Genius Shops
Genius Shops: Smart solutions for busy parents, providing everything your baby needs, all in one place Shop with confidence. Shop with love. Shop with Genius.
15/10/2025
বিস্তারিত কমেন্টে......
14/10/2025
বিস্তারিত কমেন্টে
13/10/2025
গর্ভাবস্থায় প্রতিটি নারীর শরীরে কিছু না কিছু শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, যা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। সন্তান জন্মের পর শরীর ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরতে শুরু করলেও কিছু পরিবর্তন স্থায়ী হয়ে যেতে পারে। প্রসবের পর অক্সিটোসিন হরমোন জরায়ুকে সংকুচিত করতে সাহায্য করে, কিন্তু ওজন, স্ট্রেচ মার্ক, বা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা অনেক সময় থেকেই যায়।
নিচে গর্ভাবস্থায় সাধারণত যেসব শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, তা তুলে ধরা হলো-
শারীরিক পরিবর্তনসমূহ
হাড় ও সংযোগস্থল:
গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরের হাড়ের সংযোগস্থল কিছুটা ঢিলা হয়ে যায়, ফলে অনেক সময় সংযোগস্থলে ব্যথা হয়।
পিঠের ব্যথা:
পেট ভারী হওয়া ও সামনের দিকে শরীরের ভারসাম্য বেড়ে যাওয়ার কারণে পিঠের হাড়ে চাপ পড়ে এবং ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস:
অনেক নারীর রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়, যাকে বলা হয় গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। সাধারণত সন্তান জন্মের পর এটি কমে যায় বা সেরে যায়।
দাঁত ও মাড়ির সমস্যা:
দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া, ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়া বা ব্যথা হতে পারে।
প্রস্রাবের চাপ বৃদ্ধি:
জরায়ুর আকার বড় হওয়ায় মূত্রথলিতে চাপ পড়ে, ফলে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন অনুভূত হয়।
শ্বাসকষ্ট:
জরায়ু বড় হয়ে ফুসফুসের জায়গা কমে যাওয়ায় শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে।
রক্তশূন্যতা:
শরীরে আয়রনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
পা ফোলা:
শরীরে তরল পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে পায়ে পানি জমে ফোলাভাব হতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ:
অনেক নারীর গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।
স্তনের পরিবর্তন:
হরমোনের প্রভাবে স্তন আকারে বড় হয়, স্তনবৃন্তের আশপাশ গাঢ় হয়ে ওঠে এবং শিশুকে খাওয়ানোর জন্য স্তন প্রস্তুত হতে থাকে। অনেক সময় স্তনে ব্যথাও হতে পারে।
🧠 মানসিক পরিবর্তন
শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তনও দেখা যায়। এই সময়ে নারীরা অনেক আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন —
উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা, মন খারাপ বা রাগ
মেজাজের ঘন ঘন পরিবর্তন
হঠাৎ কান্না পাওয়া বা বিরক্ত হয়ে যাওয়া
এই পরিবর্তনগুলো সাধারণ এবং হরমোনগত ভারসাম্যের কারণে ঘটে। পরিবারের সহানুভূতি, বিশ্রাম, ও সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ এই সময়টিকে সহজ করে তুলতে সাহায্য করে।
©All Samadhan
09/10/2025
শিশুদের স্ক্রিন টাইম: মস্তিষ্কের ওপর কতটা প্রভাব? 🤔
স্ক্রিন টাইম নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ নতুন নয়, কিন্তু এটি শিশুদের মস্তিষ্কে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলে? বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এই নিয়ে বিতর্ক করছেন।
বিশ্বখ্যাত স্নায়ুবিজ্ঞানী ব্যারোনেস সুসান গ্রিনফিল্ডের মতে, ইন্টারনেট ও কম্পিউটার গেম কিশোরদের মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। তিনি একে একসময় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায়ের সাথেও তুলনা করেছিলেন।
বিজ্ঞান যা বলছে
তবে, অনেক বিজ্ঞানীই এই দাবির সাথে একমত নন:
প্রমাণের অভাব: ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনফিল্ডের দাবিগুলো "প্রমাণভিত্তিক নিরপেক্ষ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে ছিল না"।
মানসিক স্বাস্থ্যে সামান্য প্রভাব: আমেরিকান সাইকোলজি অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক বিশ্লেষিত ৩৩টি গবেষণা অনুসারে, স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া ও ভিডিও গেমের মতো স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় খুব সামান্যই ভূমিকা রাখে।
