ICT Solve Point
ICT Preparation for HSC
25/12/2023
বুলিয়ান অ্যালজেবরা (Boolean Algebra):
বুলিয়ান অ্যালজেবরার উদ্ভাবক হলেন ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুলি (George Boole)। ১৮৫৪ সালে জর্জ বুলি সর্বপ্রম আবিষ্কার করেন যে, গণিত ও যুক্তির মধ্যে সুস্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। গণিত ও যুক্তির যোগসূত্র প্রমাণের জন্য গেইট ও যুক্তি বর্তনী ব্যবহার করা হয়। জর্জ বুলি “Mathematics of logic” নামে তাঁর গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করেন। ঐ গবেষণা গ্রন্থে যুক্তির যে ধারণা পাওয়া যায় তার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠলো নতুন অ্যালজেবরা। তাঁর নাম অনুসারে এ অ্যালজেবরাকে নামকরণ করা হয় বুলিয়ান অ্যালজেবরা। এটি যুক্তি অ্যালজেবরা বা বুলিয়ান বীজগণিত নামেও পরিচিত।
16/12/2023
🛰️🛰 স্যাটেলাইট এর গঠন ও কার্যপদ্ধতি 🛰️🛰️
Satellite এর চারটি বেসিক উপাদান হল-Receiver, Receiver Antenna,Transmitter,Transmitter Antenna। এছাড়া ইলেক্ট্রিক যন্ত্র গুলি চালানোর জন্যে Solar Pannel এর মাধ্যমে পাওয়ার তৈরি করা হয়। প্রেরক যন্ত্র প্রায় 600 কোটি বা তার কাছাকাছি কম্পাংক বিশিষ্ট Micro-Wave সংকেত উপগ্রহে পাঠায়। উপগ্রহে যাওয়ার পর এই সংকেত অনেক ক্ষীন হয়ে পরে। উপগ্রহে অনেকগুলি ট্রান্সপোন্ডার থাকে ,যেগুলি এই ক্ষীন সংকেতকে পুনরায় রিলে করে 400 কোটি কম্পাংক বিশিষ্ট সংকেতে পরিনত করে পৃথিবীতে পাঠায়।
🛰️🛰️ স্যাটেলাইটের ব্যাবহারঃ
১। আবহাওয়া পর্যবেক্ষন।
২। অভ্যান্তরীণ নিরাপত্তা , প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ পর্যবেক্ষন।
৩। টিভি সিগন্যাল পাঠানোর কাজে ব্যাবহার করা হয়।
Wire-less Communication System
যে Communication System এ কোন তারের ব্যাবহার নেই, তাকে Wireless Communication System বলে।
মাধ্যামঃ
১।রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি।
২।মাইক্রোওয়েব ফ্রিকুয়েন্সি।
৩।ইনফ্রারেড।
প্রোয়োগঃ
১। মোবাইল টেলিফোন, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ,সেলুলার ডাটা সার্ভিস।
২। বিদুৎ শক্তি স্থানান্তর করা।
প্রয়োজনীয়তাঃ
১।দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্যে প্রয়োজন।
২।চলমান অবস্থায় ডাটা স্থানান্তর এর জন্যে।
৩।তার দিয়ে সংযোগ প্রদানে বিল্ডিং এর ক্ষতি হয়, এই ক্ষতি রোধ করার জন্যে wireless system দরকার।
৫।উড়োজাহাজে এই কমিউনিকেশন System ব্যাবহার করা হয়।
৬।গবেষনা কাজে নমুনা সংগ্রহে ব্যাবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ দুটি সংখ্যার মধ্যে গসাগু নির্ণয়ের জন্য অ্যালগরিদম লিখ?
ধাপ-১ প্রোগ্রাম শুরু করি।
ধাপ-২ ইনপুট a, b গ্রহণ করি।
ধাপ-৩ a
🎯 সংখ্যা পদ্ধতি 🎯
১. দশ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিকে বলে – ডেসিম্যাল।
২. বর্তমান বিশ্বে সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে – স্থানিক সংখ্যা পদ্ধতি ।
৩. সংখ্যা পদ্ধতি প্রধানত দু'ধরনের
৪. বেজ-এর ওপর ভিত্তি করে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি – ৪ প্রকার।
৫. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন – গটফ্রিজ লিবনিজ।
৬. কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ হয়— বাইনারি পদ্ধতিতে
৭. অস্থানিক সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ হলো – হায়ারোগ্লিফিক্স।
৮. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে র্যাডিক্স পয়েন্টকে বলা হয় - বাইনারি পয়েন্ট।
৯. হেক্সাডেসিম্যালের 16টি অংক হচ্ছে – 0, 1, 2, 3, 9, A, B, C, D, E, F
১০. কম্পিউটারে UNIX অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত
হয় – অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি ।
১১. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রতীক হলো 0,1।
১২. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হলো – ৭।
১৩. হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতির বড় সংখ্যাটি হলো – F বা 15।
rainbowacademybd.com
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Address
Rangpur Division