MR English

MR English

Share

Grammar, Writing, Speaking, Academic English, University Admissions, Job Preparation, and Others.

16/04/2024

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে। তার
নাম হেলেন। এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু Stefanie
Isak নামটি আমরা অনেকেই জানি না। ১৬ বছরের এই
ইহুদী মেয়েটির কারণে সারা দুনিয়া ধ্বংস হবার
উপক্রম হয়েছিল।
১৯০৬ সাল, ভিয়েনা শহরে বসবাসরত মেয়েটির বয়স
তখন ১৬। ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে। একদিন রাস্তার ধাঁরে
বসে থাকা এক আর্টিষ্ট কে দিয়ে শখ করে মেয়েটি
তার একখানা পোট্রেট বানালো। অসম্ভব রূপবতী এই
নারীর ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তে আর্টিষ্ট
তার প্রেমে পড়ে গেল।
আর্টিষ্ট এর বয়স তখন ১৮। ছেলেটির স্বপ্ন
চিত্রশিল্পী হওয়া। একাডেমি অব ফাইন আর্টস্
ভিয়েনা (Academy of Fine Arts Vienna) তে চেষ্টা
করছে ভর্তি হবার জন্য। কিন্তু পারছে না। ছেলেটির
অবসর কাটে রাস্তার ধাঁরে ছবি একে। আবার মাঝে
মাঝে পথচারীদের পোট্রেইট এঁকে দু চার পয়সা
রোজগার করে।
শিল্পীদের মন অনেক রোম্যান্টিক হয়। এটাই
স্বাভাবিক। তো পরদিন মেয়েটিকে সে প্রোপোজ
করে। মেয়েটি হা কিংবা না, কিছুই বলেনা।
ছেলেটি মাঝে মাঝে মেয়েটির বাড়ির সামনে
গিয়ে বসে থাকতো। একপলক দেখার জন্য। বিশাল
বাড়িটি উচু প্রাচীরে ঘেরা। বিশাল লোহার গেট।
মাঝে মাঝে ছেলেটি তার পোষা কুকুরকে গেটের
ফাঁক দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিত বাড়ির ভিতরে।
কুকুরটির মুখে থাকত প্রেম পত্র।
কুকুরটি ছিল ছেলেটির অনেক প্রিয় ভিয়েনা আসার
সময় তার মা এই কুকুরটিকে তার সাথে দিয়েছিল। বলা
যায়, কুকুরটি ছিল মায়ের দেয়া শেষ উপহার। কারণ,
এইপর আর কোনদিন ছেলেটির দেখা হয়নি তার মা
ক্লারা (Clara) এর সাথে। তিনি মারা যান। মেয়েটির
পরিবার বিষয়টি আমলে নিলো। ছেলেটি চাল
চুলোহীন, রাস্তার ছেলে। তার উপরে non-Jewish… এই
সম্পর্ক কিছুতেই সম্ভব নয়। আর ছেলেটির 'ভবিষ্যৎ'
বলে কিছু নেই। তারা ছেলেটিকে বারবার বারণ করে
দিলো। কিন্তু প্রেম কি আর বারণ শোনে?
ছেলেটি সুযোগ পেলেই মেয়েটিকে দূর থেকে
দেখতো। উত্তর না এলেও প্রেম পত্র দিতো। তো
একদিন প্রেমপত্র সমেত কুকুরটিকে আবার পাঠালো
মেয়েটির বাড়িতে। কিন্তু এইদিন আর কুকুরটি ফিরে
এল না। ছেলেটি সারারাত অপেক্ষা করে, সকালে
চলে গেল। পরদিন আবার মেয়েটির বাড়ির সামনে
গেল। বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে ছেলেটি তার
সেই প্রিয় কুকুরটির মৃতদেহ খুঁজে পেল। নির্মমভাবে
তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
সেইদিন কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটি চলে এলো। আর
কোনদিন ঐ বাড়ির সামনে যায় নি সে। চালচুলোহীন
ওই রাস্তার ছেলেটি পরে যা করেছিলো তা ইতিহাস!
বলা যায় রাস্তার সেই ছেলেটি নিজ হাতে গত
শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে এমনকি,
পরবর্তীতে তার পোষা কুকুর Blondi, এতটাই বিখ্যাত
হয়েছিল যে তার wiki page এর সাইজ অনেক বিখ্যাত
সেলিব্রেটিদের চেয়ে বড়!!
অনেক পরে মেয়েটি নাকি বলেছিল, সে ছেলেটিকে
মনে মনে ভালবাসত। সাহস করে বলতে পারে নি। যাই
হোক, ছেলেটির
নাম ছিল - 'এডলফ হিটলার'! হ্যা; হিটলার ছোটবেলায়
পোষ্ট কার্ড আঁকিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন।