ঘুমের বিষয়ে নতুন তথ্য: যদিও ব্লু লাইট মেলাটোনিন (ঘুমের হরমোন) দমন করতে পারে বলে মনে করা হয়, তবে ২০২৪ সালের ১১টি গবেষণার এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঘুমের আগের এক ঘণ্টা স্ক্রিনের আলো ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়—এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি।
মনোবিজ্ঞানীর মত: বাথ স্পা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিট এটচেলস, যিনি বহু গবেষণা বিশ্লেষণ করেছেন, তার মতে, "স্ক্রিন টাইমের ভয়াবহ ফলাফল নিয়ে যেসব গল্প বলা হয়, তা সমর্থন করার জন্য যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আসলে নেই।" তিনি বলেন, বিষণ্নতা বা উদ্বেগের মূল কারণ হতে পারে একাকীত্ব, শুধুমাত্র স্ক্রিন টাইম নয়।
স্নায়ুবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ
স্ক্রিন 'মস্তিষ্ককে নতুনভাবে গঠন' করে? অধ্যাপক এটচেলস বলেন, "সবকিছুই মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে, এভাবেই মানুষ শেখে।"
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী ১১,৫০০ শিশুর ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা যায়, স্ক্রিন ব্যবহারের ধরনে মস্তিষ্কের সংযোগে পরিবর্তন এলেও, এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি বা বুদ্ধিগত সমস্যার কোনো প্রমাণ মেলেনি।
অধ্যাপক ক্রিস চেম্বার্স বলেন, "যদি মস্তিষ্কের অবনতি ঘটত, তাহলে সেটা স্পষ্টভাবে বোঝা যেত। গত ১৫ বছরের গবেষণাগুলো দেখলেই সেটা ধরা পড়ত।"
চিন্তার বিষয়: 'নিষিদ্ধ ফল' 🍎
অ্যাপলের সাবেক সিইও স্টিভ জবস এবং বিল গেটসও নিজেদের সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমারেখা টেনে দিয়েছিলেন।
কেউ কেউ মনে করেন, স্ক্রিন টাইম যত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, তা স্ক্রিনকে 'নিষিদ্ধ ফলের' মতো আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে।
অন্যদিকে, সান ডিয়েগো স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জিন টোয়েনজি মনে করেন, ১৬ বছরের আগে স্মার্টফোন থেকে শিশুদের দূরে রাখা উচিত, কারণ এ সময় তাদের মস্তিষ্ক বেশি পরিপক্ব ও বিকশিত হয়।
ডেনমার্কের এক গবেষণায় স্ক্রিন টাইম কমানোয় শিশু-কিশোরদের মানসিক উপসর্গ ও আচরণে ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে।
তাহলে কী করবেন অভিভাবকরা?
বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা নেই। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস বা যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব পেডিয়াট্রিকস কোনো নির্দিষ্ট স্ক্রিন টাইম বেঁধে দেয়নি (যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক বছর বয়স পর্যন্ত স্ক্রিন টাইম 'না' এবং চার বছর পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা বলেছে)।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলোচনায় পক্ষপাত ও দোষারোপ না করে, বরং শিশুর অভিজ্ঞতা ও প্রকৃতির ওপর গুরুত্ব দিন। একা বা নেতিবাচক খবর দেখা (ডুমস্ক্রলিং) যেমন ক্ষতিকর হতে পারে, তেমনি বন্ধুদের সাথে অনলাইন যোগাযোগ বা শিক্ষামূলক কনটেন্ট হতে পারে উপকারী।
আসুন, জাজমেন্টাল না হয়ে, সন্তানের স্ক্রিন ব্যবহারের ধরন এবং সামগ্রিক সুস্থতার দিকে মনোযোগ দিই। প্রযুক্তির ব্যবহার হয়তো আটকানো যাবে না, কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।
আপনার সন্তানের স্ক্রিন টাইম নিয়ে আপনার ভাবনা কী? কমেন্টে জানাতে পারেন! 👇
#স্ক্রিন_টাইম #শিশুদের_স্বাস্থ্য #মস্তিষ্ক #অভিভাবকত্ব #প্রযুক্তি #ডিজিটাল_সুস্থতা
07/10/2025
গত সেপ্টেম্বরে পীরগাছা উপজেলায় ৮ জন রোগী অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। আরও দুই উপজেলায় সন্দেহভাজন রোগী রয়েছেন। অ্যানথ্রাক্স জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলতে পারে।
কীভাবে ছড়ায়ঃ
মূলত আক্রান্ত গবাদিপশু বা তাদের মাংস, রক্ত ও চামড়ার মাধ্যমে।
মাটিতেও জীবাণু থাকতে পারে।
মানুষের হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এটি ছড়ায় না।
ত্বকে কোনো ক্ষত থাকলে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।
উপসর্গঃ
খাদ্যজনিত: বমিভাব, পেটব্যথা, রক্তবমি, জ্বর, মাথাব্যথা
শ্বাসজনিত: গলাব্যথা, ক্লান্তি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, রক্তসহ কফ
ত্বকজনিত: পোকার কামড়ের মতো ফোলা ক্ষত, কালো দাগ, চুলকানি, জ্বর
প্রতিরোধঃ
মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ করে খাওয়ুন।
কাঁচা মাংস নাড়াচাড়া করার সময় গ্লাভস ব্যবহার করুন।
গবাদিপশুকে নিয়মিত টিকা দিন।
অসুস্থ পশুর মাংস খাওয়া বা ছোঁয়া থেকে বিরত থাকুন।
সচেতন থাকুন, দ্রুত চিকিৎসা নিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
5720
08/10/2025