Kids Go - Kids Learning Apps

Kids Go - Kids Learning Apps

Share

kids go - kids learning Apps is a kids educational app .

27/08/2022

কিছু কিছু মানুষ ভাগ্যকে নিজের হাতে গড়ে, আবার কারো কারো কাছে ভাগ্য আপনি এসে ধরা দেয়!

09/12/2021

একনজরে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপগুলো যেগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে।
১. xodo - পিডিএফ পড়ার জন্য, এটা খুব সুন্দর এবং সহজ একটা app।

২. Reddit- এখানে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।এটা একটা সামাজিক মাধ্যম। এটা অনেক লোকজন ব্যবহার করে। আমার কাছে কোরার পরে এর অবস্থান।

৩. Medium. এটা অনেকটা কোরার মত।

৪. google news- সবগুলো পত্রিকার একসাথে গুরুত্বপূর্ণ খবর দেখায়। বাংলা/English দুটোই আছে। খুব দ্রুত সারাদিনের খবর একসাথে দেখতে পেয়ে সময় বাচে।

৫. Home workout- বডির কোন অংশের জন্য কোন এক্সারসাইজ দরকার এবং সেটা ধারাবাহিক ভাবে আছে, আমরা এক্সারসাইজ করার জন্য অনেক প্লান করি কিন্তু হয়ে ওঠে না, বা কি কি এক্সারসাইজ করবো জানি না। যেহেতু ধারাবাহিকতা আছে তাই আমাকে ট্রেইনারের মত নির্দেশ প্রদান করে থাকেন। তাই এটা খুব কাজের।

৬.DIMS - এখানে ঔষধ সম্পর্কে তথ্য দেয়া,এবং মূল্য।কোন ঔষধের সাথে কোন ঔষধের সংবেদনশীল আছে কিনা ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং এটা কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে ইত্যাদি আছে।

৭.Roar bangla- এটা আমার পছন্দের একটা এ্যপ।

৮.Google keep- গুরুত্বপূর্ণ নোট জমা রাখি। যখন যা লিখে রাখা দরকার লিখে রাখি।

৯. 10 minutes school - এখানে শেখার অনেক বড় ভান্ডার, অনেকেই জানেন।

১০.Hello English- খুব সহজভাবে ইংরেজী শেখা যায়।

আর একটা তথ্য দেই যদিও app না Healthline: Medical information and health advice you can trust. এখানে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনেক কিছু জানতে পারবেন।
যেহেতু কোরাতে লিখছি তাই কোরার কথা বলা অযৌক্তিক। নয়তো লিস্টে প্রথমে থাকতো।

ধন্যবাদ।

02/12/2021

# পোস্টটা মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ করছি 🙏

আমি প্রোগ্রামিং শুরু করেছিলাম ক্লাস ৯ এ থাকতে। ১৫ কি ১৬ বছর বয়সে নিজের কোম্পানি শুরু করেছিলাম। ২ বছরের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ, NBR, ICT Division সহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম।

বয়স ১৯ এর আগেই নিজের গাড়ি, অফিস সব হলো। আমাদের একটা অ্যাপ বাঁচিয়ে দিলো সরকারের ৩৫০ কোটি টাকা। দেশী বিদেশী বড় বড় Award সব পকেটে রাখতাম।

সেই সময়েই আমার জীবনে সব হারানোর মতো অভ্যাস তৈরি হয়ে যায়। অহংকার চলে আসে। আমি মানুষকে মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করতাম না। মনে হতো, আমিই বেস্ট। আমার কাছে ধারে কেউ আসতে পারবে না।

গাড়ি ছাড়া চায়ের দোকানেও যেতাম না। কিছুদিন পর পর দেশের বাইরে ট্যুর দিতাম। লাখ লাখ টাকা ফু দিয়ে উড়িয়ে চলে আসতাম। কিন্তু তখনো বুঝি নাই আমি কি করছি!

একে একে সব যেতে শুরু করে। কাছের মানুষগুলা ছেড়ে যায়। একদম নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ি। একে একে ব্যবসা বন্ধ হতে থাকে। অনলাইন ছাড়াও অফলাইনে অনেক টাকা ইনভেস্ট করা ছিলো, রেস্টুরেন্ট ছিলো। খুব নাটকীয় কায়দায় সব চলে যায়। এই সবকিছু ঘটে প্রায় একই সময়ের দিকে। আমি খুবই অবাক হয়েছিলাম এটা ভেবে যে, জীবন এতো নাটকীয় হয় কি করে!!

এই সময়ে জীবন থেকে একটা জিনিসই শিখেছিলাম যে, যতো বড় কিছুই করি কখনো অহংকার করা যাবে না। এক বিন্দু অহংকারও মুহুর্তে সব কেড়ে নিতে পারে।

এই গ্রুপে অনেকেই ভালো করা শুরু করেছেন, টাকাও আর্নিং হচ্ছে অনেকের। আপনাদের হাত ধরেই মিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ হবে, বিলিভ মি। এই একটা কথা মনে রাখবেন ভাই ব্রাদার্স, এক বিন্দু অহংকার যেনো আপনার মধ্যে না আসে, আসলেই আপনি শেষ। আমি লিখে দিতে পারবো।

যাইহোক, একবার খুব বেশি মন খারাপ হয়েছিলো…

মনে হলো সব ছেড়ে ছুড়ে কোথাও চলে যাবো। কোন এক দ্বীপে। যেখানে তেমন কোন প্রযুক্তি নেই। কেউ আমাকে জিগ্যেস করবে না কিছু। জেলেদের সাথে মিলে যাবো। মাছ ধরবো নদীতে। একদম শুনশান সমুদ্রের পাড়ে বসে থাকবো। কাউকে কিছু বুঝতে দিবো না, আমার কতো স্বপ্ন ছিলো…

স্বপ্নগুলো এমনই! খুব অভিমানী হয়!

সবাই শুধু সফলতাই দেখে, ভেতরের স্ট্রাগল গুলা কেউ জানতে পারে না। জানতেও চায়না। সেদিন সত্যি সত্যি যদি মন খারাপ করে সেই দ্বীপে চলে যেতাম,হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই সবাই ভুলে যেতো যেতেন আমাকে।কিন্তু আমি যাইনি। যাইহোক আমি যখন শুন্য থেকে আবার শুরু করেছিলাম, overcome করতে সময় লেগেছিলো জাস্ট ৩ মাস।

আগে যে অ্যাচিভমেন্ট আসতে এক বছর টাইম লাগতো এখন তা হয় ১ মাসে। দুর্বার গতি। এক জীবনের সাধনা আর পরিশ্রম বৃথা যেতে পারে না।

ভালো থাকবেন সবাই।

Want your business to be the top-listed Shop in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Binodpur
Rajshahi