28/08/2023

❤️মানবতাই প্রকৃত সূখ দিতে পারে❤️

নাইজেরিয়ান তেল কোম্পানীর মালিক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ফেমি ওতেদোলা একবার এক রেডিও ইন্টারভিউতে তার জীবনের অজানা অনেক কিছু জানাচ্ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে উপস্থাপক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কি এমন কোনো স্মৃতি আছে, যখন আপনার মনে হয়েছিল আপনি এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ?’
ওতেদোলা বললেন, "আমার জীবনে আমি সুখের খোঁজে চারটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। তারপর অবশেষে আমি সত্যিকারের সুখের খোঁজ পেয়েছি।
প্রথম পর্যায় ছিল যত পারা যায় ধনসম্পদ উপার্জন। কিন্তু সবকিছু অর্জন করেও আমি সুখের দেখা পাইনি।
এরপর দ্বিতীয় পর্যায় ছিল দামি ও বিলাসবহুল জিনিসপত্র কেনা। আমার কাছে মনে হতো এর মাধ্যমে আমি সুখ পাব। কিন্তু এবারও আমি সুখের দেখা পেলাম না।
এরপর তৃতীয় পর্যায়ে বড় বড় প্রজেক্ট নিজের করে নেয়া শুরু করলাম। একটা সময় নাইজেরিয়া ও আফ্রিকার ৯৫% ডিজেলের সাপ্লাইয়ার ছিলাম আমি। আফ্রিকা ও এশিয়ায় সবচেয়ে বড় জাহাজ ছিল আমার। কিন্তু এরপরও আমি সুখ পেলাম না।
এই অবস্থায় একদিন আমার এক বন্ধু অনুরোধ করল ২০০ প্রতিবন্ধী বাচ্চার জন্য হুইলচেয়ার কিনে দিতে।
বন্ধুর অনুরোধে আমি তখনই ২০০ হুইলচেয়ার কিনে ফেললাম। কিন্তু আমার বন্ধু বলল আমি নিজেই যেন বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ারগুলো তুলে দিই। তাই বন্ধুর সাথে আমি সভাস্থলে উপস্থিত হলাম।
আমি গিয়ে বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দিলাম। হুইলচেয়ার পেয়ে তারা আনন্দের সাথে এখানে ওখানে ছুটাছুটি করতে লাগল। একেকজনের মুখে সে কি অপার্থিব হাসি। যেন এর চেয়ে আনন্দের দিন তাদের জীবনে আর আসেনি।
এসব দেখে নিজের মধ্যে কেমন এক আনন্দ অনুভূত হলো। মনে হলো জীবনে আগের চারটি পর্যায় পার হয়েও, সবকিছু পেয়েও , এতটা আনন্দ কখনও হয়নি।
এরপর যখন আমি অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে যাব হঠাৎ এক বাচ্চা আমার পা জড়িয়ে ধরল। আমি তার কাছ থেকে নিজের পা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু বাচ্চাটি আরও শক্ত করে পা ধরে এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।
আমি হাঁটু গেড়ে বসে বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার কি আর কিছু দরকার?’
বাচ্চাটি বললো, ‘আমি আপনার চেহারাটা ভালোভাবে মনে রাখতে চাই। যদি জান্নাতে আমাদের দেখা হয় সেদিনও যেন আমি আপনাকে চিনতে পারি আর আজকের এই দিনটির জন্য আরও একবার ধন্যবাদ দিতে পারি।’
ছোট বাচ্চার জবাবে ফেমি ওতেদোলার দুচোখের জল বাঁধ ভেঙ্গে গেলো। ছোট বাচ্চাকে জড়িয়ে কেঁদে ফেললেন তিনি।
ফেমি ওতেদোলা বলেন, ছোট্ট এই ঘটনা আমাকে কেবলই আনন্দিতই করেনি, বরং সেদিন থেকে আমার কাছে জীবনের অর্থই পাল্টে গিয়েছে। আজ আমি আনন্দের সংজ্ঞা কি সেটা জানি। আর সেই আনন্দ নিয়েই আমি আমৃত্যু থাকতে চাই।
[সংগৃহীত]

Want your school to be the top-listed School/college in Narail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Narail