Inside BAU

Inside BAU

Share

অন্যায়ের সাথে আপস নয়, ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন লড়াই

08/06/2026

গত ৩ তারিখ Inside BAU পেজে পোস্ট করার পর আপনাদের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার+ টাকা এসেছে। আলহামদুলিল্লাহ।
চিকিৎসা শুরু করতে প্রাথমিকভাবে মোট টাকার প্রয়োজন ৩০ লাখ।
এ পর্যন্ত মোট সংগ্রহ ২৫ লাখ ৭০ হাজার।
আর ৪ লাখ ৩০ টাকা ম্যানেজ হলেই ইউসরা মামণির চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হবে। বিস্তারিত কমেন্টে -

08/06/2026

আজকের পৃথিবীতে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কিন্তু একসময় ভারতের কেরালার তৎকালীন ত্রিভাঙ্কুর রাজ্যে এমন একটি সামাজিক প্রথা প্রচলিত ছিল, যেখানে তথাকথিত নিম্নবর্ণের নারীরা নিজেদের স্তন ঢেকে রাখতে পারতেন না। যদি কেউ শরীরের ঊর্ধ্বাংশ আবৃত করতে চাইতেন, তবে তাঁকে দিতে হতো বিশেষ কর, যা পরিচিত ছিল ‘মূলাক্করম’ বা ‘স্তনকর’ নামে।

সেই সময় ত্রিভাঙ্কুরে জাতিভেদ প্রথা ছিল অত্যন্ত কঠোর। সমাজে উচ্চবর্ণ ও নিম্নবর্ণের মানুষের জন্য আলাদা আলাদা নিয়ম ছিল। ইঝাভা, নাদারসহ বিভিন্ন দলিত ও নিম্নবর্ণের সম্প্রদায়ের নারীদের জনসমক্ষে ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত রাখতে বাধ্য করা হতো। এটি কেবল পোশাকের প্রশ্ন ছিল না; বরং সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস ও ক্ষমতার প্রকাশ ছিল। উচ্চবর্ণের মানুষদের সামনে নিম্নবর্ণের নারীদের স্তন উন্মুক্ত রাখা সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতো।

প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, কোনো নারী যদি নিজের শরীর ঢাকতে চাইতেন, তাহলে তাঁকে কর দিতে হতো। জনশ্রুতি রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে করের পরিমাণ নারীর শারীরিক গঠনের ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হতো। যদিও এই দাবির ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে, তথাপি ‘স্তনকর’ প্রথা যে গভীর বৈষম্য ও সামাজিক নিপীড়নের প্রতীক ছিল, সে বিষয়ে দ্বিমত নেই।

এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠেন নাঙেলি নামের এক সাহসী নারী। কেরালার চেরথালা অঞ্চলের দরিদ্র ইঝাভা সম্প্রদায়ের এই নারী সমাজের বৈষম্যমূলক নিয়ম মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি নিজের শরীর আবৃত রাখতেন এবং কর দিতেও রাজি ছিলেন না।

লোককাহিনি ও জনপ্রিয় ইতিহাস অনুসারে, একদিন কর আদায়কারীরা তাঁর বাড়িতে এলে নাঙেলি এক অভূতপূর্ব প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। তিনি নিজের স্তন কেটে কলাপাতায় মুড়ে কর সংগ্রাহকদের সামনে রেখে দেন। এই ভয়াবহ আত্মত্যাগের কিছুক্ষণের মধ্যেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রচলিত আছে।

নাঙেলির এই ঘটনা দ্রুত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে নিম্নবর্ণের নারীদের পোশাকের অধিকার নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হয়। ইতিহাসে যা ‘চান্নার বিদ্রোহ’ বা ‘আপার ক্লথ রিভোল্ট’ নামে পরিচিত, সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই নারীরা ধীরে ধীরে নিজেদের শরীর ঢাকার অধিকার অর্জন করেন।

তিনি হয়তো কোনো রানি ছিলেন না, ছিলেন না ক্ষমতাবান কোনো ব্যক্তি। কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস তাঁকে ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। নাঙেলির গল্প আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—মানুষের মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সম্মানের চেয়ে বড় কোনো অধিকার নেই।

08/06/2026

বিশ্ব যখন ৪র্থ শিল্পবিপ্লব ছেড়ে ৫ম শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রবেশের অপেক্ষায়, তখন আমাদের জব্বার মোড়ের ওয়াশরুমটি কোন ভবিষ্যতের দিকটি নির্দেশ করে?

08/06/2026

স্বামী-স্ত্রী মিলে করেন যৌথ মাদক ব্যবসা, পুলিশের উপস্থিতি পেয়ে টের বউকে রেখে পালিয়েছেন স্বামী। 🤔

08/06/2026

বাংলাদেশ কখনও পারমাণবিক শক্তিধর হবেনা। কেন জানেন? এক দল উদ্যোগ নিলে তা আরেক দল ক্ষমতার লোভে বৈদেশিক শক্তির কাছে তা ফাঁস করে দিবে। আমরা জাতীয় স্বার্থে এক নই, বিভাজন আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে রয়েছে।

যেদিন বাংলাদেশের জনগণ ভারতপন্থা বা পাকিস্তানপন্থা মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসবে আর রাজনৈতিক সংগঠনগুলি জাতীয় স্বার্থে এক হবে, ওইদিন থেকেই বাংলাদেশ এক অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার দিকে ধাবিত হবে।

