ের কান্না,
শুনেও কি জাগে না মুসলিম চেতনা?
এক হই চলো, ভাঙি এই নীরবতা,
ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াই সমমতা।
১৯৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মতো,
জাগুক আবার সেই তেজোদীপ্ত ক্ষত।
আল্লাহ আছেন আমাদের সাথে,
জয় আমাদের হবেই একসাথে।
ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াবো সবাই,
ইনশাআল্লাহ, জয় আমাদের হবে তাই।
রক্তে রাঙা ফিলিস্তিনের মাটি,
আর কতকাল সইবে এই খাঁটি?
জেগে ওঠো মুসলিম, তোলো আওয়াজ,
ফিলিস্তিনের মুক্তিই হোক আজ।
শহীদের রক্তে গড়া এই দেশ,
আর কত দেখবে তারা শেষ?
এক হও সবে, ধরো হাতিয়ার,
ফিলিস্তিনের মুক্তিই হোক অঙ্গীকার।
আল্লাহু আকবর ধ্বনিতে কাঁপে আকাশ,
ফিলিস্তিনের মুক্তিই আমাদের আশ।
জেগে ওঠো মুসলিম, ধরো তলোয়ার,
ফিলিস্তিনের মুক্তিই এবার।
Click here to claim your Sponsored Listing.