08/06/2026

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) উপাচার্য নিযুক্ত।

খ্যাতিমান কৃষি বিজ্ঞানী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেনকে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ (সংশোধিত-২০২৫) এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ড. আমির হোসেন যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, সেই সময় পর্যন্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রফেসর ড. আমির হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবী মো: দবির উদ্দিন ও মাতা জনাবা আনোয়ারা বেগম।
প্রফেসর ড. আমির হোসেন, মে ২০০৩ হতে বর্তমান অবধি কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-এর শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি মার্চ ২০১৮ হতে ফেব্রুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত ফরেন প্রফেসর হিসেবে The University of Suwon, The Republic of Korea-এ কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০১০সালে Korean Research Foundation (KRF) fellow হিসেবে, The University of Suwon, The Republic of Korea, পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
এছাড়াও তিনি পোস্ট-ডক গবেষক- ০৩ বার (Institute of Molecular and Cellular Biology of Plants (IBMCP) - Polytechnic University of Valencia (UPV) Valencia, Spain-2014 as a Marie Curie visiting Fellow; Centre for Plant Biotechnology and Genomics (CBGP), Universidad Politécnica de Madrid (UPM), Madrid, Spain-2011-2014 as a Marie Curie Fellow; Myongji University, South Korea 2011 as a Brain Korea 21(BK21) fellow হিসেবে সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছেন ।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে ডক্টর আমির হোসেনের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ মোট ৫০টি (বুক চেপ্টার-১, আন্তর্জাতিক-৩৮, জাতীয়-১১) ও কনফারেন্স প্রসিডিংস ৩৩টি ।

এছাড়াও তিনি গবেষণা প্রকল্পে PI ও Co-PI হিসেবে ২৫টি গবেষণা কার্যক্রম সফলতার সাথে পরিচালনা করেছেন ।
তিনি এম.এস. পর্যায়ে ৩৪ জন এবং পিএইচডি পর্যায়ে ৬ জন ছাত্রের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। বর্তমানে ৯ জন এম এস ও ২ জন পিএইচডি ছাত্র তাঁর তত্ত্বাবধানে অধ্যায়নরত।
তিনি আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সহায়তা কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, স্পেন, চায়না, ভারত, হংকং, পর্তুগাল, ফ্রান্স, ইতালি, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেছেন ।
শিক্ষকতার পাশাপাশি ডক্টর আমির হোসেন বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি
সিন্ডিকেট সদস্য- খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা (২০২৫-২০২৭), সদস্য, জাতীয় বীজ বোর্ড, কৃষি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ, পরিচালক, প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, বাকৃবি, ময়মনসিংহ (২০২৪-অদ্যাবধি), প্রতিষ্ঠাতা ফার্ম-ইনচার্জ-কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ গবেষণা খামার, বাকৃবি, ময়মনসিংহ (২০২১-২০২৩), বিভাগীয় প্রধান, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, বাকৃবি, ময়মনসিংহ (২০১৫-২০১৭), হাউস টিউটর, আশরাফুল হক হল, বাকৃবি, ময়মনসিংহ (২০০৫-২০০৬), বাকৃবি কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের লেকচারার ও সহকারী প্রফেসর মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য, বাকৃবি আইআইএফএস এর লেকচারার ও সহকারী প্রফেসর মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগে লেকচারার ও সহকারী প্রফেসর মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হিসাবে সফলতার সাথে বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেছেন ও বর্তমানে করছেন।
প্রফেসর ডক্টর আমির হোসেন ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক।

জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ।

06/06/2026

Someone's future wife with someone's future husband at university 🥱

05/06/2026

📢 আপডেটঃ গত পরশু আমাদের পেইজে জ্যোৎস্না আপুর মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়ে পোস্ট করা হয়েছিল। আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, দোয়া ও শেয়ারের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকারও বেশি সহায়তা সংগ্রহ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে আরও ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা প্রয়োজন। জ্যোৎস্না আপুর মেয়ের সম্পূর্ণ চিকিৎসার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০–৬০ লাখ টাকা।
📌 বর্তমান অবস্থা
• মোট সম্ভাব্য চিকিৎসা ব্যয়: ৫০–৬০ লাখ টাকা
• সবার সহযোগিতায় এ পর্যন্ত সংগ্রহ: ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা
• চিকিৎসা শুরু করতে এখনো জরুরি প্রয়োজন: ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা

আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও একটি শিশুর সুস্থ জীবনের পথে বড় অবদান রাখতে পারে। যারা ইতোমধ্যে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। সবাইকে অনুরোধ করছি, সম্ভব হলে সহযোগিতা করুন এবং পোস্টটি শেয়ার করে আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিন।
🤲 আল্লাহ তাআলা যেন শিশুটিকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন। আমিন।


#শিশুর_চিকিৎসা #মানবতার_ডাকে_সাড়া_দিন #সহযোগিতার_হাত_বাড়ান #একটু_সহায়তা_একটি_জীবন #চিকিৎসা_সহায়তা #দোয়া_ও_সহযোগিতা #মানবিক_আবেদন #সবার_সহযোগিতা_প্রয়োজন #জ্যোৎস্না_আপুর_মেয়ের_পাশে_দাঁড়ান

(Photocard is designed with AI)

04/06/2026

বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ২০১১-১২ সেশনের জ্যোৎস্না আপুর ৮ মাস বয়সী বাচ্চাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।
বিস্তারিত কমেন্টে

04/06/2026

সরি ম্যাম 🥲

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Mymensingh